Tuesday, May 1, 2018

ভালো মানুষেরা কষ্টে থাকে, আর পাপী লোকেরা আনন্দে দিন কাটায়?

ভালো মানুষেরা কষ্টে থাকে, আর পাপী লোকেরা আনন্দে দিন কাটায়?
______________________
প্রশ্নঃ অনেক ভালো লোক আছে, যাদের একটার পর একটা বিপদ-আপদ লেগেই থাকে। কিন্তু অমুক লোকটা এতো খারাপ কাজ করে, তারপরেও সুস্থ সামর্থ্য, দিব্যি আনন্দেই দিন কাটাচ্ছে! আল্লাহ যদি পাপীদের শাস্তি দিয়ে থাকেন তাহলে, এটা কেমন করে হতে পারে?
উত্তরঃ আলহা’মদুলিল্লাহ, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআ’লার জন্য। এটা একটা প্রশ্ন যা অনেক ভাই ও বোনেরাই করে থাকেন। যাই হোক এ সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু কথা উল্লেখ করছি।
.
প্রথমেই বলে নেই,

অসম্ভব ভালোবাসেন তাকে, অনেক গভীর সেটা। তাকে ঘিরে একটা আলাদা পৃথিবী আপনার, যেখানে তাকে নিয়ে কষ্ট আর আনন্দ মাখা গল্পগুলো খুব যত্নে সাজিয়ে রাখেন পরম যত্ন আর ভালোবাসায়।

অসম্ভব ভালোবাসেন তাকে, অনেক গভীর সেটা। তাকে ঘিরে একটা আলাদা পৃথিবী আপনার, যেখানে তাকে নিয়ে কষ্ট আর আনন্দ মাখা গল্পগুলো খুব যত্নে সাজিয়ে রাখেন পরম যত্ন আর ভালোবাসায়। সে পৃথিবীতে অন্য কাউকে আপনি এক মূহুর্তের জন্যও কল্পনা করতে পারেন না। জায়গাটা যেন শুধুই তার জন্য। যতই রাগ-অভিমান হোক আপনি সেটা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেন না..এক কথায় পাগলের মত ভালোবাসেন..!! অন্যদিকে একজন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর আযাবকেও

বিয়ের আগে ভালবাসায় বিশ্বাস করিনা। তা সে যতই কেউ বলুক ভালবাসি।কারন আমি খুব ভাল করেই জানি বিয়ের আগে প্রেম শয়তানের সৃষ্টি। আর বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যে পবিত্র ভালবাসা তা আল্লাহর পক্ষ থেকে।

বিয়ের আগে ভালবাসায় বিশ্বাস করিনা। তা সে যতই কেউ বলুক ভালবাসি।কারন আমি খুব ভাল করেই জানি বিয়ের আগে প্রেম শয়তানের সৃষ্টি। আর বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যে পবিত্র ভালবাসা তা আল্লাহর পক্ষ থেকে। বিয়ের আগে ভালবাসা বলতে কিছুই নেই। জাস্ট শয়তানের ধোকা। যদি বিয়ের আগে কেউ বলে ভালবাসি তাহলে তাকে বলবো আপনি শয়তানের বশীভূত আছেন। এই ফেক ভালবাসার অনুভূতি আপনার মধ্যে শয়তান সৃষ্টি করেছে। আসলে এটা ভালবাসা না। ইসলামে বিয়ের আগে প্রেম নিষেধ।

জিনাকারি মহিলার তাওবা :

জিনাকারি মহিলার তাওবা :
♦একজন মহিলা আসলেন
মহানবী (সা) এর কাছে…
আর বললেন-“হুজুর
আমাকে পাক করে দিন।”
মহানবী (সা) তাকে জিজ্ঞেস
করলেন-“তুমি কি করেছ?
“মহিলা বললেন-“হুজুর
আমি ব্যভিচার (জিনা/
অবৈধ সম্পর্ক) করেছি।
“মহানবী (সা) বললেন-
“তুমি কি বলছ?
তোমার হুশ ঠিক আছে তো?
“মহিলা বললেন-“হুজুর
আমি সত্যি বলছি।
আমি জিনা করেছি।
এবং গর্ভবতী হয়ে গিয়েছি।
.
“মহানবী (সা) বললেন-

চ্যাটিং_প্রতারণা

চ্যাটিং_প্রতারণা - নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ত রিমা। সে জানত বিয়ের আগে প্রেম করা হারাম, তাই প্রেম করার কোনো ইচ্ছেই তার ছিল না কোনোদিন। - অনার্সে ভর্তি হওয়ার পর রিমির বাবা রিমিকে একটা মোবাইল দেয়, জীবনে প্রথম ব্যক্তিগত মোবাইল হাতে পাওয়া! রিমির খুব ঘনিষ্ঠ বান্ধবী আঁখি! খুব ভাল মেয়েটা, পরিপূর্ণভাবে ইসলাম মেনে চলার চেষ্টা করে। - রিমাকে সে একটা ফেসবুক আইডি খুলে দেয় যাতে দ্বীনী ভাই-বোনদের ইসলামি পোষ্টগুলো পড়ে উপকৃত হতে পারে। বিভিন্ন বিষয়ের উপর ইসলামি পোষ্ট পড়ে দ্বীনী জ্ঞান অর্জনের আগ্রহ বেড়ে যায় রিমার। একদিন

হতাশ হবেন না! আপনার রব সবই জানেন,তিনি সবই দেখছেন।

হতাশ হবেন না! আপনার রব সবই জানেন,তিনি সবই দেখছেন। আল্লাহ্ জানেন, আপনি যখন প্রতিদানের আশা ছাড়া অন্যের উপকার করেন। আল্লাহ্ জানেন, যখন পৃথিবীর সবাই গভীর নিদ্রায় মগ্ন আর আপনি নির্জনে আল্লাহর ইবাদাতে,সালাতের সিজদায় রত থাকেন।

আজ যে সুযোগ গুলো হাতছাড়া হয়ে গেছে বলে পেরেশান হচ্ছেন হয়তোবা আগামী দিনে এর চাইতেও ভালো কোন সুযোগ আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে।

আজ যে সুযোগ গুলো হাতছাড়া হয়ে গেছে বলে পেরেশান হচ্ছেন হয়তোবা আগামী দিনে এর চাইতেও ভালো কোন সুযোগ আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে। আজ সুযোগের যে দরজাটা বন্ধ হয়ে গেছে বলে আফসোস করছেন পরবর্তীতে স্রেফ সেই দরজাটা বন্ধ হয়ে নতুন কতগুলো দরজা আপনার জন্য খুলে গেছে ভাবতেই আপনি অবাক হবেন! আজ যে জিনিস গুলো হারানোর বেদনায় শোকে আপনি বিহ্বল কাল দেখবেন এর চাইতে ও উত্তম জিনিস পেয়ে রবের দরবারে কৃতজ্ঞতায় মাথায় নুয়ে আসবে আপনার! এক সময়ে যে মানুষ গুলোকে ছাড়া জীবন কল্পনাই করা যেতো না সেই সব ঘনিষ্ঠ মানুষ গুলো দুঃখের সময় কিংবা সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ছেড়ে চলে গেছে; তাদের রিপ্লেসমেন্টে এক সময় দেখবেন আল্লাহ আপনাকে এমন সব মানুষের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছে যারা আপনাকে নিঃস্বার্থভাবে শুধু আল্লাহর জন্য ভালোবাসবে। এক সময় হারাম সম্পর্কে যে তৃপ্তি পেতেন আল্লাহকে ভয় করে জন্য শুধু হারাম সম্পর্ক ত্যাগ দিয়ে দেখুন হয়তো এমন লাইফ পার্টনার আল্লাহ মিলিয়ে দিবেন যে আপনার চক্ষুশীতলার কারণ হবে। . ভাই আমার

একাকী বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই তোমরা কখনো একা থেকো না, কখনো দলছুট হয়ে যেও না। শেয়ালকে দেখেছো?

. একাকী বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই তোমরা কখনো একা থেকো না, কখনো দলছুট হয়ে যেও না। শেয়ালকে দেখেছো? সে কিন্তু দলছুট ভেড়াটিকেই নিজের খাদ্য বানায়। শয়তানও সেরকম, যে দু’জন লোক একসাথে থাকে, তাদের তুলনায় সে একাকী ব্যক্তির অধিক কাছাকাছি থাকে। তাই তুমি যেখানেই থাকো, অন্তত একজন লোককে নিজের সঙ্গী বানিয়ে নাও আর খেয়াল রেখো এই ব্যক্তিটি যেন অবশ্যই পরহেজগার হয়। . অনেকগুলো টেস্টটিউবকে একসাথে জুড়ে দিলে দেখবে, একটি ভরে যাবার পর পরেরটিও পানিতে ভরে উঠছে। এভাবে একটি একটি করে একসময় সবগুলো টিউব-ই পানিতে ভরে যাবে। যতক্ষণ না প্রত্যেকটির পানির পরিমাণ সমান হয়ে যায়, ততোক্ষণ পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। বন্ধুদের বিষয়টিও এমন। তুমি যদি বাজে লোকের সঙ্গে মেশো, তাহলে তারা তোমার বহু ভালো স্বভাবকে নষ্ট করে দেবে। একটা সময় আসবে যখন তোমার আর তাদের মাঝে কোন পার্থক্য থাকবে না। ঠিক সেই টিউবগুলোর মত! এক দল বন্ধুর দিকে তাকিয়ে দেখবে, সবাই একই রকম। যত দিন যাবে, বন্ধুত্ব যত গাঢ় হবে, তাদের প্রত্যেকের আচার-আচরণ আর চরিত্র ততোই একরকম হতে থাকবে। একজন ভালো লোক বেশিদিন একটা মন্দ লোকের সাথে মিশতে পারে না। যদি মন্দ লোকটা তার দেখাদেখি নিজেকে শুধরে নেয়, তাহলেই কেবল সে বন্ধুত্ব টিকে থাকা সম্ভব। . এ জন্যেই

কোন কোন গোনাহ তওবা করার পরেও ক্ষমা হয়না?

কোন কোন গোনাহ তওবা করার পরেও ক্ষমা হয়না?
-
*আপনি কি কাউকে গালি দিয়েছেন?
* কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছেন?
*কারো মাল অন্যায়ভাবে ভোগ করেছেন?
*কাউকে মেরেছেন?
*কাউকে হত্যা করেছেন?..
*কাউকে যেকোন উপায়ে অপমান-অপদস্থ কিংবা মানহানী করেছেন?
*কারো সাথে কোন প্রকার যুলুম(অত্যচার) করেছেন বা যেকোনভাবে ঠকিয়েছেন?
* বান্দার কোন হক নষ্ট করছেন?
...
যদি করে থাকেন তাহলে আজই তার কাছে যেকোন উপায়ে ক্ষমা চেয়ে নিন এবং পাওনাদারের পাওনা বুঝিয়ে দিন।
অন্যথায় হাজার তওবা করার পরেও তা ক্ষমা হবেনা এবং নিমোক্ত হাদিস অনুযায়ী আপনার এত কষ্টার্জিত আমল তাকে দিয়ে দিতে হবে ও তার গুনাহ আপনার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে। পরিশেষে আপনাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে ..
.
★আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

আচ্ছা আমাদের জীবনে হতাশা এলে, মন খারাপ হলে,বিষন্নতায় ছেঁয়ে গেলে আমরা কি করি?

আচ্ছা আমাদের জীবনে হতাশা এলে, মন খারাপ হলে,বিষন্নতায় ছেঁয়ে গেলে আমরা কি করি? জীবনের নানা বাঁকে মুমীনের জীবনে হতাশ হবার মতো পরিস্থিতি প্রতি পদে পদেই আসতে পারে। দুঃখ -কষ্ট জীবনেই অংশ। এসব এলেই হতাশ হয়ে পড়া কোন মুমিনের লক্ষণ নয়। দুঃখ কষ্টের সময় মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য আল্লাহ কুরআনে উল্লেখ করেছেনঃ "মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে আমাকে ডাকতে শুরু করে, এরপর আমি যখন তাকে আমার পক্ষথেকে নেয়ামত দান করি, তখন সে বলে, এটা তো আমি পূর্বের জানা মতেই প্রাপ্ত হয়েছি। অথচ এটা এক পরীক্ষা, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না।" -(সুরাআল জুমার, আয়াত: ৪৯) "আর যখন মানুষ কষ্টের সম্মুখীন হয়, শুয়ে বসে,

শিক্ষনীয় ঘটনা

ঘটনা ১ঃ " রফিক সাহেব চাকুরি থেকে আজই অবসর নিয়েছেন। কলিগদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসার পথে রওনা হয়েছেন। পার্থিব জীবনের ব্যস্ততায় আখিরাতের কথা খুব একটা মাথায় আসে নি তার। এখন বয়স হয়েছে। বিশ্রাম নেওয়ার পালা। রাস্তায় হাটছেন এবং ভাবছেন,"নাহ! এইভাবে আর চলা যাবে না। বয়স হয়েছে। নামাজটা ঠিকমতন ধরতে হবে। সামনে হজ্জ। টাকা দিয়ে বুকিং করে রাখতে হবে। ছেলে মেয়ে বড় হয়ে গেছে। তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও ভাবতে হবে।" ভেবেই চলেছেন।

হিদায়াত ব্যাপারটা অন্তরের স্থায়ী কোন অবস্থা না। জাহেলিয়াত থেকে দ্বীনের বুঝ পেয়ে ইসলামে ফিরে আসা মানেই একটা মানুষ ইসলামে টিকে থাকবে তার কোন গ্যারান্টি নেই। অনেক মানুষ ইসলামকে পাবার জন্য কঠিন ত্যাগ, পরীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে তো কেউ বা আবার অনেকটা কম চেষ্টায়ই হিদায়াত পেয়ে যায়।

হিদায়াত ব্যাপারটা অন্তরের স্থায়ী কোন অবস্থা না। জাহেলিয়াত থেকে দ্বীনের বুঝ পেয়ে ইসলামে ফিরে আসা মানেই একটা মানুষ ইসলামে টিকে থাকবে তার কোন গ্যারান্টি নেই। অনেক মানুষ ইসলামকে পাবার জন্য কঠিন ত্যাগ, পরীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে তো কেউ বা আবার অনেকটা কম চেষ্টায়ই হিদায়াত পেয়ে যায়।
.
আল্লাহ তাআলা যাকে ইচ্ছা তাকে হিদায়াত দান করেন, অন্তর্চক্ষু খুলে দিয়ে এই জীবনটাকে কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা উচিত তা হাতে কলমে অদৃশ্য উপায়ে শিখিয়ে দেন। কিন্তু এই হিদায়াত মানেই, ঈমান নিয়ে মরতে পারার আগাম সার্টিফিকেট নয়।
.
একটা ভাব সম্প্রসারণ ছোটবেলায় আমরা পড়েছিলাম, স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন। হিদায়াতের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা তাই ই। হিদায়াত পাওয়া কঠিন তা সত্য, তবে সেই হিদায়াত নিয়ে প্রতি মুহূর্ত টিকে থাকা এবং তা নিয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারা এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে এমন অজস্র নজির পাওয়া যাবে, যেই লোকটাকে মানুষ আল্লাহর অনেক নিকট বান্দা ভাবতো সেও দ্বীন থেকে ফিরে গেছে, শয়তানের কোন ধোঁকায় পড়ে, বা নফসের ক্রমাগত অনুসরণ করতে করতে!
.
আত্মার পরিচর্যা এক চলমান প্রক্রিয়া,

হারাম দৃশ্য,অশ্লীল ভিডিও,আইটেম সং দেখছেন আর ভাবছেন আল্লাহ তো আমাকে কোন শাস্তি দিচ্ছেন না! কিন্তু

হারাম দৃশ্য,অশ্লীল ভিডিও,আইটেম সং দেখছেন আর ভাবছেন আল্লাহ তো আমাকে কোন শাস্তি দিচ্ছেন না! কিন্তু আপনি ভাবতেও পারবেন না ভিতরে ভিতরে আপনার মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা,পেরেশানি আর অপারাধবোধ কাজ করবে যা আপনাকে প্রতি মূহুর্তে তাড়িয়ে বেড়াবে! অন্তর থেকে সুকুন চলে যাবে। কখন যে মনের প্রশান্তি হারাবেন টের ও পাবেন না। হারাম ইনকাম করছেন আর দিব্যি পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে সংসার করে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন! ভাবছেন আল্লাহর নিয়ামত,তিনি হয়তো করুণা করছেন আমার প্রতি! দেরিতে হলেও এক সময় এটা উপলদ্ধি করবেন কেমন জানি ইবাদতে আগের মত আর মনোযোগ আসছেনা।সালাতে খুশু-খুযু আসছেন না আগের মত। যে আপনি কখনো তাহাজ্জুদ মিস দিতেন না সেই আপনারই এখন ফজরে উঠতেও কষ্ট হয়! অন্যের নামে অবাধে গীবত করে এক ধরনের পৈশাচিক আনন্দ পাচ্ছেন! কিন্তু আপনি টের ও পাবেন না নিজের অজান্তেই কখন যে অন্তরটা পাথর কঠিন হয়ে গেছে! যে আপনি আগে আল্লাহর কাছে হাত তুললেই চোখ বেয়ে অশ্রুর বন্যা বইতো সে আপনি এখন জোর করে ও আল্লাহর ভয়ে চোখ থেকে এক ফোঁটা পানি ফেলতে পারছেন না। এর চাইতে বড় শাস্তি বান্দার জন্য আর কি হতে পারে, বান্দা তার মালিকের ভয়ে চোখ থেকে দুফোটা অশ্রু ফেলতে পারছেনা?

হয়েছে হয়েছে! নিজে আগে কি ছিলে মনে আছে?" -- হুহ !

হয়েছে হয়েছে! নিজে আগে কি ছিলে মনে আছে?" -- হুহ ! পর্দা শিখাতে আসছে কদিন আগে নিজেই বের্পদা চলাফেরা করতো ! -- "হাহাহা ! গার্লফ্রেন্ড নিয়া এখানে সেখানে কতো ঘুরছিস এখন নতুন ফতোয়া দিচ্ছিস →প্রেম হারাম!" -- "কত পাপ কাজ করলি জীবনে এখন এটা হারাম ওটা হালাল করিস কেন ?তুই কি একাই মুসলিম !" নতুন করে দ্বীনের পথে আসা ,হেদায়েত পাওয়া মানুষের কাছে এসব খোঁচা কথা , অতীতের গুনাহের কথা বলে পেইন দেয়ার মত পেইনফুল জিনিস দ্বিতীয়টি নেই ! নিজে হয়তো ইসলাম ঠিকমতো মানতে পারছেন না তাই বলে দ্বীনের পথে আসা একজনকে খোঁচা দেয়া , অতীতের দোষ মনে করিয়ে দিয়ে আসলেই কি ভাল কাজ করছি আমরা ? পরিবার থেকে শুরু করে আত্মীয়, বন্ধু বান্ধবসহ এই কাজটা অনেকেই করে থাকে! একটা মেয়ে /ছেলে আল্লাহর কাছে আসতে কতো স্ট্রাগল করতে হয়, কত বাধা পেরোতে হয় , কত পছন্দের জিনিসগুলো ত্যাগ করতে হয় সেটা আল্লাহই ভাল জানেন ! হুট করে একটা মেয়ে দুনিয়াবী ফ্যাশন-স্টাইলের ভীড়ে নিজেকে কালো বোরখায় আপাদমস্তক জড়িয়ে নেয়,!!! বন্ধুমহলের মর্ডান হ্যান্ডসাম হিসেবে পরিচিত ছেলেটি হঠাৎ করেই সুন্নাতী দাঁড়ি আর লেবাসকে ভালবাসতে শুরু করে। হঠাৎ করেই ৪/৫ বছরের পুরনো প্রেমের সম্পর্ক মেয়েটি শেষ করে দেয়! গানের মধ্যে ডুবে থাকা ছেলেটি গান-বাজনা ছেড়ে কোরআনের মধ্যে শান্তি খুঁজে বেড়ায়........................... এতকিছু,

ফেসবুকের দ্বীনদারেরা এমন ফেসবুক ব্যবহার না করে ফেসবুক থেকে দূরে থাকাই ভাল

ফেসবুকের দ্বীনদারেরা এমন ফেসবুক ব্যবহার না করে ফেসবুক থেকে দূরে থাকাই ভাল ফেসবুকে ইসলামিক হওয়া কত সহজ তাই না একটা আইডি,,,! একটা ইসলামিক প্রোফাইল পিকচার,,! একটা ইসলামিক কভার ফটো,,,! জাকির নায়েকের ছবি প্রোফাইলে এবাউটে কিছু ইসলামিক চেতনা,,! কিছু ইসলামিক পোস্ট!! কিছুইসলামিক পেইজে লাইক!! কিছুইসলামিক নসীহাহ/রিমাইন্ডার মূলকপোস্ট!! কিছু রুচিশীল ইসলামিক কমেন্ট!! ব্যস! হয়ে গেলাম ইসলামিক!!!!! : : আর বাস্তব জীবনে ফজরের স্বলাতে উঠতে পারিনা,

একদিন এক লোক রাস্তায় ৫০০ টাকা পেল সে সারাদিন ভাবতে লাগলো এই টাকায় কি কেনা যায়, এই টাকার চিন্তায় সারাদিন তার সময় নস্ট হল ৷

একদিন এক লোক রাস্তায় ৫০০ টাকা পেল সে সারাদিন ভাবতে লাগলো এই টাকায় কি কেনা যায়, এই টাকার চিন্তায় সারাদিন তার সময় নস্ট হল ৷ ফলে সে সেটি ফেলে দিল ৷ সে বললো হে আল্লাহ এই ৫০০ টাকার জন্য সকাল থেকে একবার ও আপনাকে স্মরণ করি নি। আর সেসব লোক আপনাকে কী ভাবে স্মরণ করে যাদের লক্ষ লক্ষ টাকা আছে? আল্লাহ সুদ হারাম করে দিয়েছেন আমরা ব্যংক বানিয়েছি ৷ আল্লাহ জীবন কে সীমীত করেছে আমরা ঘড়ি বানিয়েছি ৷ আল্লাহ পরদার হুকুম দিয়েছেন,আমরা টিভি ডিস দিয়ে বেহায়া পনা সরবসাধারনের জন্য করে দিয়েছি ৷ আল্লাহ বলেন কোরআনে তোমাদের সফলতা, আমরা oxford এর বই কে সফলতা বানিয়েছি ৷ আল্লাহ মিথ্যা বলা নিষেধ

কারো ভাল লাগুক বা না লাগুক, মেয়েরা ছেলেদের জন্য পা থেকে মাথা পর্যন্ত ফিতনা, অফলাইন থেকে অনলাইন সবখানে ফিতনা।

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। কারো ভাল লাগুক বা না লাগুক, মেয়েরা ছেলেদের জন্য পা থেকে মাথা পর্যন্ত ফিতনা, অফলাইন থেকে অনলাইন সবখানে ফিতনা। তবু এতে মেয়েদের কষ্ট পাবার কিছু নেই। ফিতনা মানে হল পরিক্ষা। এটা ছেলেদের জন্য সবচেয়ে বড় ঈমানী পরীক্ষাগুলোর একটি। হুজুর ছেলেদের কাছে কিন্তু আবার বেপর্দা মেয়েদের চেয়ে হিজাবি মেয়েরা বড় ফিতনা। অফলাইনের ফিতনা নিয়ে ত সবাই অনেক সতর্কই আছে মনে হয়। তাই অনলাইনে এই ফিতনার কিছু রূপ তুলে ধরছি। মূলত দ্বীনী সমাজের ফিতনাটাই আলোচনা করছি। ফেসবুকে এই ফিতনা চিহ্নিত করার মূল উপায় হল লাইক, কমেন্ট, মেসেজ। মেয়েরা কিভাবে বুঝবে যে কোন ভাইয়ের জন্য আমি বিশাল ফিতনা হয়ে গেছি?

যখনই আপনি আল্লাহকে ভয় করে জীবন থেকে জাহিলিয়াত কে চিরবিদায় জানাতে চাইবেন, ধীরে ধীরে দ্বীনে আসতে চেষ্টা করবেন। আপনি ঠিক সেই মূহুর্তে উপলদ্ধি করবেন আপনার জন্য দুনিয়ার মধ্যে হালালের পথ গুলো সংকীর্ণ আর হারাম পথ গুলো প্রশস্ত হয়ে যাচ্ছে!

যখনই আপনি আল্লাহকে ভয় করে জীবন থেকে জাহিলিয়াত কে চিরবিদায় জানাতে চাইবেন, ধীরে ধীরে দ্বীনে আসতে চেষ্টা করবেন। আপনি ঠিক সেই মূহুর্তে উপলদ্ধি করবেন আপনার জন্য দুনিয়ার মধ্যে হালালের পথ গুলো সংকীর্ণ আর হারাম পথ গুলো প্রশস্ত হয়ে যাচ্ছে! আল্লাহর জন্য যখন আপনি কোন কিছু কুরবানি দিতে প্রস্তুত হবেন সেই মুহূর্ত থেকে চারপাশে থেকে কঠিন সবসব পরীক্ষার সম্মুখীন আপনাকে হতে হবে। আপনি যখন শুধুমাত্র হালাল উপার্জন খেয়ে জীবনধারণ করতে চাইবেন, হালাল পথে জীবিকা নির্বাহর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন দেখবেন যে টাকা উপার্জনের সহজ কিন্তু "সন্দেহজনক" সব রাস্তাগুলো আপনার সামনে একে একে খুলে যাচ্ছে! এবার বিয়ের ক্ষেত্রে আসুন- আপনি যদি দুনিয়াবি অন্য সব জিনিসকে এক পাশে রেখে শুধুমাত্র দ্বীনকে প্রাধান্য দিয়ে বিয়ে করতে চান, দেখবেন যে লোভনীয় এমন সব বিয়ের প্রস্তাব আপনার কাছে স্রোতের বেগে আসছে যেগুলো আপনি আগে কল্পনা ও করতে পারেন নি! এমন সব প্রস্তাব আসবে যাদের কাছে দ্বীন পরের বিষয়, শুধু নামে মাত্র! যাঁদের কাছে ইসলাম পালন অনেক পরের একটা বিষয়!! আপনি যে মূহুর্তে হিজাব করার সিদ্ধান্ত নিবেন, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকবেন পর্দার সাথে আপোষ না করার! চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন- যাই ঘটুক পর্দার সাথে আপোষ করবেন না! সেই মূহুর্তে দেখবেন যে এমন সব জায়গায় পড়াশুনা বা চাকরির কিংবা বিয়ের প্রস্তাব আপনি পাচ্ছেন, যার একমাত্র শর্ত হবে হিজাব ছেড়ে দেওয়া,পরিপূর্ণ পর্দা না করা বা পর্দার সাথে আফোস করা! 'সত্যি বলতে কী,

প্রচন্ড দুঃখে আছেন? চারদিকে শুধু বিপদ আর বিপদ? আপনি খুশি হোন। দুনিয়ার এসব বিপদ-আপদ,দুঃখ-কষ্ট দিয়ে আল্লাহ আপনার গুনাহ মাফ করে দিচ্ছেন আর না হয় আপনার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিচ্ছেন।

প্রচন্ড দুঃখে আছেন? চারদিকে শুধু বিপদ আর বিপদ? আপনি খুশি হোন। দুনিয়ার এসব বিপদ-আপদ,দুঃখ-কষ্ট দিয়ে আল্লাহ আপনার গুনাহ মাফ করে দিচ্ছেন আর না হয় আপনার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিচ্ছেন। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’যে কোনো মুসলিমের গায়ে একটি কাঁটা বিদ্ধ হয় কিংবা তার চেয়ে অধিক ছোট্ট কোনো আঘাত লাগে, তার বিনিময়ে তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয় এবং তার একটি গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।"- (মুসলিম ৬৪৫৫) আরেক হাদিসে এসেছে, আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’আল্লাহ তায়ালা যখন কোনো বান্দার কল্যাণকরতে ইচ্ছা করেন, তখন তাড়াতাড়ি দুনিয়াতে তাকে বিপদে নিক্ষেপ করেন। আর যখন তিনি কোনো বান্দার অকল্যাণ করতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে (দুনিয়াতে) তার পাপের শাস্তি প্রদান করা হতে বিরত থাকেন। তারপর কিয়ামতের দিন তিনি তাকে পুরোপুরি শাস্তি দিবেন’’ - {তিরমিযি ২৩৯৬; মিশকাতুল মাসাবীহ ১৫৬৫} একবার চিন্তা করে দেখুন,

যে কথা গুলো দ্বারা দুঃচরিত্রের ছেলেরা মেয়েদের সর্বনাশ ডেকে আনে!

সাবধান হবেন প্লিজ!! ১. ভাবী , আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না। দেখে মনে হয়, মাত্র মাধ্যমিক পাশ করছেন! সিরিয়াসলি! ২. ম্যাডাম, একটা কথা বলবো অনেকদিন থেকে ভাবছি! কিন্তু বলবো বলবো করে বলা হচ্ছে না। আপনি এমনিতেই সুন্দর। কিন্তু নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়ে দিয়েছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে! ৩. মন খারাপ কেন ভাবী, ভাই/দাদা ঝগড়া টগড়া করলো নাকি?

আল্লাহ্‌ তাআলা কুরআনে বলেছেন: "আমি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি।" এখানে জোড়া জোড়া বলতে কি স্বামী-স্ত্রীকে বোঝানো হয়েছে নাকি অন্য কিছু?

আল্লাহ্‌ তাআলা কুরআনে বলেছেন: "আমি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি।" এখানে জোড়া জোড়া বলতে কি স্বামী-স্ত্রীকে বোঝানো হয়েছে নাকি অন্য কিছু?
উত্তর:
আল্লাহ তাআলা কুরআনের বিভিন্ন স্থানে মানুষকে জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করার কথা বলেছেন। কোথাও বলেছেন, তিনি সৃষ্টি জগতের প্রতিটি বস্তুকেই জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছেন। যেমন নিম্নোক্ত আয়াগুলো:
🔹আল্লাহ তাআলা বলেন:

খেজুর গাছের কান্নাঃ

খেজুর গাছের কান্নাঃ নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনার মসজিদে যখন জুমার খুতবা দিতেন, তখন একটি খেজুর গাছের উপর ভর করে দাঁড়াতেন। গাছটি রাসুলের স্পর্শ পেয়ে যেন ধন্য। কিছুদিন পর এক আনসারী মহিলা তার কাঠমিস্ত্রি ছেলেকে দিয়ে রাসুলের জন্যে একটি মিম্বরের ব্যবস্থা করে দিলেন। যেনো খেজুর গাছের পরিবর্তে রাসুল এটি ব্যবহার করেন। সুতরাং, তখন খেজুর গাছটি সরিয়ে নতুন কাঠের মিম্বর রাখা হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন খুতবার জন্য ওই নতুন মিম্বরে দাঁড়ালেন, সবাইকে অবাক করে দিয়ে খেজুর গাছটি ছোট্ট বাচ্চার মতো কেঁদে ওঠলো। আসলে

আমি যেদিন জানতে পারলাম আমি প্রেগন্যান্ট, আনন্দে কেঁদে দিয়েছিলাম। যখন আনন্দের উচ্ছাসটা কমে গেলো তখন মাথার মধ্যে একটা ভয় ঢুকে গেলো। আল্লাহ আমাকে সন্তান দিয়েছেন, আমি কি পারবো তাকে আল্লাহর পথে বড় করতে! চারিদিকে এতো ফিতনা, এতো নোংরামি, পারবো এর মাঝে ছেলেকে ঈমানের সাথে বড় করতে? আমি কি পারবো আদর্শ মা হতে?

মানুষের বিবেক কোথায় যে গেল????????
#আমি যেদিন জানতে পারলাম আমি প্রেগন্যান্ট, আনন্দে কেঁদে দিয়েছিলাম। যখন আনন্দের উচ্ছাসটা কমে গেলো তখন মাথার মধ্যে একটা ভয় ঢুকে গেলো। আল্লাহ আমাকে সন্তান দিয়েছেন, আমি কি পারবো তাকে আল্লাহর পথে বড় করতে! চারিদিকে এতো ফিতনা, এতো নোংরামি, পারবো এর মাঝে ছেলেকে ঈমানের সাথে বড় করতে? আমি কি পারবো আদর্শ মা হতে? প্রথমেই মনে হলো নিজে না জানলে সন্তানকে কি শেখাবো? তাই ইসলাম সম্পর্কে পড়তে লাগলাম। এই পড়তে গিয়ে একটা ব্যাপার উপলব্ধি করলাম, আল্লাহ আমাদের সন্তান দেন ভবিষ্যতে সন্তান টাকা কামাবে আর আমরা আরামে থাকবো এজন্যে না। বরং সন্তান আমাদের জন্য বড় একটা পরীক্ষা। আমরা যদি ভুল শিক্ষা দেই এবং সন্তান যতোবার ভুলটা করবে তার জন্য আমাদেরও শাস্তি পেতে হবে। সুবহানআল্লাহ! আল্লাহ আমাদের দ্বায়িত্ব দিয়েছেন একটা মানুষকে বড় করার, তাকে সঠিক শিক্ষা দেয়ার, তাকে আল্লাহর পথে চলার জন্য তৈরি করে দেয়ার।

মেয়ে অনার্স শেষ করে ফেলেছে! অথচ মা মেয়ে কে দূরে রেখে থাকতে পারবেন না বলে বিয়ে দিচ্ছেন না! ভালবাসাই বটে! তবে এমন ভালবাসা কোন সুফল বয়ে আনেনা!

মেয়ে অনার্স শেষ করে ফেলেছে! অথচ মা মেয়ে কে দূরে রেখে থাকতে পারবেন না বলে বিয়ে দিচ্ছেন না! ভালবাসাই বটে! তবে এমন ভালবাসা কোন সুফল বয়ে আনেনা! ------ বাচ্চার জন্য সাবজেক্ট প্রতি টিচার! গানের এবং নাচের ও আলাদা টিচার! সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য কত্ত সুব্যবস্থা! কিন্তু একজন আরবী শিক্ষক দিতে পারেন না বাচ্চার উপর চাপ হয়ে যাবে বলে! এমন ভালবাসা কোন সুফল বয়ে আনেনা! ------- মেয়ে পর্দা করে বাইরে যাচ্ছে তো মায়ের সে কি চিন্তা! মেয়েটা গরমে শেষ হয়ে যাবে! বলছেন ও এই বয়সে এসবের কি দরকার! মেয়ের জন্য ভালবাসাই বটে! তবে এমন ভালবাসা ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়

প্রতিটি পুরুষের স্ত্রীকে তাদের পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।নাকি শুধু হাওয়া (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল?

প্রতিটি পুরুষের স্ত্রীকে তাদের পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।নাকি শুধু হাওয়া (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল? ========================= হযরত হাওয়া আ: কে হযরত আদম আ: এর পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে এটা চিরসত্য কথা। পাঁজরের হাড় মানে বক্ষপিঞ্জরের হাড় মানে কাঠি (rib) । এটা প্রতিটি মানুষের ই দুপাশে মোট ১২+১২ =২৪ টি আছে।নারীর এবং পুরুষের উভয়ের। কারো কম বা অর্ধেক নেই বরং সমান। : সূরা আন নিসা'র ১নং আয়াতে আল্লাহপাক উল্লেখ করেছেন:

আল্লাহর জন্য হারাম ত্যাগ- বনাম ভালবাসার মানুষের জন্য হারাম ত্যাগঃ”

আল্লাহর জন্য হারাম ত্যাগ- বনাম ভালবাসার মানুষের জন্য হারাম ত্যাগঃ” : মানুষ এর প্রতিটি কাজ তার নিয়ত এর উপর নির্ভরশীল। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, "অবশ্যই মানুষের কাজ তার নিয়ত এর উপর নির্ভর করে। মানুষ তাই পাবে যা সে নিয়ত করে।" (বুখারী, মুসলিম) . এই দুনিয়াবি জীবনে মানুষ আপনার নিয়ত বা চেষ্টা দেখে না, শুধু দেখে রেজাল্ট; আপনি কতটুকু সফল বা বিফল। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা অনেক মহান, যিনি আমাদের মনের নিয়ত দেখবেন, নিয়ত অনুসারে পুরষ্কার দিবেন। তাই আমাদের যেকোনো ভাল কাজের নিয়ত, যেকোনো হারাম ত্যাগ করার নিয়ত শুধুমাত্র আল্লাহকে খুশি করার জন্য হওয়া উচিত, কোনো প্রিয় বা ভালবাসার মানুষকে খুশি করার জন্য বা তার মন পাওয়ার জন্য নয়। . যে কাজ মানুষ আল্লাহকে খুশি করার নিয়ত ব্যতীত অন্য

কেউ কেউ মনে করেন, আমার মন খুবই পরিস্কার। তাকে আমি মা, খালা, অথবা বোনের মতোই মনে করি ইত্যাদি ইত্যাদি। তাহলে তাঁর সাথে মেলা-মেশা করতে অসুবিধা কোথায়?

কেউ কেউ মনে করেন, আমার মন খুবই পরিস্কার। তাকে আমি মা, খালা, অথবা বোনের মতোই মনে করি ইত্যাদি ইত্যাদি। তাহলে তাঁর সাথে মেলা-মেশা করতে অসুবিধা কোথায়। অথচ আমরা যদি একটু লক্ষ্য করি
আমাদের রসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সল্লাম) এর অন্তর ছিলো আমাদের চাইতেও পরিস্কার। এরপরও তিনি যে কোন বেগানা মহিলার সাথে মুসাফাহা করতে পর্যন্ত অস্বীকৃতি জানান।কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ভাই-বোনদের মুখে এমন কথা বেশি শোনা যায়।নিঃসংকোচে ছেলে-মেয়ে একত্রে চলাফেরা করছে... বিন্দু পরিমাণ অপরাধ বোধও তাদের মধ্যে কাজ করছে না। বরং এ ধরনের অবৈধ সম্পর্ককে বৈধ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন হাস্যকর যুক্তি তুলে ধরার চেষ্টা করছে।অথচ কোন পুরুষের বেগানা কোন মহিলার সাথে অথবা কোন মহিলার বেগানা কোন পুরুষের সাথে নির্জনে অবস্থান করা হারাম। চাই তা কোন ঘরেই হোক অথবা কোন রুমে কিংবা কোন গাড়িতে অথবা লিফটে।► রসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সল্লাম) বলেছেনঃকোন পুরুষ যেন বেগানা কোন মহিলার সাথে নির্জনে অবস্থান না করে। এমন করলে তখন শয়তানই হবে তাদের তৃতীয় জন।সুনান আত-তিরমিযী, হাদীস ১১৭১► রসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সল্লাম) বলেছেনঃ

Friday, April 27, 2018

আকীদা বিষয়ক ৫০টি প্রশ্নোত্তর

আকীদা বিষয়ক ৫০টি প্রশ্নোত্তর

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ
الحمد لله وحده والصلاة والسلام على من لانبي بعده
সুপ্রিয় দ্বীনী ভাই ও বোনেরা,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
অত:পর ‘আকীদা বিষয়ক ৫০টি প্রশ্নোত্তর’ শীর্ষক ছোট্ট এই পুস্তিকাটিতে ইসলামের অত্যন্ত মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে ৫০টি প্রশ্নোত্তর প্রস্তুত করা হয়েছে-যেগুলো সম্পর্কে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জ্ঞান থাকা অপরিহার্য।
এখানে যে সব বিষয় আলোচিত হয়েছে সেগুলো হল:
• মহান আল্লাহর পরিচয়
• ইসলাম এবং তার রোকন সমূহ
• ঈমান ও তার রোকন সমূহ
• তাওহীদ ও তার প্রকারভেদ
• শিরক ও তার প্রকারভেদ।
• কুফরী ও তার প্রকারভেদ
• মুনাফেকি এবং তার প্রকারভেদ
• কালিমার অর্থ এবং শর্তাবলী
• ইবাদতের পরিচয় এবং তা কবুলের শর্তাবলী
• তাগুতের পরিচয় ও তার প্রকারভেদ
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করে জ্ঞানের আলোকিত পথ ধরে জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
-বিনীত, আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
❖ ১ম প্রশ্ন: আমার, আপনার এবং পৃথিবীর সব কিছুর স্রষ্টা ও পালনকর্তা কে?

Tuesday, April 24, 2018

শবে বরাতঃ সঠিক দৃষ্টিকোণ

শবে বরাতঃ সঠিক দৃষ্টিকোণ

শবে বরাতের মত একটি বিষয় নিয়ে কিছু লেখার কি প্রয়োজন ছিল? আমি এর কৈফিয়ত স্বরূপ কিছু কথা না বলে পারছিনা।
(এক) গত ৪/১২/১৯৯৮ ইংরেজী তারিখে আমি গাজীপুরের একটি মাসজিদে জুমু‘আর খুতবাহ ও আলোচনায় শবে বরাত সম্পর্কে কিছু কথা বলেছিলাম। আলোচনা শেষে উপসি’ত মুসল্লীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অনেকে বলেছেন ঃ “শবে বরাত সম্পর্কে এমন স্পষ্ট কথা আগে কোথাও শুনিনি।” আবার অনেকে “যতসব নুতন নুতন মাসালা” আখ্যায়িত করে আমার আলোচনাকে প্রত্যাখ্যান করলেন। সেখানে উপসি’ত ছিলেন প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন, লেখক ও গবেষক আবুল বাশার মুহাম্মাদ ইকবাল (রহঃ)। তিনি আমাকে বললেন ঃ

মাহে শাবান ও শবে বরাতঃ করণীয় ও বর্জনীয়

মাহে শাবান ও শবে বরাতঃ করণীয় ও বর্জনীয়

হিজরী সনের ৮ম মাস হচ্ছে শাবান মাস। তার পরই আসে বছরের শ্রেষ্ঠ রামাযান মাস। সে হিসেবে মুসলিমের জীবনে এ মাসের যথেষ্ঠ গুরুত্ব রয়েছে। দীর্ঘ টানা একমাস তাকে সিয়াম সাধনা করতে করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন মানসিক, শারিরিক ও আর্থিক প্রস্তুতি। আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রামাযানে প্রস্তুতি স্বরূপ অন্য মাসের তুলনায় শাবান মাসে বেশী বেশী নফল রোযা রাখতেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ
فَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اسْتَكْمَلَ صِيَامَ شَهْرٍ إِلاَّ رَمَضَانَ ، وَمَا رَأَيْتُهُ أَكْثَرَ صِيَامًا مِنْهُ فِى شَعْبَانَ
আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রামাযন ব্যতীত অন্য কোন পূর্ণ মাসে রোযা রাখতে দেখে নি। আর তাঁকে আমি শাবান মাসের চেয়ে অধিক রোযা অন্য কোন মাসে রাখতে দেখি নি। (বুখারী) সুতরাং শাবান মাসে আমরাও রাসূলের সুন্নাত অনুযায়ী বেশী বেশী করে রাখবো এবং আল্লাহর কাছে প্রাণ খুলে দুআ করবো, তিনি যেন আমাদেরকে রামাযান পর্যন্ত হায়াত দান করেন এবং রামাযানের ফজীলত ও বরকত হাসিল করার তাওফীক দেন।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে,

শাবানের পনেরতম রজনী উদযাপন, শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

শাবানের পনেরতম রজনী উদযাপন, শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

শবে বরাত সম্পর্কে বিশ্ব বরেণ্য আলেম শায়খ আবদুল আযীয আবদুল্লাহ বিন বায রাহিমাহুল্লাহ এর প্রবন্ধ –
حكم الاحتفال بليلة النصف من شعبان للشيخ عبد العزيز بن عبد الله بن باز رحمه الله
‘মধ্য শাবানের রাত উদযাপনের বিধান’ এর সার-সংক্ষেপ তুলে ধরব। তার এ প্রবন্ধে অনেক উলামায়ে কিরামের মতামত তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেছেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেনঃ
اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا. (المائدة : ৩)
অর্থঃ আজ আমি তোমাদের দীনকে তোমাদের জন্য পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের জন্য আমার নেআমাত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন হিসাবে মনোনীত করলাম। (সূরা আল – মায়িদা: ৩)
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেনঃ

শবে বরাত উপলক্ষে প্রচলিত কতিপয় বিদ’আতের উদাহরণ

শবে বরাত উপলক্ষে প্রচলিত কতিপয় বিদ’আতের উদাহরণ


আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
প্রিয় ভাই, আর ক’দিন পরই আমাদের সমাজে মহাসমারোহে পালিত হবে শবে বরাত। সে দিন সরকারী ছুটি ঘোষণা করা হবে। হালুয়া-রুটি খাওয়ার ধুম পড়ে যাবে। অনুষ্ঠিত হবে মিলাদ মাহফিল ও জিকিরের মজলিস। সেই সাথে মুর্হুমূহু আতশবাজিতে কেঁপে কেঁপে উঠবে শবে বরাতের রাতের আকাশ। আরও দেখা যাবে মসজিদের আঙ্গিনাতে যাদের পদ যুগল পড়ত না সে রাতে তারাই আতর-সুগন্ধি মেখে টুপি-পাঞ্জাবী পরে মসজিদের প্রথম কাতারে মুসল্লী সেজে অবস্থান করছে আর বিশেষ কিছু এবাদত-বন্দেগী করে মনে করবে জীবনের সব গুনাহ মাফ হয়ে গেছে। তারপর দিন সকাল থেকে লিপ্ত হবে যাবতীয় অন্যায়-অপকর্ম, দুর্নীতি আর আল্লাহর নাফরমানীতে। হয়ত সে দিনকার ফজরের নামায পড়ারও সময় হবে না। আর অপেক্ষায় থাকবে আগামী বছর শবে বরাতের। এভাবে আরও কত কি? আমাদের সমাজের এ অবস্থায় আমরা জানার চেষ্টা করি একাজগুলো কতটুকু ইসলাম সমর্থিত?
যে সকল ইবাদতের ক্ষেত্রে ইসলাম সমর্থন দেয় নি সেটা ইসলামের নামে করাই তো বিদআত। বিদআতের পরিণাম অতি ভয়ানক। এ ব্যাপারে কুরআনও হাদীসে অসংখ্য সতর্কতা উচ্চারিত হয়েছে। তাই আসুন, আমরা নিজেরা বিদআত থেকে বাঁচি সেই সাথে বাঁচানোর চেষ্টা করি আমাদের সমাজকে। আল্লাহ আমাদেরকে তাওফীক দান করুন।

আমাদের সমাজে শবে বরাত উপলক্ষে প্রচলিত কতিপয় বিদআতের উদাহরণ:

শাবান মাস: সুন্নত উপেক্ষিত বিদ’আত সমাদৃত

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
প্রাণ প্রিয় ভাই, রামাযানুল মোবারকের প্রস্তুতির মাস শাবান আমাদের মাঝে উপস্থিত। এ মাসে আমাদের জন্য রয়েছে কিছু করণীয়। রয়েছে কিছু বর্জনীয়। এ বিষয়টি নিয়েই আজকের এই পোস্টের অবতারণা। এতে মোট ৭টি বিষয় আলোচিত হয়েছে। যথা:
১) শাবান মাসে নফল রোযা রাখা সম্পর্কে বর্ণিত সহীহ হাদীস সমূহ।
২) শাবান মাসের পনের তারিখের ব্যাপারে একটি হাদীস পর্যালোচনা ও তার শিক্ষা।
৩) শাবান মাস সম্পর্কে কতিপয় প্রচলিত জাল ও যঈফ হাদীস|
৪) কুরআন কোন রাতে অবর্তীণ হয়? শাবান মাসের শবে বরাতে নাকি রামাযান মাসের শবে কদরে?
৫) শবে বরাত উদ্‌যাপন করা বিদআত।
৬) শাবান মাসে প্রচলিত কতিপয় বিদআত।
৭) সারাংশ।

১) শাবান মাসে নফল রোযা রাখা সম্পর্কে বণির্ত সহীহ হাদীস সমূহ:

শবে বরাত নামে পরিচিত(লাইলাতুন নিসফি মিন শাবানে) আমরা কি করতে পারি? 

শবে বরাত নামে পরিচিত(লাইলাতুন নিসফি মিন শাবানে) আমরা কি করতে পারি? 
====================
প্রথম কথা হলো শবে বরাত ফারসি শব্দ, শবে বরাত নামে যে ভাগ্য রজনী মনে করা হয়, এই নামে কুরআন হাদিসে কোন কিছু নেই। লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান বা শাবানের মধ্যরাত্রির ব্যাপারে বেশ কিছু হাদিস বর্ণিত হয়েছে, বেশীরভাগ মুহাদ্দিস হাদিসগুলোকে বানোয়াট ও দুর্বল বলেছেন। সৌদিআরবের সন্মানিয় বিগত গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ বিন বাজ (রঃ) বলেন, এ ব্যাপারে বর্ণিত কোন হাদিসই বিশুদ্ধ নয়। বিপরীতে কিছু মুহাদ্দিস নিম্নে বর্ণিত হাদিসটিকে কেউ হাসান আবার কেউ সহিহও বলেছেন-
আবু মূসা আল আশ’আরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘আল্লাহ তা‘আলা শাবানের মধ্যরাত্রিতে আগমণ করে, মুশরিক ও ঝগড়ায় লিপ্ত ব্যক্তিদের ব্যতীত, তাঁর সমস্ত সৃষ্টিজগতকে ক্ষমা করে দেন। (ইবনে মাজাহ-হাদীস নং ১৩৯০, তাবরানী মু’জামুল কাবীর)

Friday, April 20, 2018

কুরআন সম্পর্কে কতিপয় ভুল বিশ্বাস ও আচরণ:




কুরআন সম্পর্কে কতিপয় ভুল বিশ্বাস ও আচরণ:

🔘 ১) অর্ধ শাবানের রাতে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে বলে বিশ্বাস করা। অথচ তা অবতীর্ণ হয়েছে রামাযান মাসের কদরের রাতে। (সূরা বাকারা: ১৮৫ ও সূরা কদর)
🔘 ২) কবর জিয়ারত করতে গিয়ে কুরআন (সূরা ফাতিহা, নাস, ফালাক, ইখলাস ইত্যাদি সূরা) পাঠ করা। এটি দলীল বহির্ভূত কাজ হওয়ার কারণে বিদয়াত।
🔘 ৩) মৃত শয্যায় শায়িত ব্যক্তির পাশে কুরআন পাঠ করা। এটি বিদআত। অথচ সুন্নত হচ্ছে, মৃত্যু পথযাত্রীকে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ র তালকীন দেয়া বা তাকে শুনিয়ে কালিমা পাঠ করা।
🔘 ৪) কুরআন খতম (শবিনা খতম) করে তার সওয়াব মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে বখশীয়ে দেয়া। এটিও দলীল বহির্ভূত হওয়ার কারণে বিদআত।
🔘 ৫) অসর্তকতা বশত: হাত থেকে কুরআন পড়ে গেলে তার ওজন বরাবর চাল সদকা করা। এটি শরীয়তের কোন বিধান নয়। বরং এজন্য জন্য আল্লাহর নিকট ইস্তিগফার করা প্রয়োজন।

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ