Thursday, May 10, 2018

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা
কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না"
"FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"
.
"আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে
facebook এ কি করছেন ??"
.
" facebook তো ভাল জায়গা
নয়।তো FB এ কি করছেন ???"
.
" ইসলামে FB/internet
চালানো
জায়েজ নয় "
ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি.......
.
এমন অনেক কথাই শুনতে হয় আমরা
যারা FB-তে ইসলাম প্রচার করি,
ভাল কথা লিখি তাদেরকে।
.
কিন্তু যারা মনে করে যে fB মানেই
খারাপ তাদের বলছি।

হাদিস ছাড়া শুধু কুরআন অনুসরণ কতটুকু যৌক্তিক?

হাদিস ছাড়া শুধু কুরআন অনুসরণ কতটুকু যৌক্তিক?
সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে ওমার রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইসলামের ভিত্তি হল পাঁচটি যথাঃ সাক্ষ্য প্রদান করা যে, আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া সত্যিকার কোন মা’বুদ বা উপাস্য নেই এবং সাক্ষ্য প্রদান করা যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তা’আলার রাসূল। সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, রমযান মাসে সাওম পালন করা এবং সামর্থ্য বান ব্যক্তির বাইতুল্লায় হজ্জ সম্পদান করা। [সহিহ বুখারি, হাদীস নম্বর ৮; সহিহ মুসলিম, হাদীস নম্বর ১৬]
ইসলামের এই পাঁচটি হল ইবাদতের মুল ভিত্তি, যার উপর ইসলাম দাড়িয়ে আছে। এর কোন একটি আমল সঠিকভাবে পালন করতে হলে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহর বিস্তারিত ব্যাখ্যা জানা ছাড়া আমল করা কখনও সম্ভব নয়।
ক। সালাতঃ সালাত মুসলমানের উপর সবচেয়ে বড় ফরয ইবাদত। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে,

Monday, May 7, 2018

আপনি কিভাবে শয়তান থেকে বাঁচবেন?

আপনি কিভাবে শয়তান থেকে বাঁচবেন

আল্ হামদু লিল্লাহ্ ওয়াছ্ ছালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিল্লাহ্।

সম্মানিত পাঠক-পাঠিকা! আল্লাহ আপনাকে এবং আমাকে শয়তান থেকে রক্ষা করুন। শয়তান মানুষের প্রথম এবং শেষ শত্রু প্রকাশ্য শত্রু। তার কুমন্ত্রণা ও অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য মানুষ মাত্রেই প্রচেষ্টা চালায়। কিন্তু অস্ত্র যদি ধারালো না হয় বা সঠিকভাবে নিক্ষিপ্ত না হয় তবে শত্রু লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে। তাই শয়তান নামক শত্রু থেকে বাঁচার জন্য মহান ক্ষমতাধর আল্লাহ্ তা‘আলার এলাহী অস্ত্রই হচ্ছে সবচেয়ে বড় মাধ্যম।

মনে রাখবেন, এই শয়তান থেকে বাঁচতে হলে মনগড়া রক্ষা-কবচ ব্যবহার করলে হবে না। যেমন তাবীয-কবচ, সুতা, তাগা, রিং প্রভৃতি। কেননা এগুলো ব্যবহার করা শির্ক। যেমন রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি তাবীয ব্যবহার করবে সে শির্ক করবে।” (আহমাদ)

আমরা আপনাদের সামনে ইসলামে অনুমোদিত সেই সমস্ত মাধ্যম উল্লেখ করছি যা দ্বারা আপনি শয়তানকে বিতাড়িত ও পরাজিত করতে পারবেন। তার চক্রান্ত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন।

Sunday, May 6, 2018

দোআ শুরু করার আগে করনীয়........... প্রশ্ন :আমরা জানি দোয়া করার আগে, প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা করতে হয় এরপর রাসুলের উপর দুরুদ পরতে হয় এরপর নিজের যা চাওয়ার চাইতে হবে এখন আমার প্রশ্ন হলো দোয়া করার আগে আমি যেভাবে শুরু করেছি সেই ভাবে কি দুয়া শেষ করতে হবে ?একটু জানাবেন।

দোআ শুরু করার আগে করনীয়...........
প্রশ্ন :আমরা জানি দোয়া করার আগে, প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা করতে হয় এরপর রাসুলের উপর দুরুদ পরতে হয় এরপর নিজের যা চাওয়ার চাইতে হবে এখন আমার প্রশ্ন হলো দোয়া করার আগে আমি যেভাবে শুরু করেছি সেই ভাবে কি দুয়া শেষ করতে হবে ?একটু জানাবেন।
===================================
উত্তর : দুআর শুরুতে আল্লাহর প্রশংসা ও রাসুলের প্রতি দুরুদ এবং দুআ শেষ করে পূণরায় আল্লাহর প্রশংসা ও রাসূলের প্রতি দুরুদ পেশ করা দুআর একটি আদব। অর্থাৎ দুআর শুরুতে আল্লাহর হামদ (প্রশংসা) করে এর পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি ছোট/বড় যেকোনো দরুদ পড়ে এর পরে নিজের জন্য দুয়া করতে হবে। আবার দুআ শেষ করে পূণরায় তা করতে হবে।
কেননা, হাদীসে এসেছে: "একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেখলেন এক ব্যক্তি দুআ করছে কিন্তু সে দুআতে আল্লাহর প্রশংসা ও রাসূলের প্রতি দরূদ পাঠ করেনি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে লক্ষ্য করে বললেন, সে তাড়াহুড়ো করেছে। অতঃপর সে আবার প্রার্থনা করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে অথবা অন্যকে বললেন,

Saturday, May 5, 2018

পত্র-পত্রিকা, ম্যগাজিন ইত্যাদিতে গল্পের সাথে প্রাণীর ছবি বা কার্টুন অঙ্কণ করা: বিকল্প উপায় কি?

পত্র-পত্রিকা, ম্যগাজিন ইত্যাদিতে গল্পের সাথে প্রাণীর ছবি বা কার্টুন অঙ্কণ করা: বিকল্প উপায় কি? ------------------------------------- ইসলামে প্রাণীর ছবি অঙ্কণ করার ব্যাপারে কঠোর ভাষায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি অঙ্কণকারীদের কঠিন পরিণতির কথা বর্ণিত হয়েছে। তাই যে বা যারা প্রাণীর ছবি বা কার্টুন অঙ্কণ করে তারা গুনাহগার হবে। আল্লাহ ক্ষমা করুন। আমীন। এতে যদি গল্প লেখকের সমর্থন না থাকে তাহলে সেগুনাহ থেকে বেঁচে যাবে। পত্রিকা কর্তৃপক্ষ ইচ্ছে কলে গল্পের সাথে প্রাণীর ছবি না এঁকে বরং গল্পের বিষয় বস্তুর সাথে সঙ্গতি রেখে অন্য কিছুর ছবি (যেমন ফুল, গাছ-পালা, সাগর, নদী, আকাশ ঘরবাড়ি ইত্যাদি) ব্যবহার করতে পারে। অথবা

প্রশ্ন: ইসলামে যুদ্ধবন্দী মহিলাদেরকে দাসী বানানো হত কেন? তাদেরকে কেবল বন্দী না রেখে পুরুষের ভোগের সামগ্রী বানানোর কারণ কি ছিল? -

প্রশ্ন: ইসলামে যুদ্ধবন্দী মহিলাদেরকে দাসী বানানো হত কেন? তাদেরকে কেবল বন্দী না রেখে পুরুষের ভোগের সামগ্রী বানানোর কারণ কি ছিল?
-
উত্তর: কেবল ভোগের সামগ্রী নয়। বরং তাদের সামাজিক নিরাপত্তাই এখানে প্রধান। আর যুদ্ধবন্দীদের এই বিধান ইসলামপূর্ব যামানা থেকেই চালু ছিল। ইসলাম সেটা বাতিল করেনি।
-
আল্লাহ বলেন, তবে তাদের স্ত্রীগণ ও মালিকানাধীন দাসীরা ব্যতীত। কেননা এতে তারা নিন্দিত হবে না’ (মুমিনুন ২৩/৬)।
-
এর পিছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যেমন- 

Thursday, May 3, 2018

রোযা ও রমাযান সম্পর্কিত ৫১টি যয়ীফ ও জাল হাদীস!!!!!!!!!!!!!!


রোযা ও রমাযান সম্পর্কিত ৫১টি যয়ীফ ও জাল হাদীস!!!!!!!!!!!!!!
রোযা ও রমাযানকে কেন্দ্র করে বহু যয়ীফ ও জাল হাদীস লোকমুখে তথা বহু বই-পুস্তকে প্রচলিত ও প্রসিদ্ধ হয়ে আছে। এ স্থলে সেই শ্রেণীরই কিছু হাদীস সংক্ষেপে উল্লেখ করব। যাতে পাঠক তা পাঠ করে সতর্ক হতে পারেন এবং তদ্দবারা আমল ও তাতে উল্লেখিত কথার উপর বিশ্বাস না করে বসেন। আর এ কথা বিদিত যে, কোন জাল তো দূরের কথা, কোন যয়ীফ হাদীস দ্বারা আমল করা বৈধ নয়; চাহে সে হাদীস আহকাম সম্পর্কিত হোক অথবা ফাযায়েলে আ’মাল সম্পর্কিত। বরং সহীহ ও শুদ্ধভাবে যে সব হাদীস বর্ণিত হয়েছে তাই আমলের জন্য যথেষ্ট; যদি আমরা সত্যপক্ষে আমল করতে চাই।[1] উক্ত প্রকার কিছু হাদীস নিম্নরূপঃ-

Tuesday, May 1, 2018

আজকাল একটা জিনিস খুব চোখে পড়ে সেটা হলো ছেলেরা প্রেম করতে গেলে খুজে সুন্দর মেয়ে আর বিয়ে করতে গেলে খুজে ধার্মিক মেয়ে। কিছুমেয়েরাও তাই বিয়ে করতে চায় ভাল ছেলে তবে দাড়িয়ালা ছেলে পছন্দ করেনা আশ্চর্য লাগে।

আজকাল একটা জিনিস খুব চোখে পড়ে সেটা হলো ছেলেরা প্রেম করতে গেলে খুজে সুন্দর মেয়ে আর বিয়ে করতে গেলে খুজে ধার্মিক মেয়ে। কিছুমেয়েরাও তাই বিয়ে করতে চায় ভাল ছেলে তবে দাড়িয়ালা ছেলে পছন্দ করেনা আশ্চর্য লাগে। দাড়িছাড়া, টাকনুর নিচে প্যান্ট পড়া ছেলেদের দেখলে এত রাগ লাগে মন চায় ধরে এদের প্যান্ট টাকনুর ওপর পর্যন্ত কেটে দেই। আবার এমন ছেলেরা চায় ধার্মিক বৌ। আর যেসব ছেলেদের দেখি দাড়িনাই আবার তিনি হয়েছেন কোন ইসলামিক গ্রুপের প্রশাসক, মডারেটর অসহ্য লাগে মন চায় রিপোর্ট করে এদের ফেসবুক থেকে বের করে দেই। আর আছে কিছু ছেলে/মেয়ে যারা খুব ভাল ভাল পোষ্ট করে, কিন্তু তাদের দেখলে বোঝবেননা তারা আসলে ছেলে না মেয়ে,নামের কি ধরন নিজের নাম নিজেই রাখছে,নিজেকে খোজরে পাগলা,আল্লাহর বান্দা,আমি এক মুসাফির,তোমাকে খুজছি,আমি মুসলিম চির রনবীর,স্বপ্নের বাসর ইত্যাদি।নিজের ছবি দিলে গোনাহ হবে তাই তারা বড় বড় নায়ক,নায়িকাদের ছবি দিয়ে ফেসবুক চালায়।তবে এটা ঠিক তারা copy paste করে পোষ্টটা ভালই করতে পারে।তারা পছন্দ

যে ছেলেরা মেয়েদের দিকে তাকান? তাহলে পোষ্টটা পড়ুন আশা করি উপকার হবে ইনশাআল্লাহ।

যে ছেলেরা মেয়েদের দিকে তাকান? তাহলে পোষ্টটা পড়ুন আশা করি উপকার হবে ইনশাআল্লাহ। যুবকঃ হুজুর আমি সুন্দরী মেয়ে দেখলে শুধু চেয়ে থাকি কিছুতেই চোখ ফেরাতে পারি না। কি করবো হুজুর? হুজুরঃ তাহলে এক গ্লাস দুধ ভরে নিয়ে আস, এমন ভাবে আনবে যাতে পড়ে পড়ে অবস্থা কিন্তু পড়ে না যেন। যুবকঃ আনছি হূজুর! এক গ্লাস দুধ নিয়ে এক কিলো: যাবে এবং ফিরে

শিক্ষনীয় পোষ্ট যে ছেলেরা বিয়ে করেননি এটা তাদের জন্য বেশি শিক্ষনীয় হবে।

শিক্ষনীয় পোষ্ট যে ছেলেরা বিয়ে করেননি এটা তাদের জন্য বেশি শিক্ষনীয় হবে। : এক মা তার ছেলের জন্য বিয়ের ব্যাপারে এক ধার্মিক মেয়ের সাথে সাক্ষাতের আয়োজন করল। ছেলে ও মেয়ে দুইজনই আলাদা একটি রুমে নিজেদের সাথে কথা বলার সুযোগ পেল। ছেলে মেয়েটিকে প্রথমে প্রশ্ন করতে আশ্বস্ত করল। মেয়েটি ছেলেকে অনেক প্রশ্নই জিজ্ঞেস করল। সে তার দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষাদীক্ষা, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, স্বভাব, পছন্দের বিষয়, অবসর, অভিজ্ঞতা আরো অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে চাইল। ছেলেটি মেয়ের হাসিমুখে ভদ্রতার সাথে সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেল। এরপর মেয়ে জানতে চাইল, "আমার সম্পর্কে আপনার কোন প্রশ্ন আছে?" "এটা ভাল একটি ব্যাপার, আমার মাত্র তিনটি প্রশ্ন আছে।” ছেলেটি উত্তর করল। মেয়েটি ভাবল, "ও, শুধু তিনটি প্রশ্ন!"

কথা বলার ব্যপারে "ইসলামে"র শিক্ষা কি?

কথা বলার ব্যপারে "ইসলামে"র শিক্ষা কি? ====== ১। কথা বলার পূর্বে সালাম দেয়া। সূরা নূরঃ ৬১ ২। সতর্কতার সাথে কথা বলা। (কেননা প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়) সূরা ক্বফঃ ১৮। ৩। সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা। সূরা বাক্বারাহঃ ৮৩; বুখারী হ/ ১৪১৩। ৪। অনর্থক ও বাজে কথা পরিহার করা। সূরা নূরঃ ৩; বুখারী হা/ ৩৫৫৯।

একটি_শিক্ষনীয়_গল্পঃ একবার এক ব্যাক্তি নদীর কিনারায় বসে ছিল । তখন এক ব্যাক্তি তাকে বললঃ তুমি নদীর কিনারায় কেন বসে রয়েছ ???

একটি_শিক্ষনীয়_গল্পঃ একবার এক ব্যাক্তি নদীর কিনারায় বসে ছিল । তখন এক ব্যাক্তি তাকে বললঃ তুমি নদীর কিনারায় কেন বসে রয়েছ ??? তখন সে বললঃ আমি নদী পার হওয়ার জন্য বসে রয়েছি যখন নদীর সমস্ত পানি শুকিয়ে যাবে তখন আমি নদী পার হব । তখন সেই লোকটি তাকে বললঃ তাহলে আপনাকে আর নদী পার হতে হবেনা কারণ নদীর পানি কি কখনো পুরো শুকাবে ???

রাগ বেশি যাদের তারা পোষ্টটা পড়ুন

রাগ বেশি যাদের তারা পোষ্টটা পড়ুন ছোট্ট এক ছেলে ছিলো প্রচন্ড রাগী। তাই দেখে বাবা তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিল এবং বললো যে, যতবার তুমি রেগে যাবে ততবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে। প্রথমদিনেই ছেলেটিকে বাগানে গিয়ে ৩৭ টি পেরেক মারতে হলো। পরের কয়েক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনতে

গালি দেওয়া কতই না নিকৃষ্টতা

গালি দেওয়া কতই না নিকৃষ্টতা আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাদি) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স) বলেছেন মুসলিমদের কে গালি-গালাজ করা ফাসেকি এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা কুফুরি। (বুখারি-৪৮, মুসলিম-৬৪) অশ্লীল ভাষা ব্যবহার মুনাফিকীর লক্ষণ:- বিশর ইবনে খালিদ (র)…আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, চারটি স্বভাব যার মধ্যে থাকে, সে মুনাফিক অথবা যার মধ্যে এ চারটি স্বভাবের কোন একটা থাকে, তার মধ্যেও মুনাফিকীর একটি স্বভাব থাকে, যে পর্যন্ত না সে তা পরিত্যাগ করে। (১) সে যখন কথা বলে মিথ্যা বলে (২) যখন ওয়াদা করে ভঙ্গ করে (৩) যখন চুক্তি করে তা লঙ্ঘন করে (৪) যখন ঝগড়া করে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে। [সহীহ বুখারী, চতুর্থ খণ্ড, হাদিস নং ২২৯৭ – ইফা] নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট সেই ব্যক্তি যে নিজের বাবা-মা কে গালি দেয়। সাহাবী (রা) গণ প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল, নিজের বাবা-মা কে কেউ কখনও গালি দেয় ? নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যে তার অপর ভাইয়ের বাবা মা কে গালি দেয় এর বদলে সেও তার বাবা-মা কে গালি দেয়। [বুখারী ও মুসলিম]

দুরন্ত সাহসের কাহিনী

দুরন্ত সাহসের কাহিনী সাহসিকতা প্রত্যেক মানুষের একটি মৌলিক গুণ। এ সাহসিকতা ভাল কাজে ব্যবহার করলে সুনাম হয়। আর খারাপ কাজে ব্যবহার করলে বদনাম হয়। অন্যায়কারীর সামনে সত্য কথা বলে তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করা প্রশংসনীয় কাজ। রাসূলুল­াহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘সর্বোত্তম জিহাদ হ’ল অত্যাচারী বাদশাহর নিকট হক কথা বলা’ (আবূদাউদ হা/৪৩৪৪; তিরমিযী হা/২১৭৪; মিশকাত হা/৩৭০৫)। যুগে যুগে মহান ব্যক্তিগণ এই সাহসিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাদের মধ্যে তাবেঈ ত্বাউস ইবনু কায়সান (রহঃ) অন্যতম। ইসলামের পঞ্চম খলীফা হিসাবে খ্যাত ওমর ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ)-এর আমলে একজন বিখ্যাত তাবেঈ ছিলেন, যার নাম ত্বাউস। তাঁর বংশক্রম হ’ল আবু আব্দির রহমান ত্বাউস ইবনু কায়সান আল-খাওলানী আল-হামাদানী আল-ইয়ামানী। তিনি একজন দক্ষ ও বিজ্ঞ ফক্বীহ ছিলেন। তিনি ইবনু আববাস, আবু হুরায়রাহ (রাঃ) সহ অন্যান্য ছাহাবীগণের কাছ থেকে হাদীছ শুনেছেন। মুজাহিদ, আমর ইবনু দীনার সহ অনেকে তার নিকট থেকে হাদীছ বর্ণনা করেছেন। ওমর ইবনু আব্দুল আযীয

চল্লিশ বছরের লোকটা আনন্দফূর্তি করতে করতে দিন কাটায়, ভেবেছিল বৃদ্ধবয়সে হজ্জ করে গুনাহ মাফ করিয়ে নেবে কিন্তু হঠাৎ স্ট্রোক করে মারা গেল..

চল্লিশ বছরের লোকটা আনন্দফূর্তি করতে করতে দিন কাটায়, ভেবেছিল বৃদ্ধবয়সে হজ্জ করে গুনাহ মাফ করিয়ে নেবে কিন্তু হঠাৎ স্ট্রোক করে মারা গেল... ছেলেটি ভেবেছিল আগামী বছর থেকেই দাঁড়ি রাখবে, নামাজ পড়া শুরু করবে.. কিন্তু রাতে ঘুমের মধ্যেই মারা গেল... মেয়েটি কখনো মেকআপ ছাড়া বাইরে যায়নি, ঠিকমত পর্দা করেনি,ভেবেছিল রমজান মাসে হিজাব শুরু করবে... কিন্তু একটু পরেই মেয়েটি রাস্তায় বের হয়ে মারা গেল গাড়িচাপা পড়ে...... ছেলেটি ব্যাংকের জবটা ছেড়ে হালাল উপার্জনের চেষ্টা

ভাইয়েরা আপনারা যারা নিজেদের স্ত্রীদেরকে পরপুরুষের চোখের মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা করছেন,

ভাইয়েরা আপনারা যারা নিজেদের স্ত্রীদেরকে পরপুরুষের চোখের মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা করছেন, স্ত্রীদের ছবি ফেসবুকে দিয়ে সবাইকে দেখাচ্ছেন, স্ত্রীকে সাজিয়ে নিয়ে বাইরে বের হচ্ছেন আর পরপুরুষ ও লম্পটরা চোখকে পরিতৃপ্ত করছে সেসব প্রত্যেক পুরুষের “দাইয়্যুস” টার্মটির ব্যাপারে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। একজন পুরুষ হাদিসের ভাষ্যমতে দাইয়্যুস সাব্যস্ত হবে যদি সে তার বোন, স্ত্রী, কন্যাদের বেপর্দাভাবে চলাফেরা করাকে

বর্তমান সমাজে হক্ব কথা বলতে গেলে মানুষ শুধু অধিকাংশ লোকের দোহাই দিয়ে বলে যে এতো মানুষ কি ভূল করে নাকি। দেখুন অধিকাংশ মানুষের ব্যাপারে আল্লাহ কোরআনমাজিদে কি বলেছেন।

বর্তমান সমাজে হক্ব কথা বলতে গেলে মানুষ শুধু অধিকাংশ লোকের দোহাই দিয়ে বলে যে এতো মানুষ কি ভূল করে নাকি। দেখুন অধিকাংশ মানুষের ব্যাপারে আল্লাহ কোরআনমাজিদে কি বলেছেন। . (১) ❝বরং অধিকাংশই বিশ্বাস করে না❞ - বাক্বারাহ ১০০ (২) ❝কিন্তু অধিকাংশ লোক শুকরিয়া প্রকাশ করে না❞ - বাক্বারাহ ২৪৩ (৩) ❝আর অধিকাংশই হল পাপাচারী❞ - ইমরান ১১০ (৪) ❝তাদের অধিকাংশ সলা-পরামর্শ ভালো নয়❞ - নিসা ১১৪

কাকে ঠকাচ্ছি আমরা?

কাকে ঠকাচ্ছি আমরা?

গফুর মিয়া এই শহরের একজন দুধ বিক্রেতা। তিনি চিকন বুদ্ধির বাঙালি, তাই ১০ লিটার দুধে ৫ লিটার পানি মিশিয়ে ১৫ লিটার করলেন। সামান্য বুদ্ধিতে পাক্কা পাঁ-চ লিটার লাভ!! খুশিতে চোখ চকচক করে ওঠে তার।
,,
দুধ বিক্রির টাকা পকেটে নিয়ে তিনি চাল কিনতে যান সাবু মুদির দোকানে। সাবু মুদি তাকে 'অতি উত্তম চাউল', 'এরকম চাউল কোথাও পাইবেন না' ইত্যাদি বলে শেষে পাথর মেশানো চাল বিক্রি করে। ওজনেও আধা কেজি কম দেয়।'কত লাভ করে ফেললাম' ভেবে বেজায় খুশি সাবু মুদি লাভের টাকা নিয়ে বাজারে যায় মাছ কিনতে।
,,
মাছ বিক্রেতা সুরুজ মিয়া তাকে ফরমালিন মেশানো পচা মাছ ধরিয়ে দেয় কেনা দামের দ্বিগুন মূল্যে। তার লাভ করতে হবে না?
, , ,
কিছুক্ষণ পরে সুরুজ মিয়ার কাছে খবর আসে, তার ছেলেটা এক্সিডেন্ট করেছে। দ্রুত সে তার ছেলেকে হাসপাতালে নেয়। হাসপাতালের একজন ধান্দাবাজ দালাল 'ভালো চিকিৎসা' র ব্যবস্থা করে দেবার কথা বলে ভংচং বুঝিয়ে সুরুজ মিয়ার কাছ থেকে ভালো পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়।
,, ,,
সেই ধান্দাবাজ বাড়ি ফেরার পথে পড়ে ছিনতাইকারীর হাতে।

কি করছি আমরা ফেসবুকের যত্রতত্র আদর্শ হ্যাজবেন্ড- ওয়াইফের মডেল বোঝাতে গিয়ে দেখা যায় আমরা বিভিন্ন ছবি ইউজ করি।

কি করছি আমরা ফেসবুকের যত্রতত্র আদর্শ হ্যাজবেন্ড- ওয়াইফের মডেল বোঝাতে গিয়ে দেখা যায় আমরা বিভিন্ন ছবি ইউজ করি।ঐ ছবি গুলোতে- ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে দেখা যায় স্ত্রী নেকাবী, পর্দা করে,ভ্রু প্লাক করা,বোরখা পরিধান করে আছে, আর পক্ষান্তরে স্বামী ক্লিন সেইভড অথবা খোঁচা খোঁচা দাড়ি আর টাখনুর নিচে প্যান্ট পরা।তারা ইসলামিক পারফেক্ট কাপল বোঝাতে গিয়ে ইসলামকে মানুষের কাছে কিভাবে তুলে ধরছে??আবার দেখা যায়- অনেক নারী-ই মাথায় এক টুকরা কাপড়

লাইক দিয়ে কি করবেন? প্রত্যেকটি মেয়েই জন্মগত সৌন্দর্যের অধিকারি। তাহলে কেনো ছবি এডিট করে নিজের সৌন্দর্য বাড়িয়ে গুগলে দিতে হবে। কিছু মানুষের লাইক কমেন্ট পাওয়ার জন্য?????? দেখানোর জন্য??

লাইক দিয়ে কি করবেন? প্রত্যেকটি মেয়েই জন্মগত সৌন্দর্যের অধিকারি। তাহলে কেনো ছবি এডিট করে নিজের সৌন্দর্য বাড়িয়ে গুগলে দিতে হবে। কিছু মানুষের লাইক কমেন্ট পাওয়ার জন্য?????? দেখানোর জন্য?? যেসব আপুরা গুগলে ছবি দাও ( হউক রিয়েল অথবা, রঙ লাগানো) তাদের কে বলছি আপু প্লিজ একবার কোরানের সূরা আল- আহযাবের ৩৩ নাম্বার। আয়াত টা দেখে নাও। " তোমরা জাহেলিয়াতের নারীদের ন্যায় নিজেদের সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বেড়িয়ো না।...(সুরা আল আহযাবঃ৩৩) আর যারা আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করবে তাদের জন্য বলা হয়েছে,

এক ছাত্র তার উস্তাদকে প্রশ্ন করলো- হুজুর! কিয়ামতের হিসাবনিকাশ কেমনে হবে?

এক ছাত্র তার উস্তাদকে প্রশ্ন করলো- হুজুর! কিয়ামতের হিসাবনিকাশ কেমনে হবে? ছাত্রের প্রশ্ন শোনে উস্তাদ কিছুক্ষণ নিশ্চুপ বসে থাকলেন। তারপর, জুব্বার পকেট থেকে কিছু টাকা বের করে ছাত্রদের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন। বণ্টনের প্রক্রিয়া ছিলো এমন- ১ম জনকে ১০০ টাকা। ২য় জনকে ৭৫ টাকা। ৩য় জনকে ৫০ টাকা। ৪র্থ জনকে ২৫ টাকা। ৫ম জনকে ১০ টাকা। ৬ষ্ট জনকে ৫ টাকা। এবং যে ছাত্র প্রশ্ন করেছিলো তাকে দিলেন ১টাকা। . প্রশ্নকারী ছাত্র উস্তাদের এমন

আজকাল নতুন একটা ফিতনা শুরু হয়েছে, সেলিব্রেটিসম! দ্বীনদারদের মধ্যেই এটা প্রকট আকারে দেখা যাচ্ছে। কেউ একজন কিছু আকর্ষণীয় কথা লিখে, কোনো প্লাটফর্ম ব্যবহার করে কিছু ফলোয়ার পাওয়ার পর নিজেকে এক বিরাট কুতুব মনে করছে।

আজকাল নতুন একটা ফিতনা শুরু হয়েছে, সেলিব্রেটিসম! দ্বীনদারদের মধ্যেই এটা প্রকট আকারে দেখা যাচ্ছে। কেউ একজন কিছু আকর্ষণীয় কথা লিখে, কোনো প্লাটফর্ম ব্যবহার করে কিছু ফলোয়ার পাওয়ার পর নিজেকে এক বিরাট কুতুব মনে করছে। সুন্দর কথামালার মাধ্যমে কিছু ভাল লিখা লিখে, ফলোয়ারদের উচ্ছসিত প্রশংসা পেয়ে নিজের নফসকে মোটা করছে। হুটহাট বই বের করে উম্মাহকে উদ্ধার করা হচ্ছে আবার সে বই না পড়লে উম্মাহ যে কোন অতল গহবরে হারিয়ে যাবে তার বয়ান শোনানো হচ্ছে। মোটকথা সব মিলিয়ে এটি এখন বেশ বড় একটি ফিতনা। . আপনি ভাল লিখেন, লিখুন। কিন্তু এটা যেন আপনাকে অন্ধ করে না দেয়। আপনি নিজেই ভাল করে জানেন আপনার ইলমের দৌড় কতদূর। গুগলের সাহায্য নিয়ে কাজে-অকাজে, বিজ্ঞ মানুষদের সাথে কথার মারপ্যাঁচ দিয়ে অযথা কুতর্ক করার অভ্যাস পরিত্যাগ করুন। কিছু মানুষ আপনাকে চেনে, কিছু লোক আপনার প্রশংসা করে মানেই এই নয় আপনাকে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে। দুঃখজনক

উপহাস বা বিদ্রূপ অর্থ "কারো দোষ এমন ভাবে বর্ণনা করা, যাতে মানুষ তাকে নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করা বা হেয় করার সূযোগ পায়, যা শুনলে ঐ ব্যক্তির অন্তরে কষ্ট পায়।

উপহাস বা বিদ্রূপ অর্থ "কারো দোষ এমন ভাবে বর্ণনা করা, যাতে মানুষ তাকে নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করা বা হেয় করার সূযোগ পায়, যা শুনলে ঐ ব্যক্তির অন্তরে কষ্ট পায়। অর্থাৎ কাউকে ছোট করার উদ্দেশ্যে- কারো শরীর, বা অঙ্গ নিয়ে বা কারো অভ্যেস নিয়ে তামশা করা। যেমন এ ভাবে বলা যে, অমুকের চোখ বড়, নাক চেপ্টা, পেঁচা নাকা, পাছা বড়, হাঁটে কেমন! ইত্যাদি মন্তব্য করা। সর্বসম্মতিক্রমে এ ধরনের মন্তব্যে যদি ঐ লোক শুনলে মনে কষ্ট পায় তা নি: সন্দেহে হারাম। রসিকতা ও উপহাস এক নহে। রসিকতা শর্ত সাপেক্ষে বৈধ।

বিয়ে হচ্ছেনা বলে হতাশ? চাকুরি নেই? রিযিকের ব্যাপারে পেরেশানিতে ভুগছেন? সন্তান দরকার? অসুস্থতায় ভুগছেন আরোগ্য দরকার?

বিয়ে হচ্ছেনা বলে হতাশ? চাকুরি নেই? রিযিকের ব্যাপারে পেরেশানিতে ভুগছেন? সন্তান দরকার? অসুস্থতায় ভুগছেন আরোগ্য দরকার? আপনার উপরের সব গুলোর সমাধান একটা জিনিসের মধ্যে রয়েছে।একবার এক লোক শাইখ আব্দুল আযীয ইবনে বায রাহিমাহুল্লার কাছে এসে বলেছিল সাত বছর যাবত তিনি একটা সন্তানের প্রতীক্ষায় আছেন কিন্তু সন্তান দেখার নসীব তার হচ্ছেনা । শাইখ ইবনে বায তাকে এক বাক্যে উত্তর দিয়েছিলেন, ইস্তিগফারের পরিমান বাড়িয়ে দাও।' এক বছর পরে সেই লোক শায়েখ ইবনে বাযের কাছে এসে বললেন,'ইয়া শাইখ, আমি যে জিনিস চেয়েছি সেটা পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। '

আল্লাহর ভালবাসা

আল্লাহর ভালবাসা আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, নবী ﷺ বলেন, ‘‘এক ব্যক্তি অন্য কোন গ্রামে তার ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য বের হল। আল্লাহ তা‘আলা তার রাস্তায় এক ফিরিশ্তাকে বসিয়ে দিলেন, তিনি তার অপেক্ষা করতে থাকলেন। যখন সে তাঁর কাছে পৌঁছল, তখন তিনি তাকে বললেন, ‘তুমি কোথায় যাচ্ছ?’ সে বলল, ‘এ লোকালয়ে আমার এক ভাই আছে, আমি তার কাছে যাচ্ছি।’ ফিরিশ্তা জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার প্রতি কি তার কোন অনুগ্রহ রয়েছে, যার বিনিময় দেওয়ার জন্য তুমি যাচ্ছ?’ সে বলল, ‘না,

একটি সুখি দাম্পত্য জীবন

একটি সুখি দাম্পত্য জীবন

ছোট্ট এই জীবন। অথচ চাহিদা অসীম।
সুখের সংসার গড়ে তোলার জন্য চেষ্টার অন্ত নেই
আমাদের। টাকা ছাড়া নাকি সুখি হওয়া যায়না, আর
টাকা উপার্জনের জন্য হারাম পন্থা অবলম্বন করাতেও
যেন কোন মাথা ব্যথা নেই।
কারন কিভাবে যেন আমাদের মাথায় ঢুকে গেছে,
'ঘরে যখন খাবার না থাকে, ভালবাসা তখন জানালা
দিয়ে পালায়!'
:
সত্যিই কি তাই?

বিয়ে করতে ভয় রোজগার কম এসব ভাবেন পোষ্টটা পড়েন

বিয়ে করতে ভয় রোজগার কম এসব ভাবেন
পোষ্টটা পড়েন
♥রাসূলুল্লাহ্ (সা.) বলেছেন;
তিনব্যক্তিকে সাহায্যে করা আল্লাহর দায়িত্ব; তাদের মধ্যে একজন হচ্ছে সেই বিবাহকারী যে বিবাহের মাধ্যমে (অবৈধ্য
যৌনাচার হতে)নিজেদের চরিত্রের পবিত্রতা কামনা করে।
(আহমদ,তীরমিযী, নাসাঈ, বাইহাক্বি,হাকেম,
সহীহুল জামে ৩০৫০ নং)।
♥"শয়তান তোমাদেরকে অভাব অনটনের ভীতি প্রদর্শন করে
"[বাকারা:২৬৮]।
♥আল্লাহ্ বলেন,

দ্বীনদার ছেলেকে কেন বিবাহ করবেন?

দ্বীনদার ছেলেকে কেন বিবাহ করবেন?

.
•• সে তার দৃষ্টি নত রাখবে। রাস্তাঘাটে বা এখানে সেখানে মেয়েদের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকবে না।
.
•• অফিসে বা বাহিরে থাকা অবস্থায় কি করছে তা নিয়ে আপনাকে দুশ্চিন্তায় থাকবে হবে না। অফিসের কলিগ বা অন্য মেয়েদের সাথে ফ্ল্যার্ট করছে কিনা সেই ভয়ে থাকতে হবে না আপনাকে।

অনেকেই বলে থাকেন বর্তমান সমাজে ভাল নেক্কার স্বামী/স্ত্রী পাওয়া নামি মুসকিল। তাহলে পোষ্টটা পড়ুন

অনেকেই বলে থাকেন বর্তমান সমাজে ভাল নেক্কার স্বামী/স্ত্রী পাওয়া নামি মুসকিল। তাহলে পোষ্টটা পড়ুন হযরত ইব্নু আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, এইরূপ মন্দ কথা মন্দ লোকদের জন্যেই শোভা পায়। ভাল কথা ভাল লোকদের জন্যেই শোভনীয় হয়ে থাকে। অর্থাৎ, মুনাফিকরা হযরত আয়িশাহ সিদ্দীকা (রাঃ…আনহা) এর উপর যে অপবাদ আরোপ করেছে এবং তাঁর সম্পর্কে যে জঘন্য কথা উচ্চারণ করেছে তার যোগ্য তারাই। কেননা, তারাই অশ্লীল। হযরত আয়েশাহ (রাঃ…আনহা) সতী-সাধ্বী বলে তিনি পবিত্র কথারই যোগ্য। এ আয়াতটিও হযরত আয়েশাহ (রাঃ…আনহা) এর ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়। আয়াতটির পরিস্কার অর্থ এই যে, আল্লাহর রাসূল (সঃ), যিনি সব দিক দিয়েই পবিত্র, তাঁর বিবাহে যে আল্লাহ তা’আলা অসতী নারী প্রদান করবেন এটা অসম্ভব। কলুষিতা নারী কলুষিতা পুরুষের জন্যে শোভনীয়। এজন্যেই মহান আল্লাহ বলেন, লোকে যা বলে তারা তা হতে পবিত্র। এই দুষ্টু লোকদের মন্দ ও ঘৃণ্য কোথায় তারা যে দুঃখ ও কষ্ট পেয়েছে এটাও ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা লাভের কারণ। তাঁরা রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর স্ত্রী বলে জান্নাতে আদ্নে তাঁর সাথেই থাকবে। একদা হযরত উসায়েদ ইব্নু জাবির (রাঃ) হযরত আব্দুল্লাহ (রাঃ) এর নিকট এসে বলেন,

ভালো মানুষেরা কষ্টে থাকে, আর পাপী লোকেরা আনন্দে দিন কাটায়?

ভালো মানুষেরা কষ্টে থাকে, আর পাপী লোকেরা আনন্দে দিন কাটায়?
______________________
প্রশ্নঃ অনেক ভালো লোক আছে, যাদের একটার পর একটা বিপদ-আপদ লেগেই থাকে। কিন্তু অমুক লোকটা এতো খারাপ কাজ করে, তারপরেও সুস্থ সামর্থ্য, দিব্যি আনন্দেই দিন কাটাচ্ছে! আল্লাহ যদি পাপীদের শাস্তি দিয়ে থাকেন তাহলে, এটা কেমন করে হতে পারে?
উত্তরঃ আলহা’মদুলিল্লাহ, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআ’লার জন্য। এটা একটা প্রশ্ন যা অনেক ভাই ও বোনেরাই করে থাকেন। যাই হোক এ সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু কথা উল্লেখ করছি।
.
প্রথমেই বলে নেই,

অসম্ভব ভালোবাসেন তাকে, অনেক গভীর সেটা। তাকে ঘিরে একটা আলাদা পৃথিবী আপনার, যেখানে তাকে নিয়ে কষ্ট আর আনন্দ মাখা গল্পগুলো খুব যত্নে সাজিয়ে রাখেন পরম যত্ন আর ভালোবাসায়।

অসম্ভব ভালোবাসেন তাকে, অনেক গভীর সেটা। তাকে ঘিরে একটা আলাদা পৃথিবী আপনার, যেখানে তাকে নিয়ে কষ্ট আর আনন্দ মাখা গল্পগুলো খুব যত্নে সাজিয়ে রাখেন পরম যত্ন আর ভালোবাসায়। সে পৃথিবীতে অন্য কাউকে আপনি এক মূহুর্তের জন্যও কল্পনা করতে পারেন না। জায়গাটা যেন শুধুই তার জন্য। যতই রাগ-অভিমান হোক আপনি সেটা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেন না..এক কথায় পাগলের মত ভালোবাসেন..!! অন্যদিকে একজন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর আযাবকেও

বিয়ের আগে ভালবাসায় বিশ্বাস করিনা। তা সে যতই কেউ বলুক ভালবাসি।কারন আমি খুব ভাল করেই জানি বিয়ের আগে প্রেম শয়তানের সৃষ্টি। আর বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যে পবিত্র ভালবাসা তা আল্লাহর পক্ষ থেকে।

বিয়ের আগে ভালবাসায় বিশ্বাস করিনা। তা সে যতই কেউ বলুক ভালবাসি।কারন আমি খুব ভাল করেই জানি বিয়ের আগে প্রেম শয়তানের সৃষ্টি। আর বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যে পবিত্র ভালবাসা তা আল্লাহর পক্ষ থেকে। বিয়ের আগে ভালবাসা বলতে কিছুই নেই। জাস্ট শয়তানের ধোকা। যদি বিয়ের আগে কেউ বলে ভালবাসি তাহলে তাকে বলবো আপনি শয়তানের বশীভূত আছেন। এই ফেক ভালবাসার অনুভূতি আপনার মধ্যে শয়তান সৃষ্টি করেছে। আসলে এটা ভালবাসা না। ইসলামে বিয়ের আগে প্রেম নিষেধ।

জিনাকারি মহিলার তাওবা :

জিনাকারি মহিলার তাওবা :
♦একজন মহিলা আসলেন
মহানবী (সা) এর কাছে…
আর বললেন-“হুজুর
আমাকে পাক করে দিন।”
মহানবী (সা) তাকে জিজ্ঞেস
করলেন-“তুমি কি করেছ?
“মহিলা বললেন-“হুজুর
আমি ব্যভিচার (জিনা/
অবৈধ সম্পর্ক) করেছি।
“মহানবী (সা) বললেন-
“তুমি কি বলছ?
তোমার হুশ ঠিক আছে তো?
“মহিলা বললেন-“হুজুর
আমি সত্যি বলছি।
আমি জিনা করেছি।
এবং গর্ভবতী হয়ে গিয়েছি।
.
“মহানবী (সা) বললেন-

চ্যাটিং_প্রতারণা

চ্যাটিং_প্রতারণা - নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ত রিমা। সে জানত বিয়ের আগে প্রেম করা হারাম, তাই প্রেম করার কোনো ইচ্ছেই তার ছিল না কোনোদিন। - অনার্সে ভর্তি হওয়ার পর রিমির বাবা রিমিকে একটা মোবাইল দেয়, জীবনে প্রথম ব্যক্তিগত মোবাইল হাতে পাওয়া! রিমির খুব ঘনিষ্ঠ বান্ধবী আঁখি! খুব ভাল মেয়েটা, পরিপূর্ণভাবে ইসলাম মেনে চলার চেষ্টা করে। - রিমাকে সে একটা ফেসবুক আইডি খুলে দেয় যাতে দ্বীনী ভাই-বোনদের ইসলামি পোষ্টগুলো পড়ে উপকৃত হতে পারে। বিভিন্ন বিষয়ের উপর ইসলামি পোষ্ট পড়ে দ্বীনী জ্ঞান অর্জনের আগ্রহ বেড়ে যায় রিমার। একদিন

হতাশ হবেন না! আপনার রব সবই জানেন,তিনি সবই দেখছেন।

হতাশ হবেন না! আপনার রব সবই জানেন,তিনি সবই দেখছেন। আল্লাহ্ জানেন, আপনি যখন প্রতিদানের আশা ছাড়া অন্যের উপকার করেন। আল্লাহ্ জানেন, যখন পৃথিবীর সবাই গভীর নিদ্রায় মগ্ন আর আপনি নির্জনে আল্লাহর ইবাদাতে,সালাতের সিজদায় রত থাকেন।

আজ যে সুযোগ গুলো হাতছাড়া হয়ে গেছে বলে পেরেশান হচ্ছেন হয়তোবা আগামী দিনে এর চাইতেও ভালো কোন সুযোগ আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে।

আজ যে সুযোগ গুলো হাতছাড়া হয়ে গেছে বলে পেরেশান হচ্ছেন হয়তোবা আগামী দিনে এর চাইতেও ভালো কোন সুযোগ আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে। আজ সুযোগের যে দরজাটা বন্ধ হয়ে গেছে বলে আফসোস করছেন পরবর্তীতে স্রেফ সেই দরজাটা বন্ধ হয়ে নতুন কতগুলো দরজা আপনার জন্য খুলে গেছে ভাবতেই আপনি অবাক হবেন! আজ যে জিনিস গুলো হারানোর বেদনায় শোকে আপনি বিহ্বল কাল দেখবেন এর চাইতে ও উত্তম জিনিস পেয়ে রবের দরবারে কৃতজ্ঞতায় মাথায় নুয়ে আসবে আপনার! এক সময়ে যে মানুষ গুলোকে ছাড়া জীবন কল্পনাই করা যেতো না সেই সব ঘনিষ্ঠ মানুষ গুলো দুঃখের সময় কিংবা সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ছেড়ে চলে গেছে; তাদের রিপ্লেসমেন্টে এক সময় দেখবেন আল্লাহ আপনাকে এমন সব মানুষের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছে যারা আপনাকে নিঃস্বার্থভাবে শুধু আল্লাহর জন্য ভালোবাসবে। এক সময় হারাম সম্পর্কে যে তৃপ্তি পেতেন আল্লাহকে ভয় করে জন্য শুধু হারাম সম্পর্ক ত্যাগ দিয়ে দেখুন হয়তো এমন লাইফ পার্টনার আল্লাহ মিলিয়ে দিবেন যে আপনার চক্ষুশীতলার কারণ হবে। . ভাই আমার

একাকী বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই তোমরা কখনো একা থেকো না, কখনো দলছুট হয়ে যেও না। শেয়ালকে দেখেছো?

. একাকী বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই তোমরা কখনো একা থেকো না, কখনো দলছুট হয়ে যেও না। শেয়ালকে দেখেছো? সে কিন্তু দলছুট ভেড়াটিকেই নিজের খাদ্য বানায়। শয়তানও সেরকম, যে দু’জন লোক একসাথে থাকে, তাদের তুলনায় সে একাকী ব্যক্তির অধিক কাছাকাছি থাকে। তাই তুমি যেখানেই থাকো, অন্তত একজন লোককে নিজের সঙ্গী বানিয়ে নাও আর খেয়াল রেখো এই ব্যক্তিটি যেন অবশ্যই পরহেজগার হয়। . অনেকগুলো টেস্টটিউবকে একসাথে জুড়ে দিলে দেখবে, একটি ভরে যাবার পর পরেরটিও পানিতে ভরে উঠছে। এভাবে একটি একটি করে একসময় সবগুলো টিউব-ই পানিতে ভরে যাবে। যতক্ষণ না প্রত্যেকটির পানির পরিমাণ সমান হয়ে যায়, ততোক্ষণ পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। বন্ধুদের বিষয়টিও এমন। তুমি যদি বাজে লোকের সঙ্গে মেশো, তাহলে তারা তোমার বহু ভালো স্বভাবকে নষ্ট করে দেবে। একটা সময় আসবে যখন তোমার আর তাদের মাঝে কোন পার্থক্য থাকবে না। ঠিক সেই টিউবগুলোর মত! এক দল বন্ধুর দিকে তাকিয়ে দেখবে, সবাই একই রকম। যত দিন যাবে, বন্ধুত্ব যত গাঢ় হবে, তাদের প্রত্যেকের আচার-আচরণ আর চরিত্র ততোই একরকম হতে থাকবে। একজন ভালো লোক বেশিদিন একটা মন্দ লোকের সাথে মিশতে পারে না। যদি মন্দ লোকটা তার দেখাদেখি নিজেকে শুধরে নেয়, তাহলেই কেবল সে বন্ধুত্ব টিকে থাকা সম্ভব। . এ জন্যেই

কোন কোন গোনাহ তওবা করার পরেও ক্ষমা হয়না?

কোন কোন গোনাহ তওবা করার পরেও ক্ষমা হয়না?
-
*আপনি কি কাউকে গালি দিয়েছেন?
* কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছেন?
*কারো মাল অন্যায়ভাবে ভোগ করেছেন?
*কাউকে মেরেছেন?
*কাউকে হত্যা করেছেন?..
*কাউকে যেকোন উপায়ে অপমান-অপদস্থ কিংবা মানহানী করেছেন?
*কারো সাথে কোন প্রকার যুলুম(অত্যচার) করেছেন বা যেকোনভাবে ঠকিয়েছেন?
* বান্দার কোন হক নষ্ট করছেন?
...
যদি করে থাকেন তাহলে আজই তার কাছে যেকোন উপায়ে ক্ষমা চেয়ে নিন এবং পাওনাদারের পাওনা বুঝিয়ে দিন।
অন্যথায় হাজার তওবা করার পরেও তা ক্ষমা হবেনা এবং নিমোক্ত হাদিস অনুযায়ী আপনার এত কষ্টার্জিত আমল তাকে দিয়ে দিতে হবে ও তার গুনাহ আপনার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে। পরিশেষে আপনাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে ..
.
★আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

আচ্ছা আমাদের জীবনে হতাশা এলে, মন খারাপ হলে,বিষন্নতায় ছেঁয়ে গেলে আমরা কি করি?

আচ্ছা আমাদের জীবনে হতাশা এলে, মন খারাপ হলে,বিষন্নতায় ছেঁয়ে গেলে আমরা কি করি? জীবনের নানা বাঁকে মুমীনের জীবনে হতাশ হবার মতো পরিস্থিতি প্রতি পদে পদেই আসতে পারে। দুঃখ -কষ্ট জীবনেই অংশ। এসব এলেই হতাশ হয়ে পড়া কোন মুমিনের লক্ষণ নয়। দুঃখ কষ্টের সময় মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য আল্লাহ কুরআনে উল্লেখ করেছেনঃ "মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে আমাকে ডাকতে শুরু করে, এরপর আমি যখন তাকে আমার পক্ষথেকে নেয়ামত দান করি, তখন সে বলে, এটা তো আমি পূর্বের জানা মতেই প্রাপ্ত হয়েছি। অথচ এটা এক পরীক্ষা, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বোঝে না।" -(সুরাআল জুমার, আয়াত: ৪৯) "আর যখন মানুষ কষ্টের সম্মুখীন হয়, শুয়ে বসে,

শিক্ষনীয় ঘটনা

ঘটনা ১ঃ " রফিক সাহেব চাকুরি থেকে আজই অবসর নিয়েছেন। কলিগদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসার পথে রওনা হয়েছেন। পার্থিব জীবনের ব্যস্ততায় আখিরাতের কথা খুব একটা মাথায় আসে নি তার। এখন বয়স হয়েছে। বিশ্রাম নেওয়ার পালা। রাস্তায় হাটছেন এবং ভাবছেন,"নাহ! এইভাবে আর চলা যাবে না। বয়স হয়েছে। নামাজটা ঠিকমতন ধরতে হবে। সামনে হজ্জ। টাকা দিয়ে বুকিং করে রাখতে হবে। ছেলে মেয়ে বড় হয়ে গেছে। তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও ভাবতে হবে।" ভেবেই চলেছেন।

হিদায়াত ব্যাপারটা অন্তরের স্থায়ী কোন অবস্থা না। জাহেলিয়াত থেকে দ্বীনের বুঝ পেয়ে ইসলামে ফিরে আসা মানেই একটা মানুষ ইসলামে টিকে থাকবে তার কোন গ্যারান্টি নেই। অনেক মানুষ ইসলামকে পাবার জন্য কঠিন ত্যাগ, পরীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে তো কেউ বা আবার অনেকটা কম চেষ্টায়ই হিদায়াত পেয়ে যায়।

হিদায়াত ব্যাপারটা অন্তরের স্থায়ী কোন অবস্থা না। জাহেলিয়াত থেকে দ্বীনের বুঝ পেয়ে ইসলামে ফিরে আসা মানেই একটা মানুষ ইসলামে টিকে থাকবে তার কোন গ্যারান্টি নেই। অনেক মানুষ ইসলামকে পাবার জন্য কঠিন ত্যাগ, পরীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে তো কেউ বা আবার অনেকটা কম চেষ্টায়ই হিদায়াত পেয়ে যায়।
.
আল্লাহ তাআলা যাকে ইচ্ছা তাকে হিদায়াত দান করেন, অন্তর্চক্ষু খুলে দিয়ে এই জীবনটাকে কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা উচিত তা হাতে কলমে অদৃশ্য উপায়ে শিখিয়ে দেন। কিন্তু এই হিদায়াত মানেই, ঈমান নিয়ে মরতে পারার আগাম সার্টিফিকেট নয়।
.
একটা ভাব সম্প্রসারণ ছোটবেলায় আমরা পড়েছিলাম, স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন। হিদায়াতের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা তাই ই। হিদায়াত পাওয়া কঠিন তা সত্য, তবে সেই হিদায়াত নিয়ে প্রতি মুহূর্ত টিকে থাকা এবং তা নিয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারা এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে এমন অজস্র নজির পাওয়া যাবে, যেই লোকটাকে মানুষ আল্লাহর অনেক নিকট বান্দা ভাবতো সেও দ্বীন থেকে ফিরে গেছে, শয়তানের কোন ধোঁকায় পড়ে, বা নফসের ক্রমাগত অনুসরণ করতে করতে!
.
আত্মার পরিচর্যা এক চলমান প্রক্রিয়া,

হারাম দৃশ্য,অশ্লীল ভিডিও,আইটেম সং দেখছেন আর ভাবছেন আল্লাহ তো আমাকে কোন শাস্তি দিচ্ছেন না! কিন্তু

হারাম দৃশ্য,অশ্লীল ভিডিও,আইটেম সং দেখছেন আর ভাবছেন আল্লাহ তো আমাকে কোন শাস্তি দিচ্ছেন না! কিন্তু আপনি ভাবতেও পারবেন না ভিতরে ভিতরে আপনার মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা,পেরেশানি আর অপারাধবোধ কাজ করবে যা আপনাকে প্রতি মূহুর্তে তাড়িয়ে বেড়াবে! অন্তর থেকে সুকুন চলে যাবে। কখন যে মনের প্রশান্তি হারাবেন টের ও পাবেন না। হারাম ইনকাম করছেন আর দিব্যি পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে সংসার করে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন! ভাবছেন আল্লাহর নিয়ামত,তিনি হয়তো করুণা করছেন আমার প্রতি! দেরিতে হলেও এক সময় এটা উপলদ্ধি করবেন কেমন জানি ইবাদতে আগের মত আর মনোযোগ আসছেনা।সালাতে খুশু-খুযু আসছেন না আগের মত। যে আপনি কখনো তাহাজ্জুদ মিস দিতেন না সেই আপনারই এখন ফজরে উঠতেও কষ্ট হয়! অন্যের নামে অবাধে গীবত করে এক ধরনের পৈশাচিক আনন্দ পাচ্ছেন! কিন্তু আপনি টের ও পাবেন না নিজের অজান্তেই কখন যে অন্তরটা পাথর কঠিন হয়ে গেছে! যে আপনি আগে আল্লাহর কাছে হাত তুললেই চোখ বেয়ে অশ্রুর বন্যা বইতো সে আপনি এখন জোর করে ও আল্লাহর ভয়ে চোখ থেকে এক ফোঁটা পানি ফেলতে পারছেন না। এর চাইতে বড় শাস্তি বান্দার জন্য আর কি হতে পারে, বান্দা তার মালিকের ভয়ে চোখ থেকে দুফোটা অশ্রু ফেলতে পারছেনা?

হয়েছে হয়েছে! নিজে আগে কি ছিলে মনে আছে?" -- হুহ !

হয়েছে হয়েছে! নিজে আগে কি ছিলে মনে আছে?" -- হুহ ! পর্দা শিখাতে আসছে কদিন আগে নিজেই বের্পদা চলাফেরা করতো ! -- "হাহাহা ! গার্লফ্রেন্ড নিয়া এখানে সেখানে কতো ঘুরছিস এখন নতুন ফতোয়া দিচ্ছিস →প্রেম হারাম!" -- "কত পাপ কাজ করলি জীবনে এখন এটা হারাম ওটা হালাল করিস কেন ?তুই কি একাই মুসলিম !" নতুন করে দ্বীনের পথে আসা ,হেদায়েত পাওয়া মানুষের কাছে এসব খোঁচা কথা , অতীতের গুনাহের কথা বলে পেইন দেয়ার মত পেইনফুল জিনিস দ্বিতীয়টি নেই ! নিজে হয়তো ইসলাম ঠিকমতো মানতে পারছেন না তাই বলে দ্বীনের পথে আসা একজনকে খোঁচা দেয়া , অতীতের দোষ মনে করিয়ে দিয়ে আসলেই কি ভাল কাজ করছি আমরা ? পরিবার থেকে শুরু করে আত্মীয়, বন্ধু বান্ধবসহ এই কাজটা অনেকেই করে থাকে! একটা মেয়ে /ছেলে আল্লাহর কাছে আসতে কতো স্ট্রাগল করতে হয়, কত বাধা পেরোতে হয় , কত পছন্দের জিনিসগুলো ত্যাগ করতে হয় সেটা আল্লাহই ভাল জানেন ! হুট করে একটা মেয়ে দুনিয়াবী ফ্যাশন-স্টাইলের ভীড়ে নিজেকে কালো বোরখায় আপাদমস্তক জড়িয়ে নেয়,!!! বন্ধুমহলের মর্ডান হ্যান্ডসাম হিসেবে পরিচিত ছেলেটি হঠাৎ করেই সুন্নাতী দাঁড়ি আর লেবাসকে ভালবাসতে শুরু করে। হঠাৎ করেই ৪/৫ বছরের পুরনো প্রেমের সম্পর্ক মেয়েটি শেষ করে দেয়! গানের মধ্যে ডুবে থাকা ছেলেটি গান-বাজনা ছেড়ে কোরআনের মধ্যে শান্তি খুঁজে বেড়ায়........................... এতকিছু,

ফেসবুকের দ্বীনদারেরা এমন ফেসবুক ব্যবহার না করে ফেসবুক থেকে দূরে থাকাই ভাল

ফেসবুকের দ্বীনদারেরা এমন ফেসবুক ব্যবহার না করে ফেসবুক থেকে দূরে থাকাই ভাল ফেসবুকে ইসলামিক হওয়া কত সহজ তাই না একটা আইডি,,,! একটা ইসলামিক প্রোফাইল পিকচার,,! একটা ইসলামিক কভার ফটো,,,! জাকির নায়েকের ছবি প্রোফাইলে এবাউটে কিছু ইসলামিক চেতনা,,! কিছু ইসলামিক পোস্ট!! কিছুইসলামিক পেইজে লাইক!! কিছুইসলামিক নসীহাহ/রিমাইন্ডার মূলকপোস্ট!! কিছু রুচিশীল ইসলামিক কমেন্ট!! ব্যস! হয়ে গেলাম ইসলামিক!!!!! : : আর বাস্তব জীবনে ফজরের স্বলাতে উঠতে পারিনা,

একদিন এক লোক রাস্তায় ৫০০ টাকা পেল সে সারাদিন ভাবতে লাগলো এই টাকায় কি কেনা যায়, এই টাকার চিন্তায় সারাদিন তার সময় নস্ট হল ৷

একদিন এক লোক রাস্তায় ৫০০ টাকা পেল সে সারাদিন ভাবতে লাগলো এই টাকায় কি কেনা যায়, এই টাকার চিন্তায় সারাদিন তার সময় নস্ট হল ৷ ফলে সে সেটি ফেলে দিল ৷ সে বললো হে আল্লাহ এই ৫০০ টাকার জন্য সকাল থেকে একবার ও আপনাকে স্মরণ করি নি। আর সেসব লোক আপনাকে কী ভাবে স্মরণ করে যাদের লক্ষ লক্ষ টাকা আছে? আল্লাহ সুদ হারাম করে দিয়েছেন আমরা ব্যংক বানিয়েছি ৷ আল্লাহ জীবন কে সীমীত করেছে আমরা ঘড়ি বানিয়েছি ৷ আল্লাহ পরদার হুকুম দিয়েছেন,আমরা টিভি ডিস দিয়ে বেহায়া পনা সরবসাধারনের জন্য করে দিয়েছি ৷ আল্লাহ বলেন কোরআনে তোমাদের সফলতা, আমরা oxford এর বই কে সফলতা বানিয়েছি ৷ আল্লাহ মিথ্যা বলা নিষেধ

কারো ভাল লাগুক বা না লাগুক, মেয়েরা ছেলেদের জন্য পা থেকে মাথা পর্যন্ত ফিতনা, অফলাইন থেকে অনলাইন সবখানে ফিতনা।

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। কারো ভাল লাগুক বা না লাগুক, মেয়েরা ছেলেদের জন্য পা থেকে মাথা পর্যন্ত ফিতনা, অফলাইন থেকে অনলাইন সবখানে ফিতনা। তবু এতে মেয়েদের কষ্ট পাবার কিছু নেই। ফিতনা মানে হল পরিক্ষা। এটা ছেলেদের জন্য সবচেয়ে বড় ঈমানী পরীক্ষাগুলোর একটি। হুজুর ছেলেদের কাছে কিন্তু আবার বেপর্দা মেয়েদের চেয়ে হিজাবি মেয়েরা বড় ফিতনা। অফলাইনের ফিতনা নিয়ে ত সবাই অনেক সতর্কই আছে মনে হয়। তাই অনলাইনে এই ফিতনার কিছু রূপ তুলে ধরছি। মূলত দ্বীনী সমাজের ফিতনাটাই আলোচনা করছি। ফেসবুকে এই ফিতনা চিহ্নিত করার মূল উপায় হল লাইক, কমেন্ট, মেসেজ। মেয়েরা কিভাবে বুঝবে যে কোন ভাইয়ের জন্য আমি বিশাল ফিতনা হয়ে গেছি?

যখনই আপনি আল্লাহকে ভয় করে জীবন থেকে জাহিলিয়াত কে চিরবিদায় জানাতে চাইবেন, ধীরে ধীরে দ্বীনে আসতে চেষ্টা করবেন। আপনি ঠিক সেই মূহুর্তে উপলদ্ধি করবেন আপনার জন্য দুনিয়ার মধ্যে হালালের পথ গুলো সংকীর্ণ আর হারাম পথ গুলো প্রশস্ত হয়ে যাচ্ছে!

যখনই আপনি আল্লাহকে ভয় করে জীবন থেকে জাহিলিয়াত কে চিরবিদায় জানাতে চাইবেন, ধীরে ধীরে দ্বীনে আসতে চেষ্টা করবেন। আপনি ঠিক সেই মূহুর্তে উপলদ্ধি করবেন আপনার জন্য দুনিয়ার মধ্যে হালালের পথ গুলো সংকীর্ণ আর হারাম পথ গুলো প্রশস্ত হয়ে যাচ্ছে! আল্লাহর জন্য যখন আপনি কোন কিছু কুরবানি দিতে প্রস্তুত হবেন সেই মুহূর্ত থেকে চারপাশে থেকে কঠিন সবসব পরীক্ষার সম্মুখীন আপনাকে হতে হবে। আপনি যখন শুধুমাত্র হালাল উপার্জন খেয়ে জীবনধারণ করতে চাইবেন, হালাল পথে জীবিকা নির্বাহর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন দেখবেন যে টাকা উপার্জনের সহজ কিন্তু "সন্দেহজনক" সব রাস্তাগুলো আপনার সামনে একে একে খুলে যাচ্ছে! এবার বিয়ের ক্ষেত্রে আসুন- আপনি যদি দুনিয়াবি অন্য সব জিনিসকে এক পাশে রেখে শুধুমাত্র দ্বীনকে প্রাধান্য দিয়ে বিয়ে করতে চান, দেখবেন যে লোভনীয় এমন সব বিয়ের প্রস্তাব আপনার কাছে স্রোতের বেগে আসছে যেগুলো আপনি আগে কল্পনা ও করতে পারেন নি! এমন সব প্রস্তাব আসবে যাদের কাছে দ্বীন পরের বিষয়, শুধু নামে মাত্র! যাঁদের কাছে ইসলাম পালন অনেক পরের একটা বিষয়!! আপনি যে মূহুর্তে হিজাব করার সিদ্ধান্ত নিবেন, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকবেন পর্দার সাথে আপোষ না করার! চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন- যাই ঘটুক পর্দার সাথে আপোষ করবেন না! সেই মূহুর্তে দেখবেন যে এমন সব জায়গায় পড়াশুনা বা চাকরির কিংবা বিয়ের প্রস্তাব আপনি পাচ্ছেন, যার একমাত্র শর্ত হবে হিজাব ছেড়ে দেওয়া,পরিপূর্ণ পর্দা না করা বা পর্দার সাথে আফোস করা! 'সত্যি বলতে কী,

প্রচন্ড দুঃখে আছেন? চারদিকে শুধু বিপদ আর বিপদ? আপনি খুশি হোন। দুনিয়ার এসব বিপদ-আপদ,দুঃখ-কষ্ট দিয়ে আল্লাহ আপনার গুনাহ মাফ করে দিচ্ছেন আর না হয় আপনার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিচ্ছেন।

প্রচন্ড দুঃখে আছেন? চারদিকে শুধু বিপদ আর বিপদ? আপনি খুশি হোন। দুনিয়ার এসব বিপদ-আপদ,দুঃখ-কষ্ট দিয়ে আল্লাহ আপনার গুনাহ মাফ করে দিচ্ছেন আর না হয় আপনার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিচ্ছেন। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’যে কোনো মুসলিমের গায়ে একটি কাঁটা বিদ্ধ হয় কিংবা তার চেয়ে অধিক ছোট্ট কোনো আঘাত লাগে, তার বিনিময়ে তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয় এবং তার একটি গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।"- (মুসলিম ৬৪৫৫) আরেক হাদিসে এসেছে, আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’আল্লাহ তায়ালা যখন কোনো বান্দার কল্যাণকরতে ইচ্ছা করেন, তখন তাড়াতাড়ি দুনিয়াতে তাকে বিপদে নিক্ষেপ করেন। আর যখন তিনি কোনো বান্দার অকল্যাণ করতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে (দুনিয়াতে) তার পাপের শাস্তি প্রদান করা হতে বিরত থাকেন। তারপর কিয়ামতের দিন তিনি তাকে পুরোপুরি শাস্তি দিবেন’’ - {তিরমিযি ২৩৯৬; মিশকাতুল মাসাবীহ ১৫৬৫} একবার চিন্তা করে দেখুন,

যে কথা গুলো দ্বারা দুঃচরিত্রের ছেলেরা মেয়েদের সর্বনাশ ডেকে আনে!

সাবধান হবেন প্লিজ!! ১. ভাবী , আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না। দেখে মনে হয়, মাত্র মাধ্যমিক পাশ করছেন! সিরিয়াসলি! ২. ম্যাডাম, একটা কথা বলবো অনেকদিন থেকে ভাবছি! কিন্তু বলবো বলবো করে বলা হচ্ছে না। আপনি এমনিতেই সুন্দর। কিন্তু নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়ে দিয়েছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে! ৩. মন খারাপ কেন ভাবী, ভাই/দাদা ঝগড়া টগড়া করলো নাকি?

আল্লাহ্‌ তাআলা কুরআনে বলেছেন: "আমি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি।" এখানে জোড়া জোড়া বলতে কি স্বামী-স্ত্রীকে বোঝানো হয়েছে নাকি অন্য কিছু?

আল্লাহ্‌ তাআলা কুরআনে বলেছেন: "আমি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি।" এখানে জোড়া জোড়া বলতে কি স্বামী-স্ত্রীকে বোঝানো হয়েছে নাকি অন্য কিছু?
উত্তর:
আল্লাহ তাআলা কুরআনের বিভিন্ন স্থানে মানুষকে জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করার কথা বলেছেন। কোথাও বলেছেন, তিনি সৃষ্টি জগতের প্রতিটি বস্তুকেই জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছেন। যেমন নিম্নোক্ত আয়াগুলো:
🔹আল্লাহ তাআলা বলেন:

খেজুর গাছের কান্নাঃ

খেজুর গাছের কান্নাঃ নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনার মসজিদে যখন জুমার খুতবা দিতেন, তখন একটি খেজুর গাছের উপর ভর করে দাঁড়াতেন। গাছটি রাসুলের স্পর্শ পেয়ে যেন ধন্য। কিছুদিন পর এক আনসারী মহিলা তার কাঠমিস্ত্রি ছেলেকে দিয়ে রাসুলের জন্যে একটি মিম্বরের ব্যবস্থা করে দিলেন। যেনো খেজুর গাছের পরিবর্তে রাসুল এটি ব্যবহার করেন। সুতরাং, তখন খেজুর গাছটি সরিয়ে নতুন কাঠের মিম্বর রাখা হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন খুতবার জন্য ওই নতুন মিম্বরে দাঁড়ালেন, সবাইকে অবাক করে দিয়ে খেজুর গাছটি ছোট্ট বাচ্চার মতো কেঁদে ওঠলো। আসলে

আমি যেদিন জানতে পারলাম আমি প্রেগন্যান্ট, আনন্দে কেঁদে দিয়েছিলাম। যখন আনন্দের উচ্ছাসটা কমে গেলো তখন মাথার মধ্যে একটা ভয় ঢুকে গেলো। আল্লাহ আমাকে সন্তান দিয়েছেন, আমি কি পারবো তাকে আল্লাহর পথে বড় করতে! চারিদিকে এতো ফিতনা, এতো নোংরামি, পারবো এর মাঝে ছেলেকে ঈমানের সাথে বড় করতে? আমি কি পারবো আদর্শ মা হতে?

মানুষের বিবেক কোথায় যে গেল????????
#আমি যেদিন জানতে পারলাম আমি প্রেগন্যান্ট, আনন্দে কেঁদে দিয়েছিলাম। যখন আনন্দের উচ্ছাসটা কমে গেলো তখন মাথার মধ্যে একটা ভয় ঢুকে গেলো। আল্লাহ আমাকে সন্তান দিয়েছেন, আমি কি পারবো তাকে আল্লাহর পথে বড় করতে! চারিদিকে এতো ফিতনা, এতো নোংরামি, পারবো এর মাঝে ছেলেকে ঈমানের সাথে বড় করতে? আমি কি পারবো আদর্শ মা হতে? প্রথমেই মনে হলো নিজে না জানলে সন্তানকে কি শেখাবো? তাই ইসলাম সম্পর্কে পড়তে লাগলাম। এই পড়তে গিয়ে একটা ব্যাপার উপলব্ধি করলাম, আল্লাহ আমাদের সন্তান দেন ভবিষ্যতে সন্তান টাকা কামাবে আর আমরা আরামে থাকবো এজন্যে না। বরং সন্তান আমাদের জন্য বড় একটা পরীক্ষা। আমরা যদি ভুল শিক্ষা দেই এবং সন্তান যতোবার ভুলটা করবে তার জন্য আমাদেরও শাস্তি পেতে হবে। সুবহানআল্লাহ! আল্লাহ আমাদের দ্বায়িত্ব দিয়েছেন একটা মানুষকে বড় করার, তাকে সঠিক শিক্ষা দেয়ার, তাকে আল্লাহর পথে চলার জন্য তৈরি করে দেয়ার।

মেয়ে অনার্স শেষ করে ফেলেছে! অথচ মা মেয়ে কে দূরে রেখে থাকতে পারবেন না বলে বিয়ে দিচ্ছেন না! ভালবাসাই বটে! তবে এমন ভালবাসা কোন সুফল বয়ে আনেনা!

মেয়ে অনার্স শেষ করে ফেলেছে! অথচ মা মেয়ে কে দূরে রেখে থাকতে পারবেন না বলে বিয়ে দিচ্ছেন না! ভালবাসাই বটে! তবে এমন ভালবাসা কোন সুফল বয়ে আনেনা! ------ বাচ্চার জন্য সাবজেক্ট প্রতি টিচার! গানের এবং নাচের ও আলাদা টিচার! সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য কত্ত সুব্যবস্থা! কিন্তু একজন আরবী শিক্ষক দিতে পারেন না বাচ্চার উপর চাপ হয়ে যাবে বলে! এমন ভালবাসা কোন সুফল বয়ে আনেনা! ------- মেয়ে পর্দা করে বাইরে যাচ্ছে তো মায়ের সে কি চিন্তা! মেয়েটা গরমে শেষ হয়ে যাবে! বলছেন ও এই বয়সে এসবের কি দরকার! মেয়ের জন্য ভালবাসাই বটে! তবে এমন ভালবাসা ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়

প্রতিটি পুরুষের স্ত্রীকে তাদের পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।নাকি শুধু হাওয়া (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল?

প্রতিটি পুরুষের স্ত্রীকে তাদের পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে।নাকি শুধু হাওয়া (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়েছিল? ========================= হযরত হাওয়া আ: কে হযরত আদম আ: এর পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে এটা চিরসত্য কথা। পাঁজরের হাড় মানে বক্ষপিঞ্জরের হাড় মানে কাঠি (rib) । এটা প্রতিটি মানুষের ই দুপাশে মোট ১২+১২ =২৪ টি আছে।নারীর এবং পুরুষের উভয়ের। কারো কম বা অর্ধেক নেই বরং সমান। : সূরা আন নিসা'র ১নং আয়াতে আল্লাহপাক উল্লেখ করেছেন:

আল্লাহর জন্য হারাম ত্যাগ- বনাম ভালবাসার মানুষের জন্য হারাম ত্যাগঃ”

আল্লাহর জন্য হারাম ত্যাগ- বনাম ভালবাসার মানুষের জন্য হারাম ত্যাগঃ” : মানুষ এর প্রতিটি কাজ তার নিয়ত এর উপর নির্ভরশীল। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, "অবশ্যই মানুষের কাজ তার নিয়ত এর উপর নির্ভর করে। মানুষ তাই পাবে যা সে নিয়ত করে।" (বুখারী, মুসলিম) . এই দুনিয়াবি জীবনে মানুষ আপনার নিয়ত বা চেষ্টা দেখে না, শুধু দেখে রেজাল্ট; আপনি কতটুকু সফল বা বিফল। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা অনেক মহান, যিনি আমাদের মনের নিয়ত দেখবেন, নিয়ত অনুসারে পুরষ্কার দিবেন। তাই আমাদের যেকোনো ভাল কাজের নিয়ত, যেকোনো হারাম ত্যাগ করার নিয়ত শুধুমাত্র আল্লাহকে খুশি করার জন্য হওয়া উচিত, কোনো প্রিয় বা ভালবাসার মানুষকে খুশি করার জন্য বা তার মন পাওয়ার জন্য নয়। . যে কাজ মানুষ আল্লাহকে খুশি করার নিয়ত ব্যতীত অন্য

কেউ কেউ মনে করেন, আমার মন খুবই পরিস্কার। তাকে আমি মা, খালা, অথবা বোনের মতোই মনে করি ইত্যাদি ইত্যাদি। তাহলে তাঁর সাথে মেলা-মেশা করতে অসুবিধা কোথায়?

কেউ কেউ মনে করেন, আমার মন খুবই পরিস্কার। তাকে আমি মা, খালা, অথবা বোনের মতোই মনে করি ইত্যাদি ইত্যাদি। তাহলে তাঁর সাথে মেলা-মেশা করতে অসুবিধা কোথায়। অথচ আমরা যদি একটু লক্ষ্য করি
আমাদের রসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সল্লাম) এর অন্তর ছিলো আমাদের চাইতেও পরিস্কার। এরপরও তিনি যে কোন বেগানা মহিলার সাথে মুসাফাহা করতে পর্যন্ত অস্বীকৃতি জানান।কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ভাই-বোনদের মুখে এমন কথা বেশি শোনা যায়।নিঃসংকোচে ছেলে-মেয়ে একত্রে চলাফেরা করছে... বিন্দু পরিমাণ অপরাধ বোধও তাদের মধ্যে কাজ করছে না। বরং এ ধরনের অবৈধ সম্পর্ককে বৈধ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন হাস্যকর যুক্তি তুলে ধরার চেষ্টা করছে।অথচ কোন পুরুষের বেগানা কোন মহিলার সাথে অথবা কোন মহিলার বেগানা কোন পুরুষের সাথে নির্জনে অবস্থান করা হারাম। চাই তা কোন ঘরেই হোক অথবা কোন রুমে কিংবা কোন গাড়িতে অথবা লিফটে।► রসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সল্লাম) বলেছেনঃকোন পুরুষ যেন বেগানা কোন মহিলার সাথে নির্জনে অবস্থান না করে। এমন করলে তখন শয়তানই হবে তাদের তৃতীয় জন।সুনান আত-তিরমিযী, হাদীস ১১৭১► রসূল (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সল্লাম) বলেছেনঃ

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ