Friday, November 24, 2017
হাদিসের কিতাব সমুহ
সহিহ হাদিসের কিতাব সমুহ
ইবনে মাজাহ:
| Sunane_Ibne_Majah_Part-1.pdf | 46.5 MB | |
| Sunane_Ibne_Majah_Part-2.pdf | 27.5 MB | |
| Sunane_Ibne_Majah_Part-3.pdf | 20.5 MB |
মুসনাদ আহমাদ:
| Musnad_Ahmad_Part-1.pdf | 28.3 MB | |
| Musnad_Ahmad_Part-2.pdf | 17.3 MB |
মুয়াত্তা:
| Muwatta_Part-1.pdf | 17.5 MB | |
| Muwatta_Part-2.pdf | 23.2 MB |
নাসাঈ:
| Sunan_An-Nasai_Part-1.pdf | 13.9 MB | |
| Sunan_An-Nasai_Part-2.pdf | 21.0 MB | |
| Sunan_An-Nasai_Part-3.pdf | 61.9 MB | |
| Sunan_An-Nasai_Part-4.pdf | 54.8 MB |
তিরমিযী:
| Sahih_At-Tirmiji_Part-1.pdf | 12.1 MB | |
| Sahih_At-Tirmiji_Part-2.pdf | 15.9 MB | |
| Sahih_At-Tirmiji_Part-3.pdf | 11.7 MB | |
| Sahih_At-Tirmiji_Part-4.pdf | 17.2 MB |
বইঃ জান্নাতী রমণী- আব্দুল্লাহ আল কাফী।
বইঃ জান্নাতী রমণী - ফ্রি ডাউনলোড
বইঃ জান্নাতী রমণী
লিখেছেনঃ
প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, মদীনা মুনাওয়ারা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লিসান্স
প্রাপ্ত, বহু গ্রন্থ প্রণেতা শাইখ মুহা: আব্দুল্লাহ আল কাফী।
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৭।
প্রকাশনায়: জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদী আরব।
সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: জান্নাতী রমণী বইটি বাংলাভাষায় একটি সাড়া জাগানো বই। মাত্র ৮৭ পৃষ্টার ছোট্ট বইটি এক কথায় অসাধারণ।
বইটি ডাউনলোড করুন (ওয়ার্ড ভার্সন) (৬৭৬ কেবি)
বইটি ডাউনলোড করুন (পিডিএফ ভার্সন) (৯১২ কেবি)
হাদীস ফাউন্ডেশনের প্রায় 50টি প্রকাশিত বই সমূহ
হাদীস ফাউন্ডেশনের প্রায় 50টি প্রকাশিত বই সমূহ।
আল্লাহভক্ত একজন আবেদের প্রাত্যহিক বা প্রতিদিনের আমল। পড়ুন ও আমল করুন।
আল্লাহভক্ত একজন আবেদের প্রাত্যহিক বা প্রতিদিনের আমল
রাতের শেষ তৃতীয়াংশে ঘুম থেকে জেগে উঠে দু‘আ পড়ুন।
পেশাব-পায়খানার দরকার হলে সারুন।
দাঁতন করুন।
গোসলের দরকার হলে গোসল নতুবা ওযূ করুন।
তাহিয়্যাতুল ওযূ নামায পড়ুন।
তাহাজ্জুদ পড়ুন।
আযান শুনে আযানের জবাব দিন।
আযানের পর ফজরের সুন্নাত পড়ুন।
ফজরের পর ডানকাতে শুয়ে একটু বিশ্রাম নিন। তবে অবশ্যই ঘুমিয়ে যাবেন না।
আযান হলে জামাআতে নামায পড়তে মসজিদে যান।
মসজিদে যাওয়া ও
পেশাব-পায়খানার দরকার হলে সারুন।
দাঁতন করুন।
গোসলের দরকার হলে গোসল নতুবা ওযূ করুন।
তাহিয়্যাতুল ওযূ নামায পড়ুন।
তাহাজ্জুদ পড়ুন।
আযান শুনে আযানের জবাব দিন।
আযানের পর ফজরের সুন্নাত পড়ুন।
ফজরের পর ডানকাতে শুয়ে একটু বিশ্রাম নিন। তবে অবশ্যই ঘুমিয়ে যাবেন না।
আযান হলে জামাআতে নামায পড়তে মসজিদে যান।
মসজিদে যাওয়া ও
১০০টি কাবীরা গোনাহ হতে সাবধান থাকুন
কাবীরা গোনাহসমূহ হতে সাবধান থাকুন
১। শির্ক (অতি মহাপাপ)
২। দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে ইল্ম শিখা
৩। শরয়ী ইল্ম গোপন করা
৪। বিশ্বাসঘাতকতা করা
৫। গণকের কথা বিশ্বাস করা
৬। গায়রুল্লাহর নামে যবেহ করা
৭। গায়রুল্লাহর নামে নযর মানা
৮। গায়রুল্লাহর নামে কসম করা
৯। যাদু করা
১০। আল্লাহর প্রতি কুধারণা রাখা
২। দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে ইল্ম শিখা
৩। শরয়ী ইল্ম গোপন করা
৪। বিশ্বাসঘাতকতা করা
৫। গণকের কথা বিশ্বাস করা
৬। গায়রুল্লাহর নামে যবেহ করা
৭। গায়রুল্লাহর নামে নযর মানা
৮। গায়রুল্লাহর নামে কসম করা
৯। যাদু করা
১০। আল্লাহর প্রতি কুধারণা রাখা
পশু পাখির ব্যাপারে
পশু পাখির ব্যাপারে
ইসলাম
শান্তির ধর্ম, রহমতের ধর্ম। এ ধর্মে কেউ অত্যাচারের শিকার হয় না। মানুষ তো
নয়ই, এমনকি জীব-জন্তুও নয়। জীবে-দয়া প্রদর্শন করতে আদিষ্ট হয়েছে প্রত্যেক
মুসলিম। সুতরাং পশু-পক্ষীর প্রতি কি ধরনের আচরণ করতে নির্দেশ দেয় ইসলাম তা
আমাদের জানা প্রয়োজনঃ
১। সৌন্দর্যের জন্য কোন পাখীকে পিঞ্জারায় বা মাছকে পানির হওয বা
কাঁচের পাত্রে আবদ্ধ করতে পারেন। তবে শর্ত হল, যেন তার প্রতি কোন প্রকার
অত্যাচার না করা হয়; যথাসময়ে পানাহার করতে দেওয়া হয় এবং তার প্রতি দয়া ও
স্নেহ প্রদর্শন করা হয়।[1]২। গৃহপালিত অথবা পিঞ্জারাবদ্ধ পশু বা পক্ষী হলে তাকে নিয়মিত পানাহার করতে দিতে হবে। তা না দিলে এবং তার ফলে সে মারা গেলে গোনাহগার হতে হবে।
আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেন,
কাফেরের সাথে বসবাস করলে যা খেয়াল রাখা উচিত
কাফেরের সাথে বসবাস করলে যা খেয়াল রাখা উচিত
১। সম্ভব হলে সেখান থেকে হিজরত করে মুসলিম পরিবেশে চলে যান। যেহেতু রাসুল (সাঃ) বলেন,
‘‘যে ব্যক্তি মুশরিকদের সাথে তাদের দেশে বাস করবে, তার নিকট থেকে (আল্লাহর) দায়িত্ব উঠে যাবে।’’[1] রসূল (সাঃ) বলেন-
‘‘যে ব্যক্তি মুশরিকদের সাথে তাদের দেশে বাস করবে, তার নিকট থেকে (আল্লাহর) দায়িত্ব উঠে যাবে।’’[1] রসূল (সাঃ) বলেন-
বিশেষ উপলক্ষে তাদেরকে উপঢৌকন দিন
বিশেষ উপলক্ষে তাদেরকে উপঢৌকন দিন
তাতে
তারা আপনার কাজে আন্তরিকতা প্রদর্শন করবে। আপনার খাদেম বা লেবারকে কাজের
তুলনায় বেশী বেতন দেওয়া হচ্ছে মনে হলে তাতে সওয়াবের আশা রাখুন। ঈদ ও
বিভিন্ন উপলক্ষে তাদেরকে উপহার দিন, বোনাস দিন। বেতন কম দিলেও দেখবেন
দাসীর ব্যাপারে আপনি ও আপনার বাড়ির পুরুষরা সতর্ক হন
দাসীর ব্যাপারে আপনি ও আপনার বাড়ির পুরুষরা সতর্ক হন
জেনে
রাখুন যে, তার সাথে বাড়ির পুরুষের অবাধ মিলামিশা, নির্জনতা অবলম্বন এবং
বেপর্দায় খিদমত গ্রহণ বৈধ নয়। তদনুরূপ বাড়ির ভৃত্য ও ড্রাইভারের ব্যাপারে
সতর্ক থাকুন। যাতে আপনার বাড়ির কোন মহিলার সাথে
খাবারে খাদেমকে শরীক করা
খাবারে খাদেমকে শরীক করা
আপনার
খানা যদি খাদেম প্রস্ত্তত করে, তাহলে সেই খাবারে খাদেমকেও শরীক করুন।
যেহেতু সে ঐ খাবারের পিছনে মেহনত করেছে, তার সুগন্ধ তার পেটে গেছে এবং হয়তো
বা তার মন ঐ খাবারের প্রতি লোভাতুর হয়েছে। এই জন্যই দয়ার নবীর নির্দেশ হল,
তাকে বসিয়ে এক সাথে খান। আর তাকে বসানো যদি সম্ভব না হয় বা সে বসতে না
চায়, তাহলে
দাস-দাসীর ভুলকে ক্ষমা করা
দাস-দাসীর ভুলকে ক্ষমা করা
আপনি
যেমন ভুল করেন, ঠিক তেমনই দাস-দাসীরও কার্যক্ষেত্রে ভুল হতেই পারে। সুতরাং
আপনি যেমন চান, আপনার ভুল ক্ষমার্হ হোক, ঠিক তেমনই দাস-দাসীর ভুলকেও ক্ষমা
করে দিন। এক ব্যক্তি এসে জিজ্ঞাসা করল,
কাজের লোককে সাধ্যের বাইরে কাজ না দেওয়া
সাধ্যের বাইরে কাজ না দেওয়া
আপনার গোলাম বা বাঁদীকে এমন
কাজের ভার দিবেন না, যা তাদের সাধ্যের বাইরে। যদি দিতেই হয়, তাহলে আপনি
গোলামের সহযোগিতা করুন এবং আপনার বাড়ির কোন মহিলা বাঁদীর সহযোগিতা করুক।
মা’রূর বিন সুয়াইদ বলেন, একদা আবূ যার্র
(রাঃ) কে (মদীনার নিকটবর্তী একটি জায়গা) রাবাযায় দেখলাম, তাঁর গায়ে ছিল
মোটা চাদর। আর তাঁর গোলামের গায়েও ছিল অনুরূপ চাদর। তা দেখে সকলে বলল,
খাবার ও পোশাকের ব্যাপারে
খাবার ও পোশাকের ব্যাপারে
খাদেম বা ভৃত্যের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব যদি আপনি নিয়ে থাকেন, তাহলে আপনি যে শ্রেণীর খান ও পরেন তাকেও সেই শ্রেণীর খেতে ও
দাস-দাসীকে বিনা দলীলে কোন অপবাদ দেবেন না
দাস-দাসীকে বিনা দলীলে কোন অপবাদ দেবেন না
দাস-দাসীকে বিনা দলীলে কোন অপবাদ দেবেন না। আদেশ ও কথায় কষ্ট দেবেন না।
তওবার নবী আবুল কাসেম (সাঃ) বলেন, ‘‘যে
ব্যক্তি তার অধিকারভুক্ত দাসকে কিছুর অপবাদ দেয় -অথচ সে যা বলছে তা হতে
পারিশ্রমিক আত্মসাৎ না করা
পারিশ্রমিক আত্মসাৎ না করা
খবরদার কাজ করিয়ে কারো বেতন, পরিশ্রম করিয়ে কারো পারিশ্রমিক, ভাড়া খাটিয়ে কারো ভাড়া আত্মসাৎ করবেন না।
রাসুল (সাঃ) বলেন, ‘‘আল্লাহর নিকট সব
চাইতে বড় পাপিষ্ঠ সেই ব্যক্তি, যে কোন মহিলাকে বিবাহ করে, অতঃপর তার নিকট
থেকে মজা লুটে নিয়ে তাকে তালাক দেয় এবং তার মোহরও আত্মসাৎ করে। (দ্বিতীয়
হল) সেই ব্যক্তি, যে কোন লোককে মজুর খাটায়, অতঃপর তার মজুরী আত্মসাৎ করে
এবং (তৃতীয় হল) সেই ব্যক্তি, যে খামাকা পশু হত্যা করে।’’[1]
রাহমাতুল লিল-আলামীন (সাঃ) বলেছেন,
যথাসময়ে বেতন মিটিয়ে দেওয়া
যথাসময়ে বেতন মিটিয়ে দেওয়া
খাদেম,
কর্মচারী, ভৃত্য বা দাসীকে মাসের মাস যথাসময়ে বেতন মিটিয়ে দিন। নচেৎ
যথাসময়ে বেতন না পেয়ে সে বা তার পরিবার যদি অর্থনৈতিক কষ্টে ভোগে এবং আপনার
কাজের ক্ষতি হয়, তাহলে তার জন্য দায়ী আপনিই। মজুর হলে তার মেহনতের ঘাম
শুকাবার আগে আগেই তার মজুরী আদায় করে দিন।
আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ)-এর
কাজের লোক রাখুন দুটি গুণ দেখে
কাজের লোক রাখুন দুটি গুণ দেখে
কাজের লোক রাখুন দুটি গুণ দেখে; সে যেন কর্মঠ হয় এবং আমানতদার হয়। মহান আল্লাহ নবী শুআইব জ-এর এক কন্যার কথা উল্লেখ করে বলেন,
إِنَّ خَيْرَ مَنِ اسْتَأْجَرْتَ الْقَوِيُّ الأَمِينُ
অর্থাৎ,রাত্রে খারাপ স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলে এবং ঘুম থেকে জাগার পর
রাত্রে খারাপ স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলে
রাত্রে
খারাপ স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলে বাম দিকে তিনবার থুথু মারুন, শয়তানের অনিষ্ট
থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চান, যে দুঃস্বপ্ন দেখেন, সেই মন্দ ও ক্ষতি থেকেও
রক্ষা প্রার্থনা করুন এবং পার্শ্ব পরিবর্তন করে শয়ন করুন। ভয়ে ঘুম না
এমন ছাদে শুবেন না, যার বাঁধ অথবা দেওয়াল নেই
এমন ছাদে শুবেন না, যার বাঁধ অথবা দেওয়াল নেই
যেহেতু
ঘুমের ঘোরে অথবা কোন শব্দ শুনে ঘাবড়ে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন। এই জন্য
রাসুল (সাঃ) বলেন,
কিবলার দিকে পা করে শোয়া এবং উপুড় হয়ে শুবেন না
কিবলার দিকে পা করে শোয়া
কিবলার দিকে পা করে শোওয়া হারাম নয়। যেহেতু তা হারাম হওয়ার কোন দলীল নেই।
উপুড় হয়ে শুবেন না
একদা রাসুল (সাঃ) এক ব্যক্তির
নিকট গেলেন। তখন
পায়ের উপর পা রেখে চিৎ হয়ে শুবেন না
পায়ের উপর পা রেখে চিৎ হয়ে শুবেন না
পায়ের
উপর পা রেখে চিৎ হয়ে শুবেন না। বিশেষ করে লজ্জাস্থান বের হওয়ার আশঙ্কা
থাকলে, লুঙ্গি পরে একটি পা খাড়া রেখে হাঁটুর উপর অপর পা-টিকে চাপিয়ে শুবেন
না। কেননা, পায়ের উপর পা চাপিয়ে শুতে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) নিষেধ করেছেন।[1]
অবশ্য লজ্জাস্থান বের হওয়ার ভয় মোটেই না
থাকলে পা দুটিকে লম্বা লম্বিভাবে বিছানায় ফেলে রেখে একটিকে অপরটির উপরে
চাপিয়ে রেখে শোওয়া হারাম নয়। যেহেতু
দুই জন শুলে এক বিছানায় একটি ঢাকা বা একটি লেপ-কম্বলে শুবেন না
দুই জন শুলে এক বিছানায় একটি ঢাকা বা একটি লেপ-কম্বলে শুবেন না
পরনে কাপড় না থাকলে এক ঢাকায় ২
জন শোয়া হারাম। যেহেতু রাসুল (সাঃ) মহিলার সাথে মহিলাকে এবং পুরুষের সাথে
পুরুষকে এভাবে শুতে নিষেধ করেছেন।[1]অবশ্য
একাকী না শোয়া
একাকী না শোয়া
সম্ভব হলে কোন ঘরে একাকী শোবেন না। কারণ মহানবী (সাঃ) একাকী রাত্রিবাস ও একাকী সফর করতে নিষেধ করেছেন।[1]
সূরা পড়ে ফুঁ দেওয়াএবং শোয়ার আগে বিভিন্ন সূরা পড়া।
সূরা পড়ে ফুঁ দেওয়া
দুই হাত একত্রিত করে তাতে ফুঁ দিয়ে, সূরা ইখলাস, ফালাক্ব ও নাস পড়ে যথাসম্ভব সারা দেহে বুলিয়ে নিন। এমনটি ৩ বার করতে হয়।[1]
অবশিষ্ট আরো দু‘আ ‘দু‘আ ও জিকির’ পুস্তিকায় দেখে নিন।
অবশিষ্ট আরো দু‘আ ‘দু‘আ ও জিকির’ পুস্তিকায় দেখে নিন।
এই হল ঘর বন্ধ করার আসল পদ্ধতি। অন্যথা
ভাড়াটিয়া ওঝা এনে কয়েক ঘন্টার মত কুরআন অথবা মন্ত্র পড়ে ঘরের চার কোণে
শির্কী মাটির ভাঁড় পুঁতে, বাঁশের ডগায় আয়না বেঁধে,
সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ
সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ
সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করুন। মহানবী
(সাঃ) বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাত্রে সূরা বাক্বারার শেষ দুটি আয়াত পাঠ করবে,
তার জন্য সকল বস্ত্তর অনিষ্ট হতে ঐ দুটিই যথেষ্ট করবে।’’[1]
কোন কোন বর্ণনায় আছে, ঐ দুই আয়াত বাড়িতে তিন রাত পাঠ করলে শয়তান সে বাড়ির নিকটবর্তী হবে না অথবা
কোন কোন বর্ণনায় আছে, ঐ দুই আয়াত বাড়িতে তিন রাত পাঠ করলে শয়তান সে বাড়ির নিকটবর্তী হবে না অথবা
আয়াতুল কুরসী পাঠ
আয়াতুল কুরসী পাঠ
এরপর আয়াতুল কুরসী পড়ুন। আল্লাহর পক্ষ থেকে দেহরক্ষী পাবেন এবং রাতে আপনার কাছে শয়তান আসবে না।[1]
ডান কাতে শয়ন
ডান কাতে শয়ন
বিছানায়
দেহ রেখে ডান কাতে শুয়ে যান এবং ডান গালকে ডান হাতের উপর রাখেন। মহানবী
(সাঃ) নিজে এই আমল করেছেন এবং উম্মতকে করতে নির্দেশ দিয়েছেন।[1] যেহেতু
বিছানা ঝেড়ে পরিষ্কার করে নেওয়া
বিছানা ঝেড়ে পরিষ্কার করে নেওয়া
বিছানায়
গিয়ে বিছানা ঝেড়ে পরিষ্কার করে নিন। বিছানা তুলে ঝাড়াই উত্তম। যেহেতু
বিছানা বা তার চাদরের নিচে সাপ-বিছা বা অন্য কোন পোকা-মাকড় থাকলে তাও দূর
হয়ে যাবে। আল্লাহর
বিছানায় যাওয়ার আগে ওযূ করে নেওয়া
বিছানায় যাওয়ার আগে ওযূ করে নেওয়া
বিছানায়
যাওয়ার আগে ওযূ করে নেওয়া মুস্তাহাব। এ কাজের ফযীলত রয়েছে বিরাট। আল্লাহর
রসূল (সাঃ) বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি ওযু অবস্থায় রাত্রি যাপন করে তার অন্তর্বাসে
এক ফিরিশ্তাও রাত্রিযাপন করেন। সুতরাং যখনই সে জাগ্রত হয় তখনই ঐ ফিরিশ্তা
বলেন, ‘হে আল্লাহ! তোমার বান্দা অমুককে ক্ষমা করে দাও, কারণ সে ওযু
অবস্থায় রাত্রি যাপন করেছে।’’[1]
তিনি আরো বলেন,
Subscribe to:
Posts (Atom)
সাম্প্রতিক পোষ্ট
"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?
"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...
জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ
-
যৌন উত্তেজনার সময় পানির মতো আঠালো যে তরল পদার্থ বের হয়, তা কি নাপাক? একে “মাযী” বলে। আর তা নাপাক। তা বের হলে উযূ নষ্ট হয়ে যায়। শরমগাহ...
-
গুপ্ত অভ্যাস (হস্তমৈথুন) ব্যবহার করা বৈধ কি? গুপ্ত অভ্যাস (হাত বা অন্য কিছুর মাধ্যমে বীর্যপাত, স্বমৈথুন বা হস্ত মৈথুন) করা কিতাব, সুন...
-
মনোমালিন্য ‘‘সংসার সাগরে দুঃখ-তরঙ্গের খেলা, আশা তার একমাত্র ভেলা।’’ কিন্তু সেই ভেলা ডুবে গেলে আর কার কি সাধ্য? স্বামী যদি স্...
-
*সূরা বাকারা ও সূরা আলে-ইমরানের ফজিলত গুলি কি কি? এবং সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের অর্থঃ ✔1-রাতে ঘুমানোর আগে সুরা বাক্বারার শেষ ...
-
আপন মামাত, খালাতো, চাচাতো, ফুফাতো বোন, চাচী, মামি, স্ত্রীর বোন বা ভাবীর সাথে মুসাফাহাহ বৈধ কি? যার সাথে পু...
-
জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১৫টি অসাধারন হাদিস- *১-গীবত থেকে দূরে থাকা- আসমা বিনতে ইয়াযীদ হতে বর্ণিত, নবী (সাঃ) বলেন, “যে ব্যাক্তি তার (মুসলি...
-
কেউ কেউ মনে করেন, আমার মন খুবই পরিস্কার। তাকে আমি মা, খালা, অথবা বোনের মতোই মনে করি ইত্যাদি ইত্যাদি। তাহলে তাঁর সাথে মেলা-মেশা করতে অসুবিধা ...
-
কথা বলার ব্যপারে "ইসলামে"র শিক্ষা কি? ====== ১। কথা বলার পূর্বে সালাম দেয়া। সূরা নূরঃ ৬১ ২। সতর্কতার সাথে কথা বলা। (কে...
-
# দোয়া_কবুল_না_হওয়ার_কারণগুলো_কি_কি ? ---------------------------------------------------------------------- কিছু পাপ আছে যা বান্দার মা...
-
প্রশ্ন:নাটক, সিনেমা দেখা , গল্পের বই পড়া কি জায়েজ ? =============================== উত্তর : যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর। দরুদ ও সালা...














