Monday, November 20, 2017

পোশাকে ব্যবহৃত শরীয়ত বিরোধী শব্দের ব্যবহরের নমুনা

পোশাকে ব্যবহৃত শরীয়ত বিরোধী শব্দের ব্যবহরের নমুনা


Christmas- বড় দিন, খ্রিষ্টের জন্মদিন
Bible - বাইবেল
Vica - খ্রিষ্টান পল্লী-যাজক
Adulterer- ব্যভিচারী, লম্পট
Prustitue- ব্যভিচারী, লম্পট
Bastard- জারজ, জঘন্য
Xaint (ST-শিকার
Athirst- পিপাসিত, উদ্গ্রীব
Clergyman- ধর্মযাজক

৯। পরিহিত লেবাস (পায়জামা, প্যান্ট্, লুঙ্গি, কামীস প্রভৃতি) যেন পায়ের গোড়ালীর নিচে না যায়

৯। পরিহিত লেবাস (পায়জামা, প্যান্ট্, লুঙ্গি, কামীস প্রভৃতি) যেন পায়ের গোড়ালীর নিচে না যায়


মহানবী (সাঃ) বলেন,

مَا أَسْفَلَ مِنْ الْكَعْبَيْنِ مِنْ الْإِزَارِ فَفِي النَّارِ

‘‘গোড়ালীর নিচের অংশ লুঙ্গির (অঙ্গ) জাহান্নামে।’’[1] ‘‘মু’মিনের লুঙ্গি পায়ের অর্ধেকরলা পর্যন্ত। এই (অর্ধেক রলা) থেকে গোড়ালী পর্যন্ত অংশের যে কোনও জায়গায় হলে ক্ষতি নেই। কিন্তু এর নিচের অংশ দোযখে যাবে।’’ এরূপ ৩ বার বলে তিনি পুনরায় বললেন,

৮। লেবাস যেন রেশমী কাপড়ের না হয়

৮। লেবাস যেন রেশমী কাপড়ের না হয়


মহানবী (সাঃ)  বলেন, ‘‘সোনা ও রেশম আমার উম্মতের মহিলাদের জন্য হালাল এবং পুরুষদের জন্য হারাম করা হয়েছে।’’[1] ‘‘দুনিয়ায় রেশম-বস্ত্ত তারাই পরবে, যাদের পরকালে কোন অংশ নেই।’’[2]
হযরত উমার (রাঃ) বলেন,

৭। গাঢ় হলুদ বা জাফরানী রঙের যেন না হয়

৭। গাঢ় হলুদ বা জাফরানী রঙের যেন না হয়


আম্র বিন আস (সাঃ) বলেন, আল্লাহর রসূল (সাঃ) একদা আমার গায়ে দু’টি জাফরানী রঙের কাপড় দেখে বললেন, ‘‘এগুলো কাফেরদের কাপড়। সুতরাং তুমি তা পরো না।’’[1]

পুরুষদের লেবাসের শর্তাবলী নিম্নরূপ

পুরুষদের লেবাসের শর্তাবলী নিম্নরূপ


১। লেবাস যেন নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত অংশ অবশ্যই আবৃত রাখে।     যেহেতু ঐটুকু অঙ্গ পুরুষের লজ্জাস্থান।[1]
২। এমন পাতলা না হয়, যাতে ভিতরের চামড়া নজরে আসে।
৩। এমন আঁট-সাট না হয়, যাতে দেহের উঁচু-নিচু প্রকাশ পায়।
৪। কাফেরদের লেবাসের অনুকরণীয় না হয়।

৮। লেবাস যেন জাঁকজমকপূর্ণ প্রসিদ্ধিজনক না হয়

৮। লেবাস যেন জাঁকজমকপূর্ণ প্রসিদ্ধিজনক না হয়


কারণ, বিরল ধরনের (খুব ভালো অথবা খুব খারাপ) লেবাস পরলে সাধারণতঃ পরিধানকারীর মনে গর্ব সৃষ্টি হয় এবং দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তাই রাসুল (সাঃ) বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি দুনিয়াতে প্রসিদ্ধিজনক লেবাস পরবে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতে লাঞ্ছনার লেবাস পরাবেন।’’[1]
‘‘যে ব্যক্তি জাঁকজমকপূর্ণ লেবাস পরবে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতে অনুরূপ লেবাস পরিয়ে তা অগ্নিদগ্ধ করবেন।’’[2]
প্রকাশ থাকে যে,

৭। নারীদের লেবাস যেন পুরুষদের লেবাসের অনুরূপ না হয়

৭। নারীদের লেবাস যেন পুরুষদের লেবাসের অনুরূপ না হয়


মহানবী (সাঃ) সেই নারীদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন, যারা পুরুষদের বেশ ধারণ করে এবং সেই পুরুষদেরকেও অভিশাপ দিয়েছেন, যারা নারীদের বেশ ধারণ করে।’’[1] তিনি সেই পুরুষকে অভিশাপ দিয়েছেন, যে মহিলার মত লেবাস পরে এবং

৬। লেবাস যেন কোন কাফের মহিলার অনুকৃত না হয়

৬। লেবাস যেন কোন কাফের মহিলার অনুকৃত না হয়


প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি যে জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন (লেবাসে-পোশাকে, চাল-চলনে অনুকরণ) করবে সে তাদেরই দলভুক্ত।’’[1]
ফুটনোটঃ[1]. আবূ দাঊদ, মিশকাত হা/ ৪৩৪৭

৫।মহিলাদের পোশাক যেন সুগন্ধিত না হয়

৫। যেন সুগন্ধিত না হয়


মহানবী (সাঃ) বলেন, ‘‘সেন্ট্ বিলাবার উদ্দেশ্যে কোন মহিলা যদি তা ব্যবহার করে পুরুষদের সামনে যায়, তবে সে বেশ্যা মেয়ে।’’[1]
সেন্ট্ ব্যবহার করে মহিলা মসজিদেও যেতে পারে না। একদা চাশ্তের সময় আবূ হুরাইরা (রাঃ) মসজিদ থেকে বের হলেন। দেখলেন, একটি মহিলা মসজিদ প্রবেশে উদ্যত। তার দেহ বা লেবাস থেকে উৎকৃষ্ট  সুগন্ধির সুবাস ছড়াচ্ছিল। আবূ হুরাইরা (রাঃ) মহিলাটির উদ্দেশে বললেন,

৪। পোশাক যেন এমন আঁট-সাঁট (টাইট্ফিট) না হয়

৪। পোশাক যেন এমন আঁট-সাঁট (টাইট্ফিট) না হয়


যাতে দেহের উঁচু-নিচু ব্যক্ত হয়। কারণ এমন ঢাকাও খোলার পর্যায়ভুক্ত এবং দৃষ্টি-আকর্ষী।

৩। লেবাস যেন এমন পাতলা না হয়, যাতে কাপড়ের উপর থেকেও ভিতরের চামড়া নজরে আসে।

৩। লেবাস যেন এমন পাতলা না হয়, যাতে কাপড়ের উপর থেকেও ভিতরের চামড়া নজরে আসে।


 নচেৎ ঢাকা থাকলেও খোলার পর্যায়ভুক্ত। এ ব্যাপারে এক হাদীসে আল্লাহর রসূল  (সাঃ) হযরত আসমা (রাঃ) কে সতর্ক করেছিলেন।[1]
একদা হাফসা বিন্তে আব্দুর রহমান পাতলা ওড়না পরে হযরত আয়েশা (রাঃ) এর নিকট গেলে তিনি তার ওড়নাকে ছিঁড়ে ফেলে দিলেন এবং তাকে একটি মোটা ওড়না পরতে দিলেন।[2]
রাসুল (সাঃ) বলেন, ‘‘দুই শ্রেণীর মানুষ দোযখবাসী; যাদেরকে আমি (এখনো) দেখিনি। ---(এদের মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণীর মানুষ সেই) মহিলাদল, যারা কাপড় পরেও উলঙ্গ থাকবে, অপর পুরুষকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করবে এবং নিজেও তার দিকে আকৃষ্ট হবে, যাদের মাথা (চুলের খোঁপা) হিলে থাকা উটের কুঁজের মত হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর তার সুগন্ধও পাবে না; অথচ তার সুগন্ধ এত এত দূরবর্তী স্থান থেকেও পাওয়া যাবে।’’[3]
ফুটনোটঃ[1]. আবূ দাঊদ, মিশকাত হা/ ৪৩৭২

[2]. মালেক, মিশকাত হা/ ৪৩৭৫

[3]. আহমাদ, মুসলিম, সহীহুল জা’মে হা/৩৭৯৯

২। যে লেবাস মহিলা পরিধান করবে সেটাই যেন (বেগানা পুরুষের সামনে) সৌন্দর্যময় ও দৃষ্টি-আকর্ষনীয় না হয়

২। যে লেবাস মহিলা পরিধান করবে সেটাই যেন (বেগানা পুরুষের সামনে) সৌন্দর্যময় ও দৃষ্টি-আকর্ষনীয় না হয়


যেহেতু মহান আল্লাহ বলেন, ‘‘সাধারণতঃ যা প্রকাশ হয়ে থাকে তা ছাড়া তারা যেন তাদের অন্যান্য সৌন্দর্য প্রকাশ না করে।’’[1]
প্রকাশ থাকে যে, যে বোরকা সৌন্দর্যখচিত, সে বোরকাকেও

শরীয়তে মহিলাদের লেবাসের শর্তাবলী নিম্নরূপঃ[1] - ১। লেবাস যেন দেহের সর্বাঙ্গকে ঢেকে রাখে।

শরীয়তে মহিলাদের লেবাসের শর্তাবলী নিম্নরূপঃ[1] - ১। লেবাস যেন দেহের সর্বাঙ্গকে ঢেকে রাখে।


দেহের কোন অঙ্গ বা সৌন্দর্য যেন কোন বেগানা (যার সাথে  কোনও সময়ে বিবাহ বৈধ এমন) পুরুষের সামনে প্রকাশ না পায়। কেন না মহানবী (সাঃ) বলেন, ‘‘মেয়ে মানুষের সবটাই লজ্জাস্থান (গোপনীয়)। আর সে যখন বের হয়, তখন শয়তান তাকে পুরুষের দৃষ্টিতে পরিশোভিতা করে তোলে।’’[2] মহান আল্লাহ বলেন,

বেশভূষার আদব বিষয়ে কিছু কথা

বেশভূষার আদব বিষয়ে কিছু কথা


ইসলাম যেমন মুসলিমের আভ্যন্তরিক দিক পবিত্র করার তাকীদ দেয়, ঠিক তেমনিই তাকীদ দেয় তার বাহ্যিক দিকটাও পবিত্র ও সুন্দর করার।
এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ইসলাম মানুষের লজ্জাস্থান  ঢাকাকে ফরয ঘোষণা করেছে। সুতরাং কোন মুসলিম একাকী থাকলেও উলঙ্গ থাকতে পারে না। মহান আল্লাহ বলেন,

    يَا بَنِي آدَمَ قَدْ أَنْزَلْنَا عَلَيْكُمْ لِبَاسًا يُوَارِي سَوْآتِكُمْ وَرِيشًا وَلِبَاسُ التَّقْوَى ذَلِكَ خَيْرٌ ذَلِكَ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ

‘‘হে মানব জাতি! তোমাদের লজ্জাস্থান ঢাকার ও বেশভূষার জন্য আমি তোমাদেরকে লেবাস দিয়েছি। পরন্তু ‘তাকওয়া’র লেবাসই সর্বোৎকৃষ্ট।[1] মু’মিন বান্দাগণের গুণ বর্ণনা করে তিনি আরো বলেন,

১৬। পেশাব-পায়খানার স্থান থেকে বের হয়ে নিম্নের দু‘আ পড়তে হয়।

১৬। পেশাব-পায়খানার স্থান থেকে বের হয়ে নিম্নের দু‘আ পড়তে হয়।


غُفْرَانَكَ    (গুফরা-নাক)।

অর্থাৎ, হে আল্লাহ আমি তোমার ক্ষমা চাই।[1] এ বিষয়ে দ্বিতীয় দু‘আ (الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَذْهَبَ عَنِّي الْأَذَى وَعَافَانِي)  হাদীসটি যয়ীফ।[2]

১৫। পেশাব-পায়খানা করা কালে হাঁচি হলে অথবা আযান শুনলে পেশাব-পায়খানা করা কালে হাঁচি হলে অথবা আযান শুনলে মুখে আল্লাহর জিকির করা যাবে না। অবশ্য মনে মনে করতে পারা যায়।

১৫। পেশাব-পায়খানা করা কালে হাঁচি হলে অথবা আযান শুনলে


পেশাব-পায়খানা করা কালে হাঁচি হলে অথবা আযান শুনলে মুখে আল্লাহর জিকির করা যাবে না। অবশ্য মনে মনে করতে পারা যায়।

১৪। জুতা পরে, মাথা ঢেকে পায়খানা ঘরে প্রবেশ

১৪। জুতা পরে, মাথা ঢেকে পায়খানা ঘরে প্রবেশ


জুতা পরে, মাথা ঢেকে পায়খানা ঘরে প্রবেশ করার হাদীস সহীহ নয়।[1] অবশ্য নোংরা জায়গায় জুতা পরে যাওয়া তো প্রকৃতিগত ব্যাপার।
ফুটনোটঃ[1]. সিলসিলাহ যয়ীফাহ হা/৪১৯২

১৩। পেশাব-পায়খানারসময় বাম পায়ের উপর ভর

১৩। পেশাব-পায়খানারসময় বাম পায়ের উপর ভর


তদনুরূপ পেশাব-পায়খানার সময় বাম পায়ের উপর ভর না দিয়ে বসার হাদীস সহীহ নয়।[1]
ফুটনোটঃ[1]. ঐ ১/৮৬
 
 

১২। পেশাব-পায়খানা ঘরে প্রবেশ করার সয়ম বাম পা আগে বাড়ানো এবং সেখান হতে বের হওয়ার সময় ডান পা আগে বের করা বিধেয় হওয়ার কোন দলীল নেই

১২। পেশাব-পায়খানা ঘরে প্রবেশ করার সয়ম বাম পা আগে বাড়ানো এবং সেখান হতে বের হওয়ার সময় ডান পা আগে বের করা বিধেয় হওয়ার কোন দলীল নেই


অবশ্য কিয়াস ব্যবহার করে অনেকে এটিকে বিধেয় মনে করেন। যেহেতু ভালো জায়গা মসজিদে প্রবেশ করার সময় ডান পা আগে বাড়াতে হয় এবং

১১। পেশাব-পায়খানা করা অবস্থায় দুই জনের লজ্জাস্থান খুলে রেখে কথা বলা উচিত নয়

১১। পেশাব-পায়খানা করা অবস্থায় দুই জনের লজ্জাস্থান খুলে রেখে কথা বলা উচিত নয়


যেহেতু তাতে মহান আল্লাহ ক্রোধান্বিত হন।[1]
ফুটনোটঃ[1]. আবূ দাঊদ, ইবনে মাজাহ, ত্বাবারানী, সহীহ তারগীব ১৫৫-১৫৬

১০। ঢেলা ব্যবহারকালে (একটি বা দুটিতে পরিষ্কার হয়ে গেলেও) কমসে কম তিনটি ঢেলা ব্যবহার করতে হবে

১০। ঢেলা ব্যবহারকালে (একটি বা দুটিতে পরিষ্কার হয়ে গেলেও) কমসে কম তিনটি ঢেলা ব্যবহার করতে হবে


তিনটির বেশী প্রয়োজন হলে বেজোড় (৫ বা ৭টি) ঢেলা ব্যবহার বিধেয়। রাসুল (সাঃ) বলেন, ‘‘তোমাদের কেউ যেন তিনটির কম ঢেলা দ্বারা পেশাব-পায়খানা পরিষ্কার না করে।’’[1]
‘‘তোমাদের কেউ যখন (পেশাব-পায়খানার পর) ঢেলা ব্যবহার করে, তখন সে যেন বেজোড় ঢেলা ব্যবহার করে।’’[2]
প্রকাশ থাকে যে,

৯। যেমন পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা যায়

৯। যেমন পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা যায়


তেমনি প্রয়োজনে মাটির ঢেলা ইত্যাদি দ্বারাও পবিত্রতা অর্জন হয়। রাসুল (সাঃ) পবিত্রতা অর্জনের জন্য মাটির ঢেলা ব্যবহার করেছেন, যেমন তিনি কেবল পানিই ব্যবহার করেছেন। ঢেলার থেকে পানি ব্যবহারে অধিক পবিত্রতা আছে। কুবাবাসীগণ পবিত্রতায় পানি ব্যবহার করতেন বলে মহান আল্লাহ কুরআন অবতীর্ণ করে তাঁদের প্রশংসা করেছেন।[1] পক্ষান্তরে

৮। পেশাব-পায়খানার কাজে বাম হাত ব্যবহার করুন

৮। পেশাব-পায়খানার কাজে বাম হাত ব্যবহার করুন


লেনদেন ও পানাহার করা এবং পবিত্র ও রুচিকর জিনিস ধারণ করার জন্য ডান হাত, আর পবিত্রতা অর্জন করা এবং অপবিত্র ও ঘৃণিত জিনিস ধারণ করার জন্য বাম হাত ব্যবহারই মানুষের প্রকৃতি ও রুচিসম্মত কাজ।
রাসুল (সাঃ) বলেন,

৭। দেহ বা কাপড়ে পেশাবের ছিটা লাগা থেকে সতর্ক হওয়া জরুরী

৭। দেহ বা কাপড়ে পেশাবের ছিটা লাগা থেকে সতর্ক হওয়া জরুরী


যেহেতু আল্লাহর রসূল (সাঃ) একদা দু’টি কবরের পাশ বেয়ে অতিক্রম করার সময় বললেন, ‘‘এই দুই কবরবাসীর আযাব হচ্ছে। তবে কোন কঠিন কাজের জন্য ওদের আযাব হচ্ছে না। অবশ্য সে কাজ ছিল বড় গোনাহর। ওদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি চুগলখোরী করে বেড়াত, এবং দ্বিতীয় ব্যক্তি নিজের পেশাব থেকে সতর্ক হত না---।’’[1]
আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন,

৬। পেশাব-পায়খানা করার সময় পর্দা জরুরী

৬। পেশাব-পায়খানা করার সময় পর্দা জরুরী


এ জন্য বাড়ির ভিতরে বাথরুম হওয়া খুবই দরকার। অবশ্য বাইরে পেশাব-পায়খানা করতে হলে এমন জায়গায় বসতে হবে যেখানে কেউ যেন দেখতে না পায়। কোন উঁচু জায়গা, ঝোপের আড়াল বা রাতের অন্ধকার যেন আপনাকে গোপন করে নেয়।
ইসলামী শরীয়তে ইজ্জত ও শরমগাহের যথার্থ হিফাযত করতে আদেশ দেওয়া হয়েছে। সুতরাং

৫। অধিকাংশ খবীস জিনরা নোংরা স্থানে বাস করে বা আসে যায়

৫। অধিকাংশ খবীস জিনরা নোংরা স্থানে বাস করে বা আসে যায়


আর শয়তান হল মানুষের চিরশত্রু। শয়তান মানুষকে বেইজ্জত করতে চায়, বেআবরু দেখতে পছন্দ করে। কিন্তু প্রস্রাবাগার বা পায়খানা ঘরে বা স্থানে প্রবেশ হওয়ার পূর্বে ‘বিসমিল্লাহ’ পড়লে আল্লাহর হুকুমে তাদের চোখে পর্দা পড়ে যায়।[1] অতঃপর শয়তানের অনিষ্ট থেকে বাঁচতে নিম্নের দু‘আ পড়তে হয়।

৪। পেশাব-পায়খানার সময় কিবলার দিকে মুখ বা পশ্চাৎ করে বসবেন না

৪। পেশাব-পায়খানার সময় কিবলার দিকে মুখ বা পশ্চাৎ করে বসবেন না


পেশাব-পায়খানার সময় কিবলার দিকে মুখ বা পশ্চাৎ করে বসবেন না। আল্লাহর রসূল (সাঃ) এ কাজ করতে আমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
আবূ আইয়ুব আনসারী (সাঃ) হতে বর্ণিত, নবী (সাঃ) বলেন, ‘‘পায়খানা করার সময়ে তোমরা কিবলাকে সম্মুখ অথবা পশ্চাৎ করে বসো না। বরং পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে মুখ অথবা পিঠ করে বসো।’’[1]
বলাই বাহুল্য যে, আমাদের দেশে কিবলার দিক পশ্চিমে। অতএব

৩। পেশাব-পায়খানার জায়গা বা ঘরে এমন কোন জিনিস নিয়ে প্রবেশ করবেন না, যাতে মহান আল্লাহর নাম উল্লেখ আছে

৩। পেশাব-পায়খানার জায়গা বা ঘরে এমন কোন জিনিস নিয়ে প্রবেশ করবেন না, যাতে মহান আল্লাহর নাম উল্লেখ আছে


পেশাব-পায়খানার জায়গা বা ঘরে এমন কোন জিনিস নিয়ে প্রবেশ করবেন না, যাতে মহান আল্লাহর নাম উল্লেখ আছে। আল্লাহর নামের তা’যীম যথাসাধ্য করা অবশ্যই উচিত। অবশ্য যা না নিয়ে ঢুকলে অন্য কোন উপায় থাকে না, তার কথা ভিন্ন।[1]
ফুটনোটঃ[1]. আল-মুমতে’ ১/৯১

২। বদ্ধ পানিতে পেশাব করা নিষেধ বদ্ধ পানিতে পেশাব করা নিষেধ।[1] যেমন পুকুর, হাওয, খাল-বিল, প্রভৃতি। পায়খানা তো মোটেই না। সুতরাং বাথরুমের পাইপও এ সবের পানিতে নামানো যাবে না। বিশেষ করে তার ফলে যদি পানির ত্রিগুণ রং, গন্ধ বা স্বাদ পরিবর্তন হয়ে যায়, তাহলে সে পানি নাপাকে পরিণত হয়ে যাবে। ফুটনোটঃ[1]. মুসলিম আল-মাকতাবাতুশ-শামেলা হা/২৮১ প্রমুখ

২। বদ্ধ পানিতে পেশাব করা নিষেধ


বদ্ধ পানিতে পেশাব করা নিষেধ।[1] যেমন পুকুর, হাওয, খাল-বিল,  প্রভৃতি। পায়খানা তো মোটেই না। সুতরাং বাথরুমের পাইপও এ সবের পানিতে নামানো যাবে না। বিশেষ করে তার ফলে যদি পানির ত্রিগুণ রং, গন্ধ বা স্বাদ পরিবর্তন হয়ে যায়, তাহলে

১২। খাবার জিনিস গরম থাকলে খেতে শুরু না করে খাবার মত ঠাণ্ডা হলে খেতে শুরু করুন

১২। খাবার জিনিস গরম থাকলে খেতে শুরু না করে খাবার মত ঠাণ্ডা হলে খেতে শুরু করুন


কারণ বেশী গরম খাবার খেলে জিভ বা মুখে কষ্ট পেতে পারেন, খাবারের আসল স্বাদ জিভে অনুভব করতে পারবেন না, বেশী গরম গিলে ফেললে আপনার পেটেরও কোন ক্ষতি হতে পারে। আর তখন আপনি ঐ খাবারের কোন বরকত পাবেন না।
এ জন্যই মহানবী (সাঃ) বলেন,

২। অমুসলিমদের পাত্রে (তাদের দোকান ও হোটেলে) খাওয়া নিষেধ

২। অমুসলিমদের পাত্রে (তাদের দোকান ও হোটেলে) খাওয়া নিষেধ


তবে তাদের পাত্র (দোকান বা হোটেল) ছাড়া যদি মুসলিমদের কোন পাত্র (দোকান বা হোটেল) না পাওয়া যায়, তাহলে নিরুপায় অবস্থায় তাদের সেই পাত্র (ধোয়ার পর তাদের দোকান বা হোটেলে) খাওয়ার অনুমতি রয়েছে।[1]
ফুটনোটঃ[1]. বুখারী, মুসলিম আল-মাকতাবাতুশ-শামেলা হা/১৯৩০

৩। ঠেস বা হেলান দিয়ে খাওয়া অপছন্দনীয় কাজ

৩। ঠেস বা হেলান দিয়ে খাওয়া অপছন্দনীয় কাজ


মহানবী (সাঃ) বলেন, ‘‘আমি হেলান দিয়ে খাই না।’’[1] তিনি হেলান দিয়ে খেতে নিষেধও করেছেন। তিনি (সাঃ) বলেন- لَا تَأْكُلْ مُتَّكِئًا ‘‘হেলান দিয়ে খেয়ো না’’।[2] যেভাবে খেলে হেলান দিয়ে খাওয়া হয়, সেইভাবে খাওয়া মকরূহ। দেওয়াল বা চেয়ারের সাথে পিঠের অথবা মাটির সাথে বাম হাতের হেলান দিয়ে খাওয়া অপছন্দনীয়। যেহেতু অনুরূপ বসা বিনয়ীদের লক্ষণ নয় এবং হেলান দিয়ে খেলে বেশী খাওয়া হয়। আর বেশী খাওয়া ইসলামে বাঞ্ছনীয় নয়। উবুড় হয়ে শুয়ে খাওয়া নিষেধ। রসূল (সাঃ) বলেন

৪। খাবার সময় খাবার প্রস্ত্তত হয়ে গেলে এবং সলাতের সময় এসে উপস্থিত হলে আগে খাবার খাবেন, তারপর সলাতে যাবেন। যাতে সলাতের একাগ্রতা নষ্ট না হয়।

৪। খাবার সময় খাবার প্রস্ত্তত হয়ে গেলে এবং সলাতের সময় এসে উপস্থিত হলে আগে খাবার খাবেন, তারপর সলাতে যাবেন। যাতে সলাতের একাগ্রতা নষ্ট না হয়।


মহানবী  (সাঃ)  বলেন, ‘‘নামাযের ইকামত হলে এবং রাতের খানা উপস্থিত হলে, আগে খানা খেয়ে নাও।’’[1]
ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন-

৫। খাবার শুরু করার আগে ও পরে উভয় হাতকে ধুয়ে নিন

৫। খাবার শুরু করার আগে ও পরে উভয় হাতকে ধুয়ে নিন


অবশ্য এ কেবল আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্য। নচেৎ খাবার আগে হাত ধোয়ার ব্যাপারে কোন সহীহ হাদীস নেই।[1]
অবশ্য খাবার পর হাত ধোয়ার ব্যাপারটাও প্রকৃতিগত রুচির ব্যাপার। তবুও ইসলামে এর নির্দেশ এসেছে। খোদ মহানবী (সাঃ) খাবার পরে কুলি করেছেন এবং হাত ধুয়েছেন।[2]
তিনি (সাঃ) বলেছেন,

৬। খাবার শুরু করার আগে ‘বিসমিল্লাহ’ বলুন এবং শেষ করার পর আল্লাহর প্রশংসা করুন

৬। খাবার শুরু করার আগে ‘বিসমিল্লাহ’ বলুন এবং শেষ করার পর আল্লাহর প্রশংসা করুন


এই আদব পালনে খাবার ঠিকমত দেহে কাজ করা এবং তার অপকারিতা দূর করার ব্যাপারে বড় প্রভাব রয়েছে। ইমাম আহমাদ বলেন, খাবারে ৪টি জিনিস জমা হলে সে খাবার পরিপূর্ণ হয়; খাবার আগে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা, শেষে আল্লাহর প্রশংসা করা, (একাধিক লোকের) অনেক হাত পড়া এবং তা হালাল হওয়া।[1]
আল্লাহর নাম নিয়ে খেতে শুরু করলে শয়তানের প্রভাব ও শরীক হওয়া থেকে বাঁচা যায়। আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ