Wednesday, November 29, 2017

যাদুর দ্বিতীয় প্রকারঃ আসক্তকারী যাদুর বিপরীত প্রভাব এবং আসক্তকারী যাদুর বিপরীত প্রভাব

আসক্তকারী যাদুর বিপরীত প্রভাব


১ । কখনো যাদুর দ্বারা স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জানি, যে তিন বছর এই প্রকার যাদুর প্রভাবে অসুস্থ ছিল।
২। কখনো আবার ভালবাসার পরিবর্তে ঘৃণা সৃষ্টি হতে থাকে। আর এটা এজন্য যে, কিছু যাদুকর যাদুর মৌলিক বিষয়ে জ্ঞান রাখে না।
৩। কখনো স্ত্রী তার স্বামীর জন্য এমন যাদু করে বসে যে,

যাদুর দ্বিতীয় প্রকারঃ স্বামীকে আসক্ত করার হালাল যাদু

স্বামীকে আসক্ত করার হালাল যাদু


এটা এমন এক বিষয় যা আমি ফরজ মনে করি মুসলিম রমনীদের জানানো। কথা হল যে, প্রত্যেক নারীই তার স্বামীর ভালবাসা পাওয়ার জন্যে বৈধ যাদু বা পন্থা অবলম্বন করতে পারে।
যেমন স্ত্রী তার স্বামীর জন্যে নিজেকে সুসজ্জিত ও পরিপাটি করে রাখবে, স্বামীর সাথে মিষ্টি কথা বলবে, অনুরূপ ফুটন্ত মুচকি হাসি উত্তম ব্যবহার করবে। যাতে তার স্বামী এদিক সেদিক দৃষ্টি না দেয়; বরং নিজের স্ত্রীর দ্বারাই প্রভাবিত থাকে। এছাড়া স্বামীর সম্পদের হেফাযত করবে, তার সন্তানদের যত্ন নিবে। আল্লাহর অবাধ্যতায় ব্যতীত স্বামীকে মান্য করে চলবে; কিন্তু

যাদুর দ্বিতীয় প্রকারঃ আসক্তকারী যাদুর চিকিৎসা

আসক্তকারী যাদুর চিকিৎসা


১। রোগীর জন্যে সেই সব আয়াত পড়তে হবে যা পূর্বে উল্লেখিত হয়েছে। তার মধ্যে সূরা বাকারার ১০২ না পড়ে বরং সূরা তাগাবুন-এর ১৪, ১৫ ও ১৬ নং আয়াত পড়বেঃ

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ مِنْ أَزْوَاجِكُمْ وَأَوْلَادِكُمْ عَدُوًّا لَكُمْ فَاحْذَرُوهُمْ وَإِنْ تَعْفُوا وَتَصْفَحُوا وَتَغْفِرُوا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ، إِنَّمَا أَمْوَالُكُمْ وَأَوْلَادُكُمْ فِتْنَةٌ  وَاللَّهُ عِنْدَهُ أَجْرٌ عَظِيمٌ، فَاتَّقُوا اللَّهَ مَا اسْتَطَعْتُمْ وَاسْمَعُوا وَأَطِيعُوا وَأَنْفِقُوا خَيْرًا لِأَنْفُسِكُمْ وَمَنْ يُوقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ

অর্থঃ হে মুমিনগণ! নিশ্চয় তোমাদের স্ত্রী-সন্তানদের মধ্য থেকে কতক তোমাদের শক্র । অতএব এদের থেকে সাবধান থাক। আর যদি তাদের ক্ষমা করে দাও তবে নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা ক্ষমাশীল ও করুণাময়। নিশ্চয় তোমাদের সম্পদসমূহ ও সন্তানাদি পরীক্ষাস্বরূপ আর আল্লাহর কাছে অনেক নেকী রয়েছে। সুতরাং আল্লাহকে যথাসাধ্য ভয় কর এবং

যাদুর দ্বিতীয় প্রকারঃ আসক্তকারী যাদুর এক উদাহরণ

আসক্তকারী যাদুর এক উদাহরণ


এক ব্যক্তি আমার কাছে এসে বলতে লাগল, প্রথম অবস্থায় আমি আমার স্ত্রীর সাথে স্বাভাবিক জীবন -যাপন করতাম। এখন জানি না কি হয়ে গেল স্ত্রী থেকে দূরে থাকতে পারি না। কাজের সময়ও তারই ধ্যান চলে আসে। কাজ শেষ হলে দ্রুত স্ত্রীর কাছে পৌছার জন্যে তৎপর থাকি। যদি মেহমানদের মাঝে বসে থাকি তবুও বার বার তাদেরকে রেখে স্ত্রীর কাছে চলে যাই। সব সময় আমি তার পিছনেই থাকি। বুঝে আসছে না আমার কি হয়ে গেল। তাকে ছাড়া আমি আর টিকতে পারছি না। সেই যেন আমাকে

যাদুর তৃতীয় প্রকারঃ নজরবন্দী বা ভেল্কিবাজির যাদু্‌ এবং ভেল্কিবাজি যাদুর লক্ষণসমূহ

নজরবন্দী বা ভেল্কিবাজির যাদু


সূরা আরাফে আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেনঃ

قَالُوا يَا مُوسَىٰ إِمَّا أَنْ تُلْقِيَ وَإِمَّا أَنْ نَكُونَ نَحْنُ الْمُلْقِينَ، قَالَ أَلْقُوا فَلَمَّا أَلْقَوْا سَحَرُوا أَعْيُنَ النَّاسِ وَاسْتَرْهَبُوهُمْ وَجَاءُوا بِسِحْرٍ عَظِيمٍ، وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ  فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ، فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ، فَغُلِبُوا هُنَالِكَ وَانْقَلَبُوا صَاغِرِينَ، وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ، قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ، رَبِّ مُوسَىٰ وَهَارُونَ

 যাদুকররা বলল, হে মূসা আপনি (প্রথম) নিক্ষেপ করবেন না হয় আমরা নিক্ষেপ করব। মূসা (আলাইহিস সালাম) বললেন, নিক্ষেপ কর। এরপর যখন তারা নিক্ষেপ করল তখন লোকদের দৃষ্টিকে যাদু করল এবং তাদেরকে ভীত করে তুলল। আর আমি মূসা (আলাইহিস সালাম)-কে নির্দেশ দিলাম যে, আপনি আপনার লাঠিটি নিক্ষেপ করুন। অতঃপর

যাদুর তৃতীয় প্রকারঃ এই যাদু কিভাবে করা হয়? ভেল্কিবাজির যাদুকে নষ্ট করার পদ্ধতি

এই যাদু কিভাবে করা হয়?


যাদুকর সাধারণ বা সবার কাছে পরিচিত কোন বস্তু সামনে নিয়ে আসে। অতঃপর নিজে শিরকযুক্ত মন্ত্র পড়ে শয়তানের কাছে প্রার্থনা করে। অতঃপর শয়তানের সাহায্যে সেই বস্তুটি অন্য কোন রূপ দিয়ে দেখানো হয়। এমনি এক ঘটনা এক ব্যক্তি আমার কাছে বর্ণনা করেছে, এক যাদুকর লোকজনের সামনে ডিম রেখে খুব দ্রুত ঘুরায়। অন্য একটি ঘটনা বর্ণনা করল যে, যাদুকর দু'পাথরকে পরস্পর সংঘর্ষ করে দেখতে দেখা যায় দুই ছাগল লড়ে। এসবের উদ্দেশ্য হল মানুষকে অবাক করে তাদের থেকে অর্থ লুটিয়ে নেয়া।
কখনও

যাদুর তৃতীয় প্রকারঃ ভেল্কিবাজি যাদুর একটি বাস্তব দৃষ্টান্ত ও তার প্রতিকার

ভেল্কিবাজি যাদুর একটি বাস্তব দৃষ্টান্ত ও তার প্রতিকার


এক যাদুকরের কুরআনকে ঘুরানোঃ
মিশরের এক যাদুকর কুরআন ঘুরিয়ে তার তেলেসমাতি জাহের করত লোকজনের সামনে। কুরআনে এক সূতা বেঁধে সেটাকে চাবির সাথে বেঁধে দিত এরপর কুরআন উপরে উঠিয়ে লটকিয়ে রেখে কিছু মন্ত্র পড়ে কুরআনকে বলত ডানে ঘুর আর কুরআন ডানে ভন ভন করে ঘুরত, বামে ঘুরতে বললে বামে ঘুরত। এভাবে মানুষ ফিতনায় পড়ে যাওয়ার উপক্রম কেননা কুরআনের সাথে এ যাদু। আমি যাদুকরকে চ্যালেঞ্জ করে বললাম আমার সামনে যাদু দেখাতে পারবে না। লোকজন

চতুর্থ প্রকার যাদুঃ পাগল করা যাদু ,পাগল করা যাদুর লক্ষনসমূহ, পাগল করা যাদু কিভাবে করা হয়?

 পাগল করা যাদু


খারেজা বিনতে সালত তার চাচা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন। ইসলাম গ্রহণ করার পর তিনি তার নিকট হতে ফিরে আসছিলেন। পথিমধ্যে তিনি এক গোত্রের নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন এমন সময় তিনি দেখতে পান যে, এক পাগল জিঞ্জিরে আবদ্ধ রয়েছে। তার সাথের লোকজন বললঃ আমরা খবর পেয়েছি, আপনাদের সেই মহান সাথী নাকি এক মহান কল্যাণসহ আর্বিভূত হয়েছেন। সুতরাং আপনাদের নিকট এমন কিছু কি আছে যা দ্বারা এ পাগলকে চিকিৎসা করতে পারেন?

চতুর্থ প্রকার যাদুঃ পাগল করা যাদুর চিকিৎসা

পাগল করা যাদুর চিকিৎসা


১। ইতিপূর্বে উল্লেখিত আয়াতগুলি পড়তে হবে।
২ । যখন রোগী বেহুশ হয়ে যাবে, তখন তার সাথে সেই পদ্ধতিই গ্রহণ করতে হবে যেমন পূর্বে বর্ণনা করা হয়েছে।
৩। আর যদি রোগী বেহুশ না হয় তবে উল্লেখিত পন্থায় তিন বার অথবা এরও অধিকবার ঝাড়-ফুক করতে হবে। এরপরও যদি বেহুশ না হয় তবে সেই সব সূরাকে কোন ক্যাসেটে রেকর্ড করে তাকে প্রতিদিন দুই অথবা তিনবার এক মাস পর্যন্ত শুনাতে হবেঃ ঝাড়-ফুকের আয়াতসমূহও সূরাগুলি হলোঃ
সূরা বাকারা, হুদ, হিজর, সাফফাত, ক্বাফ, আর-রহমান, মূলক, জ্বিন, আ'লা, যিলযাল, হুমাযা, কাফিরুন, ফালাক, ও সূরা নাস। দেখা যাবে এসব সূরা শুনার ফলে রোগীর অন্তরে ধড়ফড় শুরু করবে এমনকি

চতুর্থ প্রকার যাদুঃ দ্পাগল করা যাদুর কতিপয় উদাহরণ

 পাগল করা যাদুর কতিপয় উদাহরণ


প্রথম উদাহরণঃ
কিছু লোক এক ব্যক্তিকে জিঞ্জিরে বেঁধে আমার কাছে নিয়ে আসল সে আমাকে দেখামাত্র যারা তাকে বন্দি করে নিয়ে আসছিল তাদেরকে এমন জোরে লাথ মারল যে, তারা অনেক দূরে গিয়ে পড়ল। এরপর তাদের সবাই মিলে তাকে বশে এনে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর আমি কুরআন পড়ে ঝাড়তে লাগলাম এরই মধ্যে সে আমার চেহারায় থুতু দিতে লাগল। এরপর আমি কতক ক্যাসেট ৪৫ দিন পর্যন্ত শুনতে দিলাম আর ৪৫ দিন পর আমার কাছে আসতে বললাম। আর যখন তারা পুনরায় রোগীকে নিয়ে আসল তখন চেতনা ও অনুভূতি রোগীর মধ্যে ছিল। আর

পঞ্চম প্রকার যাদুঃ একাকিত্ব ও নির্জনতা পছন্দের যাদু

একাকিত্ব ও নির্জনতা পছন্দের যাদু


এই যাদুতে নিম্নের লক্ষণসমূহ পাওয়া যায়।

১ । একাকিতুকে পছন্দ করা।
২। সম্পূর্ণরূপে আলাদা থাকা।
৩। সর্বদায় চুপ থাকা।
৪। মানুষের সাথে সামাজিকতাকে ঘৃণা করা।
৫। অস্বস্থি মেজাজ।
৬। সব সময় মাথা ব্যাথা।
এই প্রকার যাদু যেভাবে করা হয়ে থাকেঃ

ষষ্ঠ প্রকার যাদুঃ অজানা আওয়াজ শুনতে পাওয়া

অজানা আওয়াজ শুনতে পাওয়া


১। ভীতিজনক স্বপ্ন দেখা।
২। স্বপ্নে কাউকে ডাকতে দেখা।
৩। জাগ্রত অবস্থায় আওয়াজ শোনা অথচ কাউকে দেখতে না পাওয়া।
৪। ওয়াসওয়াসা বৃদ্ধি পাওয়া।
৫। নিকটাত্মীয় ও বন্ধুদের সম্পর্কে অতিমাত্রায় সন্দেহ সৃষ্টি হওয়া।
৬ স্বপ্নে উচু স্থান থেকে নিচে পড়ে যেতে দেখা।
৭। স্বপ্লে ভয়ঙ্কর জন্তুকে দেখতে পাওয়া যা তাকে তাড়া করছে।
এই প্রকার যাদু যেভাবে করা হয়ে থাকেঃ

সপ্তম প্রকার যাদুঃ কাউকে যাদুর মাধ্যমে শারীরিকভাবে রোগী বানিয়ে দেয়া

কাউকে যাদুর মাধ্যমে শারীরিকভাবে রোগী বানিয়ে দেয়া


এই যাদুর লক্ষণসমূহ

১ । শরীরের কোন অঙ্গে সর্বদায় ব্যাথা থাকা।
২। শরীরে ঝাকুনি বা খিচুনী এসে বেহুশ হয়ে যাওয়া।
৩। শরীরের কোন অঙ্গ অচল হয়ে যাওয়া।
৪ । সমস্ত শরীর নিজীব হয়ে যাওয়া।
৫ । পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের কোন একটি কাজ না করা।

এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করতে হয় যে,

সপ্তম প্রকার যাদুঃ এই যাদু কিভাবে হয়ে থাকে (কাউকে যাদুর মাধ্যমে শারীরিকভাবে রোগী বানিয়ে দেয়া)

এই যাদু কিভাবে হয়ে থাকে (কাউকে যাদুর মাধ্যমে শারীরিকভাবে রোগী বানিয়ে দেয়া)


এটা সবার কাছেই জানা যে, মানুষের মস্তিষ্ক সব অংশের মূল শরীর যে কোন অংশকে মস্তিষ্ক পরিচালনা করে এবং বিপদ আসলে বিপদ সংকেত দিয়ে অঙ্গকে রক্ষা করে। আর তা সেকেন্ডের কম সময়ের মধ্যেই হয়ে থাকে।

فَأَرُونِي مَاذَا خَلَقَ الَّذِينَ مِنْ دُونِهِ

অর্থঃ "এটা আল্লাহর সৃষ্টি আর আল্লাহ ব্যতীত যে (সব মিথ্যা) মাবুদ রয়েছে তাদের সৃষ্ট কিছু আমাকে দেখাও।" (সূরা লোকমানঃ ১১)
যখন মানুষ এই ধরণের যাদুতে আক্রান্ত হয় তখন জ্বিন

সপ্তম প্রকার যাদুঃ এই প্রকার যাদুর চিকিৎসা

এই প্রকার যাদুর চিকিৎসা


১ । যেমন আমি পূর্বে বর্ণনা করেছি অনুরূপ, রোগীর সামনে কোরআনের আয়াত তিনবার তেলাওয়াত করার পর রোগী বেহুশ হয়ে গেলে অনুরূপ পদ্ধতি অবলম্বন করে চিকিৎসা করতে হবে।
২। আর যদি রোগী বেহুশ না হয় আর সামান্য লক্ষণ কেবল দেখা দেয় তবে নিম্নের পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবেঃ ক্যাসেটে সূরা ফাতেহা, আয়াতুল কুরসী, সূরা দুখান, সূরা জ্বিন এবং সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও রোগীকে দিবে। আর রোগী তা প্রত্যেকদিন তিনবার শুনবে।
এছাড়া রোগীকে কালো জিরার তেলের সাথে

সপ্তম প্রকার যাদুঃ এ ধরণের চিকিৎসার কতিপয় উদাহরণঃ এক মাস ব্যাপী এক মেয়ে কথা বলে না

এ ধরণের চিকিৎসার কতিপয় উদাহরণঃ এক মাস ব্যাপী এক মেয়ে কথা বলে না


এক মেয়ে কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলে এক মাস থেকে। সে নিজের ভাই এবং বাবার সাথে আমার নিকট আসল। তারা বললেন, তার মুখ এমনভাবে বন্ধ হয়ে গেছে যে, খাওয়া-দাওয়ার জন্যেই তার মুখ জোর করে খুলতে হয়। তারা বললেন,

সপ্তম প্রকার যাদুঃ জ্বিনে এক মহিলার পা ধরে রাখা

জ্বিনে এক মহিলার পা ধরে রাখা


এক মহিলা আমার কাছে এসে বলল, তার পায়ে অত্যান্ত ব্যাথা। আমি মনে করলাম যে, হয়তো তার পা কোন ব্যাধির কারণে এমন হয়েছে। কেননা সে একেবারেই পা উঠাতে পারছিল না। তবুও আমি ঝাড়-ফুক শুরু করলাম। সেই মহিলা সূরা ফাতেহা শোনামাত্রই বেহুশ হয়ে গেল। আর জ্বিন কথা বলতে লাগল, সে বললঃ সে এই মহিলার পা ধরে রেখেছে। আমি তাকে বললাম,

সপ্তম প্রকার যাদুঃ এক ব্যক্তির চেহারা জ্বিন বাকা করে দিয়েছিল

এক ব্যক্তির চেহারা জ্বিন বাকা করে দিয়েছিল


একদিন এক ব্যক্তি আমার কাছে আসল যার চেহারা ডান দিক ঘুরানো ছিল। আমি যখন তাকে উক্ত ঝাড়ফুক করলাম তখন জ্বিন কথা বললঃ এই ব্যক্তি আমাকে কষ্ট দিয়েছে যার জন্যে আমি তার চেহারা ঘুরিয়ে দিয়েছি। অতঃপর আমি জ্বিনকে ওয়াজ নসীহত করলাম যার ফলে আলহামদু লিল্লাহ জ্বিন সেই ব্যক্তিকে ছেড়ে দিল। আর সেই ব্যক্তি

সপ্তম প্রকার যাদুঃ এমন এক মেয়ের ঘটনা যার চিকিৎসায় ডাক্তারও অপারগ

এমন এক মেয়ের ঘটনা যার চিকিৎসায় ডাক্তারও অপারগ


একদিন এক ব্যক্তি এসে আমাকে বলল, তার মেয়ে হঠাৎ আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে বেহুশ হয়ে যায় এরপর দু'মাস পর্যন্ত কথা বলতে পারে না । শুধু এখন শুনতে পায়। খাবার খেতে পারে না, আর না সে তার শরীরের কোন অঙ্গ নড়া-চড়া করে। বর্তমানে সে সৌদি আরবের আবহা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ডাক্তারগণ বলেছেন তার জন্য সকল প্রকার টেষ্ট করা হয়েছে; এমন কি একজন ডাক্তার বলেন তার সব রিপোর্ট ভাল; কিন্তু বুঝে আসছে না এর মূল তথ্য ও রহস্য। এখন সে কঠিন মুহুর্তে সময় কাটছে। শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার জন্যে তার গলায় ছিদ্র করে দেয়া হয়েছে। আর নাক দিয়ে পাইপের মাধ্যমে তার পেটে খাবার দেয়া হয় যাতে বাকী জীবন এভাবে চলতে পারে।
আমি চিকিৎসার জন্যে কারো কাছে যাই না; যদিও

সপ্তম প্রকার যাদুঃ জ্বিনের যাদুর স্থান দেখানো

জ্বিনের যাদুর স্থান দেখানো


এক অসুস্থ যুবক আমার কাছে আসল। যখন আমি তার সামনে কুরআনের আয়াত তেলাওয়াত করলাম তখন তার ভীতরের জ্বিন কথা বলতে লাগলঃ সে যাদুর দায়িত্বপ্রাপ্ত তাকে অমুক ব্যক্তি যাদু করেছে। আর যাদুর জিনিসগুলো এক খুঁটির মধ্যে রাখা আছে। এরপর আমি জ্বিনকে বের হয়ে যেতে বললাম অতঃপর

অষ্টম প্রকার যাদুঃ স্রাবের যাদু এবং চিকিৎসা

স্রাবের যাদু


এই যাদুর বিবরণঃ
এ প্রকার যাদুর মাধ্যমে কেবল মহিলারাই আক্রান্ত হয়ে থাকে। যে মহিলাকে স্রাব প্রবাহিত করিয়ে যাদু করা হয় যাদুকর সে মহিলার শরীরে জ্বিন প্রেরণ করে সেই জ্বিন তখন তার রগে রক্তে চলতে থাকে, যেমনঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ "শয়তান আদম সন্তানের ভেতরে রক্ত প্রবাহের ন্যায় প্রবাহিত হয়।" (বুখারী ও মুসলিম)
জ্বিন যখন মহিলার জরায়ুর বিশেষ রগ পর্যন্ত পৌছে ওটাকে আঘাত করে; যার ফলে

নবম প্রকার যাদুঃ বিয়ে ভাঙ্গার যাদু ,এই যাদুর লক্ষণসমূহ এবং এই ধরণের যাদুর চিকিৎসা


বিয়ে ভাঙ্গার যাদু


এই যাদু কিভাবে করা হয় তার বর্ণনাঃ বিয়ের বিরোধী ও হিংসুক ব্যক্তি খবীস যাদুকরের কাছে গিয়ে আবদার করে যে, অমুকের মেয়েকে এমন যাদু কর যেন সে বিয়ে করতে অস্বীকার করে।
যাদুকর তাকে বলে, এই কাজ সহজ তুমি শুধু সেই মেয়ের কোন বস্তু যেমনঃ চুল, কাপড় ইত্যাদি এনে দাও । আর তার ও তার মার নাম এনে দাও । এরপর কাজ সহজে হয়ে যাবে। যাদুকর এই কাজের জন্যে জ্বিন নির্ধারণ করে। অতঃপর জ্বিন সেই মেয়ে অথবা ছেলের পিছু করতে থাকে। আর নিম্নের যে কোন এক অবস্থায় পেলে তার মধ্যে প্রবেশ করেঃ

নবম প্রকার যাদুঃ বিয়ে ভাঙ্গার যাদুর চিকিৎসার এক উদাহরণ

বিয়ে ভাঙ্গার যাদুর চিকিৎসার এক উদাহরণ


এক এমন মেয়ের ঘটনা, যে রাতে বিয়েতে সম্মতি দেয়, সকালে অস্বীকার করে। একদিন আমার নিকট এক যুবক এসে বলল, আমাদের এক মেয়ের বিষয়টি খুবই আশ্চর্যের। সে রাতে বিয়ের প্রস্তাবে সম্মতি দেয়, আর সকাল বেলা অস্বীকার করে। তাতে কোন যৌক্তিক কারণও থাকে না । আর বিষয়টি বার বার এমন হচ্ছে। এ ব্যাপারে আপনি কি বলেন?

নবম প্রকার যাদুঃ যাদুর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ

যাদুর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ


১ । যাদুর লক্ষণসমূহ আর জিনে ধরা লক্ষণসমূহ এক হতে পারে।
২। পেটে সর্বদা ব্যাথা হলে বুঝতে হবে, যাদু করে খাওয়ানো হয়েছে অথবা পান করানো হয়েছে।
৩। কুরআনে কারামের মাধ্যমে চিকিৎসা ফলপ্রসূ হওয়া দু'টি বিষয়ের উপর নির্ভর করেঃ
প্রথমতঃ চিকিৎসককে আল্লাহ তায়ালার হুকুমের পাবন্দ হতে হবে।
দ্বিতীয়তঃ রোগীর কুরআনের চিকিৎসার কার্যকারীতা সম্পর্কে পূর্ণ আস্থা থাকতে হবে ।
৪ । অন্তরে অস্থিরতা বিশেষ করে রাতে। এই লক্ষণটি অধিকাংশ যাদুর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।
৫। যাদুর স্থান দু’ভাবে সন্ধান পাওয়া যেতে পারেঃ প্রথমতঃ

নবম প্রকার যাদুঃ এক এমন মেয়ের ঘটনা যাকে আল্লাহ তায়ালা স্বপ্নের মাধ্যমে যাদুর স্থান জানিয়ে দিয়েছেন

এক এমন মেয়ের ঘটনা যাকে আল্লাহ তায়ালা স্বপ্নের মাধ্যমে যাদুর স্থান জানিয়ে দিয়েছেন


এই মেয়ে আমার কাছে আসলে, আমি কুরআনের আয়াত পড়ে ঝাড় ফুক করলে বুঝতে পারলাম যে, তাকে শক্তিশালী যাদু করা হয়েছে। আমি বাড়ির লোকজনকে এই চিকিৎসার ব্যাপারে বললাম এটি ব্যবহার কর ইনশাআল্লাহ যাদু তার স্থানেই নষ্ট হয়ে যাবে। (যা পূর্বে বর্ণিত হয়েছে) তারা বলল, এমন পদ্ধতি বলে দিন, যাতে যাদুর স্থান কোথায় জানতে পারি?
আমি বললামঃ

নবম প্রকার যাদুঃ স্ত্রী সহবাসে হঠাৎ অপারগ হয়ে যাওয়ার চিকিৎসা

স্ত্রী সহবাসে হঠাৎ অপারগ হয়ে যাওয়ার চিকিৎসা


হঠাৎ অপারগতা বলতে এখানে উদ্দেশ্য হলো, পরিপূর্ণ ও নিখুঁত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিয়ে জন্ম নেয়া ও সাধারণত রোগে আক্রান্ত হওয়া ব্যতীতই কোন পুরুষের তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে অসামর্থ হওয়া। আমরা যদি এই অপারগতা সম্পর্কে জানতে চাই তবে আমাদেরকে প্রথমে লিঙ্গ শক্ত হয় কিভাবে তা জানতে হবে। এটা সকলেরই জানা যে, পুরুষাঙ্গ রাবারের মত চিকনা গোশতের এক টুকরা। যখন রক্তের চাপ এর উপর বৃদ্ধিপায় তখন সেটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে । আর যখন রক্তের চাপহাস পায় তখন ঢিলে হয় ও শক্তি শেষ হয়ে যায়।
যৌনাঙ্গের তিনটি স্তরঃ

নবম প্রকার যাদুঃ যৌন ক্ষমতা বিনাশের যাদুর বিবরণ

যৌন ক্ষমতা বিনাশের যাদুর বিবরণ


যাদুর দায়িত্বে নিয়োজিত শয়তান পুরুষের মস্তিষ্কে যা যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণকারী ও কেন্দ্রবিন্দু তাতে প্রভাব বিস্তার করে। আর অন্য সব অঙ্গ সঠিক থাকে। আর যখন পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে চায় তখন ফেলে। যার ফলে রক্ত সঞ্চালক মেশিন চলে না আর যৌনাঙ্গের রক্ত ফিরে যায়। ফলে পুরুষাঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায়।
এজন্য দেখা যাবে

নবম প্রকার যাদুঃ মহিলার সহবাসে ব্যর্থ হওয়া


মহিলার সহবাসে ব্যর্থ হওয়া


পুরুষের যেমন স্ত্রী হতে অপারগতা সৃষ্টি হয় তেমনি নারীরও পুরুষ হতে অপারগতা সৃষ্টি হয়ে থাকে। আর মেয়েদের অপারগতা পাঁচ ধরণেরঃ
১ । স্ত্রী তার স্বামীকে তার নিকট আসতে বাধা দেয়ঃ এজন্যে সে তার উরুকে একটির সাথে অপরটি মিলিয়ে দেয়, যাতে তার স্বামী সহবাসে সক্ষম না হয়। তার এ কাজ তার অনিচ্ছায় হয়ে থাকে। এমনকি এক যুবকের স্ত্রী এই যাদু দ্বারা আক্রান্ত ছিল। তার স্ত্রী সহবাসের সময় দুই উরুর রান একত্রিত করে ফেলত তাতে সে তার স্ত্রীকে গালি গালাজ করত। উত্তরে তার স্ত্রী বলত বিষয়টি আমার ইচ্ছাধীন নয়। তুমি বরং আমার উরুর মধ্যে লোহার বালা দিয়ে রেখো কাজ করার পূর্বে যাতে মিলিত না হয়ে যায়। বাস্তবে তার স্বামী এমনটিই করল; কিন্তু

নবম প্রকার যাদুঃ অপরাগকারী যাদুর চিকিৎসা

অপরাগকারী যাদুর চিকিৎসা


প্রথম পদ্ধতিঃ
ইতিপূর্বে উদ্ধৃত (ষষ্ঠ অধ্যায়ে) পন্থায় চিকিৎসা করবেন। জিনের সাথে কথা বলার পর যাদুস্থান সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করতে হবে যে কোথায়; অতঃপর সেখান হতে বের করতে পারলে যাদু শেষ হয়ে যাবে। অতঃপর তাকে বের হতে বলবে এবং সে বের হয়ে গেলে বুঝতে হবে যে, যাদুর প্রভাব নিঃশেষ হয়ে গেছে। আর যদি জ্বিন রুগীর মাধ্যমে কথা না বলে তবে চিকিৎসার অন্য পন্থা অবলম্বন করতে হবে।
দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ
নিম্নে উদ্ধৃত আয়াত কয়েকবার পড়ে পানিতে সাতবার ফু দিবে এরপর রোগীকে পান করাবে এবং কয়েক দিন সেই পানি দিয়ে গোসল করবে। আয়াতগুলো হলঃ

নবম প্রকার যাদুঃ যৌনক্ষমতা লোপ, যৌন দুর্বলতা এবং পুরুষত্বহীনতার পার্থক্

যৌনক্ষমতা লোপ, যৌন দুর্বলতা এবং পুরুষত্বহীনতার পার্থক্য


প্রথমঃ যাদুর দ্বারা যৌন ক্ষমতা নষ্ট করা
এটি হল, তার সৌন ক্ষমতা ঠিকই আছে বরং স্ত্রীর থেকে দূরে থাকলে তার যৌনাঙ্গ ঠিক, গরম ও কার্যকর থাকে। আর যখন সে স্ত্রীর নিকটবর্তী হয় আর তার সাথে সঙ্গম করতে চায় সেই মুহুর্তে একেবারে অক্ষম হয়ে যায় ।
দ্বিতীয়তঃ সাধারণ যৌন অক্ষমতা
স্ত্রীর নিকটে হোক আর দূরে সব সময়ের জন্যই সে পুরুষ যৌনক্ষম; বরং তার পুরুষাঙ্গ কখনই শক্তিশালী হয় না।
তৃতীয়তঃ যৌন শক্তির দূর্বলতা
স্বামী স্ত্রীর সাথে দীর্ঘদিন পর ছাড়া সহবাসে সক্ষম হয় না। তাও অতি অল্প সময়ের জন্য সে সক্ষম হয়। তার পরেই অতিতাড়াতাড়ি পুরুষাঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায়।
চিকিৎসা

নবম প্রকার যাদুঃ নিঃসন্তান হওয়া বা বন্ধ্যাত্বের প্রকারভেদ - পুরুষের নিঃসন্তান হওয়া

নিঃসন্তান হওয়া বা বন্ধ্যাত্বের প্রকারভেদ - পুরুষের নিঃসন্তান হওয়া


এটা দু'প্রকার প্রথমঃ যার সম্পর্ক পুরুষাঙ্গের সাথে এর চিকিৎসা ডাক্তারের মাধ্যমে করতে হবে যদি তারা পারে।
দ্বিতীয় প্রকার হল মানুষের ভেতর জ্বিন ও শয়তানের দুষ্টক্রিয়া থেকে। এর চিকিৎসা কুরআনের আয়াতসমূহ ও যিকির এবং দু'আর মাধ্যমে করতে হবে। একটি বিষয় অনেকেরই জানা যে, সন্তান জন্ম হওয়ার সম্ভাবনা তখনই থাকে যখন পুরুষের বীর্যে এক বর্গ সেন্টিমিটারে বিশ মিলিয়নের বেশি শুক্রানু কীট বিরাজ করে।
কখনও শয়তান পুরুষের শুক্রাশয়ে প্রভাব বিস্তার করে যা শুক্রানুগুলিকে চাপ দিয়ে আলাদা করে । সুতরাং

নবম প্রকার যাদুঃ যাদুর বন্ধ্যাত্ব আর প্রকৃত বন্ধ্যাত্ত্বের মধ্যে পার্থক্য

যাদুর বন্ধ্যাত্ব আর প্রকৃত বন্ধ্যাত্ত্বের মধ্যে পার্থক্য


যাদুর দ্বারা হলে তার নিম্নের লক্ষণসমূহ পরিলক্ষিত হবেঃ
১। রুগী আসরের পর থেকে অর্ধরাত পর্যন্ত মানুষিক অস্বস্তি অনুভব করবে ।
২। মতিভ্রম হওয়া।
৩। মেরুদন্ডের নীচে ব্যাথা।

নবম প্রকার যাদুঃ মহিলার বন্ধ্যাত্ব

মহিলার বন্ধ্যাত্ব


এটাও দু'প্রকার। প্রথমঃ সৃষ্টিগত দ্বিতীয়ঃ যাদুর মাধ্যমে। যাদুর দ্বারা বশকৃত জিন মহিলার জরায়ুর ভেতরে প্রবেশ করে মহিলার যেই ডিম্বানু রয়েছে তা নষ্ট করে দেয়, যার ফলে আর বাচ্চা ধরে না। অথবা কখনও সে জ্বিন ডিম্বানু ক্ষতি করে না। অতএব জরাযুতে বাচ্চা ধরে; কিন্তু

নবম প্রকার যাদুঃ যাদুর বন্ধ্যাত্ত্বের চিকিৎসা

যাদুর বন্ধ্যাত্ত্বের চিকিৎসা


১ । পুস্তকের প্রারম্ভে যে সব ঝাড়-ফুকের আয়াতসমূহ ও দু'আ উদ্ধৃত হয়েছে তা এক ক্যাসেটে রেকর্ড করে শুনার জন্যে রোগীকে দিবে। রোগী দৈনিক তিনবার শুনবে।
২। সূরা সাফফাত সকালে পড়বে অথবা শুনবে।
৩। সূরা মাআরিজ রাতে পড়বে অথবা শুনবে।
৪। কালো জিরার তেলে নিম্নের সূরাগুলো পড়ে রোগীকে দিবেঃ

নবম প্রকার যাদুঃ দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যাওয়া

দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যাওয়া


অনেক সময় বিষয়টি স্বাভাবিক কারণে হয়ে থাকে যাদুর দ্বারা নয়। এমনটি হলে ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করবে। সাধারণত ডাক্তারগণ নিম্নের নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে বলে।
১ । এক ধরণের মলমের ব্যবহার যা পুরুষাঙ্গের অনুভূতিকে স্বাভাবিক করে দেয় ।
২। সহবাসের সময় অন্য কোন বিষয়ে ভাবতে থাকা বা অন্য মনস্ক হয়ে যাওয়া ।
৩। সহবাসের মুহুর্তে কঠিন হিসাব-নিকাশে মত্ত হয়ে যাওয়া। আবার কখনও শয়তানের প্রভাবে হয়ে থাকে যার চিকিৎসা নিম্নরূপঃ

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ