Monday, January 15, 2018

ডঃ জাকির নায়েক নাকি বলেছেন কুরআনে ভুল আছে?

ডঃ জাকির নায়েক নাকি বলেছেন কুরআনে ভুল আছে?


ডাঃ জাঁকির নায়েক নাকি বলেছেন বর্তমানে কিছু মুসলিম ভাই-বোন  ডাঃ জাকির নায়েক এর বিরদ্ধে এমন  ভাবে লেগে পরেছেন  যা কিনা কাফিরদের বিরদ্ধেও  তারা লাগেন না। আমাদের  সমাজে শিরক,কুফর,বিদ’আত এত  পরিমাণে বিদ্যমান যা বলার  অবকাশ রাখে না কিন্তু  আমরা তার  বিরোধিতা না করে বিরোধিতা করছি  তার,  যে দ্বীন(ইসলাম) এর একজন বড়  দায়ী। যিনি অমুসলিমদের  কাছে ইসলামকে সুন্দর  করে উপস্থাপন করছেন তার  পিছনে আমরা লেগে আমরা কিসের  পরিচয় দিচ্ছি?কোরআনে ব্যাকারনগত ভুল আছে। উত্তরঃ কোরআনে ব্যাকারনগত ভুল  আছে এই কথা ডাঃ জাঁকির  নায়েক বলতেই পারেন না। বরং, 

ডঃ জাকির নায়েক কোর্ট, টাই,shirt. ও pant পরিধান করেন এটা কি জায়েজ?

ডঃ জাকির নায়েক কোর্ট, টাই,shirt. ও pant পরিধান করেন এটা কি জায়েজ?


ডাঃ যাকির নায়েক সার্ট pant পরিধান করেন। এটি কি জায়েয? উত্তরঃ কোরআন বা সহীহ হাদিস এর কথাও এরুপ পোশাক পরিধান করাকে হারাম বলা হয়ে নি। হিজাব এর নিয়মেও এরুপ পোশাক পরিধান করাকে নিষেধ করা হয়ে নি। হাদিসে রাসুলুল্লাহ(সা) কামিস পরিধান করেছেন বলে প্রমান পাওয়া যায়ে। কিন্তু এই কারনে সার্ট ও প্যান্ট পরিধান করাকে হারাম বলা যাবে না। কেননা আজ আমরা মোবাইল ব্যবহার করছি কিন্তু রাসুলুল্লাহ(সা) তো তা করেন নি, তাই বলে কি মোবাইল ব্যবহার করা হারাম হচ্ছে? না, ঠিক তেমনি সার্ট ও প্যান্ট পরিধান করাও হারাম হচ্ছে না। মজার বিষয় হচ্ছে- যারা পোশাক পরিধানে রাসুলুল্লাহ(সা) কে অনুসরণকে বাধ্যতামুলক বলছে তারাই ইবাদাতে রাসুলুল্লাহ(সা) কে বাদ দিয়ে বিভিন্ন মানুষের অনুসরণ করছে। ডাঃ যাকির নায়েক ‘টাই’ পরিধান করেন, এটি খ্রিস্টানদের প্রতীক। উত্তরঃ কোরআন বা সহীহ হাদিস
পরিধান করেন। এটি কি জায়েয?

“জাকির নায়েক এবার ফতোয়া দিলেন রাসূলকে(সঃ) মানা যাবে না।”


“জাকির নায়েক এবার ফতোয়া দিলেন রাসূলকে(সঃ) মানা যাবে না।” ইয়া মোটা মোটা হরফে লেখা শিরোনাম। বই বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসা করলাম দাম কত বইটার। উত্তর পাইলাম দশ টাকা মাত্র। কিনে কোন গাধা। জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়া শুরু করলাম। লেকচারের কয়েকটা ফুটেজ, আর সাথে বক্তব্যগুলো। বইয়ের শেষে একটা ইউটিউব লিঙ্ক। বাসায় এসেই ইউটিউবে ঢুঁ মারলাম। একটা কাটছাঁট লেকচারের অংশ প্রশ্নোত্তর পর্বের। মজার বিষয় লেকচারটার ভিডিও সিডি আরও দু’মাস আগে থেকেই আমার বাসায় ছিল। ভারতের জামুতে দেওয়া হিন্দি লেকচার। আমি

চরমনাই পীরের আসল চেহারা (দলীল প্রমান সহ)


চরমনাই পীরের আসল চেহারা (দলীল প্রমান সহ)

সকল প্রসংশা একমাত্র মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার জন্য, দুরুদ ও সালাম নাযিল হোক প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর।
আজ এখানে আলোচনা করবো বাংলাদেশ এর একজন পীর সম্পর্কে, তিনি হলেন চরমনাই পীর সাহেব, তার অনেক ভক্ত ও অনুসারী রয়েছে, তাই তার আসল চেহারাটা মুসলিমদের সামনে স্পষ্ট করে তুলে ধরছি,

চরমনাই পীর কী মুসলিম?

চরমনাই পীরের কথা তার নিজের জবানেই শুনুন, তিনি নিজেই বলছেনঃ

গণতন্ত্র ও ইসলামের পার্থক্য

গণতন্ত্র ও ইসলামের পার্থক্য


আজকের সমাজে আমরা মানব রচিত বিধানকে জাতীর সমাধান মনে করছি আল্লাহর বিধান ত্যাগ করে। অথচ আল্লাহ্ আমাদের জন্য কি বিধান ভুল দিয়েছেন? (নাউজুবিল্লাহ) # আল-কুরআনঃ “যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য ” [২:১৬৫]গনতন্ত্রঃ জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস । # আল-কুরআনঃ “আল্লাহ ছাড়া কারও বিধান দেবার ক্ষমতা নেই। ” [১২:৪০]গনতন্ত্রঃ আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনগন, সংসদ, মন্ত্রী-এমপির (মদ, পতিতালয় বৈধও হতে পারে) । # আল-কুরআনঃ আল্লাহ তাআলা সার্বভৌমত্বের মালিক। [৩:২৬]গনতন্ত্রঃ সার্বভৌমত্বের মালিক জনগন। # আল-কুরআনঃ “(হে নবী) আপনি যদি অধিকাংশের রায়কে মেনে নেন তাহলে তারা দ্বীন থেকে বিচ্যুত করে ছাড়বে” [৬:১১৬]গনতন্ত্র ঃ অধিকাংশ লোকের রায়ই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত যদিও তা আল্লাহ্র আদেশের বিরুদ্ধে হয়। # আল-কুরআনঃ “আল্লা’হ তা’আলা ক্রয়- বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। ” [২:২৭৫]গনতন্ত্রঃ গণতন্ত্র সূদভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করে। # আল-কুরআনঃ ব্যভিচার শাস্তিযোগ্যঅপরা ধ।

কোয়ান্টাম মেথডঃ আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে ? -৩:

কোয়ান্টাম মেথডঃ আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে ? -৩:


আগের পর্বদুটি এখানে পাবেন (কোয়ান্টাম মেথড: আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে – ১ , কোয়ান্টাম মেথড: আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে – ২ ) ৬. ইসলামের দৃষ্টিতে কোয়ান্টাম মেথডের নানা দিক: ৬.১. মনের শক্তির ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গী: অন্তরের ইবাদতসমূহের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হল “তাওয়াক্কুল” – যা আল্লাহ ছাড়া আর কারও ওপর করা যাবে না। কেউ যদি আল্লাহ ছাড়া এমন কোন সত্তার ওপর এমন কোন ব্যাপারে তাওয়াক্কুল করে যা সংঘটনের ক্ষমতা তার নেই, তবে তা বড় শিরক হবে যা একজন ব্যক্তিকে ইসলামের গণ্ডীর বাইরে নিয়ে যায়। মেডিটেশন পদ্ধতিতে নিজের ওপর

কোয়ান্টাম মেথডঃ আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে? -২:

কোয়ান্টাম মেথডঃ আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে? -২:


আগের পর্বটি এখানে পাবেন (কোয়ান্টাম মেথড : আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে – ১) ৫. ইসলামের কিছু মৌলিক বিষয়ের পর্যালোচনা: ইসলামের দৃষ্টিতে কোয়ান্টাম মেথডের অবস্থান বিবেচনা করার আগে আমরা ইসলামের কিছু মূলনীতি বা পরিভাষা সম্পর্কে আলোচনা করে নেব – যে বিষয়গুলোর ব্যাপারে ধোঁয়াশাচ্ছন্ন ধারণা নিয়ে আমাদের বক্তব্য বোঝা কঠিন হয়ে যাবে।(আমাদের দেশের খুব কম মানুষেরই এই বিষয়গুলো নিয়ে স্বচ্ছ ধারণা আছে) ৫.১ .বিদ’আত: ৫.১.১. বিদ’আত কি? আল্লামা ইব্রাহীম ইবনু মুসা আশ-শাতিবী বলেন: ‘বিদআত বলতে বুঝায় দ্বীনের মধ্যে শরীয়াতের পদ্ধতির তূল্য কোন নব- আবিষ্কৃত উদ্ভাবিত তরীকা বা পদ্ধতি, মহান আল্লাহর অতিরিক্ত ইবাদাতের আশায় যে পদ্ধতির অনুসরণ করা হয়।’ [18] তাহলে আমরা বুঝলাম যে,

কোয়ান্টাম মেথডঃ আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে? -১:

কোয়ান্টাম মেথডঃ আমাদেরকে কোন পথে ডাকছে? -1:


১. ভূমিকা: কাগজে কলমে বাংলাদেশ এখন একটি সেক্যুলার দেশ। আবার এ কথাও বলা হয়ে থাকে যে এটি ৮৮% মুসলমানের দেশ, এদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ। এই দুই সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী উপাধির মাঝে সমন্বয় সাধন করতে গেলে যে চিত্রটি ফুটে উঠে, তাই আসলে আমাদের দেশের বাস্তব অবস্থা।দেশকে সেক্যুলার করা সম্ভব হয়েছে সুদীর্ঘ সময় ধরে শুদ্ধ ইসলামিক জ্ঞানের চর্চা থেকে দেশের মানুষকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখার সুচিন্তিত পরিকল্পনা সফল হওয়ায়। অন্যদিকে, একইসাথে দেশের মানুষ তথাকথিত ধর্মভীরু হওয়ায় যে কোন ব্যবসা বা মতবাদ, তা ইসলামের সাথে যতটা সাংঘর্ষিকই হোক না কেন ইসলামিকভাবে প্যাকেট করে বাজারজাত করা হলে তাতে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হওয়া যায় নিশ্চিতভাবে। ফলশ্রুতিতে এখন শূন্য (ক্ষেত্রবিশেষে মাইনাস) জ্ঞান নিয়েও যে টপিক নিয়ে উদ্দাম আলোচনায় মত্ত হওয়া যায় তা হল ‘ইসলাম’। জেনে, বুঝে, দল নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে

কোয়ান্টাম মেথড: এক ভয়াবহ শিরকী ফেতনার নাম!

কোয়ান্টাম মেথড: এক ভয়াবহ শিরকী ফেতনার নাম!
এই ফেতনা বাংলাদেশের হাজারও মুসলমানকে শিরক্ কুফরী আর বিদ’আত করতে বাধ্য করছে! মেডিটেশনের আড়ালে ভন্ড গুরুজীর রমরমা ব্যবসা!!
“আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন বা জীবন বিধান হিসেবে মনোনীত করলাম।” [সূরা আল মায়েদাহ:-৩]
“সত্যতম বাণী আল্লাহর কিতাব, সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মাদের আদর্শ, সবচেয়ে খারাপ বিষয় হল নতুন উদ্ভাবিত বিষয়। প্রতিটি নতুন উদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত, আর প্রতিটি বিদআতই পথভ্রষ্টতা।” [সহীহ্ মসলিম:- ২/৫৯৩]
“যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কিছুকে দ্বীন হিসাবে তালাশ করবে, তার নিকট থেকে তা কবুল করা হবেনা। আর আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” [সূরা আলে ইমরান:-৮৫]
আল্লাহর বানী এত্ত স্পষ্ট হওয়ার পরেও এক জন মুসলমানের জীবনে শান্তি খুজতে কোয়ান্টাম মেথড এর সাহাজ্য নিতে হয় কেন এবং কোন সাহসে!??

কে এই জাকির নায়েক?

কে এই জাকির নায়েক?
৯/১১ এর ঘটনার পর যখন বিশ্ব
জুড়ে তোলপাড় হচ্ছে, মুসলিম মানেই
সন্ত্রাসী বলে চতুর্দিকে প্রচার
করা হচ্ছে। পৃথিবীর সকল
এয়ারপোর্টে যাত্রীদেরকে বিশেষত:
মুসলিমদেরকে সীমাহীন
হয়রানি করা হচ্ছে, ঠিক তেমনি এক
সময়ে ২০০৩ সালের ১২ অক্টোবর
দাঁড়ি-টুপি আর মুসলিম অবয়বের এক
ব্যক্তি আসলেন আমেরিকার লস
এঞ্জেলস এয়ারপোর্টে।
এমনিতেই মুসলিম তার উপরে আবার
দাঁড়ি-টুপি। আর যায় কোথায়।
পুরো এয়ারপোর্টে চাঞ্চল্য
ছড়িয়ে পড়লো। তাকে অন্যদের

Sunday, January 14, 2018

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাক্বলীদ – পর্ব ২

লেখকঃ শরীফুল ইসলাম , লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

তাক্বলীদ কার জন্য বৈধ ও কার জন্য অবৈধ : 

মহান আল্লাহ কুরআন ও ছহীহ হাদীছে যাবতীয় বিধি-বিধান দানের মাধ্যমে দ্বীন ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। রাসূলুললাহ (ছাঃ)-এর ছাহাবীগণ ইসলামের বিধান মানার ক্ষেত্রে রাসূলুললাহ (ছাঃ) ব্যতীত অন্য কারো তাক্বলীদ করতেন না। অনুরূপভাবে তাবেঈগণও নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির তাক্বলীদ না করে কেবলমাত্র কুরআন ও সুন্নাহর ইত্তেবা করতেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হ’ল, বর্তমান যুগে মুসলমানগণ ইসলামের বিধান থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। এক্ষেত্রে মানুষ তিন ভাগে বিভক্ত :

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাকলীদ – পর্ব ১

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাকলীদ – পর্ব ১

ভূমিকা :

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, যা আল্লাহ তা‘আলা বিশ্বমানবতার জন্য দান করেছেন। আর তাকে বাস্তবায়ন করার জন্য যুগে যুগে নবী-রাসূলগণকে প্রেরণ করেছেন এবং ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান অহী মারফত জানিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং অহী-র বিধানই একমাত্র অভ্রান্ত জীবনবিধান। বর্তমান বিশ্বের প্রায় দেড়শত কোটি মুসলমান বসবাস করে। তারা বিশ্বের অন্যান্য জাতির সাথে তাল মিলিয়ে সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এগিয়ে চলেছে। পিছিয়ে পড়েছে শুধু আল্লাহর বিধান পালনে। ফলে মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও অনেকের আচরণ অমুসলিম-কাফেরদের সাথে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। আবার যারা ইসলামের বিধান বাস্তবায়নে নিয়োজিত, তারা অধিকাংশই শতধাবিভক্ত। বিভিন্ন তরীকা ও মাযহাবের বেড়াজালে নিজেদেরকে আবদ্ধ রেখে, পরস্পরে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয়ে বিচ্ছিন্ন জীবন-যাপন করছে। নির্দিষ্ট কোন মাযহাবের অন্ধানুসরণের কারণে আল্লাহ প্রদত্ত অহী-র বিধানকে বাদ দিয়ে মাযহাবী গোঁড়ামিকেই প্রাধান্য দিচ্ছে। তারা

কুরআন ও সহীহ হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ

কুরআন ও সহীহ হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবা

ভুমিকা

ইসলামের প্রথম যুগে মুসলমানগণ নিঃশর্তভাবে কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ করে চলতেন। তারা নির্দিষ্ট কোন মাজহাব, তরীকা বা মতবাদের দিকে নিজেদেরকে নিসবত (সম্পৃক্ত) করতেন না। সকলেই মুসলিম বা মুমিন হিসেবে পরিচয় দিতেন। তবে বদরের যুদ্ধ যেহেতু ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ ছিল এবং তাতে অংশগ্রহণ করা বিশেষ একটি ফজীলতের কাজ ছিল, তাই যারা বদরের যুদ্ধে শরীক হয়েছেন তাদেরকে বদরী সাহাবী, যারা বাইআতে রিযওয়ানে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদেরকে আসহাবে বাইআত এবং দ্বীনি ইলম শিক্ষায় সর্বক্ষণ আত্মনিয়োগকারী সুফফাবাসী কতিপয় গরীব সাহাবীকে আসহাবে সুফফা বলা হত। কিন্তু পরবর্তীর্তে মুসলমানগণ রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য কারণে বিভিন্ন দলে ও উপদলে বিভক্ত হয়ে যায়। মুসলমানদের মাঝে আত্মপ্রকাশ করে শিয়া, খারেজী, মুতাজেলা, কদরীয়া, আশায়েরা, জাহমেয়ী এবং আরও অসংখ্য বাতিল ফির্কা ও মতবাদ। এরই ধারাবাহিকতায়

কাদিয়ানী মতবাদ এবং খতমে নবুওয়াত

কাদিয়ানী মতবাদ এবং খতমে নবুওয়াত
আবদুল্লাহিল হাদী বিন আবদুল জলীল / 30/11/2010
ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ
: ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻟﻠﻪ ﻭ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻰ
ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻣﺎ ﺑﻌﺪ
আরব সহ সমগ্র বিশ্ব তখন গভীর তিমিরে আচ্ছন্ন। সবর্ত্র
বিরাজ করছে এক প্রকার গুমোট অস্থিরতা। এমনি এক
মূহুর্তে মক্কার আকাশে নতুন এক সুর্যের আবির্ভাব হল। সে
সূর্য হল নবুওয়তের সূর্য। আলোকিত হয়ে উঠল মক্কার
আকাশ। ঘরে ঘরে পৌঁছতে লাগল আলোক রশ্মী। নবী
মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষকে সে আলোর পথে

কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন?

কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন?

অনুবাদকের ভূমিকা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেছিলেন যে, কিয়ামত এর পূর্বে ৩০ এর মত মিথ্যুক লোক নবুওয়াতের দাবী করবে, তাঁর সে ভবিষ্যদ্বাণীর প্রমাণ আমরা দেখতে পাই গোলাম আহম্মেদ কাদিয়ানীর নবুওয়াতের দাবীর মাঝ দিয়ে। আমাদের দেশের আলেমগণ অনেক আগ থেকেই বিভিন্ন ভাবে তার দাবীর অবৈধতা প্রমাণ করেছিলেন, এবং এক সময় আলেমরা সবাই তার বিরুদ্ধে এজমা, বা ঐক্যমত পোষণ করে অমুসলিম ভন্ড নবুওয়াতের দাবীদার বলে তার ফেৎনা কে সাময়িক ভাবে রুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। অনেকে তার সাথে বিতর্কে

এত বড় হুজুর কি ভুল করতে পারেন?


এত বড় হুজুর কি ভুল করতে পারেন?

আমাদের দেশের মুসলিমদের বিভ্রান্ত থাকার একটা বড় কারন হল আমাদের এই অন্ধ বিশ্বাস যে আমাদের হুজুর কি কম জানেন? যে যেই মত/দল/জামাত/বা পীর সাহেবের তরিকায় বিশ্বাসী হোক না কেন…সবাই অন্ধভাবে বিশ্বাস করে যে তাদের হুজুর বা তাদের দলের/মতের প্রবর্তক, বা তাদের প্রধান নেতা সাহেবই দ্বীন ইসলামের একমাত্র সবজান্তা অথবা তিনি ভুল করতে পারেন না। সংগত কারনেই, এই হুজুরদের অনুসরন করেই কেউ মাজারে সিজদা দিচ্ছে, কেউ পীরের নামের মুরগী জবাই করছে কেউ বা কবরে চাদর চড়াচ্ছেন। এছাড়াও পীরপুজা, চল্লিশা, কুলখানী, হাদীসের নামে জালিয়াতি, স্বামী বসের আমল, জন্মদিন/মিলাদের অনুষ্ঠান এবং সে অনুষ্ঠানে রাসুলুল্লাহর (সাঃ) জন্য খালি চেয়ার রাখা, পীরসাহেবের কাছ থেকে জান্নাতের সার্টিফিকেরট নেওয়া, পীরের থুথু খাওয়া থেকে শুরু করে সবই চলছে কোন না কোন হুজুরকে অনুসরন করে

ইলায়াসী তাবলীগ বনাম রাসূলের তাবলীগ :

ইলায়াসী তাবলীগ বনাম রাসূলের তাবলীগ :
(ক) তারা নিজেরা কুরআন বুঝে না অন্যদেরকেও
বুঝতে দেয় না। কিন্তু রাসূল (ছাঃ) নিজে কুরআন
শিখিয়েছেন এবং তার প্রচারকও ছিলেন।


(খ) তাদের দাওয়াতী নিয়ম স্বপ্নে প্রাপ্ত।[1] রাসূলের দাওয়াতী নিয়ম
স্বয়ং আল্লাহ প্রদত্ত (মায়েদা ৬৭) ।


(গ) তাদের দাওয়াতের মধ্যে সপ্তাহে ১ দিন, মাসে ৩ দিন, বছরে ১ চিল্লা,

ইমাম আবু হানিফা রঃ এর ফতোয়ার বিপরীতে ছাত্রদের ফতোয়া-২

ইমাম আবু হানিফা রঃ এর ফতোয়ার বিপরীতে ছাত্রদের ফতোয়া।


কার মতের নাম হানাফী মাযহাব?
পর্ব- ১
********************************
ইমাম আবু হানীফা(রহঃ)-এর শতকরা প্রায়
ষাট ভাগ
মাসয়ালার বিরোধী ছিলেন তাঁর প্রিয়
ছাত্রবর্গ “ইমাম
আবু ইউসুফ(রহঃ), ইমাম মুহাম্মদ(রহঃ), ইমাম
জুফার(রহঃ).
তার কিছুটা নমুনা দেয়া হলোঃ

ইমাম আবু হানিফা রঃ এর ফতোয়ার বিপরীতে ছাত্রদের ফতোয়া!

ইমাম আবু হানিফা রঃ এর ফতোয়ার বিপরীতে ছাত্রদের ফতোয়া!


কার মতের নাম হানাফী মাযহাব? পর্ব- ১ ******************************** ইমাম আবু হানীফা(রহঃ)-এর শতকরা প্রায় ষাট ভাগ মাসয়ালার বিরোধী ছিলেন তাঁর প্রিয় ছাত্রবর্গ “ইমাম আবু ইউসুফ(রহঃ), ইমাম মুহাম্মদ(রহঃ), ইমাম জুফার(রহঃ). তার কিছুটা নমুনা দেয়া হলোঃ (১) যে কোন ভাষায় নামাযের সুরাহ (ক্বিরাত) তিলাওয়াত করলে ইমাম আবু হানীফা(রহঃ)-এর মতে উত্তম যদি ও সে ব্যক্তি আরবী ভাষা জানে। কিন্তু ইমাম আবু ইউসুফ (রহঃ) ও ইমাম মুহাম্মদ(রহঃ)-এর মতে তা নাজায়েয। (হিদায়ার ১৪০১ হিজিরী আশরাফী হিন্দ ছাপার ১ম খন্ডের ১০২ পৃষ্ঠা) (২) নামাযে রুকূ থেকে উঠে “রাব্বানা লাকাল হামদ” বলা ইমাম আবু হানীফা(রহঃ)-এর মতে নাজায়েয কিন্তু

ইবাদতে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করার বিধান

 ইবাদতে মধ্যমপন্থা অবলম্বন
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ طه ١ مَآ أَنزَلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡقُرۡءَانَ لِتَشۡقَىٰٓ ٢ ﴾ [طه: ١،  ٢]
অর্থাৎ “ত্বা-হা-। তোমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য আমি তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করিনি।” (সূরা ত্বাহা ১-২ আয়াত)
তিনি আরো বলেন,
﴿ يُرِيدُ ٱللَّهُ بِكُمُ ٱلۡيُسۡرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ ٱلۡعُسۡرَ ﴾ [البقرة: ١٨٥]
অর্থাৎ “আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের জন্য সহজ করতে চান, তোমাদের জন্য কঠিনতা তাঁর কাম্য নয়।” (সূরা বাক্বারাহ ১৮৫ আয়াত)
১/১৪৬। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহ থেকে বর্ণিত, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট গেলেন, তখন এক মহিলা তাঁর কাছে (বসে) ছিল। তিনি বললেন,

Saturday, January 13, 2018

#ডঃ জাকির নায়েক হচ্ছে বর্তমান পৃথিবীর অশান্তির মূল!

#ডঃ জাকির নায়েক হচ্ছে বর্তমান পৃথিবীর অশান্তির মূল!! তার জন্যই মুসলিমরা আজ বড় অশান্তিতে..!কি অবাক হচ্ছেন তাই না..?তাহলে তার অশান্তি ছড়িয়ে দেয়ার কিছু প্রমান বা নমুনা দেখুন…> ★ জাকির নায়েক বলে চার মাজহাবের নামে চার দলে বিভক্ত না হয়ে বা হানাফী, মালেকি, শাফেয়ী এভাবে নিজেদের ভাগ ভাগ না করে কিংবা সালাফী, আহলে হাদীস, সুন্নী,ব্রেলভীএভাবে বিভক্ত না হয়ে একটি মাত্র নামে নিজেকে পরিচয়দিতে যাতে ইসলাম ধর্মাবলম্বী সকল মানুষের মাঝে একতা থাকে।আর সেই পরিচয় টা হলো মুসলিম..!

Friday, January 12, 2018

হিল্লা, তালাক ও ফতোয়া : যে কথাগুলো না বললেই নয়

হিল্লা, তালাক ও ফতোয়া : যে কথাগুলো না বললেই নয়

প্রাককথন :
বাংলাদেশে অদূর ভবিষ্যতে ফতোয়া নিয়ে ফতোয়াবাজী বন্ধ হবার কোনো লক্ষণ দেখি না। উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়াবার পর নানা ঘটনা পরম্পরায় শেষ পর্যন্ত ফতোয়া বহালই রইল। তদ্যপি ইসলাম বিষয়ে অজ্ঞতা কিংবা বিদ্বেষবশত বেশ কিছু ইসলামী পরিভাষার মতো ফতোয়া শব্দকেও কলঙ্কিত করার ধারা বজায় রেখেছে কতিপয় মিডিয়া। ক’দিন পরপরই দেখা যায় গ্রাম্য শালিসকে ফতোয়াবাজী হিসেবে চালিয়ে ইসলামের এই পরিভাষাটির বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করা হয়।
৩১/০১/২০১৩ ইং রোজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিকের নারী পাতায় রহিমা আক্তার নামে এক লেখিকা ‘ফতোয়ার কালো অধ্যায় হিল্লা বিয়ে’ শীর্ষক একটি ফিচার লিখেন। লেখাটি শুধু আমাকে নয়,

হিল্লা বিয়ে কি ইসলামী শরিয়ত সম্মত?

হিল্লা বিয়ে কি ইসলামী শরিয়ত সম্মত?

হিল্লা বিয়ে
 
ভূমিকা 
হিল্লা : উপায়, গতি, ব্যবস্থা, আশ্রয় ও অবলম্বন বিভিন্ন অর্থে আভিধানিকভাবে ব্যবহার হয়। পরিভাষায় হিল্লা বলা হয় : ‘কোন স্বামীর তিন তালাক প্রাপ্তা স্ত্রীকে এ শর্তে বিয়ে করা যে, বিয়ের পর সহবাস শেষে স্ত্রীকে তালাক দেবে, যেন সে পূর্বের স্বামীর জন্য হালাল হয়, সে তাকে পুনরায় বিয়ে করতে পারে’। এ বিয়ে বাতিল ও অশুদ্ধ, এর ফলে নারী তিন তালাকদাতা স্বামীর জন্য হালাল হয় না। ইমাম ইব্‌ন তাইমিয়াহ রাহিমাহুল্লাহ বলেন : 

সদ্য বিবাহিত ছেলে-মেয়ের জন্য অমূল্য উপদেশ

সদ্য বিবাহিত ছেলে-মেয়ের জন্য অমূল্য উপদেশ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু   বিয়ের সময়  পুত্রের উদ্দেশ্যে  পিতার উপদেশ হে আমার আত্মজ, প্রথমেই আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি এ জন্য যে তিনি আমার জীবনটাকে এতটুকু প্রলম্বিত করেছেন যে আমি তোমার বিয়ের রাত দেখতে পাচ্ছি। তুমি তোমার পুরুষত্বের পূর্ণতায় পৌঁছেছো। আজ তুমি তোমার দীনের অর্ধেক পুরো করতে যাচ্ছো। হ্যাঁ, এখন তুমি সেই জীবন থেকে বেরিয়ে যাচ্ছো যেখানে তুমি একটি মুক্ত বিহঙ্গের মতো ছিলে। কোনো বাধা-বিপত্তি ছাড়া যাচ্ছে তা-ই করেছো এতদিন। কোনো চিন্তা ছাড়াই

সংক্ষেপে বিয়ের রুকন, শর্ত ও ওলি বা অভিভাবক এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্তসমূহ

সংক্ষেপে বিয়ের রুকন, শর্ত ও ওলি বা অভিভাবক এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্তসমূহ
প্রশ্ন: বিয়ের রুকন ও শর্ত কি কি?
উত্তর:
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য।
• ইসলামে বিয়ের রুকন বা খুঁটি তিনটি:
এক:
বিয়ে সংঘটিত হওয়ার ক্ষেত্রে সমূহ
প্রতিবন্ধকতা হতে বর-কনে উভয়ে মুক্ত
হওয়া: যেমন- বর-কনে পরস্পর মোহরেম
হওয়া; ঔরশগত কারণে হোক
অথবা দুগ্ধপানের কারণে হোক। বর
কাফের কিন্তু কনে মুসলিম হওয়া, ইত্যাদি।
দুই:

যুবক ও বিবাহ সমস্যা:

যুবক ও বিবাহ সমস্যা: ᅠ যুব-সমাজের চরিত্রহীনতা ও ভ্রষ্টতার অন্যতম কারন হল বিবাহ-সমস্যা। বিবাহের বয়স হওয়া সত্বেও বিাবহ না করলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পেতে বাধ্য। বলা বাহুল্য, যুবক যথাসময়ে বিবাহ করলে তার দ্বারা অপকর্ম ঘটার আশঙ্কা থাকে না। হালাল পেয়ে হারামের পথে পা বাড়ায় না। জীবন-সঙ্গিনী পেয়ে তার চক্ষু শীতল হয়। ফলে অবৈধ্য সৌন্দর্যের প্রতি আর দৃকপাত করে না। ᅠ প্রথম যৌবনে বিবাহ করলে অধ্যয়ন ও বিদ্যার্জনের পথে বাধা পড়ে –এ কথা যুক্তিযুক্ত নয়। বরং

বিয়েতে গায়েহলুদ দেওয়া বৈধ কি?

বিয়েতে গায়েহলুদ দেওয়া বৈধ কি?
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্র জন্য,
বিয়েতে গায়ে হলুদ দেওয়ার যে অনুষ্ঠান
আমাদের দেশে বা ভারতে চালু আছে তা
এসেছে হিন্দুদের কাছে থেকে। এরূপ অনুষ্ঠান
করে গায়ে হলুদ দেওয়া সম্পূর্ণ নিশিদ্ধ। এই

বিয়ের প্রস্তাব : করণীয় ও বর্জনীয়

বিয়ের প্রস্তাব : করণীয় ও বর্জনীয়

লেখার শিরোনাম দেখেই অনেকে চমকে উঠতে পারেন। না আসলে চমকাবার কিছু নেই। সবার জীবনেই আসে বিয়ের ঘটনা। আর বিয়ের আগে আসে কনে দেখার পর্ব। ইসলাম শুধু নামায-রোযার নয়; ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। তাই এখানে সালাত-সিয়ামের সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে-শাদীর আমলও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আজকাল মসজিদে আমরা মুসলিম পরিচয় বজায় রাখি; কিন্তু বিয়ে-শাদীতে কেন যেন ইসলাম পরিপন্থী কাজই বেশি করি। বিয়ে-শাদীর আগে যেহেতু কনে দেখার পর্ব তাই আগে বিয়ের প্রস্তাব বা কনে দেখা সংক্রান্ত ইসলামী নির্দেশনাগুলো আগে তুলে ধরার প্রয়াস পাচ্ছি এ নিবন্ধে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
শরীয়তে বিবাহ বলতে কী বুঝায় :

বিয়ের অপর নাম প্রশান্তি, উচ্ছ্বাস আর দয়া

বিয়ের অপর নাম প্রশান্তি, উচ্ছ্বাস আর দয়া
কিশোর বয়স থেকে বিয়ের ব্যাপারে আমার একটা প্রশ্ন ছিলো মনে, সেই প্রশ্নটা যাদের করেছিলাম, তাদের উত্তর কিছু খুবই নিম্নমানের। তাই আদতে আমার কৌতুহল নিবৃত্ত হয়নি। প্রশ্নটি ছিলো, দু’জন মোটামুটি অপরিচিত মানুষ কীভাবে সারাটা জীবন একসাথে কাটিয়ে দিতে পারে? মোটামুটি অপরিচিত বললাম এই কারণে যে, বিয়ের আগে থেকে আসলে তেমন একটা জানাজানি একদমই সম্ভব না। একসাথে থাকতে গেলে তখন টের পাওয়া যায় যে অনেকে অনেক ছোট-ছোট বিষয়েই বিরক্ত হয়। আর তার উপরে যখন একটা বয়স পরে অনেকের শরীরে রোগবালাই ভর করে, তখন তো অপরজন অপার ভালোবাসায় আর যত্নে তার দেখাশোনা করেন — এমনটাই বা কী করে সম্ভব?

বিয়ে : করণীয় ও বর্জনীয়

বিয়ে : করণীয় ও বর্জনীয়

মানব জীবনে বিয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। বিয়ে মানুষকে দায়িত্ববান বানায়। জীবনে আনে স্বস্তি ও প্রশান্তি। বিয়ের মাধ্যমে নারী-পুরুষ সক্ষম হয় যাবতীয় পাপাচার ও চারিত্রিক স্খলন থেকে দূরে থাকতে। অব্যাহত থাকে বিয়ের মধ্য দিয়ে পৃথিবীতে মানব সভ্যতার ধারা। বৈধ ও অনুমোদিত পন্থায় মানুষ তার জৈবিক চাহিদা মেটায় কেবল এ বিয়ের মাধ্যমে। এককথায় বিয়েতে রয়েছে প্রভুত কল্যাণ ও অননুমেয় উপকারিতা। বিয়ের বিবিধ কল্যাণের প্রতি ইঙ্গিত করে আল্লাহ তা‘আলা তাই ইরশাদ করেন,

বিবাহের অভিভাবক ও শর্তাবলী, অভিভাবকের বাধা ও করণীয়

বিবাহের অভিভাবক ও শর্তাবলী, অভিভাবকের বাধা ও করণীয়
লেখক: শাইখ আবদুল্লাহ আল কাফী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “অভিভাবক
ব্যতীত কোন বিবাহ নেই।” (তিরমিযী) তিনি আরো বলেন,
“যে নারী নিজে নিজের বিবাহ সম্পন্ন করবে তার বিবাহ বাতিল
বাতিল বাতিল। অভিভাবকরা যদি ঐ নারীর বিবাহে বাধা সৃষ্টি করে,
তবে যার ওলী নেই সুলতান বা শাসক তার ওলী বা অভিভাবক
হবে।” (আহমাদ, তিরমিযী, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)
তাই যে কোন নারীর বিবাহের জন্য ওলী বা অভিভাবক
আবশ্যক। অভিভাবক উপযুক্ত হওয়ার জন্য ৬টি শর্ত আছেঃ

বিবাহে প্রচলিত কু-প্রথা

বিবাহে প্রচলিত কু-প্রথা

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
বিবাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিবাহ করা নবীগণের (আলাহিসসালাতু আসসালাম) সুন্নাত।
রাসুল(সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
যে বাক্তি বিয়ে করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বিয়ে করে না, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়। (দারিমী-কিতাবুন নিকাহ)
ইমাম রাগিব বলেনঃ
বিয়েকে দুর্গ বলা হয়েছে,কেননা(বিয়ে) স্বামী-স্ত্রী উভয়কে সকল প্রকার লজ্জাজনক কাজ থেকে দুর্গবাসীদের মতোয় বাচিয়ে রাখে। (মুফরাদাত)
তবে

বিবাহ বিচ্ছেদের কয়েকটি কারণ: বাঁচতে হলে জানতে হবে।

বিবাহ বিচ্ছেদের কয়েকটি কারণ: বাঁচতে হলে জানতে হবে।
১) পরকীয়া: স্বামী অথবা স্ত্রীর পক্ষ থেকে পরকীয়া বৈবাহিক জীবনের ইতি টানতে বাধ্য করে। তা জীবনে একটি বারের জন্য হলেও। পরকীয়া মূলত: দাম্পত্য জীবনে বিশ্বাস ঘাতকতার শামিল।
২) সম্পর্কের অবনতি : দাম্পত্য জীবনে মতবিরোধ ও মনোমালিন্য থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে তাকে বেশী বাড়তে দেয়া যাবে না। তাযদি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, কেউ কারো সাথে কথা বলছে না তাহলে সমস্যা জটিলতর হয়ে ক্রমান্বয়ে তা বিবাহ বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়ায়।
৩) শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন: এ ক্ষেত্রে সব চেয়ে বড় বিপদ জনক কারণ হল, দৈহিক ভাবে অত্যাচার, মার-

ইসলামের দৃষ্টিতে আন্তধর্ম বিয়ে।

 ইসলামের দৃষ্টিতে আন্তধর্ম বিয়ে
আন্তধর্ম বিয়ে সম্পর্কে ইসলাম :
একজন মুসলিম কখনো অমুসলিম নারীকে বিয়ে করতে পারে না। মুসলিম হয়ে অন্য ধর্মাবলম্বীকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন,
‘আর তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে এবং মুমিন দাসী মুশরিক নারীর চেয়ে নিশ্চয় উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। আর মুশরিক পুরুষদের সাথে বিয়ে দিয়ো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। আর একজন মুমিন দাস একজন মুশরিক পুরুষের চেয়ে উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে। তারা তোমাদেরকে আগুনের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ তাঁর অনুমতিতে তোমাদেরকে জান্নাত ও ক্ষমার দিকে আহ্বান করেন এবং মানুষের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করতে পারে’। {সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ২২১}
আয়াত নাযিলের প্রেক্ষাপট হলো,

ইসলামে বিবাহের গুরুত্বও পদ্ধতি।

ইসলামে বিবাহের গুরুত্বও পদ্ধতি।মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করার সাথে সাথে তারজীবন ধারণের জন্য কিছু চাহিদা দিয়েছেন এবং চাহিদামিটানোর পদ্ধতিও বলে দিয়েছেন। মানবজীবনে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসারন্যায় জৈবিক চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ। এই চাহিদা পূরণের জন্যইসলাম বিবাহের বিধান দিয়েছে। আল্লাহ তা‘আলাপৃথিবীর প্রথম মানুষ আদম (আঃ)-কে নিজ হাতেসৃষ্টি করেছেন। পরবর্তী বংশ বৃদ্ধির জন্য হাওয়া(আঃ)-কে সৃষ্টি করে আদম (আঃ)-এর সাথে বিবাহেরব্যবস্থা করেন। মানব জীবন প্রণালীপরিবর্তনের সাথে সাথে বিবাহের নিয়মেওপরিবর্তন ঘটেছে। অবশেষে শেষ নবীমুহাম্মাদ (ছাঃ) জাহেলী যুগের সকল কুসংস্কার দূরকরে নারীদেরকে বিবাহের মাধ্যমে মর্যাদা দানকরেছেন। কিন্তু

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ