Showing posts with label দ্বীনের দাওয়াত. Show all posts
Showing posts with label দ্বীনের দাওয়াত. Show all posts

Saturday, February 17, 2018

দাওয়াতি কাজের উদ্দেশ্যে মহিলাদের নিজ বাড়ি ছেড়ে দুরে গমন করার বিধান কি ?


দাওয়াতি কাজের উদ্দেশ্যে মহিলাদের নিজ বাড়ি ছেড়ে দুরে গমন করার বিধান
▪▪▪▪▪▪▪▪▪
প্রশ্ন: মেয়েরা যে বিভিন্ন হালাকায় বসে তা কি জায়েয? একজন বললেন যে, আয়িশা (রা), খাদিজা (রা) ওনারা কখনও এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় গিয়ে দাওয়াত দিতেন না। অনেক সময় পাশের জেলা বা আশে-পাশে কোথাও মেয়েরা কি দাওয়াতি কাজের উদ্দেশ্যে যেতে পারে? এক্ষেত্রে কি মাহরাম সাথে থাকা আবশ্যক? দেখা যায়, যে এসব মেয়েলি প্রোগ্রামে ছেলে মানুষ থাকাতেও সমস্যা আর দূরত্বও তো একদিন একরাতের সমান নয়।
উত্তর:

Monday, February 5, 2018

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য-সমর্থন করার ১০০উপায়

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে
সাহায্য-সমর্থন করার ১০০উপায়
প্রিয় পাঠক ও পাঠিকা, আপনাদের কারো অজানা নয়
যে, কাফের সম্প্রদায় কখনো ইসলাম নিয়ে,
কখনো মুসলমানদের নিয়ে কখনো নবী মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিয়ে আবার
কখনো ইসলামে বিশেষ কোন দিক নিয়ে
আক্রমণাত্মক, ব্যাঙ্গাক্তক ও উস্কানি মূলক কার্যক্রম
পরিচালনা করে থাকে। সম্প্রতি আমেরিকায় নবী
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও ইসলাম নিয়ে
ব্যঙ্গাক্ত ফ্লিম তৈরি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে
আমরা কিভাবে নবী সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে
সাহায্য ও সমর্থন করতে পরি এ প্রবন্ধে সে
ব্যাপারে একশটি উপায় তা আলোচনা করা হয়েছে।
সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

Monday, January 29, 2018

সৎ কাজ এর আদেশ অসৎ কাজর নিষেধঃ ইসলামে দাওয়াত এর গুরুত্ব

সৎ কাজ এর আদেশ অসৎ কাজর নিষেধ

ইসলামে দাওয়াত এর গুরুত্ব

*****বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম*****
আজ আমি আপানাদের প্রতি এমন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলব
যে বিষয় নিয়ে মুসলিমদের ২% লোকও হয়তো ভাবে না।
সেটা হলঃ দাওয়াহ। মানুষকে আল্লাহ্র পথে আহ্বান করা।
এই কাজটির গুরুত্ব কতটুকু?
আমি নিজে তো ইসলামের বিধি-বিধান, আল্লাহ্র সকল হুকুম-
আহকাম মেনে চললাম কিন্তু আমার পাশের ভাইয়ের আল্লাহ্
গোলামী সম্পর্কে কোন সঠিক ধারণা নেই, সে এটাও
জানেনা কেন তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে? ফলে সে ইসলামের বিধি-

Sunday, January 28, 2018

ফেসবুক ব্যবহারে কিছু ইসলামী নির্দেশনা

ফেসবুক ব্যবহারে কিছু ইসলামী নির্দেশনা
ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় প্রতিটি মানুষই এখন কম-বেশি ফেসবুক ব্যবহার করেন। ফেসবুক এখন পৃথিবীর অন্যতম আলোচিত বিষয়। ফেসবুক এ জগতের এক নতুন শক্তির নাম। এর মাধ্যমে কোনো দেশে বিপ্লব সাধিত হচ্ছে। কোথাওবা সরকারের গদি টালমাটাল হচ্ছে। আবার এর মাধ্যমে দুষ্কৃতিকারীরা মিথ্যা ছড়িয়ে দিচ্ছে। অশ্লীলতা ও নগ্নতাকে সহনীয় করে তুলছে। তরুণ প্রজন্মের অনেকের কাছেই আজ এই ফেসবুক এক আফিমের মতো। পৃথিবী জুড়ে অসংখ্য তরুণ-তরুণী এর মাধ্যমে অবৈধ সম্পর্ক গড়ছে এবং মিথ্যার রাজত্ব কায়েম করছে।
তেমনি

ফেসবুক হোক দাওয়াতের বাতায়ন

ফেসবুক হোক দাওয়াতের বাতায়ন
ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় প্রতিটি মানুষই এখন কম-
বেশি ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের সাইট
ব্যবহার করেন। কেবল পাশ্চাত্য বিশ্বই নয়, আমাদের দেশেও
সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষত ফেসবুকের বিস্তার
ব্যাপক। ফেসবুক এখন পৃথিবীর অন্যতম আলোচিত মিডিয়া। এক নতুন
শক্তির নাম ফেসবুক। ফেসবুক নিয়ে আলোচনা আছে,
আছে সমালোচনাও। এর নেতিবাচক ব্যবহার যেমন বাড়ছে,

Friday, January 26, 2018

দীন প্রচারে ইন্টারনেট : সময়ের দাবি

দীন প্রচারে ইন্টারনেট : সময়ের দাবি
(ক)
গত বছর ঢাকার মালিবাগ জামিয়ার ৩০ সালা সমাবর্তন
অনুষ্ঠানে এক মার্কিন বাঙালী মুসলিমের সঙ্গে
আমার সাক্ষাৎ হয়। সাইদ নামের এই সৌম্য-ভদ্র মিষ্টি
চেহারার তরুণটি পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। বাবা-মা’র জন্ম
বাংলাদেশে হলেও একজন আমেরিকান হিসেবেই
তার জন্ম। অন্য দশজন মার্কিন শিশুর মতই তিনি বড় হন
ইসলামের নাম-নিশানাহীন সেক্যুলার পরিবেশে।
নিজের বাবা-মাকেও দেখেন তিনি অন্য শিশুদের
বাবা-মা’র অনুরূপ। ফলে ইসলাম কী বা মুসলিম আর
অমুসলিমের মধ্যে তফাৎ কোথায়- সে ব্যাপারে
তিনি কোনো ধারণাই পান নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে

Thursday, January 25, 2018

কিভাবে ইসলাম প্রচার করবেন?

কিভাবে ইসলাম প্রচার করবেন? অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ﻟَﺄَﻥْ ﻳَﻬْﺪِﻱَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻚَ ﺭَﺟُﻠًﺎ ﻭَﺍﺣِﺪًﺍ ﺧَﻴْﺮٌ ﻟَﻚَ ﻣِﻦْ ﺃَﻥْ ﻳَﻜُﻮﻥَ ﻟَﻚَ ﺣُﻤْﺮُ ﺍﻟﻨَّﻌَﻢِ “তোমার মাধ্যমে যদি আল্লাহ একজন লোককেও হেদায়েত দেন তবে তা তোমার জন্য একটি লাল উট পাওয়া থেকেও উত্তম।” (বুখারী ১২/৩৭) তিনি আরে বলেন: ﻣَﻦْ ﺩَﻋَﺎ ﺇِﻟَﻰ ﻫُﺪًﻯ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﻪُ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﺄَﺟْﺮِ ﻣِﺜْﻞُ ﺃُﺟُﻮﺭِ ﻣَﻦْ ﺗَﺒِﻌَﻪُ ﻟَﺎ ﻳَﻨْﻘُﺺُ ﺫَﻟِﻚَ ﻣِﻦْ ﺃُﺟُﻮﺭِﻫِﻢْ ﺷَﻴْﺌًﺎ “যে ব্যক্তি হেদায়েতের পথে আহবান করে সে ঐ পরিমাণ সওয়াবের অধিকারী হয় যে ব্যক্তি তদনুযায়ী আমল করে। কিন্তু এতে আহবানকারীর সওয়াব কমানো হয় না।” এ জন্য আপনার কর্তব্য হল, আপনার পরিচিত অমুসলিমদেরকে ইসলামের প্রতি আহবান জানান এবং দাওয়াতি কাজ শুরু করুন আপনার পিতা-মাতা, সন্তানাদি, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব ইত্যাদি পরিবার এবং নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমে। আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলেন:

Tuesday, January 23, 2018

ইসলাম প্রচারে অংশ গ্রহণ করতে চান? কিভাবে করবেন?

ইসলাম প্রচারে অংশ গ্রহণ করতে চান? কিভাবে করবেন?
আবদুল্লাহিল হাদী বিন আবদুল জলীল / 02/03/2011
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
ﻟَﺄَﻥْ ﻳَﻬْﺪِﻱَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻚَ ﺭَﺟُﻠًﺎ ﻭَﺍﺣِﺪًﺍ ﺧَﻴْﺮٌ
ﻟَﻚَ ﻣِﻦْ ﺃَﻧْﻴَﻜُﻮﻥَ ﻟَﻚَ ﺣُﻤْﺮُ ﺍﻟﻨَّﻌَﻢ
“তোমার মাধ্যমে যদি আল্লাহ একজন লোককেও হেদায়াত
দেন তবে তা তোমার জন্য একটি লাল উট পাওয়া থেকেও উত্তম।” (বুখারী
১২/৩৭)তিনি আরে বলেনঃ

ইন্টারনেট ঈমান, আখলাক ও বিবেক-বুদ্ধির পরীক্ষা

ইন্টারনেট ঈমান, আখলাক ও বিবেক-বুদ্ধির পরীক্ষা

এই পৃষ্ঠাগুলো ইন্টারনেট এবং ইন্টারনেটের শুভ ও কল্যাণকর ব্যবহার কীভাবে সম্ভব সে বিষয়ে কিছু ধারণার সন্নিবেশ। আশা করি এ প্রবন্ধে নিম্নবর্ণিত পয়েন্টগুলোর প্রতি আলোকপাত করতে সক্ষম হব:
১- ইন্টানেট একটি পরীক্ষা।
২- কীভাবে ইন্টারনেটের সদ্ব্যবহার সম্ভব।
৩- শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ থেকে সতর্কতা।
৪- সময় নির্দিষ্টকরণ ও উদ্দেশ্য নির্ণয়।
৫- শেষ ফলাফলের প্রতি দৃষ্টি।
৬- দৃষ্টি অবনত রাখা।
৭- নিশ্চিত হওয়া।
৮- ভেবে-চিন্তে অভিমত ব্যক্ত করা।

ইন্টারনেটে দাওয়াতীকাজের ১৬টি পদ্ধতি


ইন্টারনেটে দাওয়াতীকাজের ১৬টি পদ্ধতি
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
সম্মানিত বন্ধুগণ, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য
দ্বীন প্রচার করা আবশ্যক। প্রত্যেকেই তার
জ্ঞান, যোগ্যতা ও সাধ্যানুযায়ী দ্বীন প্রচারে
অংশ গ্রহণ করবেন। দ্বীন প্রচার করার জন্য
আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম আমাদেরকে আদেশ করেছেন এবং এ
জন্য অগণিত সোয়াবের কথা কুরআন-হাদীসে
বর্ণিত হয়েছে। যেমন, আল্লাহ তায়ালা বলেন:

Tuesday, January 16, 2018

দ্বীন কায়েম বলতে কী বুঝায় ?

দ্বীন কায়েম বলতে কী বুঝায় ?
Deen Kayem
দ্বীন কায়েমের ব্যাপারে আল্লাহ যে আয়াত
অবতীর্ণ করেছেন তা হল : তিনি তোমাদের
জন্যে নির্ধারণ করেছেন দ্বীন যার নির্দেশ
দিয়েছিলেন তিনি নূহকে আর যা আমি ওহী করেছিলাম
তোমাকে এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইবরাহীম, মূসা
ও ঈসাকে, এই বলে যে, তোমরা এই দ্বীনকে
কায়েম কর এবং ওতে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করো না। তুমি

Sunday, December 17, 2017

খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইসলামিক ওয়েবসাইট ও গ্রুপ।

খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইসলামিক ওয়েবসাইট ও গ্রুপ।

কুরআন ও সহীহ হাদীস ভিত্তিক ওয়েবসাইট গুলো ফলো করুন ।

1. www.hadithbd.com

2. www.quraneralo.com

3. www.preachingauthenticislmainbangla.blogspot.com

4. www.salafibd.wordpress.com

5. www.waytojannah.com

6. www.eshoallahorpothe.wordpress.com

7. islamijiggasa.wordpress.com

8. islamijiggasa.blogspot.com

9. www.islamhouse.com

10. https://islamqa.info/bn/

11. www.sotterdikeahobban.com


Group:

Saturday, December 16, 2017

ইসলাম প্রচারক ভাই! প্রথমে তাওহীদের দাওয়াত দিন

ইসলাম প্রচারক ভাই! প্রথমে তাওহীদের দাওয়াত দিন

 ভূমিকা
সকল প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এর জন্য, আমরা তারই প্রশংসা করি, তার নিকটই সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তার কাছেই ক্ষমা চাই। আর আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এর নিকট আমাদের অন্তরসমূহের অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি এবং খারাপ আমলের পরিণতি হতে আশ্রয় প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেবে তাকে গোমরাহ করার কেউ নাই আর আল্লাহ যাকে গোমরাহ করে তাকে সঠিক পথ দেখানোর কেউ নাই। আর আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্যিকার ইলাহ নাই। তিনি একক তার কোন শরিক নাই। আর আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তার রাসূল। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,

বিবেকবান অমুসলিম বন্ধুর প্রতি এ ক টি আহবান!

বিবেকবান অমুসলিম বন্ধুর প্রতি এ ক টি আ হ বা ন

সুপ্রিয় ভাই! এই পৃথিবীতে যত প্রকার লোক এবং যত প্রকার জাতি বসবাস করছে প্রায় সকলে এই
বিষয়ে একমত যে, আমাদের তথা দৃশ্যমান পৃথিবীর এক জন না এক জন সৃষ্টিকর্তা আছেন।
আর এই বিশ্বাসের যুক্তিও স্পষ্ট। কারণ,

Tuesday, October 17, 2017

দ্বীনের কোন কোন দাঈ দ্বীন মানতে ও মানাতে আবেগের সাথে কঠোরতা ও অতিরঞ্জন প্রদর্শন করে। এ ব্যাপারে দ্বীনের নির্দেশ কি?

দ্বীনের কোন কোন দাঈ দ্বীন মানতে ও মানাতে আবেগের সাথে কঠোরতা ও অতিরঞ্জন প্রদর্শন করে। এ ব্যাপারে দ্বীনের নির্দেশ কি?

দ্বীনের ব্যাপারে অতিরঞ্জন করা বৈধ নয়। আবেগ থাকা ভাল, তবে শরিয়তের লাগাম থাকা জরুরী। নচেৎ তার গতিবেগ তুফান তুলে সর্বনাশ ও সন্ত্রাস আনায়ন করতে পারে। এ জন্যই মহান আল্লাহ দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন।

“হে গ্রন্থধারিগন! তোমরা ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না এবং আল্লাহ সম্বন্ধে সত্য ছাড়া মিথ্যা বলো না।” (সুরা নিসাঃ১৭১)

“বল, ‘হে ঐশী গ্রন্থধারিগন! তোমরা তোমাদের ধর্ম সম্পর্কে বাড়াবাড়ি করো না এবং যে সম্প্রদায় ইতিপূর্বে পথভ্রষ্ট হয়েছে ও অনেকে পথভ্রষ্ট করেছে এবং সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তাদের খেয়াল খুশির অনুসরণ করো না।’  (সুরা মাইদাহঃ ৭৭ আয়াত)

অনুরূপ তিনি দ্বীন দুনিয়ার ব্যাপারে সীমা লঙ্ঘন করতেও নিষেধ করেছেন। তিনি তার নবী (সঃ) ও মুমিন বান্দাগণকে আদেশ দিয়ে বলেছেন,

“অতএব তুমি যেভাবে আদিষ্ট হয়েছ, সেইভাবে সুদৃঢ় থাক এবং সেই লোকেরাও যারা (কুফরি হতে) তওবা করে তোমার সাথে রয়েছে, আর সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয় তিনি তোমাদের কার্যকলাপ সম্যকভাবে প্রত্যক্ষ করেন। (সুরা হুদ ১১২ আয়াত)

মহানবী (সঃ) বলেছেন, “ তোমরা দ্বীনের ব্যাপারে অতিরঞ্জন করা থেকে দুরে থাকো। কারণ দ্বীনের ব্যাপারে অতিরঞ্জন তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেদের ধ্বংস করেছে।।” (আহমাদঃ ১৮৫৪, ইবনে মাজাহ ৩০২৯ নং, হাকেম প্রমুখ)

মহানবী (সঃ) দ্বীনের দাঈদেরকে বলেছেন, “তোমরা সহজ কর, কঠিন কর না। সুসংবাদ দাও, বীতশ্রদ্ধ করো না। পরস্পর মেনে মানিয়ে চল, মতবিরোধ করো না।” (বুখারি ৩০৩৮, মুসলিমঃ ৪৫২৬ নং)

“নিশ্চয় দ্বীন সহজ। যে ব্যক্তি অহেতুক দ্বীনকে কঠিন বানাবে, তার উপর দ্বীন জয়ী হয়ে যাবে। (অর্থাৎ মানুষ পরাজিত হয়ে আমল ছেড়ে দিবে।) সুতরাং তোমরা সোজা পথে থাক এবং (ইবাদতে) মধ্যমপন্থা অবলম্বন কর। তোমরা সুসংবাদ নাও। আর সকাল সন্ধ্যা ও রাতের কিছু অংশে ইবাদত করার মাধ্যমে সাহায্য নাও।” (বুখারি)

শতধা বিচ্ছিন্ন দলে দলে বিভক্ত মুসলিম সমাজে নব আলোকপ্রাপ্ত মুসলিম বা নও মুসলিমরা কোন দলে সামিল হবে?

শতধা বিচ্ছিন্ন দলে দলে বিভক্ত মুসলিম সমাজে নব আলোকপ্রাপ্ত মুসলিম বা নও মুসলিমরা কোন দলে সামিল হবে?

মহানবী (সঃ) বলেছেন, “ইয়াহুদি একাত্তর দলে এবং খ্রিস্টান বাহাত্তর দলে দ্বিধা বিভক্ত হয়েছে। আর এই উম্মত তিয়াত্তর দলে বিভক্ত হবে। যার মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সব কটি জাহান্নামে যাবে।” অতঃপর ওই একটি দল প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসিত হলে তিনি বলেন, “তারা হল জামাআত, যে জামাআত আমি ও আমার সাহাবা যে মতাদর্শের উপর আছি তার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে।” (সুনান আরবাআহ, মিশকাত ১৭১-১৭২। সিলসিলাহ সহিহাহ ২০৩, ১৪৯২ নং)

সুতরাং নব আলোকপ্রাপ্ত মুসলিম বা নও মুসলিমরা সেই দলে বা জামাআতে শামিল হবে, যে দলে নবী (সঃ) ও তার সাহাবাদের মতাদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত আছে। সব দলের দাবি একই হলে, জ্ঞান ও বিবেককে কাজে লাগিয়ে সঠিক দল অনুসন্ধান করা ওয়াজেব। যে দল সবার কথার উপর নবী (সঃ) এর কথাকে প্রাধান্য দেয়, যে দল কোন মাজহাবী তাকলিদে ফাঁসে না, কোন বুজুর্গের তাজিম ও তাকলিদে বাড়াবাড়ি করে না, সে দল কোন বিদআত ও বিদআতিকে প্রশ্রয় দেয় না, যে দল কোন শিরকের মৌন সমর্থনও করে না, যে দল গদির লোভে পাশ্চাত্য রাজনীতির গড্ডালিকা স্রোতে গা ভাসিয়ে দেয় না, যে দল কিতাব ও সহিহ সুন্নাহর উপর আমল করে, কোন জাল জইফ হাদিসকে ভিত্তি করে  আমল করে না ইত্যাদি। আর নিদর্শন আছে সেই হক পন্থি দলের, জ্ঞানী ও উদার মানুষের তা চিনতে ভুল হয় না। মহান আল্লাহ বলেছেন,

“ যারা তাগুতের পূজা হতে দুরে থাকে এবং আল্লাহর অনুরাগী হয়, তাদের জন্য আছে সুসংবাদ। অতএব সুসংবাদ দাও আমার দাসদেরকে--- যারা মনোযোগ সহকারে কথা শোনে এবং যা উত্তম তারই অনুসরণ করে। ওরাই তারা, যাদেরকে আল্লাহ সৎপথে পরিচালিত করেন এবং ওরাই বুদ্ধিমান।” (সূরা জুমার ১৭-১৮ আয়াত)

নিজের লোক উপদেশ গ্রহণ না করে যদি পাপে অবিচল থাকে, তাহলে কি তার সাথে পথ চলা যাবে?

নিজের লোক উপদেশ গ্রহণ না করে যদি পাপে অবিচল থাকে, তাহলে কি তার সাথে পথ চলা যাবে?

মন্দ কাজে বাধা দানের তিনটি ধাপ পার হলে তাঁর সাথে পথ চলা বর্জন করতে হবে, যদি মনে হয় যে, তাকে বর্জন করলে সে শিক্ষা ও উপদেশ নেবে। পক্ষান্তরে যদি মনে হয় যে, তাকে বর্জন করলে সে আরও খারাপ হয়ে যাবে, তাহলে বর্জন না করে যথাসাধ্য সংশোধনের চেষ্টা করে যেতে হবে এবং তাকে উপদেশ দেয়ার জন্য এমন দাঈ নির্বাচন করতে হবে, যিনি সম্ভবতঃ কৌশলে তার মনে পরিবর্তন আনতে পারবেন। আর হিদায়াত তো আল্লাহর হাতে। অবশ্য সে সময় তার সাথে বন্ধুত্ব বা আত্মীয়তা বজায় রাখা চলবে না। (ইবনে বাজ রহঃ)

দ্বীনের বিষয়ে কোন নির্দিষ্ট ইমাম বা আলেমের ‘তাকালিদ' অন্ধানুকরন করা বৈধ কি?

দ্বীনের বিষয়ে কোন নির্দিষ্ট ইমাম বা আলেমের ‘তাকালিদ' অন্ধানুকরন করা বৈধ কি?

দ্বীনের বিষয়ে কোন নির্দিষ্ট ইমাম বা আলেমের 'তাকালিদ' অন্ধানুকরন করা বৈধ নয়। যারা বলেন, চার মাজহাবের মধ্যে কোন এক মাজহাবের তাকালিদ করা ফরয, তাঁদের নিকট ‘ইজম’ ছাড়া কোন দলীল নেই। অথচ এ ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহর ‘ইজম’ (ঐকমত্য) হয়নি। পড়ন্ত আয়েম্মায়ে আরবাআহ তাঁদের তাকালিদ করতে নিষেধ করে গেছেন এবং প্রত্যকেই বলেছেন, “সহিহ হাদিস হলে, সেটাই আমার মাজহাব। তাঁরা নিজেরও কারও তাকালিদ করেননি। ইমাম শাফেয়ী ইমাম মালেকের ছাত্র, তিনি নিজ ওস্তাদের তাকালিদ করেননি।  ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল ইমাম শাফেয়ীর ছাত্র, তিনিও নিজ ওস্তাদের তাকালিদ করেননি। যেহেতু সঠিকার্থে তাকালিদ করতে হলে একমাত্র মহানবী (সঃ) এরই করতে হবে। মহান আল্লাহ বলেছেন,

“যে বিশ্বাসীগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস কর, তাহলে তোমরা আল্লাহর অনুগত হও, রাসুল ও তোমাদের নেতৃবর্গ (ও উলামা) দের অনুগত হও। আর যদি কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটে, তাহলে সে বিষয়কে আল্লাহ ও রাসুলের দিকে ফিরিয়ে দাও। এটিই হল উত্তম এবং পরিণামে প্রকৃষ্টতর । (নিসাঃ ৫৯)

তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ কর না কেন --- ওর মীগোশতা তো আল্লাহরই নিকট। (শূরাঃ ১০ )

তবে তাকালিদ বৈধ নয় বলেই যে সকলেই মুজতাহিদ হয়ে যাবে, তা নয়। যে মুজতাহিদ হতে পারবে না, সে মুজতাহিদ উলামাগনের ইত্তিবা করবে। যার মত কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর কাছাকাছি হবে, তার মতকে মেনে নেব। কোন নির্দিষ্ট আলেম বা ইমামের ইত্তিবা করবে না। প্রত্যেক ইমামের ফিকাহ থেকে উপকৃত হবে তালেব ইলম। যারা ফিকাহ সহিহ হাদিসের অনুসারী তারই ফিকাহকে গ্রহণ করে নেবে। যাদের ফিকাহ সহিহ হাদিস বিরোধী হবে, তাঁদের কোন অজুহাত অবশ্যই আছে। সুতরাং তাঁদের এবং সকল আহলে সুন্নাহর ইমামের নাম উল্লেখের সময় ‘রাহিমাহুল্লাহ’ বলবে। তাঁদের প্রতি কোন কুমন্তব্য করবে না। এরাই তো তাঁরা, যাদের ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেছেন,

“যারা তাগুতের পূজা  হতে দুরে থাক  এবং আল্লাহর অনুরাগী হয়, তাঁদের জন্য আছে সুসংবাদ। অতএব সুসংবাদ দাও আমার দাসদেরকে --- যারা মনোযোগ সহকারে কথা শোনে এবং উত্তম তার অনুসরণ করে। ওরাই তাঁরা, যাদেরকে আল্লাহ সৎপথে পরিচালিত করেন এবং ওরাই বুদ্ধিমান।”  (জুমারঃ ১৭-১৮)

http://www.hadithbd.com/shareqa.php?qa=2305

কোন মুফতি ফতোয়া দেওয়ার পর সেটা ‘ভুল ফতোয়া’ বলে জানতে পারলে তার কি করা উচিত?

কোন মুফতি ফতোয়া দেওয়ার পর সেটা ‘ভুল ফতোয়া’ বলে জানতে পারলে তার কি করা উচিত?

তার রুজূ করা উচিৎ এবং তাতে তার প্রেস্টিজ যাওয়ার ভয় করা অনুচিত। যেহেতু হক প্রকাশ পেলে হকের দিকে রুজূ করা মহান মানুষদের কাজ। সাধারণের কাছে ওজন হাল্কা হয়ে যাওয়ার ভয়ে ভুলের উপর অটল থাকা উদার মানুষের কাজ নয়। মহানবী (সঃ) হক বুঝতে পেরে হকের দিকে রুজূ করেছেন। একদা তিনি সাহাবাদেরকে দেখলেন, তারা খেজুর মোচার পরাগ-মিলন সাধন করেছেন, অর্থাৎ মাদা গাছের মোচা নিয়ে মাদী গাছের মোছার সাথে বেঁধে দিচ্ছেন। তিনি বললেন, “আমার মনে হয় ঐরূপ করাতে কোন লাভ নেই। ঐরূপ না করলেও খেজুর ফলবে।” তার মন্তব্য শুনে সাহাবাগন তা ত্যাগ করলেন। কিন্তু খেজুর ফলার সময় দেখা গেল, খেজুর পরিপুষ্ট হয়নি। ফলে তার ফলনও ভালো হয়নি। তিনি তা দেখে বললেন, “কি ব্যাপারে, তোমাদের খেজুরের ফলন নেই কেন?” তারা বললেন, যেহেতু আপনি পরাগ মিলন ঘটাতে নিষেধ করেছিলেন, সেহেতু তা না করার ফলে ফলন কম হয়েছে। তিনি বললেন, “আমি ওটা ধারনা করে বলেছিলাম। তোমরা তোমাদের পার্থব বিষয় সম্পর্কে অধিক জ্ঞান রাখ। অতএব তা ভালো হলে, তোমরা তা করতে পার।” (মুসলিম ২৩৬১-২৩৬৩ নং)

সাহাবা, তাবেঈন ও ইমামগণ হকের দিকে রুজূ করেছেন। দলীল বলিষ্ঠ দেখে নিজের রায় বদলে দিয়েছেন। তাতে তাদের কোন মানহানি হয়নি। কোন আলেমের হওয়ারও কথা নয়। (ইবনে বাজ)

দাওয়াতের কাজে আলেম ও বক্তার অর্থ গ্রহণ করা কি বৈধ?

দাওয়াতের কাজে আলেম ও বক্তার অর্থ গ্রহণ করা কি বৈধ?

দ্বীনী ইলম ও আমলের কোন কাজ দুনিয়া লাভের জন্য করা বৈধ নয়। যেহেতু আল্লাহর রাসুল (সঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি এমন কোন ইলম অনুসন্ধান করে যার দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, ওই ইলম যদি কোন পার্থিব বিষয় লাভের উদ্দেশ্যেই শিক্ষা করে থাকে, তবে সে কিয়ামতের দিন বেহেশতর সুগন্ধ টুকুও পাবে না।” (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, হাকেম, সহিহ তারগিব ৯৯ নং)

তবুও পেটের জন্য অর্থের প্রয়োজন আছে। সুতরাং আসল নিয়ত দাওয়াতের রেখে প্রয়োজন মতো অর্থ নেওয়া দূষণীয় নয়। সত্য কথা এই যে, আল্লাহর তওফিকের পর যদি অর্থ  না হত, তাহলে দাওয়াতের কাজে অগ্রগতি সহজ ছিল না। সুতরাং দ্বীনের দাঈ অর্থের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারলে দাওয়াতের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারবে। দাওয়াতের পথে অর্থ ব্যয় করতে পারলে দাওয়াত বড় ফলপ্রসূ হবে। তবে নিজ থেকে রেট বাঁধা ঠিক নয়।

উমার (রঃ) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সঃ) আমাকে দান দিতেন। কিন্তু আমি বলতাম, ‘আমার থেকে বেশী অভাবী মানুষকে দিন।’ তিনি বলতে, “তুমি তা নিয়ে নাও। যখন তোমার কাছে এই মাল আসে, আর তোমার মনে লোভ না থাকে এবং তুমি তা  যাচ্ঞা না করে থাক, তাহলে তা গ্রহণ কর এবং তা নিজের মালের সাথে মিলিয়ে নাও। অতঃপর তোমরা ইচ্ছা হলে তা খাও, নতুবা দান করে দাও। এ ছাড়া তোমার মনকে তাতে ফেলে রেখো না।”

সালেম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমার বলেন, ‘এ কারণেই (আমার আব্বা) আব্দুল্লাহ কারো কাছে কিছু চাইতেন না এবং তাঁকে কেউ কিছু দিতে চাইলে তা প্রত্যাখ্যান করতেন না। (বরং গ্রহণ করে নিতেন) (বুখারি, মুসলিম, নাসাই, সহিহ তারগিব ৫১০ পৃঃ

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ