Monday, December 4, 2017

আমার বাবা চোয়ালের ব্যথায় আক্রান্ত রোগী। ডাক্তার তাকে চোয়ালের নড়াচড়ার সচলতা বজায় রাখতে চুইংগাম খেতে বলেছেন। তাঁর সিয়াম পালনকালীন সময়ে কি চুইংগাম খাওয়া ঠিক হবে?

আমার বাবা চোয়ালের ব্যথায় আক্রান্ত রোগী। ডাক্তার তাকে চোয়ালের নড়াচড়ার সচলতা বজায় রাখতে চুইংগাম খেতে বলেছেন। তাঁর সিয়াম পালনকালীন সময়ে কি চুইংগাম খাওয়া ঠিক হবে?


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য ।
চুইংগাম চিবানোর ফলে এর থেকে এক ধরনের পদার্থ নিঃসৃত হয় এবং পেটে চলে যায়। তাই রমজান মাসে দিনের বেলা রোযা পালনকারীর জন্য এটি ব্যবহার জায়েয নয়। এর বিকল্প হিসেবে চোয়ালের বিশেষ ব্যায়াম দ্বারা এর থেকে বিরত থাকা সম্ভব। আর সূর্য অস্ত যাওয়ার পর থেকে ফজর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে শুধু চুইংগাম চিবানো যেতে পারে।
তবে যদি

আমি কিয়ামুল লাইল ও তারাবীর নামাযের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাই।

আমি কিয়ামুল লাইল ও তারাবীর নামাযের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাই।


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। 
তারাবীর নামায কিয়ামুল লাইলের অন্তর্ভুক্ত। এ দুইটি পৃথক কোন সালাত নয়, যেমনটি অনেক সাধারণ মানুষ ধারণা করে থাকেন। বরং রমজান মাসে যে ‘কিয়ামুল লাইল’ করা হয় সেটাকে ‘সালাতুত তারাবী’ বা বিরতিপূর্ণ নামায বলা হয়। কারণ সলফে সালেহীন (সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ীগণের প্রজন্ম) যখন এই সালাত আদায় করতেন তখন

আমি একজন মুসলিম নারী। আমি নিয়মিত তারাবী সালাত আদায় করি। আমি যদি সালাত আদায় করতে মসজিদে না যাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমার ছোট ভাই সেও মসজিদে যায় না। মসজিদে গেলে আমরা ইমামের সাথে বিতিরের সালাত আদায় করি। আমি শেষ রাতে উঠে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় ও কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস গড়ে তুলেছি। তবে বিতিরের সালাত আদায় করার পর তো আর তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতে পারি না। এখন আমার ক্ষেত্রে কোনটি বেশি ভাল? তারাবীর সালাত আদায় করতে মসজিদে যাওয়া যাতে আমার ভাই মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করতে পারে। নাকি বাসায় থেকে শেষ রাতে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করা। এই দুইটির মধ্যে কোনটিতে বেশি সওয়াব পাওয়া যাবে

আমি একজন মুসলিম নারী। আমি নিয়মিত তারাবী সালাত আদায় করি। আমি যদি সালাত আদায় করতে মসজিদে না যাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমার ছোট ভাই সেও মসজিদে যায় না। মসজিদে গেলে আমরা ইমামের সাথে বিতিরের সালাত আদায় করি। আমি শেষ রাতে উঠে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় ও কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস গড়ে তুলেছি। তবে বিতিরের সালাত আদায় করার পর তো আর তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতে পারি না। এখন আমার ক্ষেত্রে কোনটি বেশি ভাল? তারাবীর সালাত আদায় করতে মসজিদে যাওয়া যাতে আমার ভাই মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করতে পারে। নাকি বাসায় থেকে শেষ রাতে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করা। এই দুইটির মধ্যে কোনটিতে বেশি সওয়াব পাওয়া যাবে


সমস্ত  প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
আপনার মসজিদে যাওয়া, তারাবী নামাযের জামাতে উপস্থিত হওয়া, মুসলিম বোনদের সাথে দেখা-সাক্ষাত করা ইত্যাদি সবই ভাল আমল; আলহামদুলিল্লাহ। এবং আপনার ভাইকে ভাল কাজে সহায়তা করা এটা আরো একটি ভাল আমল। আপনার এই আমলগুলো পালন করা ও শেষ রাতে তাহাজ্জুদ নামায আদায় করার মাঝে তো কোন সংঘর্ষ নেই। আপনার পক্ষে এ ফজিলতপূর্ণ কাজগুলোর মাঝে সমন্বয় করা সম্ভব। 
এ ক্ষেত্রে দুটো পদ্ধতি হতে পারে:

আমার বাবা মারা গেছেন। তিনি মারা যাওয়ার আগের বছর রোগের কারণে রমজানের দুই দিনের রোযা রাখতে পারেননি। তিনি শাওয়াল মাসে মারা যান। তিনি বলেছিলেন যে, এই দুই দিনের রোযার পরিবর্তে তিনি মিসকীন খাওয়াবেন। এখন এর হুকুম কী এবং আমাদের উপরই বা কী করা ওয়াজিব? আমরা কি তার পক্ষ থেকে রোযা পালন করব এবং ফিদিয়া দিব, নাকি শুধু ফিদিয়া দিব? উল্লেখ্য যে, আমরা জানি না তিনি কি এই দুই দিনের পরিবর্তে ফিদিয়া দিয়েছিলেন অথবা রোযা রেখেছিলেন। তিনি ডায়াবেটিকস রোগে আক্রান্ত ছিলেন বিধায় খুব কষ্ট করে রমজান মাসে রোযা পালন করতেন।

আমার বাবা মারা গেছেন। তিনি মারা যাওয়ার আগের বছর রোগের কারণে রমজানের দুই দিনের রোযা রাখতে পারেননি। তিনি শাওয়াল মাসে মারা যান। তিনি বলেছিলেন যে, এই দুই দিনের রোযার পরিবর্তে তিনি মিসকীন খাওয়াবেন। এখন এর হুকুম কী এবং আমাদের উপরই বা কী করা ওয়াজিব? আমরা কি তার পক্ষ থেকে রোযা পালন করব এবং ফিদিয়া দিব, নাকি শুধু ফিদিয়া দিব? উল্লেখ্য যে, আমরা জানি না তিনি কি এই দুই দিনের পরিবর্তে ফিদিয়া দিয়েছিলেন অথবা রোযা রেখেছিলেন। তিনি ডায়াবেটিকস রোগে আক্রান্ত ছিলেন বিধায় খুব কষ্ট করে রমজান মাসে রোযা পালন করতেন।


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
যদি আপনাদের বাবা বিগত রমজানের সিয়াম কাযা করতে সামর্থ্যবান হওয়া সত্ত্বেও পরবর্তী রমজান আসা পর্যন্ত এর কাযা আদায়ে অবহেলা করে থাকেন এবং এর পরে তিনি মারা যান, তবে আপনাদের জন্য উত্তম হল সেই দুই দিনের  কাযা আদায় করা। এ ব্যাপারে দলীল হলো- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বাণী:

আমি দুই ঈদের নামাযের ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ কী সেটা জানতে চাই।

আমি দুই ঈদের নামাযের ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ কী সেটা জানতে চাই।


সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। 
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই ঈদের সালাত ঈদগাহে আদায় করতেন। তিনি ঈদের সালাত মসজিদে আদায় করেছেন এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। 
ইমাম শাফেয়ি ‘আলউম্ম’ নামক গ্রন্থে বলেছেন:

ইফতারের মধ্যে অপচয় কি রোযার সওয়াব কমিয়ে দেয়?

ইফতারের মধ্যে অপচয় কি রোযার সওয়াব কমিয়ে দেয়?


প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
এতে সিয়ামের সওয়াব কমবে না। রোযা পূর্ণ করার পরে কেউ যদি কোন হারাম কাজে লিপ্ত হয় তাতে রোযার সওয়াবের কমতি হবে না। তবে এ ধরনের অপচয় আল্লাহ তাআলার সেই বাণীর নিষেধাজ্ঞার অধীনে পড়ে যায়:

নারীর জন্য তার নিজ ঘরে ইতিকাফ করা কি জায়েয আছে? যদি জায়েয হয় সেক্ষেত্রে তার যদি রান্নাবান্না করার প্রয়োজন পড়ে, তখন কি করবে?

নারীর জন্য তার নিজ ঘরে ইতিকাফ করা কি জায়েয আছে? যদি জায়েয হয় সেক্ষেত্রে তার যদি রান্নাবান্না করার প্রয়োজন পড়ে, তখন কি করবে?


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। 
মসজিদের বাইরে ইতিকাফ করলে সেটা শুদ্ধ হবে না। কারণ আল্লাহ তাআলা বলেছেন: আর তোমরা মসজিদে ইতিকাফরত অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে মিলিত হয়ো না[২ আল-বাক্বারাহ: ১৮৭] এই হুকুম পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য। 
ইবনে ক্বুদামাহ ‘আল-মুগনী’ গ্রন্থে (৪/৪৬৪)বলেছেন:

রমজান মাসে ফজরের আযানের আগ থেকে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করছিলাম। আযান চলাকালীন সময়েও আমি সহবাসরত ছিলাম। তবে আযান শেষ হওয়ার আগেই আমরা বিরত হয়েছি। আমার ধারণা ছিল যে, মুয়াজ্জিনের আযান শেষ করার পূর্ব পর্যন্ত সহবাস করা জায়েয। এখন আমার করণীয় কি?

রমজান মাসে ফজরের আযানের আগ থেকে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করছিলাম। আযান চলাকালীন সময়েও আমি সহবাসরত ছিলাম। তবে আযান শেষ হওয়ার আগেই আমরা বিরত হয়েছি। আমার ধারণা ছিল যে, মুয়াজ্জিনের আযান শেষ করার পূর্ব পর্যন্ত সহবাস করা জায়েয। এখন আমার করণীয় কি?


এক:
যদি ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার সাথে সাথে মুয়াজ্জিন আযান দেন, তাহলে ওয়াজিব হল ফজরের ওয়াক্ত থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযা ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ (মুফাত্তিরাত) থেকে বিরত থাকা। তাই মুয়াজ্জিন ‘আল্লাহু আক্‌বার’ (আল্লাহ মহান) বলার সাথে সাথে খাদ্য, পানীয়, সহবাস ও সকল রোযা ভঙ্গকারী বিষয় (মুফাত্তিরাত) থেকে বিরত থাকা আবশ্যক হয়ে যায়।   
ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন :

আমি স্বেচ্ছায় রমজান মাসে একদিন রোযা ভেঙ্গে ফেলেছিলাম। এখন ষাটজন মিসকীনকে খাওয়ানোর নিয়্যত করেছি। প্রশ্ন হচ্ছে-মিসকীনদেরকে কি একবারেই খাওয়ানো শর্ত, নাকি আমি প্রতিদিন তিন বা চারজন করে মিসকীন খাওয়াতে পারি? আমার পরিবারের সদস্যরা (যেমন আমার বাবা,মা ও ভাইয়েরা) যদি মিসকীন হয়ে থাকে আমি কি তাদেরকে খাওয়াতে পারি।

আমি স্বেচ্ছায় রমজান মাসে একদিন রোযা ভেঙ্গে ফেলেছিলাম। এখন ষাটজন মিসকীনকে খাওয়ানোর নিয়্যত করেছি। প্রশ্ন হচ্ছে-মিসকীনদেরকে কি একবারেই খাওয়ানো শর্ত, নাকি আমি প্রতিদিন তিন বা চারজন করে মিসকীন খাওয়াতে পারি? আমার পরিবারের সদস্যরা (যেমন আমার বাবা,মা ও ভাইয়েরা) যদি মিসকীন হয়ে থাকে আমি কি তাদেরকে খাওয়াতে পারি।


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।    
সহবাস ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে যদি রমজানের রোযা ভঙ্গ করা হয়ে থাকে, তবে সঠিক মতানুযায়ী এর কোন কাফফারা নেই। তবে এক্ষেত্রে ওয়াজিব হল তওবা করা এবং

ইতিকাফের সর্বনিম্ন সময় কতটুকু? আমি কি অল্প কিছু সময়ের জন্য ইতিকাফ করতে পারি? নাকি একসাথে কয়েকদিনের জন্য ইতিকাফ করতে হবে?

ইতিকাফের সর্বনিম্ন সময় কতটুকু? আমি কি অল্প কিছু সময়ের জন্য ইতিকাফ করতে পারি? নাকি একসাথে কয়েকদিনের জন্য ইতিকাফ করতে হবে?


সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। 
ইতিকাফের সর্বনিম্ন সময়ের ব্যাপারে আলেমগণের মাঝে মতভেদ রয়েছে। অধিকাংশ আলেমের মতে ইতিকাফের সর্বনিম্ন সময় এক মুহূর্তের জন্যও হতে পারে। এটি ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফেয়ি ও ইমাম আহমাদের মাযহাব। দেখুন: আদ্‌দুরুল মুখতার (১/৪৪৫), আলমাজমু (৬/৪৮৯), আলইনস্বাফ (৭/৫৬৬)। 
ইমাম নববী আল মাজমূ (৬/৫১৪) গ্রন্থে বলেছেন:

প্রায় দেড় বছর ধরে আমার দাদী/নানী অসুস্থ। তাঁর হুঁশ নেই, তিনি কথা বলতে পারেন না এবং খাবারদাবারও চান না। যদি আমরা তাঁকে কোন খাবার দেই তবে তিনি খান। তাঁর সাথে কেউ কথা বললে তিনি কদাচিৎ তাকে চিনতে পারেন। তাঁর যা প্রয়োজন সেটাও তিনি আমাদেরকে বলেন না।[যেমন ধরুন তিনি বলেন না যে, আমি টয়লেটে যাব। আল্লাহ আপনাদেরকে সম্মানিত করুন**] তাঁর অবস্থা হলো- তিনি কোন নড়াচড়া ছাড়া বিছানার উপর ঘুমিয়ে থাকেন। তাঁর ছেলেরা তাঁকে নড়াচড়া করতে সাহায্য করে। আমি তাঁর সিয়াম ও সালাতের ব্যাপারে জানতে চাই। আমরা কি তাঁর পক্ষ থেকে ফিদিয়া আদায় করব এবং ইতিপূর্বে গত অবস্থার জন্য আমাদের কোন করণীয় আছে কী? [** আরবী ভাষাভাষীরা অপবিত্র জিনিস যেমন জুতো, টয়লেট ইত্যাদির কথা উল্লেখের পর সাধারণত “আল্লাহ আপনাদের সম্মানিত করুন” এই দু‘আটি উল্লেখ করে থাকে।]


প্রায় দেড় বছর ধরে আমার দাদী/নানী অসুস্থ। তাঁর হুঁশ নেই, তিনি কথা বলতে পারেন না এবং খাবারদাবারও চান না। যদি আমরা তাঁকে কোন খাবার দেই তবে তিনি খান। তাঁর সাথে কেউ কথা বললে তিনি কদাচিৎ তাকে চিনতে পারেন। তাঁর যা প্রয়োজন সেটাও তিনি আমাদেরকে বলেন না।[যেমন ধরুন তিনি বলেন না যে, আমি টয়লেটে যাব। আল্লাহ আপনাদেরকে সম্মানিত করুন**] তাঁর অবস্থা হলো- তিনি কোন নড়াচড়া ছাড়া বিছানার উপর ঘুমিয়ে থাকেন। তাঁর ছেলেরা তাঁকে নড়াচড়া করতে সাহায্য করে। আমি তাঁর সিয়াম ও সালাতের ব্যাপারে জানতে চাই। আমরা কি তাঁর পক্ষ থেকে ফিদিয়া আদায় করব এবং ইতিপূর্বে গত অবস্থার জন্য আমাদের কোন করণীয় আছে কী? [** আরবী ভাষাভাষীরা অপবিত্র জিনিস যেমন জুতো, টয়লেট ইত্যাদির কথা উল্লেখের পর সাধারণত “আল্লাহ আপনাদের সম্মানিত করুন” এই দু‘আটি উল্লেখ করে থাকে।]


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
যিনি বয়সের ভারে দেহ ও মনের চরম অবনতির পর্যায়ে পৌঁছে গেছেন, তাঁর বিবেক-বুদ্ধি লোপ পেয়ে গেছে, হুঁশ থাকে না এমন ব্যক্তি নামায-রোযার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়ে যান। তাঁর উপর কোন কাফ্‌ফারা আদায় করাও আবশ্যক নয়। কারণ মুকাল্লাফ (শরয়ি দায়িত্বপ্রাপ্ত) হওয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে বিবেকবুদ্ধি সম্পন্ন হওয়া।
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :

অন্য কোন রাত্রিতে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় না করে শুধু লাইলাতুল কদরের রাত্রিতে তাহাজ্জুদ নামায আদায় করার বিধান কি?

অন্য কোন রাত্রিতে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় না করে শুধু লাইলাতুল কদরের রাত্রিতে তাহাজ্জুদ নামায আদায় করার বিধান কি?


সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
এক:
লাইলাতুল কদর বা ভাগ্য রজনীতে ইবাদত করার মহান ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। আমাদের মহান প্রতিপালক উল্লেখ করেছেন যে, এই রজনী হাজার মাসের চেয়ে উত্তম এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উল্লেখ করেছেন যে ব্যক্তি ঈমান সহকারে ও প্রতিদানের আশায় লাইলাতুল কদরে নামায পড়বে তার অতীতের সমস্ত গুনাহ  মাফ করে দেয়া হবে।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন:

কারো যদি বৃষ্টি প্রার্থনার নামায অথবা ঈদের নামাযের কিছু অংশ ছুটে যায় যেমন -কেউ ২য় রাকাতে এসে শামিল হলো অথবা কারো রুকু-সেজদা ছুটে গেল সেক্ষেত্রে তার জন্য কী করা ওয়াজিব?

কারো যদি বৃষ্টি প্রার্থনার নামায অথবা ঈদের নামাযের কিছু অংশ ছুটে যায় যেমন -কেউ ২য় রাকাতে এসে শামিল হলো অথবা কারো রুকু-সেজদা ছুটে গেল সেক্ষেত্রে তার জন্য কী করা ওয়াজিব?


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
আলেমদের বহু মতামতের মধ্যে সবচেয়ে সঠিক হল, ইমাম কিছু নামায পড়ে ফেলার পর যে ব্যক্তি বিলম্বে জামাতে যোগ দিয়েছেন তিনি ইমামের সাথে যে কয় রাকাত নামায পড়বেন সেটা তার নামাযের প্রথম অংশ; আর যা তিনি একাকী আদায় করবেন সেটা তার সালাতের শেষ অংশ। এটি ইমাম শাফেয়ি রাহিমাহুল্লাহ এর অভিমত। এবং ইমাম আহমাদ রাহিমাহুল্লাহ হতেও এমন একটি উক্তি বর্ণিত রয়েছে। দেখুন নববী এর “আল-মাজমূ‘”(৪/৪২০)
এই মতের পক্ষে দলীল হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী:

সিয়ামের আয়াতে উল্লেখিত ফিদিয়া এর পরিমাণ কতটুকু?

সিয়ামের আয়াতে উল্লেখিত ফিদিয়া এর পরিমাণ কতটুকু?


সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। 
এক : 
যে ব্যক্তি রমজান মাস পেলেন কিন্তু তিনি সিয়াম পালনে সক্ষম নয়- অতিশয় বৃদ্ধ হওয়ার কারণে অথবা এমন অসুস্থ হওয়ার কারণে যার আরোগ্য লাভের আশা করা যায় না,তার উপর সিয়াম পালন ফরজ নয়। তিনি রোযা ভঙ্গ করবেন এবং প্রতিদিনের বদলে একজন মিসকীনকে খাওয়াবেন। 
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন :

রমজানের আগে আমার স্ত্রী বিগত রমজান মাসের কিছু কাযা রোযা পালন করছিলেন। এমতাবস্থায় আমি তার সাথে সহবাসে লিপ্ত হয়েছি। সে সবগুলো রোযা কাযা করতে পারেনি। বিঃ দ্রঃ সে পূর্বেই আমার কাছে রোযা পালনের অনুমতি চেয়েছিল এবং আমি তাকে অনুমতি দিয়েছিলাম।

রমজানের আগে আমার স্ত্রী বিগত রমজান মাসের কিছু কাযা রোযা পালন করছিলেন। এমতাবস্থায় আমি তার সাথে সহবাসে লিপ্ত হয়েছি। সে সবগুলো রোযা কাযা করতে পারেনি। বিঃ দ্রঃ সে পূর্বেই আমার কাছে রোযা পালনের অনুমতি চেয়েছিল এবং আমি তাকে অনুমতি দিয়েছিলাম।


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
এক:
যিনি কোন ওয়াজিব রোযা শুরু করেন (যেমন: রমজানের কাযা রোযা বা কসম ভঙ্গের কাফফারাস্বরূপ রোযা) তার জন্য কোন ওজর (শরিয়ত অনুমোদিত অজুহাত) ছাড়া রোযা ভঙ্গ করা জায়েয নয়। ওজরের উদাহরণ হচ্ছে- রোগ বা সফর।
যদি তিনি কোনো ওজরবশত অথবা ওজর ছাড়া রোযা ভঙ্গ করে থাকেন তবে সে রোযাটি পালন করা তার দায়িত্বে বাকি থেকে যাবে এবং

আমরা মরক্কোর একটি সংস্থার সদস্য। বর্তমানে বার্সেলোনাতে বসবাস করছি। আমরা সদকাতুল ফিতর বা ফিতরা কিভাবে হিসাব করব?

আমরা মরক্কোর একটি সংস্থার সদস্য। বর্তমানে বার্সেলোনাতে বসবাস করছি। আমরা সদকাতুল ফিতর বা ফিতরা কিভাবে হিসাব করব?


সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। 
রাসূলুল্লাহ  সাল্লাল্লাহু আলাইহি  ওয়া সাল্লাম থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, তিনি মুসলমানদের উপর সদকাতুল ফিতর (ফিতরা) ফরজ করেছেন। আর তা হল এক স্বা‘ খেজুর বা এক  স্বা‘ যব। মানুষ ঈদের সালাতের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার আগে তা আদায় করার আদেশ দিয়েছেন। দুই সহীহ গ্রন্থে (অর্থাৎ  বুখারী ও মুসলিমে) আবু সা‘ঈদ আলখুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেছেন : আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামর সময়ে সদকাতুল ফিতর হিসেবে এক স্বা খাদ্যদ্রব্য অথবা এক স্বা খেজুর অথবা এক স্বা যব অথবা এক স্বা কিসমিস প্রদান করতাম[বুখারী (১৪৩৭)] 
একদল আলেম এই হাদীসে ব্যবহৃত ‘খাদ্যদ্রব্য’ শব্দটির ব্যাখ্যায় বলেছেন যে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত হওয়া সত্ত্বেও কেন মুসলমানেরা ইতিকাফ করা ছেড়ে দিয়েছে? ইতিকাফের মূল উদ্দেশ্যই বা কি?

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত হওয়া সত্ত্বেও কেন মুসলমানেরা ইতিকাফ করা ছেড়ে দিয়েছে? ইতিকাফের মূল উদ্দেশ্যই বা কি?


সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
 এক:
 ইতিকাফ সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই সুন্নত নিয়মিত পালন করতেন।
 ইতিকাফ শরয়ি বিধান হওয়ার পক্ষের দলীলগুলো দেখুন (48999) নং প্রশ্নের উত্তরে।
 এই সুন্নতটি মুসলিম জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। আল্লাহর খাস রহমতপ্রাপ্ত গুটি কতক মানুষ ব্যতীত আর কেউ তা পালন করে না। যে সুন্নতগুলো মুসলমানেরা একেবারে ছেড়ে দিয়েছে বা ছেড়ে দেয়ার উপক্রম হয়েছে- ইতিকাফ তার একটি।
 মুসলমানেরা ইতিকাফ ছেড়ে দেয়ার কারণগুলো নিম্নরূপ:

তারাবীর সালাতে ইমামের পেছনে মুক্তাদির কুরআন ধরে রাখা কি জায়েয?

তারাবীর সালাতে ইমামের পেছনে মুক্তাদির কুরআন ধরে রাখা কি জায়েয?


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।           
মুক্তাদির জন্য উত্তম হচ্ছে- তা না করে চুপ থাকা এবং ইমামের কুরআন তেলাওয়াত শোনা। শাইখ আব্দুল আজীজ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বায রাহিমাহুল্লাহকে প্রশ্ন করা হয়েছিল: তারাবীর সালাতে মুক্তাদির কুরআন বহনের হুকুম কি?
তিনি উত্তরে বলেন:

দুই ঈদে সংঘটিত হয় এমন কোন্‌ কোন্‌ ভুল ও শরিয়ত গর্হিতকাজ থেকে আমরা মুসলিম সমাজকে সতর্ক করবো? আমরা কিছু কাজ দেখে সেগুলোর বিরোধিতা করে থাকি। যেমন-ঈদের নামাযের পরে কবর যিয়ারত করা এবং ঈদের রাতে জেগে থেকে ইবাদত করা...।

দুই ঈদে সংঘটিত হয় এমন কোন্‌ কোন্‌ ভুল ও শরিয়ত গর্হিতকাজ থেকে আমরা মুসলিম সমাজকে সতর্ক করবো? আমরা কিছু কাজ দেখে সেগুলোর বিরোধিতা করে থাকি। যেমন-ঈদের নামাযের পরে কবর যিয়ারত করা এবং ঈদের রাতে জেগে থেকে ইবাদত করা...।


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
 ঈদ ও ঈদের খুশি অত্যাসন্ন। তাই কিছু বিষয়ে মুসলমানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেতে পারে। আল্লাহর শরিয়ত ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ না জানার কারণে কিছু মানুষ যে কাজগুলো করে থাকেন। যেমন :

আমি ছুটি কাটাচ্ছিলাম। ছুটিকালীন সময়ে উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে পবিত্র মক্কা নগরী সফর করি। মক্কা থেকে মদিনা মুনাওয়ারাতে যাই। সেখানে আমি রমজানের দিনের বেলায় আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি; কিন্তু কোন বীর্যপাত হয়নি। প্রশ্ন হলো- এজন্য আমার উপর কি কোন কিছু আবশ্যক হবে? যদি আমার উপর কিছু আবশ্যক হয়ে থাকে আমার জানা মতে সেটা এই ক্রমধারায় আবশ্যক হয়- একজন দাসমুক্তি; আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় এটা পালন করা আমার পক্ষে সম্ভবপর নয়। অথবা একাধারে দুই মাস সিয়াম পালন; আমার ফিল্ড ওয়ার্কধর্মী চাকুরী ও গ্রীষ্মের তীব্র গরমের কারণে এটা পালন করাও আমার জন্য কঠিন। তবে কি আমি ৬০ জন মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াবো? আমার স্ত্রীর উপরও কি একই জরিমানা আবশ্যক হবে, যদি সে সহবাসের প্রস্তাবে রাজি থাকে? এখানে উল্লেখ্য যে, আমি রিয়াদের অধিবাসী। কিন্তু মদিনাতে আমার একটি বাড়ি আছে। ছুটি কাটাতে আমি মদিনাতে যাই।

আমি ছুটি কাটাচ্ছিলাম। ছুটিকালীন সময়ে উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে পবিত্র মক্কা নগরী সফর করি। মক্কা থেকে মদিনা মুনাওয়ারাতে যাই। সেখানে আমি রমজানের দিনের বেলায় আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি; কিন্তু কোন বীর্যপাত হয়নি। প্রশ্ন হলো- এজন্য আমার উপর কি কোন কিছু আবশ্যক হবে? যদি আমার উপর কিছু আবশ্যক হয়ে থাকে আমার জানা মতে সেটা এই ক্রমধারায় আবশ্যক হয়- একজন দাসমুক্তি; আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় এটা পালন করা আমার পক্ষে সম্ভবপর নয়। অথবা একাধারে দুই মাস সিয়াম পালন; আমার ফিল্ড ওয়ার্কধর্মী চাকুরী ও গ্রীষ্মের তীব্র গরমের কারণে এটা পালন করাও আমার জন্য কঠিন। তবে কি আমি ৬০ জন মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াবো? আমার স্ত্রীর উপরও কি একই জরিমানা আবশ্যক হবে, যদি সে সহবাসের প্রস্তাবে রাজি থাকে? এখানে উল্লেখ্য যে, আমি রিয়াদের অধিবাসী। কিন্তু মদিনাতে আমার একটি বাড়ি আছে। ছুটি কাটাতে আমি মদিনাতে যাই।


সমস্ত  প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
নিজ এলাকায় অবস্থানরত রোযা পালনকারী (মুকীম) রমজানে দিনের বেলা সহবাস করলে তার উপর কঠিন কাফ্‌ফারা আবশ্যক হয়। আর তা হল একজন দাস মুক্ত করা। কেউ যদি তা না পারেন তবে দুই মাস একাধারে সিয়াম পালন। কেউ যদি তা না পারেন তবে ৬০ জন মিসকীনকে খাদ্য খাওয়ানো এবং সেই সাথে তার উপর তওবা করা এবং

নারীদের জন্য রমজানের শেষ দশদিন মসজিদে ইতিকাফ করা জায়েয কি না?

নারীদের জন্য রমজানের শেষ দশদিন মসজিদে ইতিকাফ করা জায়েয কি না?


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
 হ্যাঁ, নারীদের জন্য রমজানের শেষ দশদিন মসজিদে ইতিকাফ করা জায়েয।
বরং ইতিকাফ নারী-পুরুষ উভয় শ্রেণীর জন্য একটি সুন্নত ইবাদত। মুমিনদের মাতাগণ তথা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রীবর্গ তাঁর জীবদ্দশায় ও তাঁর মৃত্যুর পরে মসজিদে ইতিকাফ করেছেন।
 সহীহ বুখারী (২০২৬)ও সহীহ মুসলিম (১১৭২) এ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর স্ত্রী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত হয়েছে যে:

আমার বাবা মারা গেছেন (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)। তিনি কিছু সম্পদ রেখে গেছেন। সে সম্পদ ওয়ারিশদের মাঝে বণ্টন করে দেয়া হয়েছে। বাবার মৃত্যুর পর মা আমাকে জানিয়েছেন যে, ২৫ কি ৩০ বছর আগে বাবা একবার রমজান মাসে তাঁর সাথে সহবাস করেছিলেন; যে ব্যাপারে আমার মা অসম্মত ছিলেন। আমার মা যতটুকু স্মরণ করতে পারছেন, সে সময় আমার মায়ের একটা অপারেশন করার পর তিনি হসপিটাল থেকে রিলিজ পেয়েছিলেন। তিনি আরো জানান যে, তিনি সে সময় বাবাকে বুঝিয়েছিলেন যে, এটি জায়েয নয় এবং এ ব্যাপারে কাউকে জিজ্ঞেস করা উচিত। কিন্তু বাবা মাকে বুঝিয়েছেন যে, তিনি তওবা করেছেন এবং আল্লাহ মহা-ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। আমার মা আরো জানিয়েছেন যে, তিনি লজ্জার কারণে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করতে বা আমাদেরকে জানাতে পারেননি। এখন আমার মা চাচ্ছেন- তিনি দুই মাস রোযা পালন করে এর কাফ্‌ফারা আদায় করবেন। আমি তাকে বলেছি যে, যা হয়েছে তাতে তাঁর কোন হাত ছিল না। তাই তাঁকে কিছু করতে হবে না। তাছাড়া তাঁর শারীরিক অবস্থাও এর জন্য প্রস্তুত নয়। এখন আমাদের মৃত পিতার ব্যাপারে আমাদের কী করণীয়? আর আমার মার উপর কী করণীয় ?

আমার বাবা মারা গেছেন (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)। তিনি কিছু সম্পদ রেখে গেছেন। সে সম্পদ ওয়ারিশদের মাঝে বণ্টন করে দেয়া হয়েছে। বাবার মৃত্যুর পর মা আমাকে জানিয়েছেন যে, ২৫ কি ৩০ বছর আগে বাবা একবার রমজান মাসে তাঁর সাথে সহবাস করেছিলেন; যে ব্যাপারে আমার মা অসম্মত ছিলেন। আমার মা যতটুকু স্মরণ করতে পারছেন, সে সময় আমার মায়ের একটা অপারেশন করার পর তিনি হসপিটাল থেকে রিলিজ পেয়েছিলেন। তিনি আরো জানান যে, তিনি সে সময় বাবাকে বুঝিয়েছিলেন যে, এটি জায়েয নয় এবং এ ব্যাপারে কাউকে জিজ্ঞেস করা উচিত। কিন্তু বাবা মাকে বুঝিয়েছেন যে, তিনি তওবা করেছেন এবং আল্লাহ মহা-ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। আমার মা আরো জানিয়েছেন যে, তিনি লজ্জার কারণে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করতে বা আমাদেরকে জানাতে পারেননি। এখন আমার মা চাচ্ছেন- তিনি দুই মাস রোযা পালন করে এর কাফ্‌ফারা আদায় করবেন। আমি তাকে বলেছি যে, যা হয়েছে তাতে তাঁর কোন হাত ছিল না। তাই তাঁকে কিছু করতে হবে না। তাছাড়া তাঁর শারীরিক অবস্থাও এর জন্য প্রস্তুত নয়। এখন আমাদের মৃত পিতার ব্যাপারে আমাদের কী করণীয়? আর আমার মার উপর কী করণীয় ?


সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য। 
এক :
যদি আপনার মা তাঁর অনিচ্ছা সত্ত্বেও রমজানে দিনের বেলায় তাঁর স্বামী কর্তৃক বাধ্য হয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে থাকেন, তবে তার উপর কোন কাফ্‌ফারা নেই। এর দলীল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বাণী :

প্রশ্নঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন: (فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ ) “ফিদিয়া হলো মিসকীন খাওয়ানো”। সেই মিসকীনকে কি বালেগ ও মুকাল্লাফ (শরয়ি দায়িত্বপ্রাপ্ত) হওয়া শর্ত? যদি কোন ব্যক্তি ৩০ জন মিসকীনকে খাওয়াতে চায় সেক্ষেত্রে মিসকীনের সন্তানসন্ততি ও মিসকীন ব্যক্তি যাদের ভরণপোষণ করে তাদেরকে কী মিসকীনের সংখ্যার মধ্যে ধরা যাবে? খাদ্যের পরিবর্তে অর্থ দেয়া কি জায়েয আছে? এই খাওয়ানোর পরিমাণটা কিভাবে নির্ধারণ করতে হবে?কোন শ্রেণীর মিসকীনকে সিয়ামের ফিদিয়া প্রদান করা যাবে? কতটুকু পরিমাণ এবং কোন প্রকারের খাদ্য?

কোন শ্রেণীর মিসকীনকে সিয়ামের ফিদিয়া প্রদান করা যাবে? কতটুকু পরিমাণ এবং কোন প্রকারের খাদ্য?


প্রশ্নঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন: (فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ ) “ফিদিয়া হলো মিসকীন খাওয়ানো”। সেই মিসকীনকে কি বালেগ ও মুকাল্লাফ (শরয়ি দায়িত্বপ্রাপ্ত) হওয়া শর্ত? যদি কোন ব্যক্তি ৩০ জন মিসকীনকে খাওয়াতে চায় সেক্ষেত্রে মিসকীনের সন্তানসন্ততি ও মিসকীন ব্যক্তি যাদের ভরণপোষণ করে তাদেরকে কী মিসকীনের সংখ্যার মধ্যে ধরা যাবে? খাদ্যের পরিবর্তে অর্থ দেয়া কি জায়েয আছে? এই খাওয়ানোর পরিমাণটা কিভাবে নির্ধারণ করতে হবে?

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
এক :
যে ব্যক্তি রমজানে সিয়াম পালনে সক্ষম এবং  যার কোন শরিয়ত অনুমোদিত ওজর নেই তার জন্য রোযা না-রাখা জায়েয নয়। যে ব্যক্তি শরিয়তের শিথিলতার সুযোগ নিয়ে রোযা না-রাখবেন তাদের সকলকে যে প্রতিদিনের রোযার পরিবর্তে মিসকীন খাওয়াতে হয় এমনটি নয়। বরং

প্রশ্ন : আমার বাবা বার্ধক্য ও অসুস্থতার কারণে অক্ষম হয়ে গোটা রমজান মাসে রোযা রাখতে পারেননি। এই রোযাগুলোর কাযা পালন করার আগেই বাবা মারা গেছেন। দরিদ্রদেরকে অর্থ দানের মাধ্যমে আমরা তাঁর রোযার কাফফারা আদায় করেছি। পরবর্তীতে জানতে পারলাম যে, অর্থ দিয়ে কাফফারা দেয়ায় সেটা আদায় হবে না, খাদ্য দিয়ে কাফফারা আদায় করতে হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- আমরা কি তাহলে পুনরায় কাফফারা আদায় করব? এবং সেটার পরিমাণ কত?বার্ধক্য বা অসুস্থতার কারণে রোযা পালনে অক্ষম ব্যক্তির ফিদিয়ার পরিমাণ

বার্ধক্য বা অসুস্থতার কারণে রোযা পালনে অক্ষম ব্যক্তির ফিদিয়ার পরিমাণ


প্রশ্ন : আমার বাবা বার্ধক্য ও অসুস্থতার কারণে অক্ষম হয়ে গোটা রমজান মাসে রোযা রাখতে পারেননি। এই রোযাগুলোর কাযা পালন করার আগেই বাবা মারা গেছেন। দরিদ্রদেরকে অর্থ দানের মাধ্যমে আমরা তাঁর রোযার কাফফারা আদায় করেছি। পরবর্তীতে জানতে পারলাম যে, অর্থ দিয়ে কাফফারা দেয়ায় সেটা আদায় হবে না, খাদ্য দিয়ে কাফফারা আদায় করতে হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- আমরা কি তাহলে পুনরায় কাফফারা আদায় করব? এবং সেটার পরিমাণ কত?

সমস্ত  প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
এক :
মালেকী,শাফেয়ী ও হাম্বলী মাজহাবের জমহুর (অধিকাংশ) আলেমের মতানুযায়ী অর্থদানের মাধ্যমে রোযার ফিদিয়া আদায় যথেষ্ট নয়। বরং ওয়াজিব হল খাদ্যদানের মাধ্যমে রোযার ফিদিয়া আদায় করা। যেহেতু আল্লাহ তাআলা বলেছেন:

আমার বান্ধবী আমাকে বলল যে, কোকাকোলা পান করা হারাম। কারণ আমরা যদি আয়নার ভিতরে কোকাকোলার বোতলের প্রতিবিম্বের দিকে তাকাই তখন দেখতে পাই যে, লেখা আছে- লা ইলাহা (কোন উপাস্য নেই), লা মুহাম্মদ (মুহাম্মদ নেই)। সে আমাকে আরও বলল যে, যে ব্যক্তি এটা পান করে সে মুসলিম নয়। অনুগ্রহপূর্বক বিষয়টি পরিস্কার করবেন।কোকাকোলা পান করার হুকুম

কোকাকোলা পান করার হুকুম


আমার বান্ধবী আমাকে বলল যে, কোকাকোলা পান করা হারাম। কারণ আমরা যদি আয়নার ভিতরে কোকাকোলার বোতলের প্রতিবিম্বের দিকে তাকাই তখন দেখতে পাই যে, লেখা আছে- লা ইলাহা (কোন উপাস্য নেই), লা মুহাম্মদ (মুহাম্মদ নেই)। সে আমাকে আরও বলল যে, যে ব্যক্তি এটা পান করে সে মুসলিম নয়। অনুগ্রহপূর্বক বিষয়টি পরিস্কার করবেন।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। 
কোমল-পানীয় কোকাকোলা সম্পর্কে যে কথাগুলো বলা হয়ে থাকে যে, এর বোতলের উপরে লেখা আছে, লা আল্লাহ (আল্লাহ নেই), লা মুহাম্মদ (মুহাম্মদ নেই) অথবা লা মুহাম্মদ (মুহাম্মদ নেই) লা মক্কা (মক্কা নেই); আয়না ভিতরে তাকালে এটি দেখা যায়- এ কথা সঠিক নয় এবং

প্রশ্ন : একজন অসুস্থ ব্যক্তির উপর রোযার ফিদিয়া ওয়াজিব হয়েছে। এই ফিদিয়ার খাদ্য কি অমুসলিমদের প্রদান করা জায়েয হবে? কারণ সে ব্যক্তি একটি অমুসলিম দেশে বাস করে।রোযার ফিদিয়া কি অমুসলিমকে খাওয়ানো যাবে?

রোযার ফিদিয়া কি অমুসলিমকে খাওয়ানো যাবে?


প্রশ্ন : একজন অসুস্থ ব্যক্তির উপর রোযার ফিদিয়া ওয়াজিব হয়েছে। এই ফিদিয়ার খাদ্য কি অমুসলিমদের প্রদান করা জায়েয হবে? কারণ সে ব্যক্তি একটি অমুসলিম দেশে বাস করে।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
“যদি অমুসলিম দেশে বসবাসকারী কারো উপর রোযার ফিদিয়া ওয়াজিব হয় এবং সে দেশে ফিদিয়া গ্রহণের হকদার কোন মুসলিম পাওয়া যায় তিনি তাদেরকে ফিদিয়ার খাদ্য খাওয়াবেন। আর যদি সে দেশে এ রকম কাউকে পাওয়া না যায় তাহলে অন্য মুসলিম দেশে দান করবেন;

প্রশ্ন: লাইলাতুল কদর কিভাবে পালন করা উচিৎ? সেটা কি নামায, কুরআন তেলাওয়াত, সিরাত আলোচনা, ওয়াজ নসিহত, দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য এবং এর জন্য মসজিদে একত্রিত হওয়ার মাধ্যমে উদযাপন করতে হবে?আমরা লাইলাতুল কদরে কী কী ইবাদত পালন করতে পারি এবং সেটি কোন রাত?

আমরা লাইলাতুল কদরে কী কী ইবাদত পালন করতে পারি এবং সেটি কোন রাত?


প্রশ্ন: লাইলাতুল কদর কিভাবে পালন করা উচিৎ? সেটা কি নামায, কুরআন তেলাওয়াত, সিরাত আলোচনা, ওয়াজ নসিহত, দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য এবং এর জন্য মসজিদে একত্রিত হওয়ার মাধ্যমে উদযাপন করতে হবে?
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
 এক:
 রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমজানের শেষ দশকে নামায, কুরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মধ্যে এত বেশী সময় দিতেন যা অন্য সময়ে দিতেন না। আয়েশা (রাঃ) থেকে  ইমাম বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন যে,

প্রশ্ন : শাওয়ালের ছয় দিনের রোযা ও হায়েযজনিত কারণে রমজানের ভঙ্গ হওয়া দিনগুলোর কাযা রোযা এক নিয়্যতে পালন করা কি জায়েয হবে?

রমজানের কাযা আদায় ও শাওয়ালের ছয় দিনের রোযা এক নিয়্যতে এক সাথে আদায় করা শুদ্ধ নয়।


প্রশ্ন : শাওয়ালের ছয় দিনের রোযা ও হায়েযজনিত কারণে রমজানের ভঙ্গ হওয়া দিনগুলোর কাযা রোযা এক নিয়্যতে পালন করা কি জায়েয হবে?
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
না,তা শুদ্ধ নয়। কারণ রমজানের না-রাখা রোযার কাযা পালন সম্পূর্ণ শেষ না করা পর্যন্ত শাওয়ালের ছয় রোযা রাখা যাবে না।  
শাইখ ইবনে উছাইমীন  ‘ফাতাওয়াস্‌ সিয়াম’ (৪৩৮) এ বলেছেন  :

প্রশ্ন : আমি মসজিদে বিলম্বে প্রবেশ করেছি। ততক্ষণে আমার ছয় রাকাত তারাবীর সালাত ছুটে গেছে। আমি তারাবীর পর এশার সালাত আদায় করেছি। তারাবীর যে ছয় রাকাত ছুটে গেছে এর কাযা আদায় করা কি আমার উপর ওয়াজিব?

যে ব্যক্তি এশার আগে তারাবীর সালাত আদায় করে ফেলেছে!


প্রশ্ন : আমি মসজিদে বিলম্বে প্রবেশ করেছি। ততক্ষণে আমার ছয় রাকাত তারাবীর সালাত ছুটে গেছে। আমি তারাবীর পর এশার সালাত আদায় করেছি। তারাবীর যে ছয় রাকাত ছুটে গেছে এর কাযা আদায় করা কি আমার উপর ওয়াজিব?
 সমস্ত  প্রশংসা আল্লাহর জন্য। 
এশার নামাযের আগে তারাবীর নামায পড়া ঠিক হয়নি। আপনি এশার নামাযের নিয়্যত করে তারাবীর জামাতে যোগ দিতে পারতেন। দুই রাকাত পড়ে ইমাম সালাম ফিরানোর পর আপনি দাঁড়িয়ে গিয়ে এশার বাকি দুই রাকাত সালাত পূর্ণ করে নিতে পারতেন। ক্বিয়ামুল লাইল (তারাবী, বিতির, তাহাজ্জুদ ইত্যাদি) এশার সালাতের আগে হয় না; বরং পরে হয়। বরং

কুরআন শরিফ শিক্ষা দেয়ার বদলে পারিশ্রমিক নেয়া কি ঠিক?

কুরআন শরিফ শিক্ষা দেয়ার বদলে পারিশ্রমিক নেয়া কি ঠিক?


আলহামদুলিল্লাহ।
কুরআন শিক্ষা দিয়ে বেতন নেয়া জায়েয কিনা এ ব্যাপারে ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটিকে জিজ্ঞেস করা হলে তাঁরা জবাব দেন যে, হ্যাঁ; আলেমগণের দুইটি মতের মধ্যে বিশুদ্ধ মত হচ্ছে- কুরআন শিক্ষা দিয়ে বেতন নেয়া জায়েয। দলিল হচ্ছে

প্রশ্ন: বর্তমান যামানায় অনেক নারী পুরুষ মানুষ না থাকলে মহিলাদের সামনে এত সংকীর্ণ পোশাক পরে থাকেন যে তাদের পিঠ ও পেটের বড় একটা অংশ খোলা থাকে। আবার অনেকে ঘরে সন্তানদের সামনে একই ধরনের শর্ট পোশাক পরে থাকেন - এ বিষয়ে আপনাদের মতামত কি?

নারীর জন্য অপর নারী বা মোহরেম পুরুষের সামনে যা কিছু খোলা রাখা জায়েয


প্রশ্ন: বর্তমান যামানায় অনেক নারী পুরুষ মানুষ না থাকলে মহিলাদের সামনে এত সংকীর্ণ পোশাক পরে থাকেন যে তাদের পিঠ ও পেটের বড় একটা অংশ খোলা থাকে। আবার অনেকে ঘরে সন্তানদের সামনে একই ধরনের শর্ট পোশাক পরে থাকেন - এ বিষয়ে আপনাদের মতামত কি?
উত্তর:  সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
 ফতোয়া ও গবেষণা বিষয়ক স্থায়ী কমিটি এ বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন:
 সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আমাদের নবী মুহাম্মদের প্রতি, তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের প্রতি আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
 ইসলামের প্রথম যুগের নারীগণ আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি ঈমান এবং

শুক্রবারে আরাফার দিন হওয়ার কোন বিশেষত্ব বা ফজিলত আছে কি? প্রশ্ন: শুক্রবারে আরাফার দিন হলে সেই হজ্জ ৭ হজ্জের সমান- এ কথা কি ঠিক? আল্লাহ আপনাদেরকে হাজারগুণ প্রতিদান দিন।

শুক্রবারে আরাফার দিন হওয়ার কোন বিশেষত্ব বা ফজিলত আছে কি?


প্রশ্ন: শুক্রবারে আরাফার দিন হলে সেই হজ্জ ৭ হজ্জের সমান- এ কথা কি ঠিক? আল্লাহ আপনাদেরকে হাজারগুণ প্রতিদান দিন।
উত্তর:   সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
 শুক্রবারে আরাফা হলে সে বছরের হজ্জ সাত হজ্জের সমতুল্য এই মর্মে আমরা কোন হাদিস জানি না। তবে যেটা বর্ণিত আছে সেটা হচ্ছে- ৭০ হজ্জের সমতুল্য বা ৭২ হজ্জের সমতুল্য। কিন্তু কোন অবস্থাতে এ দুটি বর্ণনা সহিহ নয়।
 প্রথম উক্তিটি এক হাদিসের মতনে এসেছে তবে সে হাদিসটি বাতিল, সহিহ নয়। আর দ্বিতীয় উক্তিটির কোন সনদ বা মতন আমি পাইনি। এর কোন ভিত্তি নেই।
 উদ্ধৃত হাদিসের বক্তব্য হচ্ছে-

প্রশ্ন: সম্পদের যাকাত কি নিসাব পরিমাণ হওয়া থেকে হিসাব করা হবে? নাকি বছর পূর্তি থেকে হিসাব করা হবে? যদি নিসাব পরিমাণ হওয়ার সময় সম্পদের পরিমাণ হয় ১০,০০০ এবং বছর পূর্তির পর হয় ৫০,০০০ তাহলে কোন অংকটির উপর যাকাত হিসাব করতে হবে?

বছরের মাঝখানে উপার্জিত সম্পদের যাকাত


প্রশ্ন: সম্পদের যাকাত কি নিসাব পরিমাণ হওয়া থেকে হিসাব করা হবে? নাকি বছর পূর্তি থেকে হিসাব করা হবে? যদি নিসাব পরিমাণ হওয়ার সময় সম্পদের পরিমাণ হয় ১০,০০০ এবং বছর পূর্তির পর হয় ৫০,০০০ তাহলে কোন অংকটির উপর যাকাত হিসাব করতে হবে?

উত্তর:  সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
 এক:
নগদ অর্থের যাকাত ফরজ হয় দুইটি কারণে
১. নগদ অর্থ নিসাব পরিমাণ হওয়া।
২. নিসাব পরিমাণ অর্থের বছর পূর্তি হওয়া।
 অতএব,

আমি যেনা করতে চাই! আমি আর নিজেকে সামলাতে পারছি না। দশ বছর যাবৎ ধৈর্য ধরে আছি। আলহামদু লিল্লাহ আমি নামায পড়ি, রোজা রাখি। কিন্তু যখনই আমি কোন মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেই বিয়ে ভেঙ্গে যায়। আমি যেনা করতে চাই! আমি যেনা করতে চাই! আমি দোয়া করি; কিন্তু দুআ কবুল হয় না। আমি কি করব? আমি আর পারছি না।

আমি যেনা করতে চাই! আমি আর নিজেকে সামলাতে পারছি না। দশ বছর যাবৎ ধৈর্য ধরে আছি। আলহামদু লিল্লাহ আমি নামায পড়ি, রোজা রাখি। কিন্তু যখনই আমি কোন মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেই বিয়ে ভেঙ্গে যায়। আমি যেনা করতে চাই! আমি যেনা করতে চাই! আমি দোয়া করি; কিন্তু দুআ কবুল হয় না। আমি কি করব? আমি আর পারছি না।


 সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
 এক:
আপনি আমাদের সাথে যেমন স্পষ্টবাদী হয়েছেন আমরাও আপনার সাথে স্পষ্টবাদী হব। আপনি কি আমাদের কাছে এজন্য মেইল করেছেন যে, আমরা আপনাকে যেনা করার অনুমতি দিব?!

আমি জানি, ইসলামে ইবাদত হিসেবে যা কিছুর নব উদ্ভাবন করা হয় সেটা- বিদআত। এটা যদি সঠিক হয় তাহলে আমরা মিলাদকে বিদআত বলছি কেন? মিলাদ একটি সাধারণ অনুষ্ঠান; এর সাথে ইবাদতের কোন সম্পর্ক নেই। কেউ কেউ দলিল দেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের জন্য শুধু দুইটি ঈদ বা উৎসবের বিধান দিয়েছেন। এ দুইটি ঈদ ছাড়া আর কোন উৎসব উদযাপন করা যাবে না। আমি এখানে পুনরায় বলতে চাই- মিলাদ একটি সাধারণ অনুষ্ঠান; এতে তো কোন ইবাদত সম্পর্কিত কোন রেওয়াজ রীতি নেই। এটি অন্য যে কোন জন্মদিবস পালনের মত।

আমি জানি, ইসলামে ইবাদত হিসেবে যা কিছুর নব উদ্ভাবন করা হয় সেটা- বিদআত। এটা যদি সঠিক হয় তাহলে আমরা মিলাদকে বিদআত বলছি কেন? মিলাদ একটি সাধারণ অনুষ্ঠান; এর সাথে ইবাদতের কোন সম্পর্ক নেই। কেউ কেউ দলিল দেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের জন্য শুধু দুইটি ঈদ বা উৎসবের বিধান দিয়েছেন। এ দুইটি ঈদ ছাড়া আর কোন উৎসব উদযাপন করা যাবে না। আমি এখানে পুনরায় বলতে চাই- মিলাদ একটি সাধারণ অনুষ্ঠান; এতে তো কোন ইবাদত সম্পর্কিত কোন রেওয়াজ রীতি নেই। এটি অন্য যে কোন জন্মদিবস পালনের মত।


আলহামদুলিল্লাহ।
 নবীর মিলাদ বা জন্মদিবস পালন নিছক কোন অনুষ্ঠান নয় যে, এর সাথে ইবাদতের কোন সম্পর্ক নেই। বরং যারা পালন করে তাদের কাছে এটি “ধর্মীয় ঈদ বা উৎসব” তারা আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে তা পালন করে। এর ব্যাখ্যা নিম্নে তুলে ধরা হলো।
 এক:
যারা এটি পালন করে তারা নবীর ভালবাসা থেকে পালন করে থাকে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালবাসা সবচেয়ে উত্তম ইবাদত,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ