Showing posts with label নবীদের জীবনী. Show all posts
Showing posts with label নবীদের জীবনী. Show all posts

Saturday, April 7, 2018

প্রশ্ন (৩৩/২৭৩) : হাউযে কাওছার কেবল কি আমাদের নবী (ছাঃ) প্রাপ্ত হবেন। না প্রত্যেক নবী-রাসূলই প্রাপ্ত হবেন এবং তা থেকে নিজ উম্মতদের পানি পান করাবেন?

প্রশ্ন (৩৩/২৭৩) : হাউযে কাওছার কেবল কি আমাদের নবী (ছাঃ) প্রাপ্ত হবেন। না প্রত্যেক নবী-রাসূলই প্রাপ্ত হবেন এবং তা থেকে নিজ উম্মতদের পানি পান করাবেন?

-আবুল কালাম
মাকলাহাট, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।


উত্তর : হাউয সকল নবী ও রাসূলকে প্রদান করা হবে। যাতে তারা হাশরের ময়দানে নিজ নিজ উম্মতকে পানি পান করাতে পারেন। তবে রাসূল (ছাঃ)-এর হাউয সবচেয়ে বড় হবে এবং তার নাম হবে হাউযে কাওছার। আল্লাহ বলেন, আমরা তোমাকে হাউযে কাওছার দান করেছি (কাওছার ১)। সামুরা বিন জুনদুব (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূল (ছাঃ) বলেন,

Monday, February 5, 2018

বিশ্ব মানবতার প্রতি মহানবীর ১০ অবদান

বিশ্ব মানবতার প্রতি মহানবীর ১০ অবদান 

সকল প্রশংসা কেবল নিখিল জগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক নবী ও রাসূলগণের সর্বশেষ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি।
অব্যাহতভাবে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর স্বেচ্ছা বিকৃতির প্রভাবে অমুসলিমদের কেউ কেউ বিশেষত পশ্চিমারা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানবতার জন্য কী উপস্থাপন করেছেন, মানবতার প্রতি তাঁর অবদান কী তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিশ্ববাসীর সামনে নবীয়ে রহমত বা দয়ার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঠিক পরিচয় তুলে ধরার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ ছাড়াও আমাদের নির্ধারিত কর্তব্যসমূহের একটি হলো বিস্তারিত ব্যাখ্যায় না গিয়ে এ প্রশ্নের জবাব দেয়া। নবীকুল শিরোমনি, নবী ও রাসূলগণের সর্বশেষ আমাদের মহানবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশ্বমানবতার জন্য কী উপহার নিয়ে এসেছেন তা সংক্ষেপে তুলে ধরা। নিচে দশটি পয়েন্টে ভাগ করে আমরা সে বিষয়টিই আলোচনার প্রয়াস পাব :

প্রশ্নোত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনী

প্রশ্নোত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনী
ডাউনলোড (পিডিএফ)
১. প্রশ্নঃ আমাদের প্রিয় নবীজীর নাম কি?
উত্তরঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।
২. প্রশ্নঃ তাঁর পিতা- মাতা ও দাদার নাম কি?
উত্তরঃ পিতাঃ আবদুল্লাহ, মাতাঃ আমেনা, দাদাঃ আবদুল মুত্তালিব।
৩. প্রশ্নঃ তাঁর দুধমাতার নাম কি?

Sunday, February 4, 2018

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

بسم الله الرحمن الرحيم
 
ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি পরিপূর্ণতার গুণাবলী দ্বারা অনুগ্রহ করেছেন এবং তাদের একের উপর অন্যের মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন; যাতে তাদেরকে পরীক্ষা করা যায় সেসব বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে, যা থেকে তাদেরকে দেয়া হয়েছে; আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোন হক ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, তার রয়েছে বিরাট রাজত্ব, আর তিনি সুউচ্চ; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাঁকে প্রেরণ করা হয়েছে সর্বোত্তম চরিত্র ও সুন্দর কর্মের পরিপূর্ণতা বিধান করার জন্য; রাত-দিন আল্লাহ রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন তাঁর প্রতি, তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি, তাঁর সাহাবীগণের প্রতি এবং তাঁদের সর্বোত্তম অনুসরণকারী তাবে‘য়ীগণের প্রতি …।
অতঃপর:
আল্লাহ তা‘আলা মহান রিসালাতের দায়িত্ব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অর্পণ করেছেন; আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চরিত্

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চরিত্

তিনি সর্বাপেক্ষা নির্ভীক ও সাহসী ছিলেন ।
    • তিনি সর্বাপেক্ষা দানবীর ছিলেন ।
  • কখনো কোন জিনিস চাওয়া হলে তিনি না করেননি ।
  • তিনি সর্বাপেক্ষা ধৈর্যশীল ছিলেন ।
  • নিজের জন্য কোন প্রতিশোধ নেননি ।
  • নিজের স্বার্থের জন্য কখনো রাগান্বিত হননি । তবে হ্যাঁ, আল্লাহর হুকুম -বিধান লঙ্ঘণ করা হলে আল্লাহর নিমিত্তেই প্রতিশোধ নিয়েছেন।
    • অধিকারের ব্যাপারে তাঁর নিকটে আত্মীয়- অনাত্মীয়, দুর্বল, সবল সমান ছিল।

নবী সঃ এর ইন্তেকাল : এক রিদয় বিদারক ঘটনা !

নবী সঃ এর ইন্তেকাল : এক রিদয় বিদারক ঘটনা !


এই পোস্টে যে সকল বিষয় আলোচিত হয়েছে সেগুলো হল: ১) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিদায়ের পূর্বাভাষ।২) অসুখের সূচনা।৩) মৃত্যুর পূর্বে ওছীয়ত।৪) জীবনের শেষ দিন।৫) মৃত্যুর পূর্বক্ষণ।৬) গোসল ও দাফন ও জানাযা।৭) শেষ কথা। এবার উক্ত পয়েন্টগুলোর ধারাবাহিক আলোচনায় আসা যাক। ১) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিদায়ের পূর্বাভাষ: নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দাওয়াতী জীবন পূর্ণ হয়ে গেল। ইহকাল থেকে বিদায়ের নিদর্শন সমূহ তাঁর কাছে প্রতিভাত হতে লাগল। তিনি তা অনুভবও করতে লাগলেন। দশম হিজরী সনের রামাযান মাসে তিনি বিশ দিন ইতেকাফ করলেন। অথচ তিনি আগে মাত্র দশদিন ইতেকাফ করতেন। জিবরীল (আঃ) তাঁকে সাথে নিয়ে কুরআন দুই বার অধ্যায়ন করেন। বিদায় হজ্জে তিনি বলেনঃ “জানিনা,

রাসুলুল্লাহ সঃ এর জীবনী

নবী জীবনী

মুর্তি পূজাই ছিল আরব দেশে প্রচলিত ধর্ম। সত্য ধর্মের পরিপন্থী এ ধরনের মূর্তিপূজাবাদ অবলম্বন করার কারণে তাদরে এ যুগকে আইয়্যামে জাহেলিয়াত তথা মুর্খতার যুগ বলা হয়। লাত, উযযা, মানাত ও হুবল ছিল তাদের প্রসিদ্ধ উপাস্যগুলোর অন্যতম। আরবের কিছু লোক ইয়াহূদী বা খৃষ্টান ধর্ম বা অগ্নি পুজকদের ধর্ম গ্রহণ করেছিল। আবার স্বল্প সংখ্যক লোক ছিল যারা ইবরাহিম আলাইহিস সালাম এর প্রদর্শিত পথে ছিল অবিচল, আঁকড়ে ধরেছিল তাঁর আদর্শ। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বেদুঈনরা সম্পূর্ণভাবে পশু সম্পদের উপর নির্ভর করত। আর নগরবাসীদের নিকট অর্থনৈতিক জীবনেরও ভিত্তি ছিল কৃষি কাজ ও ব্যবসা-বাণিজ্য। ইসলাম আবির্ভাবের পূর্বে আরব দেশে মক্কাই ছিল বৃহত্তর বাণিজ্য নগরী। অন্যান্য বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নয়ন ও নাগরিক সভ্যতা ছিল। সামাজিক দিক দিয়ে যুলুম সবর্ত্র বিরাজমান ছিল, সেখানে দুর্বলের ছিলনা কোন অধিকার। কন্যা সন্তানকে জীবদ্দশায় দাফন করা হতো। মান-ইজ্জত ও সম্মানকে করা হতো পদদলিত। সবল দুর্বলের অধিকার হরণ করতো। বহুবিবাহ প্রথার কোন সীমা ছিল না। ব্যভিচার অবাধে চলতো। নগন্য ও তুচ্চ কারণে যুদ্ধের অগ্নিশিখা জ্বলে উঠতো। সংক্ষেপে বলতে গেলে-ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বে আরব দ্বীপের সার্বিক পরিস্থিতি এ ধরনের ভয়াবহই ছিল।

ইবনুয্‌যাবিহাঈন:

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলিঃ

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলিঃ

নবীজির চারিত্রিক গুণাবলি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সুন্দর আকৃতিবিশিষ্ট, সৌরভে সুবাসিত, গঠনে মধ্যম, দেহে সবল, মস্তক ছিল বড়,দাড়ি ছিল ঘন, হস্ত ও পদ-দ্বয় ছিল মাংসল,উভয় কাঁধ ছিল বড়, চেহারায় ছিল রক্তিম ছাপ, নেত্র দ্বয় ছিল কালো, চুল ছিল সরল, গণ্ড দ্বয় কোমল। চলার সময় ঝুঁকে চলতেন,
মনে হত যেন উঁচু স্থান হতে নিচুতে অবতরণ করছেন। যদি কোন দিকে ফিরতেন, পূর্ণ ফিরতেন। মুখমণ্ডলের
ঘাম সুঘ্রাণের কারণে মনে হত সিক্ত তাজা মুক্তো। তার উভয় কাঁধের মাঝখানে নবুয়তের মোহর ছিল্তঅর্থাৎ
সুন্দর চুল ঘেরা গোশতের একটি বাড়তি অংশ।

নবীজীর চরিত্র: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সুমহান, পূর্ণ ও শ্রেষ্ঠতর চরিত্রে সুসজ্জিত,
সবদিকে অতুলনীয়। মহান আল্লাহ বলেন :

Thursday, February 1, 2018

আদম ও হাওয়াকে একসঙ্গে সৃষ্টি না করার কারণ

প্রশ্ন: আমি জনৈক নাস্তিকের সাথে কথা বলছিলাম, সে আমাকে প্রশ্ন করে বলল: “আদম সৃষ্টির দীর্ঘ বিরতির পর কেন আল্লাহ হাওয়াকে সৃষ্টি করেছেন, অথচ তিনি জানতেন আদমের সঙ্গীর প্রয়োজন আছে? যদি তিনি সবকিছু জানেন, তাহলে কেন তাদের দু’জনকে একসঙ্গে সৃষ্টি করেননি”? আমাকে জানিয়ে বাধিত করবেন, যেন তার উত্তর দিতে পারি।
উত্তর: আল-হামদুলিল্লাহ।
প্রথমত: আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন যে, আল্লাহ যা চান তাই করেন, তাকে জবাবদিহি করা যায় না, তবে বান্দাদেরকে জবাবদিহি করা হবে। বান্দার অধিকার নেই রবকে প্রশ্ন করা, ‘কেন করেছেন’? ইমাম ইসহাক ইব্‌ন ইবরাহিম রহ. বলেন: “আল্লাহর কর্ম সম্পর্কে ঘাটাঘাটি করা যায় না, যেরূপ মানুষের কর্ম সম্পর্কে করা যায়। তিনি ইরশাদ করেন:

Wednesday, January 3, 2018

একটি ভিত্তিহীন কাহিনী : সুলাইমান আ. এর যিয়াফত, মায়্যেতের রূহ চল্লিশ দিন বাড়িতে আসা যাওয়া করা, খুৎবা চলাকালীন দান বাক্স চালানো

একটি ভিত্তিহীন কাহিনী : সুলাইমান আ. এর যিয়াফত

লোকমুখে প্রসিদ্ধ, হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম একবার আল্লাহকে বললেন, হে আল্লাহ আমি সকল সৃষ্টিজীবকে এক বছর খাওয়াতে চাই। আল্লাহ বললেন, হে সুলাইমান তুমি তা পারবে না। তখন সুলাইমান আলাইহিস সালাম বললেন, আল্লাহ! তাহলে এক সপ্তাহ। আল্লাহ বললেন, তুমি তাও পারবে না। সুলাইমান আলাইহিস সালাম বললেন, তাহলে একদিন। আল্লাহ বললেন, হে সুলাইমান তুমি তাও পারবে না। একপর্যায়ে আল্লাহ এক দিনের অনুমতি দিলেন। সুলাইমান আলাইহিস সালাম জিন ও মানুষকে হুকুম করলেন, পৃথিবীতে যত প্রকার খাদ্য শস্য আছে এবং হালাল যত প্রকার প্রাণী আছে সব হাযির কর। তারা তা করল। এরপর বিশাল বিশাল ডেগ তৈরী করা হল এবং রান্না করা হল। তারপর বাতাসকে আদেশ করা হল, সে যেন খাদ্যের উপর দিয়ে সদা প্রবাহিত হতে থাকে যাতে খাবার নষ্ট না হয়। তারপর খাবারগুলো সুবিস্তৃত যমিনে রাখা হল। যে যমিনে খাবার রাখা হল তার দৈর্ঘ্য ছিল দুই মাসের পথ। খাবার প্রস্ত্তত শেষ হলে আল্লাহ বললেন, হে সুলাইমান! কোন্ প্রাণী দিয়ে শুরু করবে? সুলাইমান আ. বললেন, সমুদ্রের প্রাণী দিয়ে। তখন আল্লাহ সাগরের একটি বড় মাছকে বললেন, যাও সুলাইমানের যিয়াফত খেয়ে

একটি ভুল ধারণা : আগের উম্মত কি নবীর মাধ্যম ছাড়া দুআ করতে পারত না?একটি ভুল ধারণা : মুহাররম মাসে বিবাহ করা কি অশুভ

আরেকটি ভুল ধারণা : আগের উম্মত কি নবীর মাধ্যম ছাড়া দুআ করতে পারত না?

কিছু মানুষের ধারণা আগের উম্মতগণ নবীর মাধ্যম ছাড়া সরাসরি আল্লাহর কাছে দুআ করতে পারত না। এটি একটি অমূলক ধারণা। কুরআন হাদীসে এর কোন ভিত্তি পাওয়া যায় না। বরং এর উল্টোটা পাওয়া যায়। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, (তরজমা) আমার বান্দাগণ যখন আপনার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, তখন (আপনি তাদেরকে বলুন যে,) আমি এত নিকটবর্তী যে, কেউ যখন আমাকে ডাকে আমি তার ডাক শুনি (তার ডাকে সাড়া দিই)- সূরা বাকারা ২:১৮৬
এ আয়াতে বর্তমান উম্মত ও পূর্ববর্তী উম্মতের মাঝে কোনো পার্থক্য করা হয়নি। এছাড়া পূর্ববর্তী উম্মতের সরাসরি দুআ করার নযীর কুরআনেই বিদ্যমান। এখানে কয়েকটি পেশ করা হল-

Sunday, December 24, 2017

হযরত শোয়াইব আঃ এর জীবনী

হযরত শোয়াইব আঃ এর জীবনী


হযরত শোআয়েব (আ:)১৩. হযরত শো‘আয়েব (আলাইহিসসালাম)সূচীপত্রহযরত শো‘আয়েব (আঃ)-এরদাওয়াতকওমে শো‘আয়েব-এর ধর্মীয় ও সামাজিকঅবস্থা এবং দাওয়াতের সারমর্মশো‘আয়েব (আঃ)-এরদাওয়াতের ফলশ্রুতিশিক্ষণীয় বিষয় সমূহআহলেমাদইয়ানের উপরে আপতিত গযবের বিবরণ।আল্লাহরগযবে ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রধান ৬টি প্রাচীন জাতিরমধ্যেপঞ্চম জাতি হ’ল ‘আহলে মাদইয়ান’। ‘মাদইয়ান’হ’ল লূত সাগরের নিকটবর্তী সিরিয়া ও হিজাযেরসীমান্তবর্তী একটি জনপদের নাম। যা

Saturday, December 23, 2017

হযরত হুদ আঃ এর জীবনী

হযরত হুদ আঃ এর জীবনী


হযরত হূদ (আ:) জীবনি. হযরত হূদ(আলাইহিস সালাম)1.হূদ (আঃ)-এর পরিচয়2.হূদ (আঃ)-এর দাওয়াত3.কওমে ‘আদ-এর প্রতিহূদ (আঃ)-এর দাওয়াতের সারমর্ম1.হূদ (আঃ)-এর দাওয়াতের ফলশ্রুতি2.কওমে ‘আদ-এর উপরেআপতিত গযব-এর বিবরণ3.কওমে ‘আদ-এর ধ্বংসের প্রধান কারণ সমূহ4.শিক্ষণীয় বিষয় সমূহহূদ(আঃ)-এর পরিচয় :হযরত হূদ (আঃ) দুর্ধর্ষ ও শক্তিশালী ‘আদ জাতির প্রতি প্রেরিত হয়েছিলেন।আল্লাহর গযবে ধ্বংসপ্রাপ্ত বিশ্বের প্রধান ছয়টি জাতির মধ্যে কওমে নূহ-এর পরে কওমে‘আদ ছিল দ্বিতীয় জাতি। হূদ (আঃ) ছিলেন এদেরই বংশধর। ‘আদ ও ছামূদ ছিল নূহ (আঃ)-এর পুত্রসামের বংশধর এবং নূহের পঞ্চম অথবা

হযরত সুলাইমান আঃ এর জীবনী

হযরত সুলাইমান আঃ এর জীবনী


হযরত সোলায়মান (আ:)১৮. হযরত সুলায়মান (আলাইহিস সালাম)সূচীপত্র♦বাল্যকালে সুলায়মান♦সুলায়মানের বৈশিষ্ট্যসমূহ♦দু’টি সূক্ষ্মতত্ত্ব♦সুলায়মানের জীবনে উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী(১) ন্যায়বিচারের ঘটনা(২) পিপীলিকার ঘটনা(৩) ‘হুদহুদ’ পাখির ঘটনা(৪) রাণী বিলক্বীসের ঘটনা(৫) অশ্বকুরবানীর ঘটনা♦সিংহাসনের উপরে একটি নিষ্প্রাণ দেহ প্রাপ্তির ঘটনা(৭) ‘ইনশাআল্লাহ’ না বলারফল(৮) হারূত ও মারূত ফেরেশতাদ্বয়ের ঘটনা(৯) বায়তুল মুক্বাদ্দাস নির্মাণ ও সুলায়মান (আঃ)-এরমৃত্যুর বিস্ময়কর ঘটনা♦মৃত্যু কাহিনীর মধ্যে শিক্ষণীয় বিষয় সমূহ♦সংশয় নিরসন♦সুলায়মান(আঃ)-এর জীবনী থেকে

হযরত সালেহ আঃ এর জীবনী

হযরত সালেহ আঃ এর জীবনী


হযরত ছালেহ (আ:) জীবনিহযরত ছালেহ(আলাইহিস সালাম)1.কওমে ছামূদ-এর প্রতি হযরত ছালেহ (আঃ)-এর দাওয়াত2.ছালেহ(আঃ)-এর দাওয়াতের ফলশ্রুতি1.কওমে ছামূদ-এর উপরে আপতিত গযবের বিবরণ2.গযবেরধরন3.কওমে ছামূদ-এর ধ্বংস কাহিনীতে শিক্ষণীয় বিষয় সমূহ‘আদ জাতির ধ্বংসের প্রায় ৫০০বছরপরে হযরত ছালেহ (আঃ) কওমে ছামূদ-এর প্রতি নবী হিসাবে প্রেরিত হন।[1]কওমে‘আদ ও কওমে ছামূদ একই দাদা ‘ইরাম’-এর দু’টি বংশধারার নাম। এদের বংশ পরিচয় ইতিপূর্বে হূদ(আঃ)-এর আলোচনায় বিধৃত হয়েছে। কওমে ছামূদ আরবের উত্তর-পশ্চিম এলাকায় বসবাসকরত। তাদেরপ্রধান শহরের নাম ছিল ‘হিজ্র’ যা শামদেশ অর্থাৎ সিরিয়ার অন্তর্ভুক্ত ছিল।বর্তমানে

হযরত লূত আঃ এর জীবনী

হযরত লূত আঃ এর জীবনী


হযরত লূত (আঃ)৭. হযরত লূত (আলাইহিস সালাম)হযরত লূত (আঃ) ছিলেন হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর ভাতিজা। চাচার সাথে তিনিও জন্মভূমি ‘বাবেল’শহর থেকে হিজরত করে বায়তুল মুক্বাদ্দাসের অদূরে কেন‘আনে চলে আসেন।আল্লাহ লূত (আঃ)-কে নবুঅত দান করেন এবং কেন‘আন থেকে অল্প দূরে জর্ডান ওবায়তুল মুক্বাদ্দাসের মধ্যবর্তী ‘সাদূম’ অঞ্চলের অধিবাসীদের পথ প্রদর্শনের জন্যপ্রেরণ করেন। এএলাকায় সাদূম, আমূরা, দূমা, ছা‘বাহ ও ছা‘ওয়াহ [1] নামে বড় বড় পাঁচটি শহর ছিল।কুরআন মজীদ বিভিন্ন স্থানে এদের সমষ্টিকে ‘মু’তাফেকাহ’

হযরত যুল কিফল আঃ এর জীবনী

হযরত যুল কিফল আঃ এর জীবনী


হযরত যুল-কিফল (আ:) জীবনিহযরত যুল-কিফল(আলাইহিস সালাম)1.যুল-কিফলের জীবনে পরীক্ষা2.শিক্ষণীয় বিষয়3.সংশয় নিরসনপবিত্র কুরআনে কেবল সূরা আম্বিয়া ৮৫-৮৬ ও ছোয়াদ ৪৮ আয়াতে যুল-কিফলের নামএসেছে। তিনি আল-ইয়াসা‘-এর পরে নবী হন এবং ফিলিস্তীন অঞ্চলে বনু ইস্রাঈলগণেরমধ্যে তাওহীদের দাওয়াত দেন।আল্লাহ বলেন, ﻭَﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴْﻞَ ﻭَﺇِﺩْﺭِﻳْﺲَ ﻭَﺫَﺍ ﺍﻟْﻜِﻔْﻞِ ﻛُﻞٌّ ﻣِّﻦَﺍﻟﺼَّﺎﺑِﺮِﻳْﻦَ- ﻭَﺃَﺩْﺧَﻠْﻨَﺎﻫُﻢْ ﻓِﻲْ ﺭَﺣْﻤَﺘِﻨَﺎ ﺇِﻧَّﻬُﻢْ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺼَّﺎﻟِﺤِﻴْﻦَ – ‏)ﺍﻷﻧﺒﻴﺎﺀ ৮৫-৮৬(-‘আর তুমি স্মরণ করইসমাঈল, ইদরীস ও যুল-কিফলের কথা। তারা প্রত্যেকেই ছিল ছবরকারী’। ‘আমরাতাদেরকে আমাদের রহমতপ্রাপ্তদেরঅন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। তারা ছিল সৎকর্মশীলগণেরঅন্তর্ভুক্ত’(আম্বিয়া ২১/৮৫-৮৬)। অন্যত্র আল্লাহ বলেন,

হযরত মুসা ও হারুন আঃ এর জীবনী

হযরত মুসা ও হারুন আঃ এর জীবনী


হযরত মূসা ও হারূণ (আলাইহিমাস সালাম)সূচীপত্রফেরাঊনের পরিচয়বনু ইস্রাঈলেরপূর্ব ইতিহাসমূসা (আঃ)-এর পরিচয়মূসা ও ফেরাঊনের কাহিনীমূসা নদীতেনিক্ষিপ্ত হ’লেনযৌবনে মূসাযুবক মূসা খুনী হ’লেনমূসার পরীক্ষা সমূহনবুঅত-পূর্ব ১মপরীক্ষা : হত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া২য় পরীক্ষা : মাদিয়ানে হিজরতমাদিয়ানেরজীবন : বিবাহ ও সংসারপালন৩য় পরীক্ষা: মিসর অভিমুখে যাত্রা ও পথিমধ্যেনবুঅত লাভনয়টি নিদর্শনসিনাই হ’তে মিসরমূসার পাঁচটি দো‘আমূসা হ’লেনকালীমুল্লাহমূসা (আঃ)-এর মিসরে

হযরত নূহ আঃ এর জীবনী

হযরত নূহ আঃ এর জীবনী


. হযরত নূহ(আলাইহিস সালাম)1.নূহ (আঃ)-এরপরিচয়2.তৎকালীন সামাজিক ও ধর্মীয়অবস্থা3.স্বীয় কওমের প্রতি নূহ (আঃ)-এরদাওয়াত4.নূহ (আঃ)-এর বিরুদ্ধে পাঁচটি আপত্তি5.আপত্তিসমূহের জওয়াব1.নূহ (আঃ)-এর দাওয়াতেরফলশ্রুতি2.নূহের প্লাবন ও গযবের কুরআনীবিবরণ3.অন্যান্য বিবরণ4.নৌকার আরোহীগণ5.নূহ(আঃ)-এর জীবনী থেকে শিক্ষণীয় বিষয়সমূহআদম (আঃ) থেকে নূহ (আঃ) পর্যন্তদশশতাব্দীর ব্যবধান ছিল। যার শেষদিকেক্রমবর্ধমান মানবকুলে শিরক ও কুসংস্কারেরআবির্ভাব ঘটে এবং তা বিস্তৃতি লাভ করে। ফলে

হযরত দাউদ আঃ এর জীবনী

হযরত দাউদ আঃ এর জীবনী


হযরত দাঊদ (আ:) জীবনিহযরত দাঊদ(আলাইহিস সালাম)1.জালূত ও তালূতের কাহিনী এবং দাঊদের বীরত্ব2.শিক্ষণীয়বিষয়3.দাঊদ (আঃ)-এর কাহিনী4.দাঊদ (আঃ)-এর বৈশিষ্ট্য সমূহ1.দাঊদ (আঃ)-এর জীবনেরস্মরণীয় ঘটনাবলী2.সংশয় নিরসন3.দাঊদ (আঃ)-এর জীবনীতে শিক্ষণীয় বিষয় সমূহবিপুলশক্তি ও রাষ্ট্রক্ষমতার অধিকারী নবী ছিলেন মাত্র দু’জন। তাঁরা হ’লেন পিতা ও পুত্র দাঊদ ওসুলায়মান (আঃ)। বর্তমান ফিলিস্তীন সহ সমগ্র ইরাক ও শাম (সিরিয়া) এলাকায় তাঁদের রাজত্ব ছিল।পৃথিবীর অতুলনীয় ক্ষমতার অধিকারী হয়েও তাঁরা ছিলেন সর্বদা আল্লাহর প্রতি অনুগত ওসদা কৃতজ্ঞ। সেকারণ আল্লাহ তার শেষনবীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ