Monday, February 5, 2018

পবিত্র মদীনা মুনাওওয়ারার নাম, ফযিলত ও এখানেঅবস্থানের আদবসমূহ

পবিত্র মদীনা মুনাওওয়ারার নাম, ফযিলত ও এখানেঅবস্থানের আদবসমূহ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমপবিত্র মদীনা মুনাওওয়ারাকে বলা হয় দ্বিতীয় হারাম।মুসলিম হৃদয়ে এ নগরীটির প্রতি রয়েছেঅপরিসীম শ্রদ্ধা, ভালবাসা ও মর্যাদা। কেননা এটি ছিলপ্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামেরহিজরতভূমি। তিনি তাঁর জীবনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণশেষ দশ বছর এ নগরীতেই কাটিয়েছেন।অহীর বৃহত্তর অংশ এখানেই তাঁর উপর অবতীর্ণহয়। এ নগরীকে কেন্দ্র করেই তিনি আল্লাহরসাহায্যে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিকভাবেপ্রতিষ্ঠিত করেন। বস্তুত আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ নগরীকে বিভিন্ননামে অভিহিত করে অনেক ফযিলত, মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্যদিয়ে একে অভিষিক্ত করেছেন।পবিত্র মদীনা মুনাওওয়ারার নামমদীনাকে অনেকগুলো নামে অভিহিত করাহয়েছে, যা তার ফযিলত ও মর্যাদার প্রমাণ বহনকরছে। কেননা একই জিনিসের অনেক নাম সেজিনিসের মর্যাদা ও গুরুত্বের প্রমাণবাহী।ঐতিহাসিকগণ এ নগরীর বহু নাম উল্লেখকরেছেন। ‘আল্লামা সামহুদী’ এর ৯৪টি নামউল্লেখ করেছেন।তন্মধ্যে ‘মদীনা’ নামটি সর্বাধিক প্রসিদ্ধ, যা আল-কুরআনে চার বার এসেছ। [সূরা আত্-তাওবাহ: ১০১,১২০, সূরা আল আহযাব: ৬০, সূরা আল-মুনাফেকুন: ৮]আর হাদীসে এ নামটি অসংখ্যবার এসেছে।মদীনার আরেকটি নাম ‘ত্বাবাহ’। ইমাম মুসলিম জাবেররাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (১ম পর্ব)

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (১ম পর্ব)
(ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রহ. এর যাদুল মা‘আদ হতে সংক্ষেপিত)
ভূমিকা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আল-হামদুলিল্লাহ ওয়াসসালাতু ওয়াসসালামু আলা রাসূলিল্লাহ, ওয়া আলা ’আলিহী ওয়া সাহবিহী। ওয়াবা‘দ
অতঃপর নিশ্চয়ই আমাদের প্রতি আল্লাহর শ্রেষ্ঠতম নেয়ামত হলো ইসলাম, ইসলাম আল্লাহর মনোনীত স্বভাবজাত এবং ন্যায়নীতি-ভারসাম্য, মধ্যমপন্থী দ্বীন, ইসলাম দুনিয়া-আখেরাতের সকল কল্যাণ ও মঙ্গলকে আবেষ্টনকারী এবং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, ইসলাম জ্ঞান-বিজ্ঞান ও আখলাক- চরিত্রের দ্বীন, ইসলাম স্থান-কাল নির্বেশেষে সবার জন্য উপযোগী, ইসলাম সহজ-সাধ্য ও শান্তির দ্বীন, বরং ইসলামে রয়েছে সব সমস্যার সমাধান। অতএব, বর্তমান যুগে বিশ্ব মানবতার সামনে ইসলামের সৌন্দর্য্য ও মৌলিক বৈশিষ্টাবলীর বর্ণনা কতই না জরুরী; যাতে বিশ্বের সামনে দ্বীন ইসলামের প্রকৃত ছবি ফুটে উঠে। মূলত বিশ্বনবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবনাদর্শ হলো

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (২য় পর্ব)

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (২য় পর্ব)
(ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রহ. এর যাদুল মা‘আদ হতে সংক্ষেপিত)
(১২) হাদী, কুরবানী ও ‘আকীকাহ্ প্রসঙ্গে তাঁর আদর্শমালা[90]
(ক) হাদী প্রসঙ্গে তাঁর আদর্শমালা[91]:
১. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উট ও ছাগলপাল হাদী হিসেবে প্রেরণ করেন এবং তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ হতে হাদী হিসেবে গরু প্রেরণ করেন। তিনি হজ্জ ও ওমরার সময় এবং (হুদায়বিয়ার সন্ধি কালে) অবস্থান স্থলে হাদী যবেহ্ করেন।
২. তাঁর আদর্শ ছিল, হাদী হিসেবে প্রেরিত ছাগলপালের গলায় বেড়ি লাগানো, সেগুলোর গলায় ছুরির আঘাতে দাগ করা নয়। তিনি স্বীয় হাদী প্রেরণের পর (ইহরাম বাঁধার পূর্বমুহুর্ত পর্যন্ত) কোনো হালাল বিষয়াদিকে নিজের উপর হারাম মনে করেন নি।
৩. তিনি হাদি হিসেবে উট প্রেরণ করলে সেগুলিকে ‘তাক্বলীদ’-গলায় বেড়ী লাগাতেন, বা

বিশ্ব মানবতার প্রতি মহানবীর ১০ অবদান

বিশ্ব মানবতার প্রতি মহানবীর ১০ অবদান 

সকল প্রশংসা কেবল নিখিল জগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক নবী ও রাসূলগণের সর্বশেষ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি।
অব্যাহতভাবে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর স্বেচ্ছা বিকৃতির প্রভাবে অমুসলিমদের কেউ কেউ বিশেষত পশ্চিমারা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানবতার জন্য কী উপস্থাপন করেছেন, মানবতার প্রতি তাঁর অবদান কী তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিশ্ববাসীর সামনে নবীয়ে রহমত বা দয়ার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঠিক পরিচয় তুলে ধরার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ ছাড়াও আমাদের নির্ধারিত কর্তব্যসমূহের একটি হলো বিস্তারিত ব্যাখ্যায় না গিয়ে এ প্রশ্নের জবাব দেয়া। নবীকুল শিরোমনি, নবী ও রাসূলগণের সর্বশেষ আমাদের মহানবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশ্বমানবতার জন্য কী উপহার নিয়ে এসেছেন তা সংক্ষেপে তুলে ধরা। নিচে দশটি পয়েন্টে ভাগ করে আমরা সে বিষয়টিই আলোচনার প্রয়াস পাব :

প্রশ্ন:- প্রস্রাব করার পর টিস্যু ব্যাবহার করা কি জায়েয? প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?

প্রশ্ন:- প্রস্রাব করার পর টিস্যু ব্যাবহার করা কি জায়েয?
প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?
উত্তর:- প্রস্রাব করার পর পানি ব্যাবহার করার জন্য পানি না পাওয়া গেলে টিস্যু ব্যাবহার করা যাবে এটা হারাম নয়। তবে সেক্ষেত্রে সর্তকভাবে খেয়াল রাখতে হবে যেন টিস্যুর পরিমান বেশি থাকে যাতে প্রস্রাবের পানি টিস্যু অতিক্রম করে শরীরে এবং হাতে না লেগে যায়। সুতরাং প্রস্রাবের পর পবিত্র হওয়ার জন্য পানি ব্যাবহার করার মত ব্যাবস্থা না থাকলে টিস্যু ব্যাবহার করাতে কোনো বাধা নেই। তবে পানি ব্যাবহার করার মত ব্যাবস্থা থাকলে শুধু মাত্র পানিই ব্যাবহার করতে হবে টিস্যু ও পানি একসাথে নয়।
প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?

প্রশ্নোত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনী

প্রশ্নোত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনী
ডাউনলোড (পিডিএফ)
১. প্রশ্নঃ আমাদের প্রিয় নবীজীর নাম কি?
উত্তরঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।
২. প্রশ্নঃ তাঁর পিতা- মাতা ও দাদার নাম কি?
উত্তরঃ পিতাঃ আবদুল্লাহ, মাতাঃ আমেনা, দাদাঃ আবদুল মুত্তালিব।
৩. প্রশ্নঃ তাঁর দুধমাতার নাম কি?

পিরেরাই যে আল্লাহর ওলি এর প্রমাণ কি?

চরমোনাই, গোলাপবাগ, দেওয়ানবাগ, রাজারবাগ,কুতুবাগ, আটরসি, শাহাপুর, কালিয়াপুর, ওলিপুর ও মাইজভান্ডারী সহ সকল পীর ও পীরের মুরিদগনকে বলছি, নিচের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেন.?

১.পৃথীবির ইতিহাসে প্রথম পীর কে??
২.পির প্রথা আরব দেশে নেই কেন? মক্কা মদিনার ইমামরা কেন মুরিদ করেন না?
৩.পিরেরাই যে আল্লাহর ওলি এর প্রমাণ কি?পীর বা মুরিদ না হয়ে কি ওলি হওয়া যায় না?
৪.পিরেরা তার মুরিদদের শাফায়াত করবেইএর গ্যারান্টি কোথায় পেল? তার নিজের নাজাতের নিশ্চয়তা কি?
৫.পির ধরা কি সবার জন্য ফরজ? কোরানের কোন আয়াত দ্বারা ফরয হয়েছে?
৬.বাংলাদেশে প্রায় ২ লক্ষ ৯৮ হাজার পির আছে। এদের মধ্যে কে হাক্কানি পির?

প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?

প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে? উত্তর:- শুধু পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করলেই পবিত্রতা অর্জিত হয়ে যাবে। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন পায়খানায় প্রবেশের ইচ্ছা পোষন করতেন তখন আমি ও আরেকটি ছেলে পানি ভর্তি পাত্র এবং একটি বর্শা নিয়ে যেতাম। তিনি পানি দ্বারা ইস্তেঞ্জা করতেন। (মুত্তাফাক আলাইহ, মিশকাত- হা/৩৪২)। আয়েশা (রাঃ) একবার মহিলাদের লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা তোমাদের স্বামীদের পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করতে বল কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)- কে অনুরুপই করতে দেখেছি। (তিরমিযী- হা/১৯, সনদ সহীহ)। ইমাম তিরমিযী বলেন, বিদ্বানগণ পানিকেই যথেষ্ট মনে করেন। পানি না পেলে কুলুখ নিবে। উল্লেখ্য যে কুলুখ ব্যাবহার করার পর পানি ব্যাবহার করতে হবে এই মর্মে যে কথা সমাজে প্রচালিত আছে তা ঠিক নয়। (ইউয়াউল গালীল হা/৪২- এর আলোচনা দ্রঃ) সুতরাং

প্রশ্ন ডান হাতের সাহায্য নিয়ে বাম হাতে পান করা কি সুন্নত পরিপন্থী?

প্রশ্ন ডান হাতের সাহায্য নিয়ে বাম হাতে পান করা কি সুন্নত পরিপন্থী?
 
প্রশ্ন: আমার পরিচিত এক ভাইয়ের বাড়িতে প্রতি শুক্রবার আকিদার দরস হয়, তার দাওয়াতে সেখানে আমি অংশ গ্রহণ করি। খাবারের সময় আমাদের একজন বাম
হাতে গ্লাস নিয়ে ডান হাতের তালুর উল্টো পিঠে রেখে পানি পান করছিল,উপস্থিত একজন তাকে বাঁধা দিয়ে বলল:“না,এভাবে পানি পান করবেন না। ডান হাতেই পানি পান করুন, গ্লাসে খাবার লাগলে লাগুক”। এরকম ঘটনা আমার জীবনে এটাই প্রথম।
আমার জিজ্ঞাসা আমরা যে বাম হাতে গ্লাস বা পানির পাত্র তুলে ডান হাতের সাহায্যে পান করি, তা কি সুন্নতের খিলাফ, অথবা বাম হাতে খাওয়া শয়তানী কর্মের অন্তর্ভুক্ত? জানিয়ে বাধিত করবেন।
 
আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দিন।
 
উত্তর: আল-হামদুলিল্লাহ, হাদিসে স্পষ্টভাবে ডান হাতে পান করার নির্দেশ ও বাম হাতে পান করার নিষেধাজ্ঞা এসেছে। ইব্ন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

প্রশ্ন ডান হাতের সাহায্য নিয়ে বাম হাতে পান করা কি সুন্নত পরিপন্থী?

প্রশ্ন ডান হাতের সাহায্য নিয়ে বাম
হাতে পান করা কি সুন্নত পরিপন্থী?
শাইখ মুফতি সানাউল্লাহ নজির আহমদ
প্রশ্ন: আমার পরিচিত এক ভাইয়ের
বাড়িতে প্রতি শুক্রবার আকিদার দরস হয়,
তার
দাওয়াতে সেখানে আমি অংশ গ্রহণ
করি।
খাবারের সময় আমাদের একজন বাম
হাতে গ্লাস নিয়ে ডান হাতের তালুর
উল্টো পিঠে রেখে পানি পান করছিল,
উপস্থিত একজন তাকে বাঁধা দিয়ে বলল:
“না,
এভাবে পানি পান করবেন না। ডান
হাতেই
পানি পান করুন, গ্লাসে খাবার
লাগলে লাগুক”। এরকম ঘটনা আমার
জীবনে এটাই প্রথম। আমার
জিজ্ঞাসা আমরা যে বাম হাতে গ্লাস
বা পানির পাত্র তুলে ডান হাতের
সাহায্যে পান করি, তা কি সুন্নতের
খিলাফ,
অথবা বাম
হাতে খাওয়া শয়তানী কর্মের
অন্তর্ভুক্ত?

পানি থাকা সত্বেও কুলুখ নেয়া অথবা কুলুখ নেয়ার পর পূনরায় পানি নিয়ে ইস্তিঞ্জা করা ইসলামের বিধান কি?

পানি থাকা সত্বেও কুলুখ নেয়া অথবা কুলুখ নেয়ার
পর পূনরায় পানি নিয়ে ইস্তিঞ্জা করা ইসলামের বিধান কি?
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। অগণিত দুরূদ ও সালাম নাযিল হউক প্রিয় নবী মুস্তফা আহাম্মদে মুজতবা সায়্যিদুল আম্বিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের প্রতি। শান্তি বর্ষিত হউক আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরাম রেজুয়ানাল্লাহি তা’আলা আজমাঈন গণের উপর।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
আমাদের সমাজে, রাস্তাঘাটে, মাদ্রসায়, মসজিদে ও বিভিন্ন জায়গায় হরহামেশা দেখা যায় প্রায় মানুষই প্রস্রাবের পর ঢিলা-কুলূখ ধরে দাড়িয়ে থাকে। শুধু দাড়িয়েই থাকেনা; লজ্জাস্থানে ধরে রেখে বেহায়া, নির্লজ্জের মত হাটাহাটি করে, জোরে জোরে কাশি দেয়, উঠবস করে, পায়ে পায়ে কাঁচি দেয়। অথচ

Sunday, February 4, 2018

পানাহারের আদব

পানাহারের আদব
আল্লাহর বান্দাদের উপর যতগুলি অনুগ্রহ আছে তার মাঝে অন্যতম প্রধান অনুগ্রহ হল পানাহার। মানুষের শরীর গঠন,বর্দ্ধন ও টিকে থাকার মূল উপাদান হচ্ছে পানাহার। এই নেয়ামতের দাবি হল এর দাতার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। আর এ কৃতজ্ঞতা আল্লাহর প্রশংসা এবং তাঁর দেয়া বিধান পালন করার মাধ্যমে আদায় করা যেতে পারে।এ নেয়ামতের আরো একটি দাবি হচ্ছে, এর সহায়তায় আল্লাহর নাফরমানি করা যাবে না।
পানাহারের অনেকগুলো আদব ও বিধান রয়েছে, যাকে দুইভাবে ভাগ করা যেতে পারে :
প্রথমত : যে বিষয়গুলোর গুরুত্ব দেয়া আবশ্যক।
যেমন:

প্রশ্নঃ পা ছুঁয়ে সালাম করা যাবে? বিয়ের পরে অনেক শ্বশুর-শাশুরি বাধ্য করে পা ছুঁয়ে সালাম করার জন্য, কি করবো?

প্রশ্নঃ পা ছুঁয়ে সালাম করা যাবে? বিয়ের পরে অনেক শ্বশুর-শাশুরি বাধ্য করে পা ছুঁয়ে সালাম করার জন্য, কি করবো? উত্তরঃ পা ছুঁয়ে সালাম করা, কদমবুসি করা বা পায়ে চুমু খাওয়া, পদধূলি নেওয়া – এ সবগুলো হচ্ছে মুশরেক জাতি হিন্দুদের অনুকরণে নিকৃষ্ট বিদআ’ত। মূলত কবর মাযার পূজারী আর পীর পূজারীরা মুসলমানদের মাঝে এই কুপ্রথা ঢুকিয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে, এই বেদাতীরা কবর মাযার ও তাদের পীর বুজুর্গদেরকে সেজদাহ পর্যন্ত করে (নাউযুবিল্লাহ), সুতরাং পা ছুঁয়ে সালাম করা এদের কাছে কোন ব্যপারই না। আফসোস ! আজ পর্যন্ত কোনো হিন্দু বা কাফেরকে দেখলামনা মুসলমানদের কোনো কিছু অনুকরণ করতে। মুসলমান জাতি কেনো হিন্দুয়ানি কালচার ফলো করার জন্য এতো দিওয়ানা হবে?

পথের হক

পথের হক

পথের হক
عن أبي سعيد الخدري- رَضِيَ اللهُ عَنْهُ- أنَّ النَّبِيَّ- صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ- قَالَ : إيَّاكُمْ وَ الْجُلُوْسَ فِي الطُّرُقَاتِ، فَقَالُوْا: يَا رَسُوْلَ اللهِ، مَا لَنَا مِنْ مَجَالِسِنَا بُدٌّ نَتَحَدَّثُ فِيْهَا، فَقَالَ : فَإذَا أبَيْتُمْ إلاَّ الْمَجْلِسَ فَأعْطُوا الطَّرِيْقَ حَقَّهُ. قَالُوْا: وَمَا حَقُّ الطَّرِيْقِ يَا رَسُوْلَ اللهِ ؟ قَالَ: غَضُّ الْبَصَرِ، و كَفُّ الأذى، وَ رَدُّ السَّلاَمِ، وَ الْأمْرُ بِالْمَعْرُوْفِ وَ النَّهْيُ عَنِ الْمُنْكَرِ. (متفق عليه)
আবু সাঈদ খুদরী রা. বর্ণনা করেন যে, রাসূল সা. বলেন, তোমরা রাস্তায় বসে থাকা থেকে বিরত থাক। সাহাবিগণ রা. আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আমাদের প্রয়োজনীয় কথার জন্য রাস্তায় বসার বিকল্প নেই। রাসূল সা. বললেন, যদি তোমাদের একান্ত বসতেই হয়, তাহলে রাস্তার হক আদায় কর। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! রাস্তার হক কি ? তিনি বললেন, চক্ষু অবনত করা, কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা, সালামের উত্তর প্রদান করা, সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজে নিষেধ করা।[১]
হাদিস বর্ণনাকারীঃ

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

بسم الله الرحمن الرحيم
 
ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি পরিপূর্ণতার গুণাবলী দ্বারা অনুগ্রহ করেছেন এবং তাদের একের উপর অন্যের মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন; যাতে তাদেরকে পরীক্ষা করা যায় সেসব বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে, যা থেকে তাদেরকে দেয়া হয়েছে; আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোন হক ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, তার রয়েছে বিরাট রাজত্ব, আর তিনি সুউচ্চ; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাঁকে প্রেরণ করা হয়েছে সর্বোত্তম চরিত্র ও সুন্দর কর্মের পরিপূর্ণতা বিধান করার জন্য; রাত-দিন আল্লাহ রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন তাঁর প্রতি, তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি, তাঁর সাহাবীগণের প্রতি এবং তাঁদের সর্বোত্তম অনুসরণকারী তাবে‘য়ীগণের প্রতি …।
অতঃপর:
আল্লাহ তা‘আলা মহান রিসালাতের দায়িত্ব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অর্পণ করেছেন; আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চরিত্

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চরিত্

তিনি সর্বাপেক্ষা নির্ভীক ও সাহসী ছিলেন ।
    • তিনি সর্বাপেক্ষা দানবীর ছিলেন ।
  • কখনো কোন জিনিস চাওয়া হলে তিনি না করেননি ।
  • তিনি সর্বাপেক্ষা ধৈর্যশীল ছিলেন ।
  • নিজের জন্য কোন প্রতিশোধ নেননি ।
  • নিজের স্বার্থের জন্য কখনো রাগান্বিত হননি । তবে হ্যাঁ, আল্লাহর হুকুম -বিধান লঙ্ঘণ করা হলে আল্লাহর নিমিত্তেই প্রতিশোধ নিয়েছেন।
    • অধিকারের ব্যাপারে তাঁর নিকটে আত্মীয়- অনাত্মীয়, দুর্বল, সবল সমান ছিল।

নবী সঃ এর ইন্তেকাল : এক রিদয় বিদারক ঘটনা !

নবী সঃ এর ইন্তেকাল : এক রিদয় বিদারক ঘটনা !


এই পোস্টে যে সকল বিষয় আলোচিত হয়েছে সেগুলো হল: ১) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিদায়ের পূর্বাভাষ।২) অসুখের সূচনা।৩) মৃত্যুর পূর্বে ওছীয়ত।৪) জীবনের শেষ দিন।৫) মৃত্যুর পূর্বক্ষণ।৬) গোসল ও দাফন ও জানাযা।৭) শেষ কথা। এবার উক্ত পয়েন্টগুলোর ধারাবাহিক আলোচনায় আসা যাক। ১) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিদায়ের পূর্বাভাষ: নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দাওয়াতী জীবন পূর্ণ হয়ে গেল। ইহকাল থেকে বিদায়ের নিদর্শন সমূহ তাঁর কাছে প্রতিভাত হতে লাগল। তিনি তা অনুভবও করতে লাগলেন। দশম হিজরী সনের রামাযান মাসে তিনি বিশ দিন ইতেকাফ করলেন। অথচ তিনি আগে মাত্র দশদিন ইতেকাফ করতেন। জিবরীল (আঃ) তাঁকে সাথে নিয়ে কুরআন দুই বার অধ্যায়ন করেন। বিদায় হজ্জে তিনি বলেনঃ “জানিনা,

রাসুলুল্লাহ সঃ এর জীবনী

নবী জীবনী

মুর্তি পূজাই ছিল আরব দেশে প্রচলিত ধর্ম। সত্য ধর্মের পরিপন্থী এ ধরনের মূর্তিপূজাবাদ অবলম্বন করার কারণে তাদরে এ যুগকে আইয়্যামে জাহেলিয়াত তথা মুর্খতার যুগ বলা হয়। লাত, উযযা, মানাত ও হুবল ছিল তাদের প্রসিদ্ধ উপাস্যগুলোর অন্যতম। আরবের কিছু লোক ইয়াহূদী বা খৃষ্টান ধর্ম বা অগ্নি পুজকদের ধর্ম গ্রহণ করেছিল। আবার স্বল্প সংখ্যক লোক ছিল যারা ইবরাহিম আলাইহিস সালাম এর প্রদর্শিত পথে ছিল অবিচল, আঁকড়ে ধরেছিল তাঁর আদর্শ। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বেদুঈনরা সম্পূর্ণভাবে পশু সম্পদের উপর নির্ভর করত। আর নগরবাসীদের নিকট অর্থনৈতিক জীবনেরও ভিত্তি ছিল কৃষি কাজ ও ব্যবসা-বাণিজ্য। ইসলাম আবির্ভাবের পূর্বে আরব দেশে মক্কাই ছিল বৃহত্তর বাণিজ্য নগরী। অন্যান্য বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নয়ন ও নাগরিক সভ্যতা ছিল। সামাজিক দিক দিয়ে যুলুম সবর্ত্র বিরাজমান ছিল, সেখানে দুর্বলের ছিলনা কোন অধিকার। কন্যা সন্তানকে জীবদ্দশায় দাফন করা হতো। মান-ইজ্জত ও সম্মানকে করা হতো পদদলিত। সবল দুর্বলের অধিকার হরণ করতো। বহুবিবাহ প্রথার কোন সীমা ছিল না। ব্যভিচার অবাধে চলতো। নগন্য ও তুচ্চ কারণে যুদ্ধের অগ্নিশিখা জ্বলে উঠতো। সংক্ষেপে বলতে গেলে-ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বে আরব দ্বীপের সার্বিক পরিস্থিতি এ ধরনের ভয়াবহই ছিল।

ইবনুয্‌যাবিহাঈন:

“আস্তাগফিরুল্লাহ” নাউযুবিল্লাহঃ-জাযাকাল্লাহু খায়রান, আল হামদুলিল্লাহ: ইনশাআল্লাহ, মাশা আল্লাহ: সুবহানাল্লাহ: শব্দের অর্থ ও ব্যবহার।

“আস্তাগফিরুল্লাহ” নাউযুবিল্লাহঃ-জাযাকাল্লাহু খায়রান, আল হামদুলিল্লাহ: ইনশাআল্লাহ, মাশা আল্লাহ: সুবহানাল্লাহ: শব্দের অর্থ ও ব্যবহার।



“আস্তাগফিরুল্লাহ” অর্থ- আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। মানুষ যখন অশ্লীল কিছু দেখবে বা যেকোন ধরনের পাপ করবে, তখন সে ক্ষমার জন্য আস্তাগফিরুল্লাহ বলবে। যেমননটি রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরাম করতেন।
নাউযুবিল্লাহঃ-
নাউযুবিল্লাহ শব্দের অর্থ, আমরা মহান আল্লাহর কাছে এ থেকে আশ্রয় চাই। যে কোনো মন্দ ও গুনাহের কাজ দেখলে তার থেকে নিজেকে আত্মরক্ষার্থে এটি বলা হয়ে থাকে।
আল হামদুলিল্লাহ:

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলিঃ

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলিঃ

নবীজির চারিত্রিক গুণাবলি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সুন্দর আকৃতিবিশিষ্ট, সৌরভে সুবাসিত, গঠনে মধ্যম, দেহে সবল, মস্তক ছিল বড়,দাড়ি ছিল ঘন, হস্ত ও পদ-দ্বয় ছিল মাংসল,উভয় কাঁধ ছিল বড়, চেহারায় ছিল রক্তিম ছাপ, নেত্র দ্বয় ছিল কালো, চুল ছিল সরল, গণ্ড দ্বয় কোমল। চলার সময় ঝুঁকে চলতেন,
মনে হত যেন উঁচু স্থান হতে নিচুতে অবতরণ করছেন। যদি কোন দিকে ফিরতেন, পূর্ণ ফিরতেন। মুখমণ্ডলের
ঘাম সুঘ্রাণের কারণে মনে হত সিক্ত তাজা মুক্তো। তার উভয় কাঁধের মাঝখানে নবুয়তের মোহর ছিল্তঅর্থাৎ
সুন্দর চুল ঘেরা গোশতের একটি বাড়তি অংশ।

নবীজীর চরিত্র: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সুমহান, পূর্ণ ও শ্রেষ্ঠতর চরিত্রে সুসজ্জিত,
সবদিকে অতুলনীয়। মহান আল্লাহ বলেন :

নবী (সাঃ) কবর স্হানান্তর মূলক খবর যঘন্য বিভ্রান্তিকর মিথ্যাচার

নবী (সাঃ) কবর স্হানান্তর মূলক খবর যঘন্য বিভ্রান্তিকর মিথ্যাচার


প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না  রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-  masjid-nabawiবিদ্যুতের বেগে মিডিয়া থেকে মিডিয়ায় প্রচার হয়ে চলেছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর শরীফকে স্থানান্তরের পরিকল্পনার সংবাদ।  অনলাইন, ব্লগ, ম্যাগাজিন, দৈনিক পত্রিকা, ফেসবুক, টুইটার কোথাও বাদ নেই। আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বয়ে চলছে বিষয়টি নিয়ে। কিন্তু এর বাস্তবতা কি, শরীয়ত সম্মত কি না, আসলেই এরকম কোন পরিকল্পনা হয়েছিল কি না?

দো‘আর গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কতিপয় দো‘আর নমুনা

দো‘আর গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কতিপয় দো‘আর নমুনা

আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ﴿ وَقَالَ رَبُّكُمُ ٱدۡعُونِيٓ أَسۡتَجِبۡ لَكُمۡۚ ٦٠ ﴾ (غافر: ٦٠)
“তোমাদের প্রতিপালক বলেন, তোমরা আমাকে ডাক আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।” (সূরা গাফের ৬০ আয়াত)
তিনি বলেন, ﴿ ٱدۡعُواْ رَبَّكُمۡ تَضَرُّعٗا وَخُفۡيَةًۚ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلۡمُعۡتَدِينَ ٥٥ ﴾ (الاعراف: ٥٤)
“তোমরা কাকুতি-মিনতি সহকারে ও সংগোপনে তোমাদের প্রতিপালককে ডাক, নিশ্চয় তিনি সীমালংঘন কারীদেরকে পছন্দ করেন না।” (সূরা আ’রাফ ৫৫ অয়াত)
তিনি আরও বলেন,  وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌۖ أُجِيبُ دَعۡوَةَ ٱلدَّاعِ إِذَا دَعَانِۖ ١٨٦ ﴾ (البقرة: ١٨٦)
“আর আমার দাসগণ যখন আমার সম্বন্ধে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, তখন তুমি বল, আমি তো কাছেই আছি। যখন কোন প্রার্থনাকারী আমাকে ডাকে, আমি তার ডাকে সাড়া দিই।” (সূরা বাক্বারাহ১৮৬ আয়াত)
তিনি অন্যত্র বলেছেন,

দৈনন্দিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু সুন্নাত আমল!

দৈনন্দিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু সুন্নাত আমল!


১. ভালো কোন কিছু খাওয়া বা পান করা সময়, কোন কিছু লেখা বা পড়ার সময়, কোন কাজ শুরু করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করে । -(বুখারীঃ ৫৩৭৬) ২. ভালো কিছু খাওয়া বা পান করা শেষে, কোন শোভ সংবাদ শোনা হলে, কেউ কেমন আছো জিজ্ঞেস করলে- তার জবাবে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা। – (ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৫) ৩. কারো হাঁচি আসলে ”আলহামদু লিল্লাহী ‘আলা কুল্লী হা-ল” বলা । – (আত তিরমিযীঃ ২৭৪১) ৪. কোন হাঁচি দাতা ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে শুনলে- ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা । -(বুখারীঃ ৬২২৪) ৫. আল্লাহ তা’আলার শ্রেষ্ঠত্ব, মহত্ব বা বড়ত্বের কোন কৃতিত্ব দেখলে কিংবা শুনলে ‘আল্লাহু আকবর’ বলা। স্বাভাবিকের মধ্যে কোন ব্যতিক্রম দেখলে কিংবা আশ্চর্য ধরণের কোন কথা শুনলে ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা । – (বুখারীঃ ৬২১৮) ৬. ভালো যে কোন কিছু বেশি বা ব্যতিক্রম দেখলে ‘মা-শা আল্লাহ’ বলা । -(মুসলিমঃ ৩৫০৮) ৭. ভবিষ্যতে কোন কিছু করবে বললে

দাড়ী পুরুষের সৌন্দর্য

দাড়ী পুরুষের সৌন্দর্য

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
দাড়ী আল্লাহর একটি মহান ও বড় নে’য়ামত। দাড়ী দ্বারা তিনি পুরুষকে অনুগৃহীত করেছেন এবং নারী জাতি থেকে তাকে বৈশিষ্ট মন্ডিত করেছেন।
দাড়ী শুধুমাত্র মুখমন্ডলের উপর কয়েকটি কেশগুচ্ছই নয়; বরং ইহা ইসলামের বাহ্যিক বড় একটি নিদর্শন। দাড়ী ছেড়ে রেখে এবং তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। আল্লাহ্ বলেন,

ذَلِكَ وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ

“এই কারণে যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শন সমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে, এটা তো তার হৃদয়ের তাকওয়ারই পরিচয়।” [ সূরা হাজ্জ- ৩২]
দাড়ী মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর অনুসৃত নীতির একটি অন্যতম পরিচয়। তিনি দাড়ী ছেড়ে দিতে ও লম্বা করতে আদেশ করেছেন।
কিন্তু

টুপি বা পাগড়ী পড়া বা মাথা ঢাকা কতটুকু জরুরী?

টুপি বা পাগড়ী পড়া বা মাথা ঢাকা কতটুকু জরুরী?


পৃথিবীর প্রায় সকল জাতির মধ্যে মস্তকাবরণ ব্যবহারের নিয়ম আদিকাল থেকে ছিল, আজও আছে এবং আরবদের মধ্যেও এটা ছিল। আল্লাহ বলেন, خُذُوْا زِيْنَتَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ ‘তোমরা ছালাতের সময় সুন্দর পোষাক পরিধান কর’ (আ‘রাফ ৭/৩১)। সেকারণ ছালাতের সময় উত্তম পোষাক সহ টুপী, পাগড়ী প্রভৃতি মস্তকাবরণ ব্যবহার করা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের অভ্যাসগত সুন্নাত ছিল। আরবদের মধ্যে পূর্ব থেকেই এগুলির প্রচলন ছিল, যা ভদ্র পোষাক হিসাবে গণ্য হ’ত। ইসলাম এগুলিকে বাতিল করেনি। বরং

যয়ীফ হাদিস অথচ মানুষ এগুলোই সবচেয়ে বেশী আমল করে!

যয়ীফ হাদিস অথচ মানুষ এগুলোই সবচেয়ে বেশী আমল করে-
১- যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় আউজু বিল্লাহিস সামি’ইল আলিমি মিনাশ সাইতনির রজিম বলে সূরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা দুয়া করবেন ও ঐ দিন তার মৃত্যু হলে শহীদী মৃত্যু হবে। (হাদিস জয়ীফ- জয়ীফ আত তিরমিজি-২৯২২)

২- যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসিন ১বার পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে ১০বার কুরআন খতমের নেকী দিবেন। (এর সনদ খুবই দুর্বল- সিলসিলাহ যয়িফাহ ১৩৩৬)

৩- যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ পাঠ করবে,

Saturday, February 3, 2018

জেনে নিন মহানবী ( সাঃ ) এর ২১৩ টি মহা মূল্যবান বাণী:

জেনে নিন মহানবী ( সাঃ ) এর ২১৩ টি মহা মূল্যবান বাণী: হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু  আলাইহি ওয়াসাল্লাম  আল্লাহর সর্বশেষ নবী।  দুনিয়াতে যারা তাঁর  দেখানো পথে চলবে,  পরকালে তারাই জান্নাতে  যাবে। তারাই জাহান্নাম  থেকে মুক্তি পাবে।  আমরা তাঁর উম্মত বা অনুসারী  দল। আমরা তাঁর দেখানো  পথে চলি। সঠিক পথ পাবার  জন্যে তিনি আমাদের  কাছে দুটি জিনিস রেখে  গেছেন। একটি হলো  আল্লাহর কুরআন। আর অপরটি  হলো তাঁর সুন্নত বা সুন্নাহ।  নবীর সুন্নাহ সম্পর্কে জানা  যায় হাদীস থেকে।  হাদীসের অনেকগুলো বড় বড়  গ্রন্থ আছে । নবীর বাণীকে  হাদীস বলে।  নবীর কাজ কর্ম এবং  চরিত্রের বর্ণনাকে ও হাদীস  বলে।  নবীর সমর্থন এবং আদেশ  নিষেধের বর্ণনাকেও  হাদীস বলে।  ইসলামের সত্য ও সঠিক পথকে  জানাবার জন্যে  আমাদেরকে আল্লাহর বাণী  কুরআন মজীদকে বুঝতে হবে  এবং মানতে হবে।  ঠিক তেমনি

জাল ও য’ঈফ হাদীসঃ ১-১৯

জাল ও য’ঈফ হাদীসঃ 1-19
আবদুল্লাহিল হাদী বিন আবদুল জলীল /
জাল ও য’ঈফ হাদীসঃ ১–১০
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
প্রিয় বন্ধুগণ, আমরা জানি, রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একটি হাদীস এক একটি
আইন, একটি সংবিধান ও একটি নীতি। যার সূত্র ধরে
যুগে যুগে মানব জাতি তাদের করণীয় ও বর্জনীয়
নির্ধারণ করবে। এর মাধ্যমে মানবতা তাদের জীবন
চলার দিক নির্দেশনা খুঁজে নিবে। তাই যে কোন
হাদীস গ্রহণ করার আগে তা বিশুদ্ধ সূত্রে প্রমাণিত
হওয়া অপরিহার্য। যার কারণে যুগে যুগে
মুহাদ্দেসীনগণ হাদীসের বিশুদ্ধতা অনুসন্ধানের
নিমিত্তে হাদীসের বর্ণনাকারী, বর্ণনা সূত্র এবং

খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ইসলামী মূলনীতি

খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ইসলামী মূলনীতিঃ
ইসলাম ফিতরাত তথা প্রকৃতির ধর্ম। ইসলাম
প্রকৃতিবান্ধব; প্রকৃতির অনুকূল সব কিছুই
সমর্থন করে, যাবৎ না তা মানুষের ইহ
বা পরকালীন ক্ষতির কারণ হয়। শরীরচর্চায়
শরীরের উপকার আছে বলে ইসলাম
বরাবরই একে উৎসাহিত করে। অলস অকর্মণ্য
স্থানুদের ইসলাম পছন্দ করে না। খোদ

খুব উপকারী কিছু হাদীস

খুব উপকারী কিছু হাদীস
১. ﺍﺗَّﻖِ ﺍﻟﻠَّﻪ ﺣَﻴْﺜُﻤَﺎ ﻛُﻨْﺖَ ﻭَﺃَﺗْﺒِﻊْ ﺍﻟﺴَّﻴِّﺌَﺔَ ﺍﻟْﺤَﺴَﻨَﺔَ
ﺗَﻤْﺤُﻬَﺎ ﻭﺧَﺎﻟِﻖِ ﺍﻟﻨَّﺎﺱَ ﺑِﺨُﻠُﻖٍ ﺣَﺴَﻦٍ
“আল্লাহকে ভয় কর যেখানেই থাকনা
কেন। অন্যায় কাজ হয়ে গেলে
পরক্ষণেই ভাল কাজ কর। তবে ভাল
কাজ অন্যায়কে মুছে দিবে আর

খাদ্য ও পানীয় বিষয়ে ইসলামের বিধি-বিধান

খাদ্য ও পানীয় বিষয়ে ইসলামের বিধি-বিধান
পানাহারের বিধান
যেসব খাদ্য ও পানীয় পবিত্র-উপকারী তা হালাল আর যা নাপাক ও ক্ষতিকর তা হারাম। মূলত উপকারী খাদ্যদ্রব্য ও পানীয়ের ব্যাপারে বিধান হচ্ছে তা হালাল ও বৈধ। হ্যাঁ, যে সব খাদ্য ও পানীয়ের ব্যাপারে আল্লাহ কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, অথবা যার মধ্যে নিশ্চিত ও স্পষ্ট ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে, তা হারাম ও নিষিদ্ধ। যেমন :
• যেসব খাদ্য, পানীয় বা পোশাক-আশাকের মধ্যে আত্মা বা শরীরের উপকারীতা রয়েছে, আল্লাহ তা হালাল করে দিয়েছেন। যাতে বান্দা এর দ্বারা শক্তি সঞ্চয় করে তার এবাদতে ব্রতী হতে সক্ষম হয়।
আল্লাহ তাআলা বলেন,

কুরবানীর একাংশে আক্বীকা দেওয়া প্রসঙ্গ

কুরবানীর একাংশে আক্বীকা দেওয়া প্রসঙ্গ

Untitledলেখক: শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী)
সম্পাদক: শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
আল্ হামদুলিল্লাহি রাব্বিল্ আলামীন, ওয়াস্ স্বালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিহিল্ কারীম। আম্মা বাদঃ
অতঃপর কুরবানীর সময় আমরা আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত আমল দেখতে পাই, তা হচ্ছে, গরু কিংবা উট কুরবানী দেয়ার সময় তাতে সন্তানের আক্বীকা দেওয়া। বিষয়টির ব্যাখ্যা এই রকম যে, যেহেতু একটি গরু কিংবা উটে সাতটি ভাগ প্রমাণিত। অর্থাৎ সাত ব্যক্তি শরীক হয়ে কুরবানী দিতে পারে এবং সেটি সাত জনের পক্ষে স্বীকৃত। তাই কোন কুরবানীদাতা যদি কুরবানীর উদ্দেশ্যে একটি গরু বা উট ক্রয় করে, অতঃপর

কখন কি বলা সুন্নাহ্‌ ?১৫ টি কাজের গুরুত্বপূর্ণ ১৫ টি সুন্নাহ!!

কখন কি বলা সুন্নাহ্‌ ?১৫ টি কাজের গুরুত্বপূর্ণ ১৫ টি সুন্নাহ!!
১. ভালো কোন কিছু খাওয়া বা পান করার সময়, কোন কিছু লেখা বা পড়ার সময়, কোন কাজ শুরু করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করে । -(বুখারীঃ ৫৩৭৬)
২. ভালো কিছু খাওয়া বা পান করা শেষে, কোন শুভ সংবাদ শোনা হলে, কেউ কেমন আছো জিজ্ঞেস করলে- তার জবাবে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা । -(ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৫)
৩. কারো হাঁচি আসলে ”আলহামদু লিল্লাহী ‘আলা কুল্লী হা-ল” বলা । -(আত তিরমিযীঃ ২৭৪১)
৪. কোন হাঁচি দাতা ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে শুনলে

একগুচ্ছ মনি-মুক্তা(হাদীস)

সুপ্রিয় বন্ধু, মনি-মুক্তা, হিরা-জহরত, ডাইমন্ড ইত্যাদি পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু। কিন্তু আমাদের প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতিটি হাদীস এসব থেকেও মহামূল্যবান। এখানে হাদীসের রত্ন ভান্ডার থেকে একগুচ্ছে মনি-মুক্তা আপনাদেরকে উপহার প্রদান করা হল। হাদীসগুলোর ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত ও সহজ-সরল কিন্ত অর্থ অত্যন্ত ব্যাপক ও সুদূর প্রসারী । এগুলো ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের জন্য খুবই উপকারী। প্রতিটি কথাই মুখস্ত রাখার মত। প্রতিটি বাক্যই সোনার হরফে লিখে রাখার মত। তবে আসুন, হাদীসগুলো পড়ি। সেই সাথে সেগুলো বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করি। আল্লাহ আমাদেরকে সব সময় ইসলামের আলোকিত সরল পথে চলার তাওফীক দান করুন। আমীন।

১. اتَّقِ اللَّه حَيْثُمَا كُنْتَ وَأَتْبِعْ السَّيِّئَةَ الْحَسَنَةَ تَمْحُهَا وخَالِقِ النَّاسَ بِخُلُقٍ حَسَنٍ
“আল্লাহকে ভয় কর যেখানেই থাকনা কেন। অন্যায় কাজ হয়ে গেলে পরক্ষণেই ভাল কাজ কর। তবে ভাল কাজ অন্যায়কে মুছে দিবে আর মানুষের সাথে ভাল ব্যবহার কর।“ (তিরমিযী-সহীহ)
২. ((إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ))
“সব কাজই নিয়তের উপর নির্ভরশীল।“(সহীহ বুখারী)

ইস্তিঞ্জা ও ঢিলা-কুলুখের সুন্নতী তরীকাঃ

ইস্তিঞ্জা ও ঢিলা-কুলুখের সুন্নতী তরীকাঃ
নিচে নারী ও পুরুষের উভয়ের জন্যই
পবিত্রতা অর্জনের সঠিক পদ্ধতি বর্ণনা
করা হচ্ছে। স্পষ্ট করে বলার পরেও
অনেকে আবার প্রশ্ন করেন, নারীদের
পবিত্রতার পদ্ধতি কি? নারী ও পুরুষের
উভয়ের পদ্ধতিই এক।
_______________________________
পেশাব-পায়খানার পরে নাপাকী দুইভাবে দূর
করা যেতে পারে –
১. পানি দ্বারা
২. ঢিলা-কুলুখ দ্বারা

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ