Monday, November 27, 2017

ইসালে সাওয়াব

ইসালে সাওয়াব


‘‘আলী বিন মুছা হাদ্দাদ (রহঃ) বলেন, আমি ইমাম আহমদ বিন হাম্বলের সাথে কোন এক জানাজায় শরীক ছিলাম। মোহাম্মদ বিন কোদামা জওহারীও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। সেই লাশ দাফন হওয়ার পর এক অন্ধ ব্যক্তি কবরের পার্শ্বে বসিয়া কোরআন পড়িতে লাগিল। ইমাম সাহেব বলেন এইরূপ তেলাওয়াত করা বেদআত। ফিরিয়া আসিয়া মোহাম্মদ বিন কোদামা ইমাম আহমদকে জিজ্ঞাসা করেন যে,

সমাজে এর ক্ষতিকর দিকসমূহ

সমাজে এর ক্ষতিকর দিকসমূহ


১। আজকাল মৃত ব্যক্তির নিকট বসে কুরআন তিলাওয়াত করা একটা রসম-রিওয়াজে পরিণত হয়েছে। এমনকি কোন বাড়ী থেকে কয়েকজনের তিলাওয়াত শুনলে মনে হয়, কেউ ওখানে মারা গেছে। যদি রেডিওতে সারাদিন কুরআন তিলাওয়াত শুনাযায় তবে বুঝতে হবে কোন নেতা মারা গেছেন। একবার কোন এক ব্যক্তি কোন এক অসুস্থ বাচ্চাকে দেখতে গিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করেন। শুনামাত্র তার মা চেঁচিয়ে উঠেন, আমার বাচ্চাতো এখনো মারা যায় নি, কিভাবে তুমি কুরআন পড়ছ?
২। যে মৃত ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় সলাত ত্যাগ করেছে, তার জন্য মৃত্যুর পর কুরআন পড়লে কি লাভ হবে?
কারণ তাকে তো আযাবের খবর দেয়া হয়েছে :

তাবলীগী জামা‘আতের অভিনব গাশ্ত পদ্ধতি

তাবলীগী জামা‘আতের অভিনব গাশ্ত পদ্ধতি


তাবলীগী ভাইয়েরা তাঁদের তাবলীগের ব্যাপারে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করেন। বিশেষ করে যে, মাসজিদে অবস্থান করেন, সেখান থেকে আসর বাদ কিছু মুসল্লী একসঙ্গে বের হন দা‘ওয়াত দেয়ার জন্য। যাকে তারা উমুমি গাশ্ত বলেন। এই ঘোরাফেরাকে ফারসী ভাষায় ‘গাশ্ত’ বলা হয়। তাবলীগী গশ্তের ক্ষেত্রে তাবলীগী মরুববীগণ কতিপয় নিয়ম আবিষ্কার করেছেন। যথা :
১) আমীর,
২) রাহবার বা পথপ্রদর্শক,
৩) মুতাকাল্লিম (বক্তা) নির্বাচন।
এই তিন রকম ব্যক্তি অর্থাৎ

গাশতকালীন যঈফ হাদীসের ‘আমাল

গাশতকালীন যঈফ হাদীসের ‘আমাল


তাবলীগী ভাইদের দেখা যায় গাশ্তের সময মুতাকাল্লিম যাকে দা‘ওয়াত দেয়, তার সঙ্গে মুসাফাহা করে নিম্নোক্ত হাদীসের ফাযীলাত বর্ণনা করেন, যা আমি নিজেও তাবলীগ জামা‘আতে থাকাকালীন করেছি। ভুল বুছে অজ্ঞাতসারে যা করেছি, আল্লাহ যেন মাফ করেন। কারণ তিনি আমাদেরকে শিখিয়েছেন :

{رَبَّنَا لاَ تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا}

‘‘হে আমাদের প্রতিপালক! যদি আমরা বিস্মৃত হই অথবা ভুল করি তবে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না।’’  (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৮৬)
হাদীসটি নিম্নরূপ :

প্রচলিত তাবলীগের তা‘লীম ‘ওয়াহীর’র নয় থানবী’র আর- তরীকা নাবী (সাঃ)’র নয় জামা‘আতের প্রতিষ্ঠাতার

প্রচলিত তাবলীগের তা‘লীম ‘ওয়াহীর’র নয় থানবী’র আর- তরীকা নাবী (সাঃ)’র নয় জামা‘আতের প্রতিষ্ঠাতার


‘‘একবার তিনি বলেন- হজরত থানবী (রহ.) বহুত বড় কাজ করিয়া গিয়াছেন, আমার অন্তর চায় তালীম হইবে তাঁহার আর তাবলীগের তরীকা হইবে আমার। এইভাবে তাঁহার তা’লীম যেন সাধারণ্যে ছড়াইয়া পড়ে।  (মালফুজাত-ইলিয়াস, মালফুজাত নং ৫৬ পৃঃ ৩৩, তাবলীগী কুতুবখানা, চকবাজার, ঢাকা।)
উল্লিখিত বাণী দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, তাবলীগ জামা‘আতের প্রতিষ্ঠাতার মনের বাসনা ছিল যে, তা’লীম হবে থানবীর অর্থাৎ থানবীর তা’লীমের তাবলীগ এবং

নামকরণে কুসংস্কার

নামকরণে কুসংস্কার


হিন্দু কিসসা-কাহিনীতে দেখা যায়, এক দেবতার উপাসক অন্য দেবতার নামে নামকরণ করে না এতে নাকি আরাধ্য দেবতা ক্রদ্ধ হয়। শাক্তদের মধ্যে পাওয়া যায় না, বৈষ্ণবদের নাম। আবার এক দেবতার পূজারী অন্য দেবতার কোপানলে পতিত হয়। এক দেবতা প্রসন্ন হয়, অন্য দেবতা রুষ্ট হয়। মনসা মঙ্গলের গল্প কাহিনীতে দেখা যায় :

তাবলীগী জামা‘আতে বহুল প্রচারিত জাল হাদীস

তাবলীগী জামা‘আতে বহুল প্রচারিত জাল হাদীস


তাবগীলী মুবাল্লিগদের একটি হাদীস বহুত বলতে শুনা যায়। হাদীস নিম্নরূপ :

فكرة ساعة خير من عبادة ستين سنة

‘‘এক ঘণ্টা কিছু সময় চিন্তা ফিকির করা ষাট বছরের ‘ইবাদাত হইতে উত্তম।’’ (তাবলীগ নিসাব ফাজায়েলে জিকির ৩০৪ পৃঃ)
হাদীসটি জাল। আবুশ শায়খ এটিকে ‘আল-আযমাহ’ গন্থে (১/২৯৭/৪২) উল্লেখ করেছেন এবং তার থেকে ইবনুল জাওযী ‘মাওযুআত’ (৩/১৪৪) গ্রন্থে উসমান ইবনু আবদুল্লাহ আল-কুরাশী সূত্রে ইসহাক ইবনু নাজীহ আল-মালতী হতে.....বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেন,

তাবলীগী মরুববীগণ আপনাদের জামা‘আতের প্রতিষ্ঠাতার এই অসি‘আতটি মানবেন কি?

তাবলীগী মরুববীগণ আপনাদের জামা‘আতের প্রতিষ্ঠাতার এই অসি‘আতটি মানবেন কি?


তাবলীগী জামা‘আতের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইলিয়াস (র.) বলেন : হজরত থানবী (রহ.) বহুত বড় কাজ করিয়া গিয়েছেন, আমার অন্তর চায় তালীম হইবে তাঁহার আর তাবলীগের তরীকা হইবে আমার। এইভাবে তাঁহার তা’লীম যেন সাধারন্যে ছড়াইয়া পড়ে। (মালফুজাত, মাওঃ ইলিয়াস, ৩৩ পৃঃ, মাঃ ৫৬)
সম্মানিত তাবলীগী মুরুববী ও মুবাল্লিগ ভাইয়েরা! উল্লিখিত মালফুজাত দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, জনাব থানবীর তা’লীমকে সাধারণ্যে ছাড়িয়ে দেয়া ইলিয়াস সাহেবের মনের বাসনা। আপনারা উক্ত বাসনা সম্ভবত যথাযথ পূরণ করেছেন না। তার বড় প্রমাণ হল

তাবলীগের চিল্লা পদ্ধতি নবোদ্ভাবিত বিদ‘আত

তাবলীগের চিল্লা পদ্ধতি নবোদ্ভাবিত বিদ‘আত


পাঠক! ‘চিল্লা’ ফারসী শব্দ। যার শাব্দিক অর্থ ‘চল্লিশ দিনের বিশেষ গুরুত্ব রহিয়াছে। যেমন হাদীস শরীফে মাতৃ উদরে মানব জন্মের ধারা বাহিকতা প্রসঙ্গে বলা হইয়াছে, মানুষ চল্লিশ দিন যাবত বীর্যরূপে অবস্থান করে। অতঃপর চল্লিশ দিনে গোশত পিন্ডরূপ ধারণ করে। তারপর প্রতি ৪০ দিনে এক এক অবস্থায় রূপান্তরিত হইতে থাকে, এই কারণে ছুফী দরবেশদের নিকট চিল্লার একটি বিশেষ তাৎপর্য রহিয়াছে।

এমনভাবে জিকির কর যেন লোকে পাগল বলে

এমনভাবে জিকির কর যেন লোকে পাগল বলে


عن أبى سعيدن الخدرى أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اكثروا ذكر الله حتى يقولوا مجنون رواه احمد

‘‘হুজুর পাক (ছঃ) এরশাদ করেন। এত বেশী পরিমাণ আল্লাহর জিকির করিতে থাক যেন লোকে তোমাকে পাগল বলিতে থাকে। (আহমাদ) অন্য হাদীছে বর্ণিত আছে, এত বেশী জিকির করিতে থাক যেন মোনাফেকগণ তোমাকে রিয়াকার বলিয়া আখ্যা দেয়।’’
ফায়েদাঃ এই হাদিছ দ্বারা বুঝা গেল যে, মোনাফেক এবং

আখিরী মুনাজাত ও অন্যান্য দু‘আ

আখিরী মুনাজাত ও অন্যান্য দু‘আ


আমাদের দেশে প্রতি বৎসর দু’টি স্থানে দু’টি বড় অনুষ্ঠান মহাসমারোহে পালিত হয়। একটি হল বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে আর একটি হল বিশ্ব ইজতেমায়। এক মঞ্জিলে বড় বড় বিত্তবান বা মালদার সওদাগর নিজেরা গরু, ছাগল, উট নিয়ে ওরস করতে যায়। অন্য মঞ্জিলে বড় ছোট সব ধরনের লোকেরা গাট্ঠি-বোচকা নিয়ে এজতেমা করতে যায়। এর একটায় করতে যায় জেকের আর একটায় করতে যায় ফেকের। একটায় করতে যায় আখিরী মুনাজাত আর একটায় করতে যান আখিরী মুলাকত। আমরা জানি

ফাযায়েলে আমল, না মাসায়েলে আমল?

ফাযায়েলে আমল, না মাসায়েলে আমল?


‘‘হযরত ছায়ীদ বিন্ মোছাইয়্যেব (রহঃ) একজন বিখ্যাত তাবেয়ী ও মোহাদ্দেছ ছিলেন। আব্দুল্লাহ বিন আবি বেদাআ তাঁহার খেদমতে বেশী বেশী আগমন করিতেন। এক সময় কয়েকদিন যাবত অনুপস্থিত থাকার পর হঠাৎ হাজির হওয়ায় হজরত ছায়ীদ (রহঃ) তাঁহাকে অনুপস্থিত থাকার কারণ জিজ্ঞাসা করেন। আব্দুল্লাহ বলিলেন, আমার বিবির এন্তেকাল হইয়া গিয়াছিল তাই বিভিন্ন ঝামেলায় ব্যস্ত ছিলাম। হজরত ছায়ীদ বলিলেন,

ইবনু জুবায়র (রাঃ)’র রক্ত পান


ইবনু জুবায়র (রাঃ)’র রক্ত পান


‘‘জুহুর পাক (ছঃ) একবার সিঙ্গা লাগাইয়া আব্দুল্লাহ এবনে জোবায়ের (রাঃ)-কে বলিলেন, এই রক্তগুলি কোথাও পুতিয়া রাখ। তিনি আসিয়া আরজ করিলেন, হুজুর! পুতিয়া দিয়াছি। হুজুর (ছঃ) বলিলেরন, কোথায় পুতিয়াছ! তিনি বলিলেন, আমি উহা পান করিয়া ফেলিয়াছি। হুজুর (ছঃ) ফরমাইলেন, যে শরীরে আমার রক্ত প্রবেশ করিয়াছে তাহার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম কিন্তু

নাবী প্রেমের বিভিন্ন কাহিনী

নাবী প্রেমের বিভিন্ন কাহিনী


১। জনৈক বেদুঈন হুজুর (ছঃ)-এর কবর শরীফের নিটক দন্ডায়মান হইয়া আরজ করিল, হে রব! তুমি গোলাম আজাদ করিবার হুকুম করিয়াছ। ইনি তোমার মাহবূব আমি তোমার গোলাম। আপন মাহবূবের কবরের উপর আমি গোলামকে আগুন হইতে আজাদ করিয়া দাও। গায়েব হইতে আওয়াজ আসিল, তুমি একা নিজের জন্য কেন আজাদী চাহিলে? সমস্ত মানুষের জন্য কেন আজাদী চাহিলে না। আমি তোমাকে আগুন হইতে আজাদ করিয়া দিলাম। (ফাজায়েলে হজ্ব- ১৫২-১৫৩ পৃঃ)
সম্মানিত মুসলিম ভ্রাতাগণ!

তাসবীহ দ্বারা যিকর করা বিদ‘আত

তাসবীহ দ্বারা যিকর করা বিদ‘আত


‘‘শাইখুল হাদীস সাহেব তাবলীগী নিসাবের ফাজায়েলে যিকরের ৪৫৪ পৃষ্ঠায় সহীহ মুসলিমে একটি হাদীসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লিখেছেন, ‘‘অন্য হাদীছে আসিয়াছে, হজরত ছায়াদ (রহঃ) হুজুরের সহিত জনৈক মেয়ে লোকের বাড়িতে গিয়া দেখন যে, তাহার সামনে অনেক গুলি মেয়ে খেজুরের বিচি অথবা পাথরের কঙ্কর পড়িয়া আছে যাহার দ্বারা সে তাছবীহ পাঠ করিয়া থাকে।........এ জন্য সুফীগণ বলেন,

তাবলীগী নিসাব কর্তৃক একটি পরিভাষা এবং শারী‘আতে তার স্থান

তাবলীগী নিসাব কর্তৃক একটি পরিভাষা এবং শারী‘আতে তার স্থান


রুহুল বয়ানে আবদুল্লাহ বিন ওমর (রঃ) হইতে বর্ণিত আছে, হুজুর (ছঃ) বলেন, আমার উম্মাতের মধ্যে সব সময় পাঁচ শত বিশিষ্ট অলী ও চল্লিশ জন আবদাল থাকেন। তন্মধ্যে কেউ মারা গেলে অন্য একজন তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। ছাহাবারা তাদের বিশিষ্টি আমালের কথা জিজ্ঞাসা করিলে হুজুর (ছঃ) বলেন, তাহারা অত্যাচারীকে ক্ষমা করিয়া দেয়, দুর্ব্যবহারকারীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করে ও

আল্লাহ ওয়ালাদের ছোহবত

আল্লাহ ওয়ালাদের ছোহবত


{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللهَ وَكُونُواْ مَعَ الصَّادِقِينَ}

‘‘হে বিশ্বাসী বান্দাগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্য বাদীদের সাথে থাক।’’ (তাওবাহ : ১১৯)
 মোফাচ্ছেরীনগণ সত্যবাদীদের অর্থ এখানে মাশায়েখ ও ছুফিয়ায়ে কেরাম দ্বারা করিয়াছেন। যখন কোন ব্যক্তি তাঁহাদের সাহচর্য লাভ করেন তখন তাঁহাদের তরবিয়াত ও আল্লাহ প্রদত্ত শক্তির বদৌলতে সে তারাক্বীর উচ্চ শিখরে আরোহন করিয়া যায়। হযরত শায়েখ আকবর (রঃ) লিখিয়াছেন,

প্রিয় মাহবুব (ছঃ) কর্তৃক হজরত জামী (রঃ) কে মদীনায় যাইতে নিধেষ করার কেচ্ছা

প্রিয় মাহবুব (ছঃ) কর্তৃক হজরত জামী (রঃ) কে মদীনায় যাইতে নিধেষ করার কেচ্ছা


হযরত জামী (রহঃ) এই কাছীদা লেখার পর একবার হজ্জে রওয়ানা হইয়া গিয়াছিলেন। তাঁহার ইচ্ছা ছিল মদ্বীনায়ে মোনাওয়ারা পৌঁছিয়া হুজুরে পাক (ছঃ)-এর দরবারে এই কাছিদা পাঠ করিবে। হজ্জ আদায় করার পর তিনি যখন মদ্বীনা শরীফ জিয়ারতের এরাদা করিলেন। তখন মক্কা শরীফের আমীর হুজুরে আকরাম (ছঃ) এর জিয়ারত লাভ করিলেন।........... ইহার পর

ঊনপঞ্চাশ কোটি ফযীলতের হাক্বীকাত

ঊনপঞ্চাশ কোটি ফযীলতের হাক্বীকাত


আমাদের প্রচলিত তাবলীগী ভাইদের ৬নং এর শেষ নাম্বার হ’ল ‘দাওয়াত ও তাবলীগ’ যার ফাযীলত বর্ণনা করতে গিয়ে তাবলীগী ভাইদের মুখ থেকে শোনা যায়, এ রাস্তায় বের হয়ে অর্থাৎ তাবলীগী জামা‘আতের সহিত বের হলে প্রতিটি আমলের বিনিময় নাকী ঊনপঞ্চাশ কোটি সওয়াব পাওয়া যায় যেমন তারা বলে যদি কেউ তাবলীগে বের হয়ে এক রাক‘আত সলাত আদায় করে তাহলে সে ঊনপঞ্চাশ কোটি সলাত আদায় করার সওয়াব পায়। একবার ‘সুবহান আল্লাহ’ বললেও

সলাতুল হাজাতের তাহক্বীক

সলাতুল হাজাতের তাহক্বীক


হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তির কোন প্রয়োজন দেখা দেয় বা সে কোন অভাবের সম্মুখীন হয় তা দ্বীন সংক্রান্ত হোক বা দুনিয়া সংক্রান্ত এবং উক্ত কাজের সম্পর্কে আল্লাহর সঙ্গে হোক বা বান্দার সঙ্গে হোক তার উচিৎ এই যে, সে যেন খুব ভাল করে অযু করে তারপর দু’ রাকআত নামায পড়ে অতঃপর আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসামূলক দু‘আ পাঠ করে ও হুজরের (ছঃ) উপর দরূদ পড়ে নিম্নোক্ত দু‘আ পাঠ করে। ইনশা-আল্লাহ তার হাজাত নিশ্চয়ই পূর্ণ হবে।
 দোয়া এই

মুখস্ত শক্তি বাড়ানোর দু‘আ সংক্রান্ত একটি জাল হাদীস

মুখস্ত শক্তি বাড়ানোর দু‘আ সংক্রান্ত একটি জাল হাদীস


তাবলীগী নিসাবের ফাযায়েলে আ‘মালের ফাযায়েলে কুরআনের ১০৫ পৃষ্ঠা থেকে ১০৯ পৃষ্ঠা পর্যন্ত ‘‘কুরআন শরীফ হেফজ করিবার দু‘আ’’ অধ্যায়ে একটি দীর্ঘ হাদীস উলেখ করিয়াছে যাহা সম্পুর্ণ উল্লেখ করিলে কলেবর বৃদ্ধি পাইবে তাই হাদীসটির প্রথম ও শেষ অংশ থেকে কিয়াদংশ তুলে ধরা হল। (উল্লেখ্য পাঠকদের যাতে খুঁজতে অসুবিধা না হয় তার জন্য আরো একটু সহজ বিষয় হ’ল উল্লিখিত হাদীসটি ফাযায়েলে কুরআনের ‘উপসংহার’ এর পূর্বের হাদীটি। হাদীসটি নিম্ম রূপ।
‘‘একদিন হযরত আলী (রাঃ) আসিয়া আরজ করিলেন- ইয়া রাছুলুল্লাহ!

সলাত এবং ঢোলের শব্দ

সলাত এবং ঢোলের শব্দ


আমের বিন্ আব্দুল্লাহ বলেন, নামাজ পড়া কালে (ঘরের লোকদের) তো দূরের কথা ঢোলের শব্দও আমি শুনিতে পাই না। (তাবলীগী নিসাবের ফাযায়েলে আমলের ফাযালেলে নামাযের ১২১ পৃঃ তাবলীগী কুতুবখানা ৬০, চক বাজার ঢাকা- ১২১১, সংশোধির সংস্করণ ৫ই সেপ্টেম্বর ২০০১ ইং, মূল উর্দ্দু ফাযায়েলে নামাজ আকস ৮৪ পৃঃ, দারুল ইশাআত, উর্দ্দু বাজার করাচী- ১)
সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা এতো ছিল তাবলীগী নিসাবের সূফি বুজুরগের সলাতের অবস্থা, এখণ লক্ষ্য করুন, সকল মুসলিম নর নারীর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একমাত্র

সাহাবাগণের অনুসরণ সংক্রান্ত যঈফ হাদীস

সাহাবাগণের অনুসরণ সংক্রান্ত যঈফ হাদীস


‘‘অন্য হাদীছে আছে আমার ছাহাবারা নক্ষত্রের সমতুল্য। তোমরা যাহারই অনুসরণ করিবে হেদায়াত প্রাপ্ত হইবে।’’
মোহাদ্দেছীনগণ এই হাদীছে কিছুটা আপত্তি করিয়াছেন। এবং হাদীসের তালিকাভূক্ত করিতে কাজী আয়াজের উপর অভিযোগও করিয়াছেন। কিন্তু মোল্লা আলী কারী (রহ.) বলেন, বিভিন্ন সূত্রে রেওয়ায়েত হওয়ার দরুন হয়ত ইহা কাজী সাহেবের নিকট গ্রহণযোগ্য অথবা ফাজায়েলে আ‘মলের ব্যপারে অপেক্ষাকৃত দুর্বল হাদীস ও সর্ব সম্মতভাবে গ্রহণযোগ্য তাই তিনি জিকির করিয়াছেন।’’ (তাবলীগী নিসাব হেকায়াতে সাহাবার নাবী প্রেমের বিভিন্ন কাহিনী অধ্যায়-২৭০ পৃষ্ঠা)
সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা!

হাফেজে কুরআনের ফজিলতে দুর্বল হাদীস

হাফেজে কুরআনের ফজিলতে দুর্বল হাদীস


‘‘হজরত আলী (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে, হুজুরে পাক (ছঃ) বলেন, যে ব্যক্তি কোরআন পাঠ করিয়াছে ও উহাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়াছে উহার হালালকে ও হারামকে হারাম জানিয়াছে আল্লাহ পাক তাহাকে বেহেশতে দাখিল করিবেন এবং তাহার পরিবারস্থ এমন বিশজন  লোকের জন্য সুপারিশ কবূল করিবেন যাহাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত ছিল।’’ (তিরমিজির উদ্ধতিতে ফাজায়েলে কুরআন ১৮১ পৃষ্ঠা)
হাদীসটি উল্লেখ করার পর তাবলীগী নিসাবের লেখক জনাব যাকারীয়া হাদীসটিকে যঈফ উল্লেখ করেছেন আরবীতে, যেমন হাদীসটির শেষে দুই ব্যারাকেটের মধ্যে আরবীতে তিনি লিখেছেন,

তাবলীগী নিসাবের সলাত সংক্রান্ত জাল হাদীস

তাবলীগী নিসাবের সলাত সংক্রান্ত জাল হাদীস


আল-কুরআন ও সহীহ হাদীসের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে, ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভের দ্বিতীয় স্তম্ভ হল দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সলাত। যা যথাসময়ে আদায় করা প্রত্যেক আকেল-বালেগ মু’মিনের প্রতি সর্বপ্রথম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সলাতই মু’মিন-মুসলিমের পরিচয় এবং ঈমান ও কুফরীর মধ্যে পাথর্ক্য। সলাত পরিত্যাগকারী ‘‘কাফির ও মুশরিকদের দলভুক্ত’’ বলে গণ্য হবে। কিয়ামাতের দিন সর্বপ্রথম সলাতেই হিসাব গ্রহণ করা হবে। এভাবে অগণিত দলীল প্রমাণ আল-কুরআন ও সহীহ হাদীসে ফরয সলাতের গুরুত্ব ও সলাতে অবহেলার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে আমরা জানতে পারি।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হল

নামাজ না পড়া সম্পর্কে ৮০ হুকবার জাল হাদীস

৮০ হুকবার জাল হাদীস


‘‘হুজুরে পাক (ছঃ) ফরমাইয়াছেন : যে ব্যক্তি নামাজ এমনিভাবে ছাড়িয়া দেয় যে, উহার সময় চলিয়া যায়। অতঃপর কাজা পড়ায়ে লয়, জাহান্নামের অগ্নিতে সে এক হোকবা পরিমাণ দগ্ধ হইবে। আশি বৎসরে এক হোকবা। প্রতি বৎসর তিনশত ষাট দিনে ও প্রতিদিন দুনিয়ার একহাজার বৎসরের সমতুল্য হইবে সুতরাং এক হোকবার পরিমান দুই কোটি আষ্টাশি লক্ষ বৎসর।’’  (মাজালেছুর আবরারের উদ্ধৃতিতে ফাজায়েলে নামাজ ৮৯ পৃষ্ঠা)
সম্মানিত পাঠক! এখানেও পূর্বের ন্যায় ঐ একই কান্ড ঘঠিয়েছেন শাইখ যাকারিয়া কান্দাভী হাদীসটি যে জাল তা তিনি নিজের তাহক্বীকের ভিত্তিতে আরবীতে লিখলেও উর্দূ এবং বাংলায় তার অনুবাদ করা হয়নি। হাদীসটি উদ্ধৃত করে তিনি বলে :

তাবলীগী নিসাব সম্পর্কে বাহরাইন প্রবাসী এক মুসলিম ভাই’র তিক্ত অভিজ্ঞতা

তাবলীগী নিসাব সম্পর্কে বাহরাইন প্রবাসী এক মুসলিম ভাই’র তিক্ত অভিজ্ঞতা


‘‘সউদী আরবে পাথিব উপার্জনের লক্ষে এসে আল্লাহপাকের অশেষ রহমতে সঠিক দ্বীনের সন্ধান পেয়েছি। পীরতন্ত্র আর তথাকথিত বুযুর্গ ও মুরববীদের পথই সঠিক পথ বলে যে ভ্রান্ত বিশ্বাসে বিশ্বাসী ছিলাম, ‘উনাইযা ইসলামিক সেন্টার’-এর মুহতারাম ওস্তাদ অধ্যাপক রশীদ আব্দুল ক্বাইয়ূম-এর দা‘ওয়াত ও একান্ত প্রচেষ্টায় ভ্রান্ত বিশ্বাসের সেই বেড়াজাল থেকে মুক্তি পেয়েছি। আল-হামদুলিল্লাহ। মুহতারাম ওস্তাদের ছহীহ দলীলভিত্তিক আলোচনায় আমার মত শত শত যুবক পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের ছত্রছায়ায় এসে ধন্য হয়েছে। আমাদের বাংলাদেশ প্রচলিত কয়েকটি বাতিল ফের্কা ও জামা‘আত সম্বন্ধে আলোচনার নিমিত্তই আজকের এ কলামের অবতারণা।
আদি পিতা আদম (আঃ)-এর একমাত্র শত্রু ছিল ইবলীস শয়তান। সেই থেকে

বিশ্ব বরেণ্য আলিমগণের দৃষ্টিতে তাবলীগ জামা‘আত ও তার নিসাব

বিশ্ব বরেণ্য আলিমগণের দৃষ্টিতে তাবলীগ জামা‘আত ও তার নিসাব


সম্মানিত মুসলিম ভ্রাতাগণ! এ অধ্যায়ে আমরা আলোচনা করব বিশ্বের সকল মুসলিমদের নিকট সমাদৃত আলিম উলামাদের মতামত, বিশেষ করে আরব বিশ্বের আলিমগণের অভিমত। কারণ আমি এ গ্রন্থের শুরুতে বলেছি যে, আরব বিশ্বের উলামায়ে কেরাম তাবলীগী জামা‘আত ও তার নিসাবকে বাতিল বলে প্রত্যাখান করেছেন। তারই প্রমাণ স্বরূপ এখানে বর্তমান শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ কিছু আলিমের মতামত সংক্ষেপে তুলে ধরছি। যাঁদের মতামত তুলে ধরছি তাঁরা হলেন :

তাবলীগ জামা‘আত সম্পর্কে শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ.) অভিমত

শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ.) অভিমত


শাইখ নাসিরুদ্দ্বীন আলবানী (রহ.)’র নিকট প্রশ্ন করা হয় :
তাবলীগ জামা‘আত সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? এদের সাথে কোন তালিবে ‘ইলম বা অন্য কেউ আল্লাহর পথে দাওয়াত দিতে বের হতে পারে কি?
উত্তর : তাবলীগ জামা‘আত আল্লাহর কুরআন এবং রসূলের হাদীসের তরীকার উপর প্রতিষ্ঠিত নয় এবং আমাদের সালফে সালিহীনদের পন্থার উপর নয়। অবস্থা যখন এই, তখন তাদের সাথে বের হওয়া জায়িয হবে না। কেননা এটা আমাদের সালফে সালিহীনদের তাবলীগের পন্থার পরিপন্থী। দা‘ওয়াতের কাজে বের হবেন আলিম বা বিদ্বান ব্যক্তি। আর এরা যারা বের হচ্ছে

তথ্য পঞ্জি

তথ্য পঞ্জি


১। আল-কুরআনুল কারীম- ই,ফা,বা
২। তাফসীরে ইবনে কাসীর- হাফেজ আল্লামাহ ইমাদুদ্দিন ইবনু কাসীর (রহ.) (৭৭৪ হি:) অনুবাদ ডঃ মুজীবুর রহমান প্রকাশ কালঃ জুলাই ১৯৯৮ ইং রবিউল আউয়াল ১৪১৯ হি: শ্রাবণ-১৪০৫ বাং)
৩। তাফসীরে মা‘আরেফুল কুরআন- মুফতী মুহাম্মদ শাকী (রহ.) অনুবাদ ; মহিউদ্দিন খান বাংলা অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত তাফসীর। খাদেমুল হারামাইন শরীফাইন বাদশা ফাহদ কোরআন মুদ্রণ প্রকল্প,  পো : বক্স নং-৩৫৬১ মদ্বীনা মোনাওয়ারা।
৪। রুহুল মাআনী- মাহমূদ আলূসী (১২৭০ হিঃ) এমদাদিয়া, মুলতান, পাকিস্তান।
৫। তাফসীরে কাবীর- ফখর উদ্দ্বীন রাযী
৬। তাফসীরে তাবারী- আল্লামাহ তাবারী
৭। তাফসীরে কুরআনে আযীযী- মাসউদ আহমাদ, করাচী
হাদীস, শর্হ ও উসূমে হাদীস

রমাযানের ফাযীলাত (প্রথম পরিচ্ছেদ)

রমাযানের ফাযীলাত (প্রথম পরিচ্ছেদ)


শায়খ সাহেব ফাজায়েলে রমজানের প্রথম পরিচ্ছেদের প্রথমেই একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তার শেষে আরবীতে মন্তব্য লিখেছেন। কিন্তু উর্দূতে তার অনুবাদ করেন নি এবং বাংলায় যিনি অনুবাদ করেছেন তিনি হলেন মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ (এম, এ রিসার্চ স্কলার) তিনিও আরবী মন্তব্যটির অনুবাদ করেন নি। আমরা তার লিখিত অনুবাদটি হুবহু তুলে ধরছি এবং হাদীসটি সম্পর্কে মুহাদ্দিসগণের মতামত পাঠকের সামনে তুলে ধরছি-
‘‘হযরত ছালমান (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে তিনি বলেন,

সাহারী ও ইফতার নিয়ে বাড়াবাড়ী

সাহারী ও ইফতার নিয়ে বাড়াবাড়ী


‘‘হজরত ছহল বিন আবদুল্লাহ তছ্তরী (রহ:) পনের দিনে একবার খানা খাইতেন, তবে ছুন্নত হিসাবে রমজানের ভিতর প্রতিদিন এক লোকমা খাইতেন ও শুধু পানি দ্বারা ইফতার করিতেন। হযরত জুনায়েদ বাগদাদী (রহ.) হামেশা রোজা রাখিতেন কিন্তু কোন আল্লাহর অলি মেহমান হইলে রোজা ভাঙ্গিতেন এবং বলিতেন এই রকম বন্ধুর সহিত খাওয়া রোজার চেয়ে কম মর্যাদা রাখে না।’’ (ফাজায়েলে রমজান- ৪৯৫ পৃঃ)
‘‘এবনে দাক্বীকুল ঈদ বলেন,

ইফতারের সময় পঠিতব্য দু‘আ

ইফতারের সময় পঠিতব্য দু‘আ


দারুল উলূম দেওবন্দের পরেই সাহারানপুর মাদরাসার স্থান। সেই মাদরাসার সনামধন্য শাইখুর হাদীস ‘ফাযায়িলে ‘আমাল’-এর লেখক জনাব যাকারিয়া সম্ভবত সজ্ঞানে হাদীসের শব্দে বাড়াবাড়ি করেছেন। যেমন তিনি তাবলীগী নিসাবে লিখেছেন :
اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَبِكَ امَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ وَعَلىرِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
আয় আল্লাহ! আমি তোমারই জন্য রোজা রাখিয়াছি এবং তোমার উপর বিশ্বাস স্থাপন করিয়াছি এবং তোমার উপর ভরসা করিয়াছি ও তোমারই প্রদত্ত নেয়ামত দ্বারা ইফতার করিতেছি।
অতঃপর তিনি লিখেছেন,
‘‘হাদীছে আরও সংক্ষিপ্ত দোয়া বর্ণিত আছে।’’ (ফাজায়েলে রমজান- ৪৯১ পৃঃ)
শাইখ সাহেব নিজেই স্বীকার করেছে যে,

ই‘তিকাফ প্রসঙ্গ

ই‘তিকাফ প্রসঙ্গ


عن ابن عباس رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في المعتكف هو يعتكف الذنوب ويجرى له من الحسنات كعامل الحسنات كلها (مشكوة عن ابن ماجة)
অর্থঃ হুজুর (ছঃ) এরশাদ করেন, এ’তেকাফকারী সকল পাপ হইতে মুক্ত থাকে এবং তাহার জন্য এত বেশী নেকী লিখিত হয় যেন স্বয়ং সে সর্বপ্রকার সৎকাজ করিয়াছে।  ([মেশকাত] তাবলীগী নিসাব- ফাজায়েলে রমাযান- ৫২০)
হাদীসটি যঈফ, যঈফ ইবনে মাজাহ-

ই‘তিকাফ সংক্রান্ত আর একটি যঈফ হাদীস

ই‘তিকাফ সংক্রান্ত আর একটি যঈফ হাদীস


من اعتكف عشرا في رمضان كان كحجتين وعمرتين
রসূললুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমাযানের দশ দিন ই‘তিকাফ করলো সে যেন দুই হাজ্জ ও দুই উমরাহ করলো।
হাদীসটি জাল : বায়হাকী ‘আস-শু‘আব’ গ্রন্থে হুসাইন বিন আলী (রাঃ) হতে হাদীসটি মারফূ‘ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। হাদীসের সনদ দুর্বল। সনদে বর্ণনাকারীদের একজন মুহাম্মাদ বিন যাযান পরিত্যাক্ত রাবী। তার সম্পর্কে ইমাম বুখারী (রহ.) বলেছেন, তার থেকে কেউ হাদীস লিখবে না। সনদে আরো রয়েছে, আন্বাসা ইবনু আব্দুর রহমান। তার সম্পর্কে ইমাম বুখারী (রহ.) বলেছেন, মহাদ্দিসগণ তাকে পরিত্যাগ করেছেন। ইমাম যাহাবী ‘‘আয-যেয়াফা’’ গন্থে বলেছেন: তিনি মাতরূক তাকে জাল করার দোষে দোষী করা হয়েছে।স ‘‘ফায়যুল কাদীর’’ গ্রন্থে এরূপই এসেছে। (যইফ ও জাল হাদীস সিরিজ ২য় খন্ড হা ৫১৮ পৃ: ৭৭-৭৮)
পাঠক মহোদয়!

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ