Saturday, December 16, 2017

আক্বীদাহ সংক্রান্ত ২০ টি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলাহ

আক্বীদাহ সংক্রান্ত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাসআলাহ

১. প্রশ্ন: মহান আল্লাহ কোথায় অবস্থান করেন?

উত্তর: মহান আল্লাহ আরশে আযীমের উপর অবস্থান করেন। আল্লাহর কথাই এর দলীল। আল্লাহ তায়ালা বলেন:
﴿الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى﴾
অর্থ: ‘(তিনি আল্লাহ বলেন) পরম দয়াময় আরশের উপর সমুন্নীত রয়েছেন। [সূরা ত্বা-হা:৫] মহান আল্লাহ আসমানের উপর বা আরশে আযীমের উপর সমুন্নত আছেন, এই অর্থে কুরআন মাজীদের ৭টি আয়াত রয়েছে। অতএব যারা দাবী করেন যে, মহান আল্লাহ সর্ব জায়গায় বিরাজমান, অথবা তিনি মুমিন বান্দার ক্বলবের ভিতর অব্স্থান করেন, আর মু‘মিন বান্দার ক্বলব বা অন্তর হলো আল্লাহর আরশ বা ঘর। তাদের এ সমস্ত দাবী সবই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
২. প্রশ্ন: মহান আল্লাহর চেহারা অর্থাৎ মূখমন্ডল আছে কি? থাকলে তার দলীল কী?

আওলীয়া গণের কেরামতি!! ইসলামী দৃষ্টি কোন।

আওলীয়া গণের কেরামতি!!


কারামতে আওলীয়ার ব্যাপারে আহ্লুস্ সুন্নাত
ওয়াল জামাআতের বিশ্বাসঃ
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদার অন্যতম
অংশ হচ্ছে আউলীয়াদের কারামত এবং আল্লাহ
তা’আলা তাদের হাতে অলৌকিক ও সাধারণ অভ্যাসের
বিপরীত যে সমস্ত ঘটনা প্রকাশ করেন তাতে
বিশ্বাস করা। তবে অলী হওয়ার জন্য কারামত

অলীগণ কবরে জীবিত, এই সংশয়ের উত্তরাদি

অলীগণ কবরে জীবিত, এই সংশয়ের উত্তরাদি
যারা মনে করে, অলীগণ মৃত্যুর পরেও কবরে জীবিত আছেন কিংবা কবরে তাদের জীবন পৃথিবীর জীবনের থেকেও উন্নত মানের, তাদের রয়েছে কিছু দলীল। আসলে এসব দলীল নয় বরং সংশয় মাত্র । আমরা এ স্থানে তাদের কিছু প্রসিদ্ধ সংশয় তুলে ধরবো এবং জবাব দেবার চেষ্টা করবো:
প্রথম সংশয়: তারা বলে: অলীগণ মারা যায় না। কারণ উল্লেখ হয়েছে:

অলী আওলিয়াদের অসীলা গ্রহণ : ইসলামি দৃষ্টিকোণ

 অলী আওলিয়াদের অসীলা গ্রহণ : ইসলামি দৃষ্টিকোণ
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله والصلاة والسلام على من لا نبي بعده
সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহর জন্য। সালাত ও সালাম নিবেদন করছি আমাদের সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সকল সাহাবীগণের প্রতি।
বর্তমান সময়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি ইসলাম সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান না থাকার কারণে বা ইসলাম সম্পর্কে উদাসীনতার কারণে ইসলাম ধর্মের নামে অনেক অনাচার, কুসংস্কৃতি, শিরক ও বিদআত প্রচলিত আছে ও প্রচলন ঘটছে। এর মধ্যে একটি হল, অলী আওলিয়াদের অসীলা দিয়ে দুআ-প্রার্থনা করা, তাদের কাছে সাহায্য চাওয়া, তারা ভাল-মন্দ কিছু করতে পারে বলে বিশ্বাস রাখা,

১২ টি অতি গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় জিজ্ঞাসা ও সেগুলোর জবাব

অতি গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় জিজ্ঞাসা ও সেগুলোর জবাব

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
প্রিয় মুসলিম ভায়েরা, আকীদা বিষয়ক বারটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং কুরআন, সহীহ হাদীস ও বিশ্ববরেণ্য ওলামাগণের ফাতওয়ার আলোকে সেগুলোর উত্তর প্রদান করা হল। আমাদের বিশ্বাসকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এবং সঠিক আকীদার উপর চলার জন্য এ প্রশ্নগুলোর উত্তর জানা খুব জরুরী। আসুন, আমরা প্রশ্নগুলো পড়ি এবং সেগুলোর উত্তর জানার চেষ্টা করি। মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদেরকে পরিশুদ্ধ আকীদা ও বিশ্বাস সহকারে সঠিক পথে চলার তাওফীক দান করেন।
প্রশ্ন-১: জ্যোতির্বিদ,

ফতোওয়া ঈমান: ঈমান সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১২০টি প্রশ্নোত্তর (১ম পর্ব)

ফতোওয়া ঈমান: ঈমান সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১২০টি প্রশ্নোত্তর (১ম পর্ব)

ফতোওয়া ঈমান: ঈমান সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১২০টি প্রশ্নোত্তর (১ম পর্ব)
মূল: শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন (রহ.)
অনুবাদক: মুহাঃ আব্দুল্লাহ আল-কাফী ও আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
প্রশ্নঃ (১) তাওহীদ কাকে বলে? উহা কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ তাওহীদ শব্দটি (وحد) ক্রিয়ামূল থেকে উৎপত্তি হয়েছে। এর আভিধানিক অর্থ কোন জিনিসকে একক হিসাবে নির্ধারণ করা। ‘না’ বাচক ও ‘হ্যাঁ’ বাচক উক্তি ব্যতীত এটির বাস্তবায়ন হওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ একককৃত বস্ত ব্যতীত অন্য বস্ত হতে কোন বিধানকে অস্বীকার করে একককৃত বস্তর জন্য তা সাব্যস্ত করা। উদাহরণ স্বরূপ আমরা বলব, “আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই” একথার সাক্ষ্য দেয়া ব্যতীত কোন ব্যক্তির তাওহীদ পূর্ণ হবে না। যে ব্যক্তি এই সাক্ষ্য প্রদান করবে, সে আল্লাহ ছাড়া অন্যান্য সকল বস্ত হতে উলুহিয়্যাতকে (ইবাদত) অস্বীকার করে শুধুমাত্র

ফতোওয়া ঈমান: ঈমান সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১২০টি প্রশ্নোত্তর (২য় পর্ব)

ফতোওয়া ঈমান: ঈমান সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১২০টি প্রশ্নোত্তর (২য় পর্ব)

ফতোওয়া ঈমান: ঈমান সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১২০টি প্রশ্নোত্তর (২য় পর্ব)
মূল: শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন (রহ.)
অনুবাদক: মুহাঃ আব্দুল্লাহ আল-কাফী ও আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
প্রশ্নঃ (৮১) কবরের উপর নির্মাণ কাজ করা কি?
উত্তরঃ কবরের উপর নির্মাণ কাজ করা হারাম। যেমন কবর পাকা করা, কবরের চার পাশে প্রাচীর নির্মাণ করা, গম্বুজ ইত্যাদি তৈরী করা ইত্যাদি। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কবর পাকা করতে নিষেধ করেছেন। কারণ এতে কবরবাসীকে অতিরিক্ত সম্মান করার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কবরবাসীদেরকে উপাস্য হিসাবে গ্রহণ করারও ভয় রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ কবরের অবস্থাই তাই। অধিকাংশ মানুষই

সেকুলারিজম বা ধর্ম নিরেপেক্ষতা একটি নাস্তিক্যবাদী কুফুরী মতবাদ! সেকুলারিজম কি? সেকুলারিজম কুফুরী/নাস্তিকতা কেনো?

সেকুলারিজম বা ধর্ম নিরেপেক্ষতা একটি নাস্তিক্যবাদী কুফুরী মতবাদ

সেকুলারিজম কি?
সেকুলারিজম বা ধর্ম নিরপেক্ষতা একটা মতবাদ যেই মতবাদ অনুযায়ী ধর্ম শুধু মসজিদ, মন্দির বা গির্জার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। মানুষের জীবনের সবগুলো দিক ধর্ম দিয়ে পরিচালিত হবে না। যেমন শিক্ষা, রাজনীতি, অর্থনীতি এইগুলো কোনো ধর্ম দিয়ে চলবে না। এইগুলো চলবে মানুষের মতামতের ভিত্তিতে, কোনো ধর্মের হস্তক্ষেপ এখানে চলবে না।

সেকুলারিজম কুফুরী/নাস্তিকতা কেনো?

সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে কে? একটি সরল উত্তর:

সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে কে? একটি সরল উত্তর:


“ডি-জুস”-কালচারে-বড়-হওয়া নিজের দ্বীন-
সম্বন্ধে-একেবারে-অজ্ঞ কোন কিশোর বা তরুণকে যে ক’টি প্রশ্ন
করে ভড়কে দেয়, তার একটি হচ্ছে:
“সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?” অথচ, একটু চিন্তা করলেই
দেখা যাবে যে, এই প্রশ্নটা সেই গ্রাম্য “শঠ-পন্ডিতের”
সাথে “সত্যিকার পন্ডিতের” বিতর্কের প্রসিদ্ধ গল্পের মত –
যেখানে “শঠ-পন্ডিত” তার প্রতিদ্বন্দিকে জিজ্ঞেস করেছিল: I don’t
know – মানে কি?

প্রশ্নঃসূর্য কি পৃথিবীর চার দিকে ঘুরে?

প্রশ্নঃসূর্য কি পৃথিবীর চার দিকে ঘুরে?
(ফতোওয়া আরকানুল ইসলাম-আল্লামা উসাইমীন রাহ)
উত্তরঃ- মান্যবর শায়খ উত্তরে বলেন যে, শরীয়তের প্রকাশ্য
দলীলগুলো প্রমাণ করে যে, সূর্যই পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘুরে।
এই ঘুরার কারণেই পৃথিবীতে দিবা-রাত্রির আগমণ ঘটে। আমাদের
হাতে এই দলীলগুলোর চেয়ে বেশী শক্তিশালী এমন
কোন দলীল নাই, যার মাধ্যমে আমরা সূর্য ঘূরার দলীলগুলোকে
ব্যাখ্যা করতে পারি। সূর্য ঘুরার দলীলগুলো হলঃ আল্লাহ তাআ’লা
বলেন,

মুসলিমরা জান্নাতে যাবে আর হিন্দুরা বা অন্য ধর্মের লোকেরা জাহান্নামে যাবে, এতে কি আল্লাহ্ সবার জন্য সুবিচার করেছেন?

মুসলিমরা জান্নাতে যাবে আর হিন্দুরা বা অন্য ধর্মের লোকেরা জাহান্নামে যাবে, এতে কি আল্লাহ্ সবার জন্য সুবিচার
করেছেন?
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্র জন্য,আমাদের মুসলিমদের মধ্যে অনেক নাম ধারি মুসলিম আছে যারা চিরকালের জন্য জাহান্নামে থাকবে। তাই মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করা সত্ত্বেও অনেক মানুষ চির কালের জন্য জাহান্নামে যাবে। তাই যারা

বোকা বানানো তত্ত্ব. স্টিফেন হকিং তত্ত্ব –

বোকা বানানো তত্ত্ব. স্টিফেন হকিং তত্ত্ব –


প্রত্যেক যুগেই একদল মানুষ নিজেকে ধর্মের বাঁধন থেকে মুক্ত রাখতে চেয়েছে।আজকের যুগেও বাস্তবিক অবস্থা খুব একটা পরিবর্তিত হয়নি।এখনো মানুষ নিজেকে এ ধর্ম নামক শিকল থেকে মুক্ত করতে চায়।মুক্ত স্বাধীন হতে চায় ধর্মের দেয়াল থেকে। ধর্ম অস্বীকারকারীরা একে কারাগার বলে, স্বাধীনতা হরনকারী হিসেবে আখ্যা দিলেও আমি ধর্মকে বিশাল গিরিখাতের সামনে একটু সুউচ্ছ প্রাচীর বলে আখ্যা দিব।যে প্রাচীর আমাদেরকে গিরিখাত নামক মৃত্যুকূপ থেকে রক্ষার জন্য স্রষ্টার রহমতের এক অসাধারন বহিঃপ্রকাশ। স্রষ্টার দাসত্ব মুক্তি চেয়ে মানুষ মুলত প্রবৃত্তির দাসে পরিনত হতে চায়।এতে তার জীবন নামক গাড়ির হুইলটি শয়তান নিয়ে নেয়। ফলে

বিবেকবান অমুসলিম বন্ধুর প্রতি এ ক টি আহবান!

বিবেকবান অমুসলিম বন্ধুর প্রতি এ ক টি আ হ বা ন

সুপ্রিয় ভাই! এই পৃথিবীতে যত প্রকার লোক এবং যত প্রকার জাতি বসবাস করছে প্রায় সকলে এই
বিষয়ে একমত যে, আমাদের তথা দৃশ্যমান পৃথিবীর এক জন না এক জন সৃষ্টিকর্তা আছেন।
আর এই বিশ্বাসের যুক্তিও স্পষ্ট। কারণ,

পরকালের জীবনের প্রমাণ কি? (যৌক্তিক ভাবে)

পরকালের জীবনের প্রমাণ কি? (যৌক্তিক ভাবে)


ক. পরকালে আস্থা অন্ধ বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয় অনেকেই আশ্চার্য হয়ে যান, বৈজ্ঞানিক ও যুক্তিসম্মত প্রকৃতির কোনো মানুষ কিভাবে পরকাল বা মৃত্যু পরে আর একটি জীবনের ওপরে আস্থা রাখতে পারে? তারা ধারণা করে যে, যারা পরকালে আস্থাশীল তাদের যে আস্থা, তা একটি অন্ধ বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। পরকালে আমার আস্থা সঙ্গত যুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। খ. ‘পরকাল’ একটি যৌক্তিক বিশ্বাস বৈজ্ঞানিক বিষয়াদি নিয়ে জ্যোতির্ময় কুরআনঅন্তত হাজারের ওপরে আয়াত ধারণ করে আছে (এ প্রসঙ্গে বই কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সুসঙ্গত অথবা অসঙ্গত) বিগত কয়েক শতাব্দীতে কুরআন বর্ণিত বিজ্ঞানের অসংখ্য বিষয় সত্যায়িত হয়েছে। কিন্তু

পদার্থ নাকি স্রষ্টা?

পদার্থ নাকি স্রষ্টা?


যা মানুষের জীবনের সবচেয়ে মৌলিক প্রশ্ন।  একজন চিন্তাশীল মানুষ স্বাভাবিক ভাবে এই প্রশ্নের সমাধান চায়। সে মানবজাতি, জীবন ও মহাবিশ্ব নিয়ে চিন্তা করে এবং একটি সঠিক সমাধানে পৌছাত যুগ যুগ ধরে এই বিষয়গুলো উত্তর দিতে গিয়ে অনেক দর্শনের জন্ম হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি মতবাদ কার্ল মার্ক্সের দ্বান্ধিক বস্তুবাদ (dialectical materialism)। এই দর্শন আমাদের কাছে একটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছে,তা হল- “ মহাবিশ্বের চরম উৎস কোনট ,পদার্থ নাকি স্রষ্টা?”

প্রশ্নঃ- কাফেরের জন্য কি ইসলাম গ্রহণ করা আবশ্যক?

প্রশ্নঃ- কাফেরের জন্য কি ইসলাম গ্রহণ করা আবশ্যক?
উত্তরঃ- প্রত্যেক কাফেরের উপরই ইসলাম গ্রহণ করা
ওয়াজিব। চাই সে কাফের ইয়াহুদী হোক বা খৃষ্টান হোক।
আল্লাহ তাআ’লা কুরআন মাজীদে এরশাদ করেন,

ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি

ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি

بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله و الصلاة و السلام على رسول الله و على آله و صحبه.
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আর সালাত ও সালাম শ্রেষ্ঠ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি এবং শান্তি বর্ষিত হউক তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের প্রতি ।
অতঃপর:

ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ২০টি বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের জবাব

ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ২০টি বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের জবাব

ভূমিকা
মানুষকে আল্লাহর পথে আহবান একটি অর্পিত দায়িত্ব।
মুসলিম জাতির সচেতন অংশ খুব ভালো করেই জানেন যে, ইসলাম একটি বিশ্বজনীন জীবন ব্যবস্থা, যা গোটা মানব জাতির জন্য দেয়া হয়েছে। আল্লাহ তা’য়ালা সমগ্র সৃষ্টিজগতের সৃষ্টিকর্তা বিধাতা প্রতিপালক এবং তাঁর প্রতি সম্পূর্ণ সমর্পিত মানুষ, অর্থাৎ ‘মুসলিম’-তাদেরকে বাছাই করে নির্বাচন করা হয়েছে, মানব জাতির প্রতিটি সদস্যের কাছে তাঁর বাণী যথাযথভাবে পৌঁছে দেবার দায়িত্বশীল করে।
কিন্তু হায়! অধিকাংশ মুসলিম তার সে দায়িত্বের ব্যাপারে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। যেখানে আমাদের নিজেদের স্বার্থে জীবন যাপনের শ্রেষ্ঠতম পদ্ধতি হিসেবে পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করাই ছিল একমাত্র কাজ। সেখানে আমাদের বাস্তবতা আজ এই যে, এতটুকু ইচ্ছাও কারো মধ্যে অনুভুত হয়না যে, যাদের কাছে এখন পর্যন্ত এ বাণী পৌঁছেনি তাদেরকে এই পরম সত্যের অংশীদার করে নেই।
আরবী শব্দ ‘দা’ওয়াহর’ অর্থ আহবান বা আমন্ত্রণ। ইসলামী পরিভাষায় এর

ইসলাম সম্পর্কে অভিযোগ: ‘ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তলোয়ারের মাধ্যমে আর মুসলমানরা অসহিঞ্চু।’ বাস্তবতা কতটুকু?

ইসলাম সম্পর্কে অভিযোগ: ‘ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তলোয়ারেরমাধ্যমে আর মুসলমানরা অসহিঞ্চু।’ বাস্তবতা কতটুকু?

অনেক সামাজিক গ্রন্থে যে দৃশ্যটি দেখানো হয় তা হল, একজন ঘোড় সোওয়ার। যার এক হাতে রয়েছে উন্মুক্ত
তলোয়ার আর এক হাতে কুরআন। সে জোর করে মানুষকে ইসলামে দিক্ষীত করার জন্য যুদ্ধে ছুটে যাচ্ছে।
মূলতঃ এ দৃশ্যটি ইসলামের প্রকৃত রূপ নয়। ইসলাম সম্পর্কে খারাপ ধারণা সৃষ্টির জন্য এ জাতীয় একটি কল্পিত চিত্র
তুলে ধরা হয়েছে। ইসলাম কখনো অন্য কোন ধর্মাবলম্বীকে জোর করে ধর্মান্তরিত করতে বলেনি। বরং সকল ধর্মকে সম্মান করতে শিক্ষা দিয়েছে। সকল ধর্মাবলম্বীদেরকে প্রদান করেছে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা। আল্লাহ তা’আলা
বলেনঃ

ইসলাম কি শুধু আরবদের জন্য!?

ইসলাম কি শুধু আরবদের জন্য!?

কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষী মানুষকে বলতে শোনা যায়, মুহাম্মাদ
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেহেতু আরবের অধিবাসী ছিলেন
তাই ইসলাম শুধু আরবদের জন্য। তাই তারা ‘আরবের ইসলাম’,
‘মুহাম্মাদের ইসলাম’ ইত্যাদি কথা বলে ইসলাম সম্পর্কে মানুষের
মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ায়। কিন্তু এ ধারণা কি ঠিক? উত্তর হল, না। অবশ্যই ঠিক
নয়। কারণ, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সমগ্র বিশ্ববাসীর
নবী। সমগ্র মানবতার নবী। কুরআনে বলা হয়েছেঃ “আমি তো
তোমাকে সমগ্র মানবতার জন্য সতর্ককারী এবং শুভসংবাদদানকরী
হিসেবে প্রেরণ করেছি।” (সূরা সাবাঃ ২৮)
অতএব,

আল্লাহ কি সত্যিই আছেন !!!??

আল্লাহ কি সত্যিই আছেন !!!??


বিসমিল্লাহির রাহমানি রাহিম আস সালামু ‘আলাইকুম! যে কোন অনুশীলনরত মুসলিমের কাছে তো বটেই, এমন কি নামমাত্র মুসলিম বলে আখ্যায়িত করা যায় এমন কারো কাছেও “আল্লাহ্ কি সত্যিই আছেন?” এমন একটা প্রশ্ন, প্রাথমিক পর্যায়ে অবান্তর মনে হতে পারে। অনেকেই বলবেন যে, “মাদার ন্যাচার”, প্রকৃতি বা নিয়তি – এমন শব্দাবলীর আড়ালে বহু বস্তুবাদী বা মানবতাবাদীও আসলে আল্লাহর অস্তিত্বই স্বীকার করে থাকেন। তা সত্ত্বেও প্রশ্নটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং মুসলিম উম্মাহর জন্যই তা সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ। চলুন আমরা ভেবে দেখি কেন? কুর’আনে একটি আয়াত রয়েছে যেখানে বলা হচ্ছে:

Friday, December 15, 2017

প্রশ্ন- : হারাম উপার্জনকারী আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া যাবে কি? কেননা দাওয়াত না গ্রহণ করলে আত্মীয়তা নষ্ট হয়।

প্রশ্ন- : হারাম উপার্জনকারী আত্মীয়-স্বজনের
বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া যাবে কি? কেননা
দাওয়াত না গ্রহণ করলে আত্মীয়তা নষ্ট হয়।
উত্তর : স্পষ্ট ও শুধুমাত্র হারাম উপার্জনকারী
আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া
থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। তবে রাসূল (ছাঃ)
ইহুদীর বাড়ীতে দাওয়াত খেয়েছেন
(আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৫৯৩১)।
সে হিসাবে আত্মীয়তার হক আদায়ের

••অল্প বয়সে চুল পাকলে করণীয়•• পাকা চুলে কলপ ব্যবহারের বিধান••

••অল্প বয়সে চুল পাকলে করণীয়•• পাকা চুলে কলপ ব্যবহারের বিধান••
Posted by আব্দুল্লাহিল হাদী
••অল্প বয়সে চুল পাকলে••
ছেলেদের চুল পাকার সমস্যা বেড়েই চলছে। প্রথমেই জানতে হবে কেন অল্প বয়সে চুল পাকে। এক্ষেত্রে প্রতিষেধকের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।
•কেন চুল পাকে•
১. স্পাইসি ফুড বেশি খাওয়া
২. ঘুম কম হওয়া
৩. চুলের যত্ন না করা,
৪. কম দামি হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা
৫. জেনেটিক বা হরমোনের সমস্যা
••চুল পাকা রোধে যা করবেন••

হিন্দুদের পূজায় মুসলিমদের অংশগ্রহণ কতটুকু বৈধ ?

হিন্দুদের পূজায় মুসলিমদের
অংশগ্রহণ কতটুকু বৈধ ?
আমাদের অনেক মুসলিম ভাই-
বোনদের দেখা যায় যে
হিন্দুদের বিভিন্ন পূজা এবং
অনুষ্ঠানে গিয়ে রোমান্স

করতে! কিন্তু এইটা কি
মুসলিমদের জন্য বৈধ? আপনি
বলতে চান আমি তো
সেখানে পূজা করতে যাচ্ছি
না, শুধুমাত্র দেখতে যাচ্ছি।

হিংসা ও বিদ্বেষ : মানবতার হত্যাকারী

হিংসা ও বিদ্বেষ : মানবতার হত্যাকারী -মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব ﻋَﻦْ ﺃَﻧَﺲِ ﺑْﻦِ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮْﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗَﺎﻝَ : ﻻَ ﺗَﺒَﺎﻏَﻀُﻮْﺍ ﻭَﻻَ ﺗَﺤَﺎﺳَﺪُﻭْﺍ ﻭَﻻَ ﺗَﺪَﺍﺑَﺮُﻭْﺍ ﻭَﻻَ ﺗَﻘَﺎﻃَﻌُﻮْﺍ ﻭَﻛُﻮْﻧُﻮْﺍ ﻋِﺒَﺎﺩَ ﺍﻟﻠﻪِ ﺇِﺧْﻮَﺍﻧًﺎ، ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ – অনুবাদ : হযরত আনাস বিন মালেক (রাঃ) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, তোমরা পরস্পরে বিদ্বেষ করো না, হিংসা করো না, ষড়যন্ত্র করো না ও সম্পর্ক ছিন্ন করো না। তোমরা পরস্পরে আল্লাহর বান্দা হিসাবে ভাই ভাই হয়ে যাও’।[1] ব্যাখ্যা : অত্র হাদীছে মানবতাকে হত্যাকারী কয়েকটি দুরারোগ্য ব্যাধির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইসলামী সমাজকে ভিতর থেকে ধ্বংস করে দেয়। এখানে চারটি বিষয় উল্লেখ করা হলেও তা মূলতঃ

প্রশ্ন: হস্তমৈথুন কি যিনার অন্তর্ভুক্ত?

প্রশ্ন: হস্তমৈথুন কি যিনার অন্তর্ভুক্ত? পরকালে হস্তমৈথুনকারীকে কোন
প্রকারের শান্তি ভোগ করতে হবে.??
# উত্তর: ইসলামের দৃষ্টিতে হস্তমৈথুন
(Masturbation) হস্তমৈথুন
(Masturbation) বা স্বমেহন
বর্তমানে একটি বড় সমস্যা। ইসলামের
দৃষ্টিতে এটা হারাম
এবং কবীরা গুনাহ।
শরীয়ত অনুযায়ী যারা হস্তমৈথুন

প্রশ্ন: আমার জানামতে হস্ত মৈথুন কবিরা গুনাহ। কিন্তু একজন বলল যে, যদি এমন হয় যে হস্ত মৈথুন না করলে এর চেয়ে বড় কোনও পাপ হবে, যেমন জিনা হবে তবে হস্ত মৈথুন জায়েজ। দয়া করে এর বিস্তারিত আমাকে জানালে উপকৃত থাকব।

প্রশ্ন: আমার জানামতে হস্ত মৈথুন কবিরা গুনাহ। কিন্তু একজন বলল যে, যদি এমন হয় যে হস্ত মৈথুন না করলে এর চেয়ে বড় কোনও পাপ হবে, যেমন জিনা হবে তবে হস্ত মৈথুন জায়েজ। দয়া করে এর বিস্তারিত আমাকে জানালে উপকৃত থাকব।
উত্তর:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
হানাফী, শাফেঈ, মালেকী এবং হাম্বালী মাজহাবের অধিকাংশ আলেমের মতে হস্তমৈথুন করা হারাম।
তাদের দলীল হচ্ছে আল্লাহ তাআলার বাণীঃ

স্বর্ণ ক্রয় -বিক্রয় সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্ন -উত্তর

স্বর্ণ ক্রয় -বিক্রয় সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্ন -উত্তর


স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্ন-উত্তর নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁর নিকট তাওবা করি; আর আমাদের নফসের জন্য ক্ষতিকর এমন সকল খারাপি এবং আমাদের সকল প্রকার মন্দ আমল থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের জন্য লেনদেনের ব্যাপারে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সুস্পষ্ট পরিপূর্ণ নিয়ম-পদ্ধতি বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন,

সুযোগ পাওয়া সত্বেও যে যুবক ব্যভিচার থেকে দূরে থাকে তার জন্য সুসংবাদ!!!

সুযোগ পাওয়া
সত্বেও যে যুবক
ব্যভিচার থেকে
দূরে থাকে তার
জন্য সুসংবাদ!!!
আবদুল্লাহিল হাদী বিন
আবদুল জলীল / 27/03/2011
প্রাণপ্রিয় ভাই, আমরা জানি,
বর্তমানে বিভিন্ন কারণে যুব
সমাজ নানা অপকর্মে জড়িয়ে
পড়ছে। অনেক যুবক বিভিন্ন
পংকিল অন্ধকারের পথে
নীতি-নৈতিকতা হারিয়ে
উদভ্রান্তের মত ঘুরে
বেড়াচ্ছে। যেনা-ব্যাভিচার
হয়ে দাঁড়িয়েছে খুব সাধারণ

সুদের ভয়ানক পরিণতি

সুদের ভয়ানক পরিণতি

وَأَحَلَّ اللَّـهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا “আল্লা’হ ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন।” (সূরা বাকারা: ২৭৫)
বর্তমানে সুদ আমাদের দেশ ও জাতিকে অক্টোপাসের মত বেঁধে ফেলেছে। সুদ ছাড়া আমাদের অর্থনীতির চাকা যেন বন্ধ। যার কারণে পত্রিকা ও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে মানুষকে এ বিষয়ে উৎসাহিত করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট অংকের লাভের বিনিময়ে অর্থ ডিপোজিট করতে আহবান করা হচ্ছে। বিভ্রান্ত ও সৎ পথ থেকে বিচ্যুত কিছু আলেমের ফতোয়াও প্রচার করা হচ্ছে এই মর্মে যে, সুদী ব্যাংকের সাথে লেন্তদেন করা জায়েয এবং নির্দিষ্ট অংকে ইন্টারেস্ট বা সুদ গ্রহণ করাও জায়েয।
কিন্তু এ বিষয়টি অত্যন্ত ভয়ানক। প্রকাশ্যে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের বিরোধিতা ও তাঁদের প্রকাশ্য নাফরমানী। আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেন:

সুদী bank এ চাকুরী করা কি বৈধ? নাকি হারাম?

সুদী bank এ চাকুরী করা কি বৈধ? নাকি হারাম?


সুদী ব্যাংকে চাকুরী…
Bank Job
আমি একটি সুদী ব্যাংকে চাকুরী করি, যা সুদ ভিত্তিক
লোণ দেয় এবং সুদ ভিত্তিক Deposit গ্রহন করে।
আমি জেনেছি যে, সুদী ব্যাংকে কাজ করা হারাম,

সুদ খাওয়ার ৭০টি গুনাহ

সুদ খাওয়ার ৭০টি গুনাহ
SUD
সুদ খাওয়ার ৭০টি গুনাহের মধ্যে ১টি হচ্ছে নিজ
মায়ের সাথে যিনা করা…এটা কি গুনাহের
ভয়াবহতা বুঝাতে বলা হয়েছে…নাকি আসলেই
সমান গুনাহ?
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্র জন্য।
পূর্বের রাসূলগনের মধ্যেও সুদ হারাম ছিল
এবং বর্তমানেও হারাম আছে, যা প্রত্যেক
মুসলিম জানে।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ বলেছেন:

শয়তানের গুরুত্বপূর্ণ ফাদ সমূহ

শয়তানের গুরুত্বপূর্ণ ফাদ সমূহ!শয়তান বিভিন্ন পন্থায় তার কাজ চালিয়ে যায়।
এমনকি অনেক মুসলিম শয়তানের মিত্র
হিসেবে কাজ করছে অথচ তারা এ বিষয়ে
সচেতন নয়। শয়তান এক গভীর
ষড়যন্ত্রকারী। সকল খারাপ কাজই শয়তানের
কুমন্ত্রণার ফসল। শয়তানের এসব খারাপ কাজ
সম্পর্কে আল্লাহ্ ঠিকই অবহিত আছেন। তাই
আল্লাহ্ ও মুমিনদের কাছে এসব ষড়যন্ত্র
খুবই দুর্বল:

শার‘ঈ মানদণ্ডে তাবীয-কবচ এবং ঝাড়-ফুঁক

শার‘ঈ মানদণ্ডে তাবীয-কবচ এবং ঝাড়-ফুঁক সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ্র জন্য। ছালাত এবং সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম– এর উপর। যে ব্যক্তি আল্লাহ্র উপর তাওয়াক্কুল ও ভরসা করে না, তার ঈমান নেই। মহান আল্লাহ বলেন, ﴿ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﭐﻟﻠَّﻪِ ﻓَﺘَﻮَﻛَّﻠُﻮٓﺍْ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻣُّﺆۡﻣِﻨِﻴﻦَ ٢٣ ﴾ ‏[ ﺍﻟﻤﺎﺋﺪﺓ: ٢٣ ] ‘আর তোমরা আল্লাহর উপরই ভরসা কর- যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাক’ (আল- মায়েদাহ, ২৩)। তিনি অন্যত্র বলেন,

শরীয়ত সম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক করার শর্তাবলী


শরীয়ত সম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক করার শর্তাবলী ১- ঝাড়-ফুঁক হতে হবে আল্লাহর কোরআন অথবা, তাঁর নামসমূহ অথবা তাঁর গুনাবলীসমূহ দ্বারা। ২- ঝাড়-ফুঁক হতে হবে আরবী বা অন্য যে কোনো ভাষায়, যার অর্থ জানা যায়। ৩- এ কথায় দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে যে, (রোগ চিকিৎসায়) ঝাড়-ফুঁকের কোনোই ক্ষমতা নাই, বরং রোগ শিফা’র সকল ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলারই। ৪- ঝাড়-ফুঁক যেন হারাম অবস্থায় না হয় অর্থাৎ নাপাক অবস্থায় অথবা, কবর বা পায়খানায় বসে ঝাড়-ফুঁক করা যাবে না। আল-কোরআনে বর্ণিত ঝাড়-ফুঁক সংক্রান্ত আয়াতসমূহ ১- সূরা আল-ফাতিহা। ﴿ ﺑِﺴۡﻢِ ﭐﻟﻠَّﻪِ ﭐﻟﺮَّﺣۡﻤَٰﻦِ ﭐﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ ١ ﭐﻟۡﺤَﻤۡﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺭَﺏِّ ﭐﻟۡﻌَٰﻠَﻤِﻴﻦَ ٢ ﭐﻟﺮَّﺣۡﻤَٰﻦِ ﭐﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ ٣ ﻣَٰﻠِﻚِ ﻳَﻮۡﻡِ ﭐﻟﺪِّﻳﻦِ ٤ ﺇِﻳَّﺎﻙَ ﻧَﻌۡﺒُﺪُ ﻭَﺇِﻳَّﺎﻙَ ﻧَﺴۡﺘَﻌِﻴﻦُ ٥ ﭐﻫۡﺪِﻧَﺎ ﭐﻟﺼِّﺮَٰﻁَ ﭐﻟۡﻤُﺴۡﺘَﻘِﻴﻢَ ٦ ﺻِﺮَٰﻁَ ﭐﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺃَﻧۡﻌَﻤۡﺖَ ﻋَﻠَﻴۡﻬِﻢۡ ﻏَﻴۡﺮِ ﭐﻟۡﻤَﻐۡﻀُﻮﺏِ ﻋَﻠَﻴۡﻬِﻢۡ ﻭَﻟَﺎ ﭐﻟﻀَّﺎٓﻟِّﻴﻦَ ٧ ﴾ ‏[ﺍﻟﻔﺎﺗﺤﺔ : ١، ٧‏] (১) “আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু। (২) সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য, যিনি সকল সৃষ্টিজগতের একাম্ত পরিচালনাকারী ও মালিক (৩) যিনি পরম দয়ালু, অতিশয় করুণাময়। (৪) যিনি বিচারদিনের মালিক।

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ